'সে বলে পীর সাহেব সূর্যকে ধরে রাখার ক্ষমতা রাখে।'- উক্তিটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মজিদ আক্কাসকে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয় কেন?
- ধূর্ত তুহিন সাধারণ মানুষের অশিক্ষা ও ধর্মভীতিকে কাজেলাগিয়ে এলাকাবাসীদের নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাবিজ বিক্রি ওপানিপড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী সহজ-সরলশোভা স্বামীর প্রতি বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় অন্ধ। উদ্দীপকের শোভা 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদ রূপনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক ইমরান গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল।কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।উদ্দীপকের অপশক্তি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন শক্তিকে নির্দেশ করে? সেই শক্তির উৎস সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।
- 'লালসালু' উপন্যাসটি কোন গ্ৰামের পটভূমিতে লেখা ?
- ফয়জুল্লাহপুর একটি গ্রামীণ শহর। ধান-সুপারির মওসুমে এখানকার সকলের হাতেই টাকা-পয়সা থাকে। হাট-বাজারে থাকে লোকের ভীড়। এসময়ে ভিক্ষুকের আগমনও বেড়ে যায়। একদল ভিখারী হামাগুড়ি দেয় আর সুর করে 'আল্লা দে, আল্লা দেয়' বলে বলে ভিক্ষা চায়। তাদের বিচিত্র সুরে ফয়জুল্লাহপুরের মানুষের মন গলে, কেউ টাকা বা আধুলী ফেলে যায় থালায়। ব্যাপারটা এখানকার স্থানীয় ভিক্ষুকদের সহ্য হয় না। তারা লাঠিসোঁটা নিয়ে এদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।মজিদের সাথে ফকিরদের উদ্দেশ্যগত মিল থাকলেও আচরণগত অমিল রয়েছে-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- গৌরিপুর গ্রামের সুশিক্ষিত ছেলে আরিফ হোসেন। এলাকার উন্নয়ন, বিশেষ করে নিরক্ষর মানুষদের সাক্ষর করে তোলার লক্ষ্যে সে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু এ মহৎ কাজে সে তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। নিজের প্রভাব ও প্রতিপত্তি বজায় রাখার জন্য মাতব্বর আনসার আলী ও তার লোকেরা আরিফকে অপমানিত করে গ্রাম ছাড়া করে।উদ্দীপকের আরিফ 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- 'শুধু ওই একটি পথেই আমরা উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।' কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।
- ‘উত্তম পুরুষ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- 'তোমার দাড়ি কই মিঞা?'-উক্তিটি কার?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি?
- এত শ্রম, এত কষ্ট, তবু কীসের ঠিকানা নেই?
- মজিদ কিভাবে মহব্বতনগর গ্রামে শিকড় গেড়েছিল?
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরর্তীকালে তিনি এই। এলাকায় বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য তুলে ধর।
- মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুর পর বড়ো ছেলে হুমায়ুন অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরাহণের পরপরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সঙ্গে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনককার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুন তার অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে অসহযোগিতা পাওয়া সত্ত্বেও শক্ত হতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।'আংশিক সাদৃশ্য থাকলেও হুমায়ুন ও সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি এক নয়।'- বিশ্লেষণ করো।
- জালালের দুই বউয়ের মধ্যে মিমি ছোট। বয়স অল্প হওয়ারকারণে সংসার সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। হেসে-খেলেদিন কাটে তার। সুযোগ পেলেই সমবয়সী মেয়েদের সাথে গল্পগুজবে মেতে ওঠে সে।উদ্দীপকের মিমি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রেরঅনুৰূপ?
- কিছু কিছু মানুষ তাদের চাওয়া-পাওয়ার প্রত্যক্ষ উৎস হিসেবে মাজারকে বেছে নেয়। হরেক রকম মানত করে। তেমনি এক অসহায় বৃদ্ধ সালাম মণ্ডল। তার রোগগ্রস্ত ছেলের জন্য মাজারে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি মানত করে। এতে ছেলের শারীরিক কোনো উন্নতি ঘটে না। ছেলে তার দিনকে দিন খারাপের দিকেই যায়। তার শেষ সম্বল টাকা-পয়সা যা ছিল তাও সে মাজারে ছুড়ে দিয়ে ছেলের জন্য রোগমুক্তির প্রার্থনা করে।উদ্দীপকে বর্ণিত সালাম মন্ডলের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রের বর্ণনা দাও।
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'বাহে মুলুকে ' বলতে বোঝায়
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'-ব্যাখ্যা করো।
- মকবুল তিন বিয়ে করেছে। তিন বউই বেঁচে আছে ওর। সবার ছোটো টুনি। গায়ের রং কালো। ছিপছিপে দেহ। আয়ত চোখ। বয়স তার তেরো-চৌদ্দের মাঝামাঝি। সংসার কাকে বলে সে বুঝে না। সমবয়সি কারও সঙ্গে দেখা হলে সবকিছু ভুলে গিয়ে মনের সুখে গল্প জুড়ে দেয়। আর হাসে। হাসাতে হাসাতে মেঝেতে গড়াগড়ি দেয় টুনি।উদ্দীপকের টুনির সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রটির সাদৃশ্য কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- 'গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ।'- বুঝিয়ে লেখো।
- “মাজারটি তাঁর, শক্তির মূল'' বলতে কী বোঝানোহয়েছে?
- খালেক ব্যাপারীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হলো, সে-দুর্বলচিত্তধর্মভীরুব্যক্তিত্বহীননিচের কোনটি সঠিক?
- রাহেলার মা ছাড়া সংসারে আর কেউ নেই। সামান্য পড়ালেখা শিখেছে সে। আর্থিক অবস্থার কারণে তার মা বাধ্য হয়েই এক বয়স্ক লোকের সাথে রাহেলার বিয়ে দেয়। স্বামীর বাড়ি গিয়ে দেখে, সেখানে তার স্বামীর আরো একটি বউ রয়েছে। রাহেলার ভাগ্যই খারাপ। বড় বউ রাহেলাকে মোটেই সহ্য করতে পারে না। সারাদিন খাটায়, ঠিকমতো খেতে-পরতে দেয় না। রাহেলার বিরুদ্ধে স্বামীর কান ভারীর করে। রাহেলা একদিন আবিষ্কার করল তার স্বামী বসির মিয়া চোরাকারবারের সাথে যুক্ত। ঘরে অবৈধ জিনিসপত্র রাখে। আর মধ্যরাতে তার দলের অন্যদের সাথে এসব জিনিসপত্র পাচার করে। রাহেলা এসব দেখ?? ভয় পেয়ে যায়। সে প্রতিবাদ করে, বিনিময়ে লাথি ঝাঁটা খায়। একদিন পুলিশ আসে ঘরে। রাহেলা পুলিশের কাছে সমস্ত গোপন তথ্য ফাঁস করে দেয়। বসির মিয়ার মুখোশ খুলে যায়।উদ্দীপকের বসির মিয়ার বড় বউয়ের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমা চরিত্রের তুলনা করো।
- ওয়াজ করিবার সময় পির সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়ে গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন।..... তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখমুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে উল্লিখিত আমেনা বিবি কোন দিন রোজা রাখে?
- "রহিমার অলক্ষ্যে ছাপিয়ে ওঠো অশ্রুর সঙ্গে কতক্ষণ লড়াই করে জমিলা তারপর কেঁদে ফেলে"- তার এই কান্নার কারন কী?
- 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদ কোন সময় আওয়ালপুরগ্রামে পৌঁছাল ?
- কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচনা নয়?
- 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের মধ্যে কোনটি অনুপস্থিত?
- “বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ”। ‘লালসালু' উপন্যাসে গ্রামবাসী সম্পর্কে লেখকের এ মন্তব্যের তাৎপর্য কী?
- এনায়েত রসুলপুর মসজিদের ইমাম। সর্বদা এবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকে সে। মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ায় সবাই তাকে মান্য করে। সুন্দর নূরানী চেহারা হওয়ায় এলাকার সবাই তাকে পীর সাহেব হিসাবে গণ্য করে। সে হঠাৎ ফতোয়া জারি করে সকল দান খয়রাত এলাকার মানুষ যেন মসজিদ মাদ্রাসায় দেয়। একথা শুনে এলাকার আধুনিক শিক্ষিত যুবক মেহেরা প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু এলাকার কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ মেহেরার কথায় সায় দেয় না বরং বিরোধিতা করে। তাদের ধারণা বাংলা, ইংরেজি পড়া স্কুল কলেজে পড়লে মানুষ শয়তানের দোসর হয়। পরকাল শেষ হয়ে যায়। তাই সকল দান খয়রাত, পড়াশুনা মসজিদ মাদ্রাসাভিত্তিক হওয়া দরকার।রসুলপুর গ্রামের এনায়েতের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য দেখাও।
- কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?
- 'পায়ের আঙুলে দাড়িয়ে বকের মতো গলা বাড়িয়ে পির সাহেবকে একবার দেখার চেষ্টা করে।' যার সম্পর্কে এই কথা বলা হয়েছে
- কত বছর বয়সে আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো-ধর্ম পিরবাদ অস্তিত্ববাদ নিচের কোনটি সঠিক?
- মজিদ কীভাবে তাঁর প্রভাব প্রতিষ্ঠা করে?
- 'বাহে মুলুক' কোথায় অবস্থিত?
- মজিদ বুড়াকে মাজারে কয় পয়সার সিন্নি দিতে বলেছেন?
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে'- কোন প্রসঙ্গে কথাটি বলা হয়েছে?