'তোমার দাড়ি কই মিঞা?'-উক্তিটি কার?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সুড়ঙ্গ নাটকটি কার লেখা ?
- হাসুনির মাকে বুড়ো বেধড়ক প্রহার করে কেন?
- কখন নিরাক পড়ে?
- 'নাফরমানি করিও না, খোদার উপর তোয়াক্কল রাখো।' উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- কোনটি উপন্যাস?
- তপু ভাগ্যান্বেষণে ঘুরতে ঘুরতে এসে হাজির হয় রাজধানী ঢাকায়। মিটফোর্ডে এক ফুটপাতে হোটেলে খেতে গিয়ে দেখতে পায় পাশের নর্দমায় অনেকগুলো ঔষধ পড়ে আছে। হোটেল বয়ের কাছে জানতে পারে এগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ কোম্পানি ফেলে গেছে। তার মাথায় বিদ্যুৎ খেলে যায়। সে ঐ ঔষধগুলো কুড়িয়ে নতুন প্যাকেটে মুড়ে কম দামে বিক্রি করতে থাকে। সাধারণ মানুষ কম দামে পেয়ে সরল বিশ্বাসে তার দোকান থেকে ঔষধ কিনে প্রতারিত হতে থাকে। আর তপু অল্পদিনে ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বনে যায়।'প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও তপু ও মজিদের লক্ষ্য এক'- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- সে তার ঘরের খুঁটি' এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
- তিন স্ত্রীর সাথে সংসার করেন আব্বাস আলী দফাদার। গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে আবার বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্কা বউকে আব্বাস আলী কোনো পরপুরুষের সামনে যেতে দেয় না। কখনও কথার অন্যথা হলে বউকে নানাভাবে শাসন করে। একদিন পাশের বাড়িতে টেলিভিশন দেখার অপরাধে ছোট বউকে সে শীতের রাতে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় বড় বউ খুব কষ্ট পায়। সারারাত সে ঘুমায় না। আবার কম বয়সী মেয়েটাকে যে ঘরে ডেকে নেবে সে সাহসও পায় না।'রহিমার মাতৃহৃদয় ব্যাকুল হয়ে ওঠে কন্যা সদৃশ সন্তানটির জন্য'- উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাস অবলম্বনে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- রহিম উদ্দীন মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অনেক টাকা উপার্জন করেন। এলাকায় তাঁর দানে রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু তাঁর মনে সুখ নেই। তিনি নিঃসন্তান।অনেকেই তাঁকে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেননি।উদ্দীপকের রহিম উদ্দীনের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারী চরিত্রের কতটুকু মিল ও অমিল আছে বলে তুমি মনে করো? আলোচনা করো।
- নিচের কোনটি সঠিক?
- গফুর মিয়ার সংসার টিকিয়ে রেখেছে তার স্ত্রী মরিয়ম। বিশাল সংসারের সকল দায়িত্ব মরিয়মের গরুবাছুরের তত্ত্বতালাশ, ধান মাড়াই থেকে সিদ্ধ করা, মেহমান মুসাফির সবকিছুই একহাতে সামলান তিনি। অবশ্য এতে তার ক্লান্তি নেই। শুধু মাঝে মাঝে নিজেকে বড় একলা মনে হয়। গফুর মরিফমের মনের অবস্থা বোঝে। কারণ সে জানে, তাদের কোনো সন্তান নেই।'মরিয়মের সন্তান কামনা অতৃপ্ত কিন্তু রহিমার মাতৃহৃদয় কিছু পরিতৃপ্ত'- কীভাবে? বিশ্লেষণ করো।
- মজিদ জমিলাকে মাজারে বেঁধে রেখেছিল- মনে খোদার ভীতি জাগানোর জন্যশাস্তি দেওয়ার জন্যতার বিদ্রোহী চেতনাকে বিনাশ করার জন্যনিচের কোনটি সঠিক?
- মজিদকে প্রথম বার দেখে জমিলা কী ভেবেছিল?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে পদ্মাপাড়ের জেলে ও মাঝিদের জীবন সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। তাদের একমাত্র অবলম্বন, সুখ- দুঃখের সাথী পদ্মানদী। জীবন সংগ্রামী এসব জেলেদের মধ্যে কুবের ও তার সঙ্গীদের জীবনাচরণ নিয়ে আবর্তিত হয়েছে উপন্যাসের কাহিনী। বৈচিত্র্যহীন একঘেয়ে তাদের জীবন। ধনঞ্জয়ের নৌকায় মাছ ধরে, কুবের ও গণেশ। মালিক হিসেবে ধনঞ্জয় নেয় অর্ধেক আর কুবের ও গণেশ পায় বাকি অর্ধেক। এছাড়া মাছের সংখ্যা কম দেখিয়ে ধনঞ্জয় তাদের ঠকায়। সব বুঝেও তারা কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। এই অবস্থা সর্বত্র, সব নৌকায়। শত শত নৌকায় শত শত কুবের ও গণেশ শ্রম দিয়ে মাছ ধরে। এক সময় কুবেরই কাহিনীর প্রাণকেন্দ্রে এসে দাঁড়ায় সে-ই পদ্মাপাড়ের সকল জেলে-মাঝিদের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই "পদ্মানদীর মাঝি" নামকরণের মধ্য দিয়ে ঔপন্যাসিক তার জীবন-সত্যকেই প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।"উপন্যাসের নামকরণের দিক থেকে 'পদ্মানদীর মাঝি' এবং 'লালসালু' অভিন্ন চেতনার অনুসারী"- মূল্যায়ন কর।
- 'যেন বিশাল সূর্যোদয় হয়েছে, আর সে আলোয় প্রদীপের আলো নিশ্চিত হয়ে গেছে।'- 'ব্যাখ্যা করো।
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে'- ব্যাখ্যা কর।
- 'তাই তারা ছোটে, ছোটে' কেন? ব্যাখ্যা করো।
- সালমার মা ছাড়া সংসারে আর কেউ নেই। লেখাপড়াও বেশিদূর করতে পারেনি। আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় অনেকটা বাধ্য হয়েই মধ্যবয়সি একজন লোকের সঙ্গে সালমার বিয়ে দেয় তার মা। স্বামীর বাড়ি গিয়ে সালমা দেখে যে, সেই সংসারে সতিন ও তার এক পুত্রসন্তান রয়েছে। সালমার ভাগ্য বড়োই খারাপ। বড়ো বউ তাকে মোটেও সহ্য করতে পারে না। সারাদিন সালমাকে খাটায়, ঠিকমতো খেতে দেয় না। স্বামীর কান ভারি করে সালমার বিরুদ্ধে। হঠাৎ সালমা একদিন বুঝতে পারে যে, তার স্বামী একজন চোরাকারবারি। সালমা এসব দেখে ভয় পায়। সে প্রতিবাদ করলে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়। একদিন সালমা মেরাজের সমস্ত কুকীর্তির কথা পুলিশের কাছে ফাঁস করে দেয়। মেরাজের মুখোশ খুলে যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত মেরাজের বড়ো বউয়ের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসে, বর্ণিত রহিমা চরিত্রের তুলনা করো।
- লালসালু উপন্যাসের শেষ বাক্যটি হলো-
- আওয়ালপুরের পির সাহেবের প্রধান মুরিদ কে?
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরর্তীকালে তিনি এই। এলাকায় বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।
- সুপ্রভা প্রভুত্ব করার চেয়ে নির্ভর করিতেই ভালোবাসে বেশি, আদর পাওয়াটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্য। মন্দার গৃহিণীপনার ভিত্তিও ওইখানেই-সুপ্রভাকে সে নয়নের মণি করিয়া রাখিয়াছে। কে বলিবে সুপ্রভা তাহার সতিন? স্নেহ-যত্নে সুপ্রভার দিনগুলিকে সে ভরাট করিয়া রাখে। সতিনের সংসারেও তাই এখানে কলহ-বিবাদ মান-অভিমান মন-কষাকষি নাই।"উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে।"-বুঝিয়ে লেখো।
- গ্রামে পীর সাহেবের প্রভাব ছিল ব্যাপক। তিনি হুজুর কেল্লা নামে পরিচিত। ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায় জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম' পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন। তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখ-মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাঁহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল। কিন্তু এমদাদ শিক্ষিত যুবক। সে সমাজের মানুষের এমন প্রশ্নহীন আনুগত্যে অবাক হয়ে যেত।পীর সাহেবকে 'লালসালু' উপন্যাসের কার সাথে তুলনা করা যায়? কেন?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'র কোন বইটি চেনতা প্রবাহ রীতির উপন্যাস হিসেবে পরিচিত?
- সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগডাশেবুঝছোনি ভাই বুঝছোনি, আসল কথা বুঝছোনি?এক গেরামের গরিব চাষি কালামিয়া নামসবার পেটে ভাত জুটাইতে ক্ষেত্রে ঝরায় ঘামও তার ছাওয়াল কান্দে ক্ষুধার জ্বালায়মহাজনরা হাসে।ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগডাশে।উদ্দীপকের 'হাঁস' ও 'বাগডাশে'র সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন কোন চরিত্রের মিল দেখা যায় এবং কীভাবে তা সাদৃশ্যপূর্ণ?
- দেশটা কেমন মরার দেশ'- এখানে কোন অঞ্চলের কথা বলা হয়েছে, কেন?
- "শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।
- গ্রামের মানুষ মজিদকে ভয় পায় কেন?
- গৌরিপুর গ্রামের সুশিক্ষিত ছেলে আরিফ হোসেন। এলাকার উন্নয়ন, বিশেষ করে নিরক্ষর মানুষদের সাক্ষর করে তোলার লক্ষ্যে সে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু এ মহৎ কাজে সে তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। নিজের প্রভাব ও প্রতিপত্তি বজায় রাখার জন্য মাতব্বর আনসার আলী ও তার লোকেরা আরিফকে অপমানিত করে গ্রাম ছাড়া করে।'গ্রামের অনগ্ররতার ক্ষেত্রে আনসার আলী ও তাঁর অনুসারীদের মতো লোকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত দাও।
- রতন বড়ো হয়ে কী হতে চায়?
- ‘তানি বুঝি দুলার বাপ।’- 'লালসালু' উপন্যাসে জমিলার এই উক্তি কার প্রসঙ্গে।
- অর্জিত জ্ঞান মানুষের মূল্যবান সম্পদ। প্রকৃত শিক্ষা মানুষকে জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত করে তোলে। জ্ঞানচর্চা না করে কোনো জাতি উন্নতির শিখরে পৌছাতে পারে না। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালে আমরা এর সত্যতা সহজেই উপলব্ধি করতে পারি। শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করা তাই প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার- যার মাধ্যমে সে তার জাতিকে ক্রমমুক্তি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।"উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের চিন্তার পরিপন্থী"- মন্তব্যটির সত্যতা বিচার কর।
- বিদ্রোহী বালিকা বধূ 'জমিলা' কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- মজিদকে প্রথম দেখে জমিলার কী মনে হয়েছিল?
- ‘জয়গুন’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- আফজাল মিয়ার স্ত্রী হালিমা পরপর তিনটি কন্যা সন্তান জন্মদেয়। পূত্র সন্তান লাভের আশায় খ্যাতিমান পির জুনাইদ আলীকুতুবশাহীর দরবারে গমন করে। পির কুতুবশাহী এক বোতল'পড়া পানি' দিয়ে বলেন যে, এই 'পড়া পানি' খেয়ে তার যদিপুত্র সন্তান না হয় তবে বুঝতে হবে সে পাপী। হালিমা যথারীতিচতুর্থ কন্যার জন্ম দেয় এবং স্বামীর রোষানলে পড়ে।উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসে প্রকাশিত ভাব— অন্ধবিশ্বাস ধর্মীয় গোঁড়ামিপির প্রথানিচের কোনটি সঠিক?
- মজিদ সবাইকে কী বলে সম্বোধন করে থাকেন?
- ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের যুবক-শিক্ষকের নাম-