'নাফরমানি করিও না, খোদার উপর তোয়াক্কল রাখো।' উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- জলবসন্ত রোগে আক্রান্ত ছোট ছেলের চিকিৎসার জন্যসুমনবাবু মনোহারী বৈদ্যের কাছ থেকে পানিপড়া ওনিমপাতা নিয়ে আসেন। কলেজ পড়ুয়া বড় ছেলে রাজীবছোট ভাইকে হাসপাতালে নিতে চাইলে পিতার একগুঁয়েমিরকাছে সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।উদ্দীপকের রাজীবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- মহব্বতনগর গ্রামটি মতিগঞ্জ সড়কের কোনদিকে?
- ‘অন্তরের শক্তিতে মজিদ ব্যাপারটি জানতে পেরেছেসে কথা সে বিশ্বাস করে না।'— 'লালসালু' উপন্যাসে,সে কথা বিশ্বাস করে না কে?
- পীর সাহেব নারীদের প্রতি আসক্ত হওয়ার কারণে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পর্দার আড়ালে নানা কথা বলেন। মুরিদের সুন্দরী বউকে তালাক দিতে বাধ্য করে তার মনোবাসনা পূরণ করেন।উদ্দীপকের পীর সাহেবের সঙ্গে মজিদের সাদৃশ্যের কারণ-
- জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদ হরনাথ বসু মানুষের অতীত, বর্তমান ওভবিষ্যৎ দ্রষ্টা বলেই সোনাপুর গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করে।বিপদে-আপদে রোগে-শোকে সোনাপুর গ্রামবাসী অনেকটাকা খরচ করে ভাগ্য গণনা করিয়ে হরনাথ বসুর নিকটহতে রত্ন পাথর গ্রহণ করে। গ্রামের রাজীব কিন্তুহরনাথের এই অলৌকিকতায় বিশ্বাস করে না। উদ্দীপকের রাজীবের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসেরসাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র—
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে পদ্মাপাড়ের জেলে ও মাঝিদের জীবন সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। তাদের একমাত্র অবলম্বন, সুখ- দুঃখের সাথী পদ্মানদী। জীবন সংগ্রামী এসব জেলেদের মধ্যে কুবের ও তার সঙ্গীদের জীবনাচরণ নিয়ে আবর্তিত হয়েছে উপন্যাসের কাহিনী। বৈচিত্র্যহীন একঘেয়ে তাদের জীবন। ধনঞ্জয়ের নৌকায় মাছ ধরে, কুবের ও গণেশ। মালিক হিসেবে ধনঞ্জয় নেয় অর্ধেক আর কুবের ও গণেশ পায় বাকি অর্ধেক। এছাড়া মাছের সংখ্যা কম দেখিয়ে ধনঞ্জয় তাদের ঠকায়। সব বুঝেও তারা কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। এই অবস্থা সর্বত্র, সব নৌকায়। শত শত নৌকায় শত শত কুবের ও গণেশ শ্রম দিয়ে মাছ ধরে। এক সময় কুবেরই কাহিনীর প্রাণকেন্দ্রে এসে দাঁড়ায় সে-ই পদ্মাপাড়ের সকল জেলে-মাঝিদের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই "পদ্মানদীর মাঝি" নামকরণের মধ্য দিয়ে ঔপন্যাসিক তার জীবন-সত্যকেই প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।উদ্দীপকের ধনঞ্জয়ের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের তুলনা কর।
- ধলা মিয়ার সঙ্গে খালেক ব্যাপারী ধমক-ধামকে কথা বলে কেন?
- তাহের আর কাদের মজিদকে প্রথম কোথায় দেখেছিল?
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।উদ্দীপকের আরিফ মিয়ার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়? আলোচনা করো।
- জব্বার আলি একদিন স্বপ্নে খুঁজে পায় এক কামেল পিরের মাজার। বন-জঙ্গল ঘেরা 'বাঘের মাঠ' খ্যাত সাঞ্চাভাঙা গ্রাম। এই গ্রামেই শায়িত আছেন এক কামেল পির। স্বপ্ন ছড়িয়ে পড়ে গ্রামের ভেতর। স্থানীয় জনগণ খুঁজে পায় এক প্রাচীন পরিত্যক্ত মাজার। জঙ্গল পরিষ্কার করে রাতারাতি সেখানে টিনের ছাউনি ওঠে। চাঁদা তোলা হয় গ্রামবাসীর কাছ থেকে। পরিপাটি ও সুসজ্জিত হয় মাজার। এখানে বিভিন্ন লোক রোগ-শোকের জন্য মানত করতে আসে। এমন কি কখ্যা নারীরাও ছুটে আসে সন্তান লাভের আশায়। এখানে প্রতি বছর এখন মেলা বসে। বর্তমানে মাজারের খাদেম জব্বার আলি।উদ্দীপকের সাঞ্চাভাঙা গ্রামের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরের সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের মহাসমুদ্রের ডাককে অবহেলাকরে বালুতীরে কী যেন খোঁজে।'- বাক্যে প্রকাশপেয়েছে—
- 'তরঙ্গভঙ্গ' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি-
- জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
- বহিপীর’ কার রচনা?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।
- জালালের দুই বউয়ের মধ্যে মিমি ছোট। বয়স অল্প হওয়ারকারণে সংসার সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। হেসে-খেলেদিন কাটে তার। সুযোগ পেলেই সমবয়সী মেয়েদের সাথে গল্পগুজবে মেতে ওঠে সে।মিমির সঙ্গে উক্ত চরিত্রের সাদৃশ্য পাওয়া যায় - বয়সেমানসিকতায়বাল্যবিবাহেনিচের কোনটি সঠিক?
- মকবুল তিন বিয়ে করেছে। তিন বউই বেঁচে আছে ওর। সবার ছোটো টুনি। গায়ের রং কালো। ছিপছিপে দেহ। আয়ত চোখ। বয়স তার তেরো-চৌদ্দের মাঝামাঝি। সংসার কাকে বলে সে বুঝে না। সমবয়সি কারও সঙ্গে দেখা হলে সবকিছু ভুলে গিয়ে মনের সুখে গল্প জুড়ে দেয়। আর হাসে। হাসাতে হাসাতে মেঝেতে গড়াগড়ি দেয় টুনি।উদ্দীপকের টুনির সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রটির সাদৃশ্য কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- জমিলা মজিদের মুখে থুথু দিয়েছিল কেন?
- 'আসলে সে ঠান্ডা, ভীতু মানুষ'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে হাঁপানি রোগী কে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে অশীতিপর বৃদ্ধ কে?
- মহাসড়কের পাশে পোড়াবাড়ি গ্রামে ফসিপাগলের মাজার। মঙ্গল লাভের আশায় টাকা- পয়সা, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল মানত করা হয় এই মাজারে। চলমান বাসের চালক, যাত্রাপথের পথিক ভক্তিভরে পর্যাপ্ত দান করে। মাজারের খাদেম এখন প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক। এলাকায় তার প্রভাব-প্রতিপত্তিও কম নয়। কে এই ফসিপাগল? কী তার পরিচয়? এসব প্রশ্নের কোনো প্রকার সদুত্তর মেলে না তার কাছে।"লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সামগ্রিক, কর্মকান্ড উদ্দীপকের চিত্রিত খাদেমের কর্মকান্ডে সীমিত পরিসরে বিবৃত হয়েছে।" মন্তব্যটি বিচার করো।
- আশেকনগর গ্রামের এনায়েতউল্লাহ উত্তরাধিকারসূত্রে একজন পির। অঢেল তার ধনসম্পদ। কিন্তু ঘরে তার কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় মনে তার শূন্যতা। তাই বার্ষিক জলসা শেষ হওয়ার পরপরই এনায়েত দ্বিতীয় বিবাহ সেরে ফেলে। নতুন বউ অল্পবয়সী, দেখতে অতি নিরীহ গোছের-একেবারে এনায়েতের মনের মতো। কিন্তু অল্প দিনের মধ্যেই সে বেরিয়ে আসে ঘোমটা থেকে, কথা বলে অনবরত এবং হাসতে থাকে খলখল শব্দে। পীর স্বামী তাকে মাজারের ভয় দেখায়, শরিয়ত-মারফত শেখায় এবং পাক মাজারের সঙ্গে ঠিকভাবে আচরণের জন্য শাসায়। কিন্তু নতুন বউ সারার মনে প্রবল বিদ্রোহ। সে তার বাবার বয়সী স্বামীকে কোনোমতেই সহ্য করতে পারে না। এনায়েত বিচলিত হয়।উদ্দীপকের সারার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- রমজান ও হালিমার দশ বছরের সংসার। বিয়ের পর থেকে অনেক চেষ্টার পরও তাদের কোনো সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরে এক গ্রামের কেরামত নামক কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল রমজান দ্রুত হালিমাকে সেখানে নিয়ে যায়। কবিরাজ হেকমত অনেকক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে বলেন "পেটে বেড়ি পড়ে বইলাইতো স্ত্রীলোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ কারো চৌদ্দ।উদ্দীপকের রমজান ও 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর মধ্যে বিদ্যমান সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- ফকির মুন্সীর স্ত্রী মরিয়ম সহজ-সরল মেয়ে। স্বামীর প্রতি তারঅগাধ অটল বিশ্বাস। তার বিবেচনায় ফকির মুন্সী একজনকামেল ও পরহেজগার লোক। অথচ গ্রামের অশিক্ষিতসহজ-সরল মানুষের খোদাভীতিকে কাজে লাগিয়ে ফকিরমুন্সী নানা ফতোয়া জারি করে সাধারণ মানুষকে ঠকায় । 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সঙ্গে উদ্দীপকেরমরিয়মের সাদৃশ্য রয়েছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ'-উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- “রুঠাজমি" কী?
- 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।' ব্যাখ্যা করো।
- বিদ্রোহী বালিকা বধূ ‘জমিলা’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- খোরশেদ আলী একজন পল্লি চিকিৎসক। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গ্রামের লোকজন তার কাছে আসে। তিনিও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের চিকিৎসা করেন। কিন্তু জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো রোগী এলে তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। কারণ তার কাছে মানুষের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড়ো নয়।উদ্দীপকে খোরশেদ আলীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রটির বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র জন্মমৃত্যু সাল কোনটি?
- আওয়ালপুর ও মহব্বতনগরের মাঝপথে কোন গাছ পড়ে?
- ‘ও কি ঘরে বালা আনবার চায় নাকি? চাই নাকি আমার সংসার উচ্ছন্নে যাক, মড়ক লাগুগ ঘরে’ উক্তিতি করেছিল-
- মাছ ধরার ডিঙিতে কতজন মৎস্য শিকারি ছিল?
- রাহী গ্রামের এক দুরন্ত মেয়ে। তার আনন্দের কাজ বন্ধুদের সাথে ছোটাছুটি করা, সাঁতার কাটা। অভাবের তাড়নায় তার বাবা একদিন পাশের গ্রামের এক বুড়ো লোকের সাথে তার বিয়ে দিয়ে দিলেন। লোকটি গ্রামের মাতব্বর। সকলে তাকে 'মুন্সি' বলে ডাকে। মুন্সির কথা গ্রামের সবাই মেনে চলে। কিন্তু চঞ্চল ও স্বাধীনচেতা রাহী তার কথা মানে না।"উদ্দীপকের বুড়ো লোকটি 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সামগ্রিক দিক ধারণ করেনি।"- মুল্যায়ন করো।
- 'প্রশ্নটি এইরকম যে মজিদের ইচ্ছা হয় একটা হুঙ্কার ছাড়ে।' মজিদের এই ক্ষোভ যার আচরণের প্রতিক্রিয়ায়-
- ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
- 'তোমার দাড়ি কই মিঞা' কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপসহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষক, স্বৈচরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০, সর্বোপরি ১৯৭১ সালে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর যথার্থ নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশে স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবার নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধুর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি আলোচনা করো।