“রুঠাজমি" কী?
A.
ধানি জমি
B.
উর্বরা জমি
C.
নিষ্ফলা জমি
D.
নিরাক জমি
সঠিক উত্তরঃ
C.
নিষ্ফলা জমি
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত?
- মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুর পর বড়ো ছেলে হুমায়ুন অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরাহণের পরপরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সঙ্গে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনককার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুন তার অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে অসহযোগিতা পাওয়া সত্ত্বেও শক্ত হতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।'আংশিক সাদৃশ্য থাকলেও হুমায়ুন ও সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি এক নয়।'- বিশ্লেষণ করো।
- ধলামিয়াকে আওয়ালপুরের পিরের কাছে পাঠিয়েছেন কে?
- 'কেবল ধীরে ধীরে কাঠের মতো শক্ত হয়ে ওঠে তার মুখটা'- কার মুখ শক্ত হয়ে, ওঠে কেন?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।
- সমমনা যুবকদের নিয়ে নিজ গ্রামের মানুষকে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা পরিবেশ, ধর্মান্ধতার কুফল ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন করার কাজ করে চলেছে শিক্ষিত যুবক বাজিত। বাজিতের কাজ- কর্মে খুশি নয় গ্রাম্য মাতব্বর চেরাগআলি। গ্রামের মানুষ সচেতন হলে তার প্রভাব ক্ষুণ্ণ হবে- এই তার ভয়। ওরা গান-বাজনা করে, মেয়ে লোকের সাথে আড্ডা দেয় ইত্যাদি অভিযোগ তুলে গোঁড়া সমর্থকদের সাথে নিয়ে সে বাজিতের ক্লাবে আগুন ধরিয়ে দেয়।"উদ্দীপকের বাজিত 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের সাথে কীভাবে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
- একসময় পরম অনাদর ও অব্যবস্থা থেকে ওঠা আলেয়া গ্রামবাসীর কাছে হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এলাকায় পীর হিসেবে পরিচিত ওদুদের দ্বিতীয় স্ত্রীর মর্যাদা পাওয়ায় তার এ কদর। দূরদূরান্তে থেকে লোকজন প্রতিদিন তার কাছে নানা তদবির নিয়ে আসে.। আলেয়া তাদের আবদার হাসিমুখে মেনে নেয়।স্বামীর প্রভাব-প্রতিপত্তিই মূলত আলেয়ার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার কারণ'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত দাও।
- 'লালসালু' উপন্যাসের উপজীব্য কী?
- 'একরত্তি মাইয়া কিন্তু বড়ো ভালো'- উক্তিটি কার?
- মহাসড়কের পাশে পোড়াবাড়ি গ্রামে ফসিপাগলের মাজার। মঙ্গল লাভের আশায় টাকা- পয়সা, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল মানত করা হয় এই মাজারে। চলমান বাসের চালক, যাত্রাপথের পথিক ভক্তিভরে পর্যাপ্ত দান করে। মাজারের খাদেম এখন প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক। এলাকায় তার প্রভাব-প্রতিপত্তিও কম নয়। কে এই ফসিপাগল? কী তার পরিচয়? এসব প্রশ্নের কোনো প্রকার সদুত্তর মেলে না তার কাছে।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রাসঙ্গিকতা ব্যাখ্যা করো।
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- মজিদের সহযোগী ব্যক্তিটির নাম কী?
- 'কোটরাগত নিমীলিত সে চোখে একটুও কম্পন নেই'- 'লালসালু' উপন্যাসের উক্ত বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে-
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'মন থেকে থেকে খাবি খায়' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- তিন স্ত্রীর সাথে সংসার করেন আব্বাস আলী দফাদার। গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে আবার বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্কা বউকে আব্বাস আলী কোনো পরপুরুষের সামনে যেতে দেয় না। কখনও কথার অন্যথা হলে বউকে নানাভাবে শাসন করে। একদিন পাশের বাড়িতে টেলিভিশন দেখার অপরাধে ছোট বউকে সে শীতের রাতে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় বড় বউ খুব কষ্ট পায়। সারারাত সে ঘুমায় না। আবার কম বয়সী মেয়েটাকে যে ঘরে ডেকে নেবে সে সাহসও পায় না।উদ্দীপকে আব্বাস আলী দফাদার 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? নিজস্ব মতামত দাও।
- পলাশপুর গ্রামের সুশিক্ষিত ছেলে ফয়সাল। শহর থেকে এম এ পাস করে নিজ গ্রামে ফিরে এসেছে। তার বড় ইচ্ছা এলাকার উন্নয়ন করা, বিশেষ করে নিরক্ষর মানুষদের সাক্ষর করে তোলা। সে প্রত্যাশায় ফয়সাল তার গ্রামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে। কিন্তু এ মহৎ কাজে সে সহযোগিতার পরিবর্তে তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। নিজের প্রভাব ক্ষুণ্ণ হবে ভেবে মাতব্বর রজত মিয়া ও তার লোকেরা ফয়সালকে অপমানিত করে গ্রামছাড়া করে। মূর্খ গ্রামবাসী আর স্বার্থবাদী মানুষের কাছে সত্যের অপমৃত্যু ঘটে।উদ্দীপকের ফয়সাল 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? নির্ণয় করো।
- 'লালসালু' কী ধরনের উপন্যাস?
- "সজ্ঞানে না জানলেও তারা একাট্টা, পথ তাদের এক।"-ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের রচনাকাল কোনটি?
- হাসুনির মাকে তার বাপ পিটিয়েছিল কেন?
- বতোর দিন কীসের সাথে সম্পর্কিত?
- দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর তাজু গ্রামে ফিরে বড় রাস্তারতেঁতুল গাছটির নিচে আস্তানা গড়ে তোলে। তার মাথায় জটলাল লাল চোখ। সে নিজেকে অলৌকিক পুরুষ বলে পরিচয়দেয়। গ্রামের সরল বিশ্বাসী মূর্খ লোকেরা তার কাছে চিকিৎসা নেয়।অল্পদিনের মধ্যে সম্পদে আর প্রভাবে তাজু ফুলে-ফেঁপেওঠে। তার কাজে সহায়ক হয় প্রভাবশালী গ্রাম্য তরুণ জুলফিকার।তার ভয়ে তাজুর ভণ্ডামির প্রতিবাদ কেউ করে না। উদ্দীপকের জুলফিকার 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক কে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে জমিলার বিদ্রোহের উৎস কোনটি?
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- মজিদের মন অন্ধকার হয়ে আসে কেন?
- 'ধান দিয়ে কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?' কথাটি “লালসালু” উপন্যাসে বলেছিলেন-
- জমিলা মজিদের মুখে থুথু দিয়েছিল কেন?
- 'এক পির সাহেব আইছেন না হেই গেরামে, তানি নাকি মরা মাইনষেরে জিন্দা কইরা দেন।'- উক্তিটি কার?
- রহিমা অতি সংগোপনে মাজারে গিয়ে কী আর্জি জানায়?
- 'যেন বিশাল সূর্যোদয় হয়েছে, আর সে-আলোয় প্রদীপের আলো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- কারুবাসনা উপন্যাসের লেখক কে?
- তাহের আর কাদের মজিদকে প্রথম কোথায় দেখেছিল?
- মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ একটি-
- নাগর ফকিরের মৃত্যুর পর অনুসারীর সংখ্যা রাতারাতি বাড়তে লাগল। তার মৃত্যুর খবরে আশেপাশের অনেকেই হাজির না হলেও তার গায়েবি মাজার ওঠার খবরে বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ এসে ভিড় জমাতে লাগল। সবার নজরানায় নাগর ফকিরের ছেলে সাগরের সুনাম ও সম্পদ বৃদ্ধি পেতে থাকল। গায়েবি মাজার ওঠার প্রচারণা অনেকেই বিশ্বাস করল না। তবে তারা, এ বেদাতি কাজে বাধাও দিল না। এতে মাজার-বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে সাগরের প্রভাব ও পয়সা দুটোই বাড়তে লাগল। উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনাকে মনে করিয়ে দেয়? বর্ণনা করো।
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।"উদ্দীপকের প্রতিফলিত সমাজচিত্রে 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজচিত্রের পূর্ণাঙ্গ প্রতিফলন ঘটেনি।"- আলোচনা করো।
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে'- ব্যাখ্যা কর।
- মেহের আলী রসুলপুর গ্রামের একজন বিত্তবান লোক। প্রতিপত্তির মালিক হওয়ার জন্য গ্রামের সকলে তাকে বেশ সম্মান করে। অপরদিকে, মেহের আলী সম্মানের চোখে দেখে তারই গ্রামে বসবাসরত সোলায়মান আলীকে। তার ওপর মেহের আলীর অগাধ বিশ্বাস। তাই সোলায়মান আলী মৌখিকভাবে যে নির্দেশনাই দেন মেহের আলী তা বাস্তবায়ন করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। একদিন সোলায়মান আলী মেহের আলীকে বললেন, 'মেহের, তোমার স্ত্রী সংসারে অশুভ শক্তির ছায়ারূপে বিরাজ করছে। তাকে তুমি অবিলম্বে তালাক দাও।' এমন নির্দেশনা পেয়ে কালবিলম্ব না করে স্ত্রীকে তালাক দেয় মেহের আলী।"উদ্দীপকে মেহের আলীর স্ত্রীর জীবন এবং 'লালসালু' উপন্যাসের আমেনা বিবির জীবনের পরিণতি একই"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- গ্রামে পীর সাহেবের প্রভাব ছিল ব্যাপক। তিনি হুজুর কেল্লা নামে পরিচিত। ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায় জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম' পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন। তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখ-মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাঁহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল। কিন্তু এমদাদ শিক্ষিত যুবক। সে সমাজের মানুষের এমন প্রশ্নহীন আনুগত্যে অবাক হয়ে যেত।"উদ্দীপকের মানুষগুলোর সাক্ষাৎ পাওয়া যায় 'লালসালু' উপন্যাসে।”- বিশ্লেষণ করো।