রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মাছ ধরার ডিঙিতে কতজন মৎস্য শিকারি ছিল?
- "কেবল ধীরে ধীরে কাঠের মতো শক্ত হয়ে ওঠে তার মুখটা"- কার মুখ শক্ত হয়ে ওঠে এবং কেন?
- ইচ্ছা পূরণের জন্য মানুষ অনেক কিছুই করে। যেমনটি করেছিলেন সকিনা বেগম। বিশ বছরের বিবাহিত জীবনে যখন তিনি কোনো সন্তানের মা হতে পারেননি, তখন একদিন স্বামীর কাছে তার ইচ্ছার কথা বলেন- তিনি একটি সন্তান দত্তক নিতে চান। তাঁর স্বামী আফাজ আলী স্ত্রী হিসেবে তাঁকে যথেষ্ট সম্মান করেন। সন্তান লাভের আশায় আফাজ আলী তাঁর স্ত্রীর প্রস্তাবে রাজি হন এবং একটি অনাথ শিশুকে দত্তক নেন। এভাবে তিনি স্ত্রীর ইচ্ছা পূরণ করে তাঁর মর্যাদা দান করেন।উদ্দীপকে সকিনা বেগমের ভাবনার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমার ভাবনায় সাদৃশ্য - বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- মেহের আলী রসুলপুর গ্রামের একজন বিত্তবান লোক। প্রতিপত্তির মালিক হওয়ার জন্য গ্রামের সকলে তাকে বেশ সম্মান করে। অপরদিকে, মেহের আলী সম্মানের চোখে দেখে তারই গ্রামে বসবাসরত সোলায়মান আলীকে। তার ওপর মেহের আলীর অগাধ বিশ্বাস। তাই সোলায়মান আলী মৌখিকভাবে যে নির্দেশনাই দেন মেহের আলী তা বাস্তবায়ন করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। একদিন সোলায়মান আলী মেহের আলীকে বললেন, 'মেহের, তোমার স্ত্রী সংসারে অশুভ শক্তির ছায়ারূপে বিরাজ করছে। তাকে তুমি অবিলম্বে তালাক দাও।' এমন নির্দেশনা পেয়ে কালবিলম্ব না করে স্ত্রীকে তালাক দেয় মেহের আলী।"উদ্দীপকে মেহের আলীর স্ত্রীর জীবন এবং 'লালসালু' উপন্যাসের আমেনা বিবির জীবনের পরিণতি একই"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ধলা মিয়া কেমন ধরনের মানুষ ছিল?
- শিক্ষিত মানুষের কালচারই ধর্ম আর সাধারণ মানুষের ধর্মই কালচার। এ কারণে দরিদ্র অঞ্চলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যুগে যুগে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। যেখানে সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে কেন্দ্রে থাকা নেতারা গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। এমনি একজন আধ্যাত্মিক নেতা হলেন শফিউল্লাহ। যিনি ভক্তের সাথে সাক্ষাতের নাম করে সিঙ্গাপুর যান নিজের চিকিৎসার জন্য। আর ভক্তদের চিকিৎসার জন্য মহৌষধ হলো তাঁর পড়া পানি।"উদ্দীপকের 'লালসালু' উপন্যাসের আংশিক ছায়াপাত ঘটেছে"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো
- 'কোটরাগত নিমীলিত সে চোখে একটুও কম্পন নেই'- 'লালসালু' উপন্যাসের উক্ত বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে-
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে । কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া 'ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।'উদ্দীপকে প্রতিফলিত সমাজচিত্রে 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজচিত্রের পূর্ণাঙ্গ প্রতিফলন ঘটেনি।'-আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে ঝড় এলে হৈ হৈ করারঅভ্যাস কার?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে পদ্মাপাড়ের জেলে ও মাঝিদের জীবন সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। তাদের একমাত্র অবলম্বন, সুখ- দুঃখের সাথী পদ্মানদী। জীবন সংগ্রামী এসব জেলেদের মধ্যে কুবের ও তার সঙ্গীদের জীবনাচরণ নিয়ে আবর্তিত হয়েছে উপন্যাসের কাহিনী। বৈচিত্র্যহীন একঘেয়ে তাদের জীবন। ধনঞ্জয়ের নৌকায় মাছ ধরে, কুবের ও গণেশ। মালিক হিসেবে ধনঞ্জয় নেয় অর্ধেক আর কুবের ও গণেশ পায় বাকি অর্ধেক। এছাড়া মাছের সংখ্যা কম দেখিয়ে ধনঞ্জয় তাদের ঠকায়। সব বুঝেও তারা কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। এই অবস্থা সর্বত্র, সব নৌকায়। শত শত নৌকায় শত শত কুবের ও গণেশ শ্রম দিয়ে মাছ ধরে। এক সময় কুবেরই কাহিনীর প্রাণকেন্দ্রে এসে দাঁড়ায় সে-ই পদ্মাপাড়ের সকল জেলে-মাঝিদের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই "পদ্মানদীর মাঝি" নামকরণের মধ্য দিয়ে ঔপন্যাসিক তার জীবন-সত্যকেই প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।"উপন্যাসের নামকরণের দিক থেকে 'পদ্মানদীর মাঝি' এবং 'লালসালু' অভিন্ন চেতনার অনুসারী"- মূল্যায়ন কর।
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও করা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের খন্ডাংশ মাত্র, সামগ্রিক চিত্র নয়।”- বিশ্লেষণ করো।
- খুলনা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করে সুজন গ্রামে এসে সাধারণ মানুষের সেবাদানের উদ্যোগ গ্রহণ করে। গ্রামে একটি হাসপাতাল তৈরি তার ??োটোবেলার স্বপ্ন। যখন সুজন তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিচ্ছে, তখনই গ্রামের অশিক্ষিত মানুষগুলো এর প্রতিবাদ জানায়। গ্রামবাসী মনে করে হাসপাতাল তৈরি হলে কাটাছেঁড়া করতে গিয়ে ডাক্তাররা মানুষ মেরে ফেলবে। তাদের কাছে ডাক্তার মানেই কসাই। তার চেয়ে গ্রামের কবিরাজ, ফকির, বৈদ্য, ঝাড়ফুঁকেই তাদের জন্য মঙ্গল। কসাই ডাক্তারখানার দরকার নেই।উদ্দীপকের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের সাদৃশ্য দেখাও।
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এ-এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন, সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের আংশিক রূপায়ণ- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই কর।
- আক্কাসের বাবার নাম কী?
- লালসালু উপন্যাসে মজিদ চরিত্র সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক নয় -
- জনাব নুরুল ইসলাম একজন শিল্পপতি। দীর্ঘকাল পর তিনি নিজ গ্রামে এসে দেখেন, এখানকার মানুষ এখনও দুঃখদুর্দশা আর অভাব-অনটনে জর্জরিত। তাই তিনি মনিস্থর করেন যে, গ্রামে একটি ফ্যাক্টরি স্থাপন করবেন। এতে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু গ্রামের চেয়ারম্যান তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, বেকার লোকেরা কর্মজীবী হয়ে গেলে তাদেরকে আর মিটিং-মিছিলে ব্যবহার করা যাবে না।উদ্দীপকের শিল্পপতির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ?। ব্যাখ্যা করো।
- দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা। সময়ে অসময়ে মিথ্যা কথা না বললে নয়- এ কথার মধ্যে মজিদ চরিত্রের যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে তা হলো-অনুশোচনাবোধঅস্তিত্ব রক্ষার প্রয়াসআত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টানিচের কোনটি সঠিক?
- তাহেরের বাপ নির??দ্দেশ হয়ে যায় কেন?
- উম্মত মিয়া অনেক বছর আগেই তাঁর জন্মস্থান ছেড়ে, জীবিকার সন্ধানে যশোর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে উম্মত মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। মানুষ তার মানবিকতা ও ব্যক্তিত্বের জন্য সম্মান করে।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপান্যাসের প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- প্রত্যন্ত অঞ্চলে দুই পীর পাশাপাশি এলাকায় আস্তানা জনপ্রিয়তার দিক থেকে কেও কারো চেয়ে কম নয় নয়। কিন্তু দুজনেরই উদ্দেশ্য ও কর্মপন্থা এক হলেও একসময় পীরদ্বয় দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। উদ্দীপকের পীরদ্বয়ের দ্বন্দ্ব এবং মজিদ ও আওয়ালপুরের পীরদ্বয়ের দ্বন্দ্বের মুখ্য কারণ কী?
- 'তুমি কি হরফ কইরা বলতে পারো তোমার দিলেময়লা নাই?' এ প্রশ্ন কে করেছে?
- অজ পাড়াগাঁয়ের মসজিদের ইমাম মাওলানা আবুল কালাম নিজের মুদি দোকানের সামান্য উপার্জনে কোনোভাবে সংসার খরচ নির্বাহ করেন। অজ্ঞ গ্রামবাসী অসুখ-বিসুখে প্রায়শই তার কাছে আসে টাকাপয়সার বিনিময়ে পানিপড়া ও তাবিজ-কবজ নেওয়ার জন্য। কিন্তু মাওলানা সাহেব তা না করে রোগীদের শহরের ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দেন। তিনি গ্রামবাসীকে শিক্ষা দেন- ধর্ম ব্যাবসার বিষয় নয়, মানুষকে প্রতারণা বা নিপীড়নের জন্য নয়।উদ্দীপকের মূলভাব 'লালসালু' উপন্যাসের রচয়িতার মানসচিন্তাকে ধারণ করে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করো।
- মজিদ আক্কাসের স্কুল স্থাপনের প্রচেষ্টাকে বানচাল করে দেয় কারণ-
- খালেক ব্যাপারীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হলো, সে-দুর্বলচিত্তধর্মভীরুব্যক্তিত্বহীননিচের কোনটি সঠিক?
- পলাশপুর একটি অজপাড়া গাঁ। পাড়ার বেশিরভাগ লোকই অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের ছেলে অনীক শহরের কলেজে পড়ে। গ্রামের অশিক্ষিত মানুষকে শিক্ষিত করে তুলতে সে গ্রামে একটা স্কুল করতে চায়। গ্রামে সভা বসলে মাতব্বর জলিল মণ্ডল ও ভন্ডপীর ছাবেদ আলী গ্রামে কোরান শিক্ষার জন্য মক্তব গড়তে চায়। অনীক এর প্রতিবাদ করলে তাকে গ্রাম ছাড়া করা হয়।"উদ্দীপকের অনীক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস উভয়ের উদ্দেশ্য মহৎ হলেও অন্ধ ধর্ম বিশ্বাসের কাছে তারা মাথা নত করেছে।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'ভাং-গাঁজা খাওয??া রসকসশূন্যহাড়গিলে চেহারা'— কার?
- মজিদ আক্কাসকে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয় কেন?
- কে জমিলাকে প্রথম মজিদকে দেখায়?
- মাঠে পাকা ধান দেখে যাদের মনে ভক্তিভাব জেগে ওঠে মজিদের দৃষ্টিতে তারা কিসের পূজারী ?
- মানুষ বেঁচে থাকার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। জীবনের শেষ ক্ষুদ্র অবলম্বনকেও বিসর্জন দিয়ে বাঁচতে চায়। কোনো প্রাণীই এর ব্যতিক্রম নয়। যেমন বাঘের ক্ষুধা সহ্যের মাত্রা অতিক্রম করলে আপন ছানাদের খেয়েও জীবন বাঁচায়।উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের বিশেষ কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- তানু বিবির ভাইয়ের নাম কী?
- মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ একটি-
- সিকান্দার আবু জাফর কোন সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- জব্বার তালুকদার ভদ্রদিয়া গ্রামের একজন বিত্তবান লোক। প্রতিপত্তির মালিক হওয়ার জন্য গ্রামের সকলেই তাকে বেশ সম্মান করে। অপরদিকে জব্বার তালুকদার সম্মানের চোখে দেখে তারই গ্রামে বসবাসরত আফসার আলীকে। তার ওপর জব্বার তালুকদারের অগাধ বিশ্বাস। তাই আফসার আলী মৌখিকভাবে যে নির্দেশনাই দেন জব্বার তালুকদার তা বাস্তবায়নে কুণ্ঠাবোধ করে না। একদিন আফসার আলী জব্বার তালুকদারকে বললেন, 'জব্বার, তোমার স্ত্রী সংসারে অশুভ শক্তির ছায়ারূপে বিরাজ করছে। তাকে তুমি অবিলম্বে তালাক দাও।' এমন নির্দেশনা পেয়ে কালবিলম্ব না করে স্ত্রীকে তালাক দেয় জব্বার তালুকদার।'উদ্দীপকের জব্বার তালুকদারের স্ত্রীর জীবন এবং লালসালু উপন্যাসের আমেনা বিবির জীবনের পরিণতি একই'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক নয়?
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।'- ব্যাখ্যা করো।
- মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুর পর বড়ো ছেলে হুমায়ুন অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরাহণের পরপরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সঙ্গে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনককার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুন তার অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে অসহযোগিতা পাওয়া সত্ত্বেও শক্ত হতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।'আংশিক সাদৃশ্য থাকলেও হুমায়ুন ও সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি এক নয়।'- বিশ্লেষণ করো।
- রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়া জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।"উদ্দীপকের তোতা মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারী দুজনেরই পরিণতি বেদনাবহ।"- বিচার কর।
- নিম্নোক্ত কোন লেখক বাংলাদেশের বাইরে মৃত্যুবরণ করেন?
- 'লালসালু' উপন্যাসে সাত ছেলের বাপের নাম কী?