'কী মিয়া? তোমার দিলে কি ময়লা আছে?'- এখানে ময়লা কী?
A.
পাপ
B.
হিংসা
C.
রাগ
D.
সন্দেহ
সঠিক উত্তরঃ
A.
পাপ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- জব্বার তালুকদার ভদ্রদিয়া গ্রামের একজন বিত্তবান লোক। প্রতিপত্তির মালিক হওয়ার জন্য গ্রামের সকলেই তাকে বেশ সম্মান করে। অপরদিকে জব্বার তালুকদার সম্মানের চোখে দেখে তারই গ্রামে বসবাসরত আফসার আলীকে। তার ওপর জব্বার তালুকদারের অগাধ বিশ্বাস। তাই আফসার আলী মৌখিকভাবে যে নির্দেশনাই দেন জব্বার তালুকদার তা বাস্তবায়নে কুণ্ঠাবোধ করে না। একদিন আফসার আলী জব্বার তালুকদারকে বললেন, 'জব্বার, তোমার স্ত্রী সংসারে অশুভ শক্তির ছায়ারূপে বিরাজ করছে। তাকে তুমি অবিলম্বে তালাক দাও।' এমন নির্দেশনা পেয়ে কালবিলম্ব না করে স্ত্রীকে তালাক দেয় জব্বার তালুকদার।উদ্দীপকের জব্বার তালুকদার 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতীক বহন করে? আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে ঝড় এলে হৈ হৈ করারঅভ্যাস কার?
- আমেনা বিবিকে কিরূপ শাস্তি দিয়েছিল মজিদ?
- অজ পাড়াগাঁয়ের মসজিদের ইমাম মাওলানা আবুল কালাম নিজের মুদি দোকানের সামান্য উপার্জনে কোনোভাবে সংসার খরচ নির্বাহ করেন। অজ্ঞ গ্রামবাসী অসুখ-বিসুখে প্রায়শই তার কাছে আসে টাকাপয়সার বিনিময়ে পানিপড়া ও তাবিজ-কবজ নেওয়ার জন্য। কিন্তু মাওলানা সাহেব তা না করে রোগীদের শহরের ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দেন। তিনি গ্রামবাসীকে শিক্ষা দেন- ধর্ম ব্যাবসার বিষয় নয়, মানুষকে প্রতারণা বা নিপীড়নের জন্য নয়।উদ্দীপকের মূলভাব 'লালসালু' উপন্যাসের রচয়িতার মানসচিন্তাকে ধারণ করে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করো।
- ‘লালসালু' উপন্যাসে মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী ?
- মজিদ আক্কাসকে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয় কেন?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র জন্মমৃত্যু সাল কোনটি?
- মজিদকে প্রথম কারা দেখেছিল?
- নয়ন গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য একতাবদ্ধ করে। কিন্তু মৌলবি সাহেব এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তা ধূলিসাৎ করে দেয়। উদ্দীপকের গণশিক্ষার বিষয়টি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার সাথে সাদশ্যপূর্ণ?
- কোনটি উপন্যাস?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ লেখেননি কোনটি?
- 'তার চলে যাওয়াটা কারও মনে প্রশ্ন জাগায় না।'
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপসহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষক, স্বৈচরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০, সর্বোপরি ১৯৭১ সালে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর যথার্থ নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশে স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবার নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধুর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি আলোচনা করো।
- কানিজের বাবা-মার মধ্যে সারাদিন দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে।তাদের এই দ্বন্দ্বে অতিষ্ঠ হয়ে সে স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছেবিচার দেয়। চেয়ারম্যানের লোলুপদৃষ্টি পরিবারটিকে ধ্বংসকরে দেয়।উদ্দীপকের পরিবারটির ধ্বংসের দিক থেকে'লালসালু' উপন্যাসের তাহেরের বাপ-মার সংসারধ্বংসের দিকটি যে তাৎপর্য বহন করে—ক্ষমতার প্রভাবঅর্থনৈতিক প্রভাবধর্মীয় গোঁড়ামিনিচের কোনটি সঠিক?
- জিকিরের দিন কখন শিরনি চড়ানো হবে?
- নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
- মজিদ কীভাবে মহব্বতনগর গ্রামে শিকড় গেড়েছিল?
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই, তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা-চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়সের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।উদ্দীপকের টুনির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা করো।
- ছোটোবেলায় নাকে নোলক পরে হলদে শাড়িপেঁচিয়ে ছোটাছুটি করত কে?
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে শ্যামলছায়া গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটছে দূর-দূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিড়ম্বিত এমনই এক যুবক শফিকের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব- প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।উদ্দীপকে বর্ণিত অসহায় মানুষদের জীবনাচরণের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।