বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদের পলাশনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক সুজন গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষকে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে একটি নৈশবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।
উদ্দীপকে অপশক্তি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন শক্তিকে নির্দেশ করে? সেই শক্তির উৎস সম্পর্কে মতামত পেশ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কৃষক কোন মাসে ধান কেটেছিলেন?
- 'লালসালু' উপন্যাসে বাঙালি সমাজের কোন অসঙ্গতি প্রকাশ পেয়েছে?
- প্রথম যখন হোসেন মিয়া কেতুপুরে এসেছিল পরনে একটাছেঁড়া লুঙ্গি, মাথায় এক ঝাঁক রুক্ষ চুল — ঘষা দিলে গায়েখড়ি উঠত। এখন সে অনেক সম্পদ ও প্রতিপত্তির মালিক। 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের মতো হোসেন মিয়াও— ভাগ্যান্বেষীসচ্ছলসফলনিচের কোনটি সঠিক?
- 'লালসালু' উপন্যাসে তানুবিবি কে?
- 'পোলা মাইনষের মাথায় একটা বদ খেয়াল ঢুকছে'- উক্তিটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে'- ব্যাখ্যা কর।
- 'শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই সতর্ক হয়ে ওঠে তার চোখ।'- কার চোখ, কেন?
- খালেক ব্যাপারির প্রথম পক্ষের স্ত্রীর নাম কী?
- “তোমার দাড়ি কই মিঞা”- উক্তিটি কাকে উদ্দেশ্যকরে বলা?
- নয়ন গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য একতাবদ্ধ করে। কিন্তু মৌলবি সাহেব এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তা ধূলিসাৎ করে দেয়। উদ্দীপকের গণশিক্ষার বিষয়টি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- মজিদ আওয়ালপুর যায় কেন?- ব্যাখ্যা করো।
- রফিক মিয়া অনেক বছর আগেই তার জন্মভূমি ছেড়ে জীবিকার সন্ধানে এই জয়নগর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায় সম্বলহীন অবস্থা থেকে রফিক মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। আজ যেমন তার সুহায়-সম্পত্তি হয়েছে, তেমনি সমাজের সকল মানুষ তাকে সম্মানও করে।'অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলায় মজিদ ও রফিক মিয়া দৃঢ় হলেও দুজনের কৌশল ও পরিণতি ভিন্ন।'- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।- ব্যাখ্যা করো।
- তাহেরের বাপ নিরুদ্দেশ হয়ে যায় কেন?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জন্মস্থান কোথায়?
- ডোমপাড়া থেকে কীসের শব্দ ভেসে আসে?
- ধলামিয়াকে আওয়ালপুরের পিরের কাছে পাঠিয়েছেন কে?
- সন্তান আকাঙ্ক্ষায় 'রূপার মনে ঝড় ওঠ???'— রূপারসাথে ‘লালসালু' উপন্যাসের মিল রয়েছে—রহিমারআমেনারজমিলারনিচের কোনটি সঠিক?
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপসহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষক, স্বৈচরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০, সর্বোপরি ১৯৭১ সালে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর যথার্থ নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশে স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবার নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধুর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি আলোচনা করো।
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' কোন ধরনের উপন্যাস?
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসটি কার রচনা?
- কদম আলি একসময় 'মাল্টিপারপাস জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন' নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। চটকদার বিজ্ঞাপন আর লোভাতুর প্রচারণায় অল্প সময়ে সে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। অধিক মুনাফা লাভেল আশায় এলাকার অশিক্ষিত-অল্পশিক্ষিত খেটে খাওয়া মানুষ তার প্রতিষ্ঠানে অর্থলগ্নি করতে থাকে বছরের পর বছর যায়; কিন্তু জমাকারীরা লাভের মুখ দেখে না। নিকট অতীতে কদম আলির আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকলেও এখন সে প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক। এলাকার এক শিক্ষিত তরুণ সাগর এক যুগ পর গ্রামে এসে দেখে কদম আলি সহজ- সরল মানুষকে কীভাবে প্রতারিত করে যাচ্ছে। সে দেরি না করে এলাকার উদীয়মান তরুণদের সুসংগঠিত করে কদম আলির প্রচারণা বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনে। প্রশাসন তদন্ত সাপেক্ষে টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে' কদম আলিকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।"উদ্দীপকের কদম আলি ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ একই মুদ্রার এপিঠ- ওপিঠ।"- বিশ্লেষণ করো।
- অজ পাড়াগাঁয়ের মসজিদের ইমাম মাওলানা আবুল কালাম নিজের মুদি দোকানের সামান্য উপার্জনে কোনোভাবে সংসার খরচ নির্বাহ করেন। অজ্ঞ গ্রামবাসী অসুখ-বিসুখে প্রায়শই তার কাছে আসে টাকাপয়সার বিনিময়ে পানিপড়া ও তাবিজ-কবজ নেওয়ার জন্য। কিন্তু মাওলানা সাহেব তা না করে রোগীদের শহরের ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দেন। তিনি গ্রামবাসীকে শিক্ষা দেন- ধর্ম ব্যাবসার বিষয় নয়, মানুষকে প্রতারণা বা নিপীড়নের জন্য নয়।উদ্দীপকের ইমাম সাহেবের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের আদর্শগত পার্থক্য নির্ণয় করো।
- সমমনা যুবকদের নিয়ে নিজ গ্রামের মানুষকে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা পরিবেশ, ধর্মান্ধতার কুফল ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন করার কাজ করে চলেছে শিক্ষিত যুবক বাজিত। বাজিতের কাজ- কর্মে খুশি নয় গ্রাম্য মাতব্বর চেরাগআলি। গ্রামের মানুষ সচেতন হলে তার প্রভাব ক্ষুণ্ণ হবে- এই তার ভয়। ওরা গান-বাজনা করে, মেয়ে লোকের সাথে আড্ডা দেয় ইত্যাদি অভিযোগ তুলে গোঁড়া সমর্থকদের সাথে নিয়ে সে বাজিতের ক্লাবে আগুন ধরিয়ে দেয়।"উদ্দীপকের বাজিত 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের সাথে কীভাবে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
- 'লালসালু' উপন্যাসের চরিত্র কোনটি?
- ‘অমন করে হাঁটতে নাই’ কে বলে?
- মজিদের সাংঘাতিক কাজ হলো— মিথ্যা কবরকে মাজার বানানোকোনোমতে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকাধর্মের নামে নিজের আখের গোছানোনিচের কোনটি সঠিক?
- বাড়িতে দুই বউ থাকার পরও বজলু চৌকিদার গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্কা বউকে বজলু কারো সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে বউকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে ছোট বউকে শীতের রাতে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম বউ খুব কষ্ট পায়। সারা রাত সে ঘুমায় না, আবার কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নেবে এমন সাহসও পায় না।উদ্দীপকের আলোকে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্র বিশ্লেষণ করো।
- 'মরা মানুষ জিন্দা হয় কেমনে'- উক্তিটি কার?
- দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর তাজু গ্রামে ফিরে বড় রাস্তারতেঁতুল গাছটির নিচে আস্তানা গড়ে তোলে। তার মাথায় জটলাল লাল চোখ। সে নিজেকে অলৌকিক পুরুষ বলে পরিচয়দেয়। গ্রামের সরল বিশ্বাসী মূর্খ লোকেরা তার কাছে চিকিৎসা নেয়।অল্পদিনের মধ্যে সম্পদে আর প্রভাবে তাজু ফুলে-ফেঁপেওঠে। তার কাজে সহায়ক হয় প্রভাবশালী গ্রাম্য তরুণ জুলফিকার।তার ভয়ে তাজুর ভণ্ডামির প্রতিবাদ কেউ করে না। উদ্দীপকের জুলফিকার 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা। সময়ে অসময়ে মিথ্যা কথা না বললে নয়- এ কথার মধ্যে মজিদ চরিত্রের যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে তা হলো-অনুশোচনাবোধঅস্তিত্ব রক্ষার প্রয়াসআত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টানিচের কোনটি সঠিক?
- বাড়িতে দুইজন স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও রহিম গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্ক স্ত্রীকে রহিম কারও সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে স্ত্রীকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে শীতের রাতে তাকে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম স্ত্রী খুব কষ্ট পায়। সাহস করে কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নিয়ে আসে।উদ্দীপকের রহিমের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের কোন দিক থেকে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- মজিদের মন অন্ধকার হয়ে আসে কেন?
- "পাথর এবার হঠাৎ নড়ে"- লালসালু উপন্যাসের এই বাক্যে পাথর বলতে বোঝানো হয়েছে-
- গ্রামের লোকেরা কার অন্য সংস্করণ?
- ‘সে যেন খাঁচায় ধরা পড়েছে।’ - লালসালু উপন্যাসের কার সম্পর্কে এ কথা বলা হয়েছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে সিদ্ধ ধানের ভাঁপের শব্দটিঔপন্যাসিক কীসের সাথে তুলনা করেছেন?
- মহাসড়কের পাশে পোড়াবাড়ি গ্রামে ফসিপাগলের মাজার। মঙ্গল লাভের আশায় টাকা- পয়সা, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল মানত করা হয় এই মাজারে। চলমান বাসের চালক, যাত্রাপথের পথিক ভক্তিভরে পর্যাপ্ত দান করে। মাজারের খাদেম এখন প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক। এলাকায় তার প্রভাব-প্রতিপত্তিও কম নয়। কে এই ফসিপাগল? কী তার পরিচয়? এসব প্রশ্নের কোনো প্রকার সদুত্তর মেলে না তার কাছে।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রাসঙ্গিকতা ব্যাখ্যা করো।