মহাসড়কের পাশে পোড়াবাড়ি গ্রামে ফসিপাগলের মাজার। মঙ্গল লাভের আশায় টাকা- পয়সা, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল মানত করা হয় এই মাজারে। চলমান বাসের চালক, যাত্রাপথের পথিক ভক্তিভরে পর্যাপ্ত দান করে। মাজারের খাদেম এখন প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক। এলাকায় তার প্রভাব-প্রতিপত্তিও কম নয়। কে এই ফসিপাগল? কী তার পরিচয়? এসব প্রশ্নের কোনো প্রকার সদুত্তর মেলে না তার কাছে।
উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রাসঙ্গিকতা ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়, সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া বৃক্ষ'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- সুবেদ আলি গ্রামের একজন অবস্থাসম্পন্ন মানুষ। সাদা মনের মানুষ হিসেবে গ্রামে তার একটা সুনাম আছে। পরোপকারী এবং সুখী বলেই সবাই তাকে জানে। প্রকৃতপক্ষে, ভেতরে তিনি সুখী ছিলেন না। বিয়ের বয়স দেড় যুগ গড়ালেও সন্তানের মুখ দেখেননি। বহুজনের কাছে স্বামী-স্ত্রী দুজনই চিকিৎসা নিয়েও ব্যর্থ হন। সুবেদ আলি একদিন শুনতে পান পাশের গ্রামের ফকির বাবার কেরামতির কথা। উপঢৌকনসহ সস্ত্রীক ছুটে যান তার কাছে। তাদের বিশ্বাস, ফকির বাবার ঝাড়ফুঁক পেলেই মনের আশা পূরণ হবে।"উদ্দীপকের সুবেদ আলির 'বিশ্বাস' আর 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামবাসীর বিশ্বাস যেন এক সুতোয় গাঁথা।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারী সমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্ন্যা ছাড়া তাদের আর কোন অধিকার ছিল না।উদ্দীপকের বর্ণিত বিষয়গুলো ছাড়া 'লালসালু' উপন্যাসে নারী অবমাননার আর কী কী চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও করা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের ছোটো পুত্রবধূ 'লালসালু' উপন্যাসের কার সাথে কীভাবে তুলনীয়? বুঝিয়ে লেখো।
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়, সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া কৃষ্ণ'- উদ্ধৃতিটি ব্যাখ্যা করো।
- মতিন ও খাইরুনের পাঁচ বছরের সংসার। বিয়ের পর হতেই অনেক চেষ্টার পরেও তাদের সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরের এক গ্রামে হেকমত কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল মতিন দ্রুত স্ত্রীকে সেখানে নিয়ে যায়। হেকমত কবিরাজ অনেকক্ষণ ধরে খাইরুনকে নিরীক্ষণ করার পর বলেন- 'পেটে বেরি পরে বইলাইতো স্ত্রী লোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ, কারো চৌদ্দ।'উদ্দীপকের মতিন ও 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর মধ্যে বিদ্যমান সাদৃশ্য নির্ণয় কর।
- সিকান্দার আবু জাফর কোন পত্রিকা সম্পাদনা করেন?
- রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়ার জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।"উদ্দীপকের তোতা মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারী দুজনেরই পরিণতি বেদনাবহ।"- বিচার কর।
- জনাব নুরুল ইসলাম একজন শিল্পপতি। দীর্ঘকাল পর তিনি নিজ গ্রামে এসে দেখেন, এখানকার মানুষ এখনও দুঃখদুর্দশা আর অভাব-অনটনে জর্জরিত। তাই তিনি মনিস্থর করেন যে, গ্রামে একটি ফ্যাক্টরি স্থাপন করবেন। এতে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু গ্রামের চেয়ারম্যান তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, বেকার লোকেরা কর্মজীবী হয়ে গেলে তাদেরকে আর মিটিং-মিছিলে ব্যবহার করা যাবে না।'উদ্দেশ্যগত মিলই উদ্দীপকের চেয়ারম্যান ও উপন্যাসের মজিদ চরিত্র দুটোকে পরস্পরের প্রতিনিধি করে তুলেছে' মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ করো।
- সালামতপুর গ্রামের বেশির ভাগ মানুষই নিরক্ষর, কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও ধর্মান্ধ। গ্রামে বাস করে এক শিক্ষিত যুবক নাম তার কামাল।। সে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ ডিগ্রি লাভ করে গ্রামে ফিরে এসেছে গ্রামের উন্নয়ন করার জন্য। গ্রামের মানুষকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্যে গ্রামে সে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চায়। সে উদ্দেশ্যে গ্রামের লোকজনকে ডেকে সভা আহ্বান করলে গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি বাদল মাতব্বর কামালের স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে মক্তব গড়ার পক্ষে মতামত দেন। কামাল এর প্রতিবাদ করলে কামালকে বাদল মাতব্বর তার সাঙ্গোপাঙ্গদের সহযোগিতায় সুকৌশলে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য করেন।উদ্দীপকের কামালের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা নিজের ভাষায় বর্ণনা করো।
- আধিপত্য মানে কর্তৃত্ব বা প্রভুত্ব। এর মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করা মানুষের আজন্ম স্বভাব। সামাজিক কাজ করে হোক, খারাপ কাজ করে হোক, অর্থবিত্ত দিয়ে হোক মানুষ প্রভাব বিস্তার করতে পারে। প্রভাব বিস্তার করতে কেউ-বা জীবিকার প্রয়োজনে নিজ এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। অতঃপর পরিশ্রম ও বুদ্ধির জোরে নিঃস্ব ও সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে বিত্তশালী হয়ে ওঠে। উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের মূলভাবকে ধারণ করে কি? মতামত দাও।
- কে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত?
- মানুষ বেঁচে থাকার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। জীবনের শেষ ক্ষুদ্র অবলম্বনকেও বিসর্জন দিয়ে বাঁচতে চায়। কোনো প্রাণীই এর ব্যতিক্রম নয়। যেমন বাঘের ক্ষুধা সহ্যের মাত্রা অতিক্রম করলে আপন ছানাদের খেয়েও জীবন বাঁচায়।উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের বিশেষ কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- মজিদ কীভাবে দিনের পর দিন তার আত্মবিশ্বাস ফিরে পায়?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- ঔপন্যাসিক মজিদের গ্রামে প্রবেশকে নাটকীয় বলেছেন কেন?
- 'লালসালু' উপন্যাসে খালেক ব্যাপারীর প্রথম পক্ষেরস্ত্রীর নাম কী?