আওয়ালপুর ও মহব্বতনগরের মাঝপথে কোন গাছ পড়ে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'লালসালু' উপন্যাসে উল্লিখিত আমেনা বিবি কোন দিন রোজা রাখে?
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা- চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়েসের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।উদ্দীপকের টুনির সাথে- 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা কর।
- প্রবাসী বিত্তবান তরুণ সজল গ্রামের মানুষের যাতায়াত ও পণ্যপরিবহনের সুবিধার্থে নদীতে ব্রিজ নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষেরসাথে যোগাযোগ শুরু করলে নদীর ঘাটের ইজারাদার সজলকেনানাভাবে হেনস্থা করে।উদ্দীপকের সজল 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রকেস্মরণ করায়?
- কানিজের বাবা-মার মধ্যে সারাদিন দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে।তাদের এই দ্বন্দ্বে অতিষ্ঠ হয়ে সে স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছেবিচার দেয়। চেয়ারম্যানের লোলুপদৃষ্টি পরিবারটিকে ধ্বংসকরে দেয়।উদ্দীপকের পরিবারটির ধ্বংসের দিক থেকে'লালসালু' উপন্যাসের তাহেরের বাপ-মার সংসারধ্বংসের দিকটি যে তাৎপর্য বহন করে—ক্ষমতার প্রভাবঅর্থনৈতিক প্রভাবধর্মীয় গোঁড়ামিনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা?
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপসহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষক, স্বৈচরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০, সর্বোপরি ১৯৭১ সালে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর যথার্থ নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশে স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবার নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধুর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি আলোচনা করো।
- 'কদর্য এশীয়’ বইটির লেখক কে?
- মানুষ বেঁচে থাকার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। জীবনের শেষ ক্ষুদ্র অবলম্বনকেও বিসর্জন দিয়ে বাঁচতে চায়। কোনো প্রাণীই এর ব্যতিক্রম নয়। যেমন বাঘের ক্ষুধা সহ্যের মাত্রা অতিক্রম করলে আপন ছানাদের খেয়েও জীবন বাঁচায়।উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের বিশেষ কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারী সমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্ন্যা ছাড়া তাদের আর কোন অধিকার ছিল না।উদ্দীপকের বর্ণিত বিষয়গুলো ছাড়া 'লালসালু' উপন্যাসে নারী অবমাননার আর কী কী চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে?
- “তোমার দাড়ি কই মিঞা”- উক্তিটি কাকে উদ্দেশ্যকরে বলা?
- প্রাগপুর গ্রামে একজন খ্রিষ্টান ধর্মযাজক এসেউপস্থিত হন। বিপদে-আপদে গ্রামের সাধারণমানুষেরা তাঁর কাছে আসতে শুরু করলে গ্রামেরপুরোহিত নিজের যশ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করতেলাগলেন ।এই মিলের কারণ হলো— দুর্বলের ক্ষমতা চিরস্থায়ী হয়ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা প্রতিপক্ষের আবির্ভাবনিচের কোনটি সঠিক?
- 'বতোর দিন ঘুরে আসে, আবার পেরিয়ে যায়।' কোন রচনার অন্তর্গত?
- দিনমজুর আবুল মিয়ার একমাত্র মেয়ে শাহানা। এখন সে বারো বছরের কিশোরী। চেহারাটা একটু রোগা বলে বয়সটা তার ঠিক কতো তা বোঝা যায় না। শাহানা খুব চঞ্চল ও স্বাধীনচেতা। সে উচ্ছল ও হাস্যমুখর। হঠাৎ রইচ ঘটক পাশের গ্রামের রহম আলী নামে এক মধ্যবয়সী পাত্রের প্রস্তাব নিয়ে আসে। শাহানার পিতা অভাবের কথা ভেবে শাহানার বিয়ের এ প্রস্তাবে রাজি হয়। শাহানার দু'চোখে বিস্ময় ও ক্ষোভ। শাহানার স্বপ্নগুলো, রহম আলীর আচরণে ও রূঢ়তায় বিচূর্ণ হয়ে যায়।"উদ্দীপকের শাহানা ও 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার ভাগ্য একই সূত্রে গাঁথা।"- এ মন্তব্য কতটা গ্রহণযোগ্য? মূল্যায়ন করো।
- করিমন বাতের ব্যথায় জর্জরিত । ছোটো ছেলে কাদেরকেপাশের গ্রামের পিরের কাছে পাঠায় পানিপড়া আনতে ।লোক-বিশ্বাস কার্মেল পিরের পানি পড়ায় সর্বরোগেরঅবসান ঘটে.উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন দিকটি ফুটেউঠেছে?কুসংস্কার অন্ধবিশ্বাস পিরভক্তি নিচের কোনটি সঠিক?
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে । কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া 'ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।উদ্দীপকের 'আরেফ মিয়া'র সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়? আলোচনা করো।
- 'সময়-অসময়ে মিথ্যে কথা না বললে নয়।'- উক্তিটির প্রাসঙ্গিক তা তুলে ধরো।
- ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগডাশেবুঝছোনি ভাই বুঝছোনি, আসল কথা বুঝছোনি?এক গেরামের গরিব চাষি কালামিয়া নামসবার পেটে ভাত জুটাইতে ক্ষেত্রে ঝরায় ঘামও তার ছাওয়াল কান্দে ক্ষুধার জ্বালায়মহাজনরা হাসে।ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগডাশে।'জমিদার, মুৎসুদ্দি শ্রেণির বিলোপ হলেও আধুনিক পির প্রথা সেই স্থান দখল করে নিয়েছে।' বক্তব্যটি উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস অবলম্বনে বিচার করো।
- ‘শীর্ণ মানুষটির পেছনে মাছের পিঠের মতো মাজারটির বৃহৎ ছায়া দেখে’ কে দেখে?
- জাহিদ শহর থেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরেআসে এবং গ্রামের মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা দেখেব্যাথিত হয়। সে গ্রামে শিক্ষার আলো জ্বালাতে একটিনৈশ বিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।অনুচ্ছেদে উল্লিখিত গ্রামবাসীর জ্ঞানের সীমাবদ্ধতারমধ্যে 'লালসালু' উপন্যাসের যে দিকটি প্রকাশ পায় -দরিদ্রতাকুসংস্কারাচ্ছন্নতাঅজ্ঞতানিচের কোনটি সঠিক?
- পলাশপুর একটি অজপাড়া গাঁ। পাড়ার বেশিরভাগ লোকই অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের ছেলে অনীক শহরের কলেজে পড়ে। গ্রামের অশিক্ষিত মানুষকে শিক্ষিত করে তুলতে সে গ্রামে একটা স্কুল করতে চায়। গ্রামে সভা বসলে মাতব্বর জলিল মণ্ডল ও ভন্ডপীর ছাবেদ আলী গ্রামে কোরান শিক্ষার জন্য মক্তব গড়তে চায়। অনীক এর প্রতিবাদ করলে তাকে গ্রাম ছাড়া করা হয়।উদ্দীপকের অনীকের উদ্দেশ্যের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের উদ্দেশ্যের কী মিল পাওয়া যায়? লেখ।