হাসুনির মাকে তার বাপ পিটিয়েছিল কেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?
- ‘জয়গুন’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- রমজান ও হালিমার দশ বছরের সংসার। বিয়ের পর থেকে অনেক চেষ্টার পরও তাদের কোনো সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরে এক গ্রামের কেরামত নামক কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল রমজান দ্রুত হালিমাকে সেখানে নিয়ে যায়। কবিরাজ হেকমত অনেকক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে বলেন "পেটে বেড়ি পড়ে বইলাইতো স্ত্রীলোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ কারো চৌদ্দ।উদ্দীপকের কেরামত কবিরাজ এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের লোক ঠকানোই পেশা- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- মজিদ কার চোখে ভয় দেখেছে?
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে । কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া 'ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।'উদ্দীপকে প্রতিফলিত সমাজচিত্রে 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজচিত্রের পূর্ণাঙ্গ প্রতিফলন ঘটেনি।'-আলোচনা করো।
- নাগর ফকিরের মৃত্যুর পর অনুসারীর সংখ্যা রাতারাতি বাড়তে লাগল। তার মৃত্যুর খবরে আশেপাশের অনেকেই হাজির না হলেও তার গায়েবি মাজার ওঠার খবরে বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ এসে ভিড় জমাতে লাগল। সবার নজরানায় নাগর ফকিরের ছেলে সাগরের সুনাম ও সম্পদ বৃদ্ধি পেতে থাকল। গায়েবি মাজার ওঠার প্রচারণা অনেকেই বিশ্বাস করল না। তবে তারা, এ বেদাতি কাজে বাধাও দিল না। এতে মাজার-বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে সাগরের প্রভাব ও পয়সা দুটোই বাড়তে লাগল। 'উদ্দীপকের গায়েবি মাজারের অনুসারীরা যেন মহব্বতনগর গ্রামেরই বাসিন্দা।'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই, তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা-চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়সের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।"টুনি ও 'লালসালু' উপন্যাসের উদ্দিষ্ট চরিত্র সামাজিক কুসংস্কারের শিকার।" উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে এ উক্তিটির সত্যতা নিরূপণ করো।
- 'ধান দিয়ে কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?' কথাটি “লালসালু” উপন্যাসে বলেছিলেন-
- খালেক ব্যাপারি দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের আবির্ভাব ঘটে-
- জালালের দুই বউয়ের মধ্যে মিমি ছোট। বয়স অল্প হওয়ারকারণে সংসার সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। হেসে-খেলেদিন কাটে তার। সুযোগ পেলেই সমবয়সী মেয়েদের সাথে গল্পগুজবে মেতে ওঠে সে।উদ্দীপকের মিমি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রেরঅনুৰূপ?
- রসুলপুর গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের দুরন্ত মেয়ে নাসরিন। বন্ধুদের সঙ্গে ছুটোছুটি করা, অবাধ সাঁতার কাটা তার আনন্দের কাজ। নাসরিনের বিয়ে হয় পাশের গ্রামের, মাতব্বরের সাথে। গ্রামের সকলেই তাঁকে মানলেও নাসরিন তাঁকে মানে না।"উদ্দীপকের মাতব্বর 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সামগ্রিক দিক ধারণ করেনি।- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- 'আপনারা জাহেল, বে-এলেম, আনপাড়াহ্' এই উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
- "চাঁদের অমাবস্যা' রচিয়তা কে?
- নিচের কোনটি সঠিক?
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণে তার অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই তাকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও এ প্রস্তাব সমর্থন করেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।উদ্দীপকের মাহাবুবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর চরিত্রের তুলনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে দুর্লঙ্গনীয় রহস্যে আবৃত কী?
- সমৃদ্ধ মহব্বতনগর গ্রামে কী নেই?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।