মজিদ কার চোখে ভয় দেখেছে?
A. আমেনার
B. হাসুনির মা
C. রহিমার
D. জমিলার
সঠিক উত্তরঃ
C.
রহিমার
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- অন্ধকারে মজিদের চোখ কীসের মতে চকচককরে?
- 'তরঙ্গভঙ্গ' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি-
- মজিদ কোন বিষয় সম্পর্কে গ্রামবাসীদের সচেতন করে দেয়?
- ‘লালসালু’ উপন্যাসটি কে রচনা করেছেন?
- নয়ন গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য একতাবদ্ধ করে। কিন্তু মৌলবি সাহেব এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তা ধূলিসাৎ করে দেয়।মৌলবির কর্মকান্ড 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের যে দিকটা ইঙ্গিত করে-ধর্মীয় গোঁড়ামিআধিপত্য রক্ষার চেষ্টাপশ্চাৎপদতানিচের কোনটি সঠিক?
- জুয়েল প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার কিন্তু পুরোনো ধ্যানধারণা আঁকড়ে থাকা পিতার কঠিন অসুখেও চিকিৎসাসেবা সে দিতে পারে না। তাবিজ-কবজ আর পানিপড়ায় বিশ্বাসী পিতা আমিরুল ডা. জুয়েলকে একরকম ত্যাজ্য করেছেন বলা যায়; কারণ গ্রামের গরিব মানুষদের জন্য ডা. জুয়েল আধুনিক এক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং তা তার পিতার মতোই কুসংস্কারচ্ছন্ন ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে গিয়েই। তারা মনে করেন এতে ধর্মনাশ হচ্ছে আর তারা পাপের ভাগীদার হচ্ছে। মূলত এইসব কুসংস্কারের মূলে রয়েছে তাদের পীরসাহেব, যার পানিপড়া নিতে আজকাল খুব কম মানুষই আসে।'নিজ স্বার্থরক্ষায় ধর্মীয় গোঁড়ামি কায়েম করে পীরসাহেব এবং মজিদ দুজনেই ধর্মভীরু মানুষকে আধুনিকতার সুফল থেকে বঞ্চিত করেছে।'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস অবলম্বনে তোমার শিখনফল লেখো।
- আব্দুল্লাহ যখন শাহ পাড়ার গোলদার বাড়ি আসিয়া পৌছিল তখন বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর। সংবাদ পাইয়া গৃহস্বামী গোলদার ব্যস্ত সমস্ত হইয়া ছুটিয়া আসিল এবং তাহার দীর্ঘ শুভ্র শশ্মাশ্রুরাজি ভূলুণ্ঠিত করিয়া আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিতে উদ্যত হইল। এ ধরনের অভিনন্দনের জন্য আব্দুল্লাহ একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। পথে হঠাৎ সাপ দেখিলে মানুষ যেমন এক লম্ফে হটিয়া দাঁড়ায়, সেও তেমনি হটিয়া গিয়া বলিয়া উঠিল 'আহা, করেন কি, করেন কি, গোলদার সাহেব। কাসেম গোলদার বড়োই সরলপ্রাণ, ধর্মপরায়ণ, পিরভক্ত লোক। আব্দুল্লাহর পিতা তাহার পির ছিলেন, এক্ষণে তাহার মৃত্যুতে আব্দুল্লাহ তাঁহার স্থলাভিষিক্ত বলিয়া মনে করিয়া লইয়া সে আব্দুল্লাহর কদমবুসি করিবার জন্য নত মস্তকে হাত বাড়াইয়াছিল। কিন্তু আব্দুল্লাহ পা টানিয়া লওয়ায় সে উহা স্পর্শ করিতে পাইল না; তাহার মনে হইল বেহেশতের দুয়ারের চাবি তাহার হাতের কাছ দিয়া সরিয়া শেল।উদ্দীপকের আব্দুল্লাহর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের চারিত্রিক পার্থক্য দেখাও।
- নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
- ‘তানি বুঝি দুলার বাপ।’- 'লালসালু' উপন্যাসে জমিলার এই উক্তি কার প্রসঙ্গে।
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে । কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া 'ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।'উদ্দীপকে প্রতিফলিত সমাজচিত্রে 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজচিত্রের পূর্ণাঙ্গ প্রতিফলন ঘটেনি।'-আলোচনা করো।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র জন্মমৃত্যু সাল কোনটি?
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'নিরাক পড়া' অর্থে কী বোঝানো হয়েছে?
- কলমা জানো মিঞা- উক্তিটি মজিদ কাকে উদ্দেশ্য করে করেছে?
- লালসালু' উপন্যাস 'মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়া জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।উদ্দীপকের কোব্বাদ মেম্বারের সাথে মজিদ চরিত্রের মিল ও অমিল দেখাও।
- জান না কি তুমি, রে বেইমানআল্লাহ সর্বশক্তিমানদেখিছেন তোর সবকিছু?জাব্বা জোব্বা দিয়ে ধোঁকাদিবি আল্লারে, ওরে বোকাকেয়ামতে হবে মাথা নিচু।'লালসালু' উপন্যাসের কোন দিকটি উদ্দীপকের সাথে সম্পর্কযুক্ত? বিশ্লেষণ করো।
- জমিলা কে? সংক্ষেপে তার পরিচয় দাও।
- পলাশপুর একটি অজপাড়া গাঁ। পাড়ার বেশিরভাগ লোকই অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের ছেলে অনীক শহরের কলেজে পড়ে। গ্রামের অশিক্ষিত মানুষকে শিক্ষিত করে তুলতে সে গ্রামে একটা স্কুল করতে চায়। গ্রামে সভা বসলে মাতব্বর জলিল মণ্ডল ও ভন্ডপীর ছাবেদ আলী গ্রামে কোরান শিক্ষার জন্য মক্তব গড়তে চায়। অনীক এর প্রতিবাদ করলে তাকে গ্রাম ছাড়া করা হয়।"উদ্দীপকের অনীক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস উভয়ের উদ্দেশ্য মহৎ হলেও অন্ধ ধর্ম বিশ্বাসের কাছে তারা মাথা নত করেছে।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- 'কী মিয়া? তোমার দিলে কি ময়লা আছে?'- এখানে ময়লা কী?
- আফজাল মিয়ার স্ত্রী হালিমা পরপর তিনটি কন্যা সন্তান জন্মদেয়। পূত্র সন্তান লাভের আশায় খ্যাতিমান পির জুনাইদ আলীকুতুবশাহীর দরবারে গমন করে। পির কুতুবশাহী এক বোতল'পড়া পানি' দিয়ে বলেন যে, এই 'পড়া পানি' খেয়ে তার যদিপুত্র সন্তান না হয় তবে বুঝতে হবে সে পাপী। হালিমা যথারীতিচতুর্থ কন্যার জন্ম দেয় এবং স্বামীর রোষানলে পড়ে।উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসে প্রকাশিত ভাব— অন্ধবিশ্বাস ধর্মীয় গোঁড়ামিপির প্রথানিচের কোনটি সঠিক?
- “মাজারটি তাঁর, শক্তির মূল'' বলতে কী বোঝানোহয়েছে?
- 'তোমার দাড়ি কই মিঞা?'- উক্তিটি কে করেছিল?
- বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদ রূপনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক ইমরান গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল।কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।উদ্দীপকের ইমরান 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্র ও ঘটনাকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।
- 'সে-মুখ ফ্যাকাশে, রক্তশূন্য'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
- ফকির মুন্সীর স্ত্রী মরিয়ম সহজ-সরল মেয়ে। স্বামীর প্রতি তারঅগাধ অটল বিশ্বাস। তার বিবেচনায় ফকির মুন্সী একজনকামেল ও পরহেজগার লোক। অথচ গ্রামের অশিক্ষিতসহজ-সরল মানুষের খোদাভীতিকে কাজে লাগিয়ে ফকিরমুন্সী নানা ফতোয়া জারি করে সাধারণ মানুষকে ঠকায় । 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সঙ্গে উদ্দীপকেরমরিয়মের সাদৃশ্য রয়েছে?
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ'- ব্যাখ্যা করো।
- শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালন করেন।শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবের বিরোধবাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিবশামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।উদ্দীপকের হাবিবের মধ্যে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন চরিত্রের সাদৃশ্য মেলে?
- ওয়াজ করিবার সময় পির সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়ে গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন।..... তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখমুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? আলোচনা করো।
- দিন কাটিয়া যায়। জীবন অতিবাহিত হয়। ঋতুচক্রে পাক খায়। পদ্মার ভাঙন-ধরা তীরে মাটি ধসিতে থাকে, পদ্মার বুকে জল ভেদ করিয়া জাগিয়া উঠে চর। অর্ধশতাব্দীর বিস্তীর্ণ চর, পদ্মার জলে আবার বিলীন হইয়া যায়। জেলে পাড়ার শিশুর ক্রন্দন কোনোদিন বন্ধ হয় না। ক্ষুধা-তৃষ্ণার দেবতা, হাসি-কান্নার দেবতা, অন্ধকার আত্মার দেবতা- ইহাদের পূজা কোনোদিন সাঙ্গ হয় না।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ভৌগোলিক অঞ্চলের কীরূপ সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- আক্কাস গ্রামে কী প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল?
- কদম আলি একসময় 'মাল্টিপারপাস জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন' নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। চটকদার বিজ্ঞাপন আর লোভাতুর প্রচারণায় অল্প সময়ে সে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। অধিক মুনাফা লাভেল আশায় এলাকার অশিক্ষিত-অল্পশিক্ষিত খেটে খাওয়া মানুষ তার প্রতিষ্ঠানে অর্থলগ্নি করতে থাকে বছরের পর বছর যায়; কিন্তু জমাকারীরা লাভের মুখ দেখে না। নিকট অতীতে কদম আলির আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকলেও এখন সে প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক। এলাকার এক শিক্ষিত তরুণ সাগর এক যুগ পর গ্রামে এসে দেখে কদম আলি সহজ- সরল মানুষকে কীভাবে প্রতারিত করে যাচ্ছে। সে দেরি না করে এলাকার উদীয়মান তরুণদের সুসংগঠিত করে কদম আলির প্রচারণা বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনে। প্রশাসন তদন্ত সাপেক্ষে টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে' কদম আলিকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।উদ্দীপকের সাগরের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের সাদৃশ্য দেখাও।
- রসুলপুর গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের দুরন্ত মেয়ে নাসরিন। বন্ধুদের সঙ্গে ছুটোছুটি করা, অবাধ সাঁতার কাটা তার আনন্দের কাজ। নাসরিনের বিয়ে হয় পাশের গ্রামের, মাতব্বরের সাথে। গ্রামের সকলেই তাঁকে মানলেও নাসরিন তাঁকে মানে না।"উদ্দীপকের মাতব্বর 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সামগ্রিক দিক ধারণ করেনি।- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- মজিদ কেন আক্কাসের স্কুল প্রতিষ্ঠায় বাঁধা দেয়?
- প্রবাসী বিত্তবান তরুণ সজল গ্রামের মানুষের যাতায়াত ও পণ্যপরিবহনের সুবিধার্থে নদীতে ব্রিজ নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষেরসাথে যোগাযোগ শুরু করলে নদীর ঘাটের ইজারাদার ???জলকেনানাভাবে হেনস্থা করে।উদ্দীপকে প্রকাশিত হয়েছে 'লালসালু' উপন্যাসের-
- চেয়ারম্যান সাহেব হরিণমারী গ্রামের কৃতী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করেন। এর মাধ্যমে পরবর্তী জেনারেশন অনুপ্রাণিত বোধ করে। গ্রামের সাধারণ মানুষ এতে নির্দ্বিধায় সমর্থন জানালেও একজন মাতব্বর তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তার মতে, শিক্ষিত মানুষরা বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখাশোনা করে না। কাজেই বেশি শিক্ষা দরকার নেই। এ উত্তরে চেয়ারম্যান 'সাহেব বলেন, 'কোনো শিক্ষার সাথেই বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সেবাযত্ন নেওয়ার সমস্যা নেই বরং শিক্ষিত মানুষেরা চাকরি থেকে উপার্জন দিয়ে বাবা-মায়ের সেবাযত্ন করতে পারে; ভুল শিক্ষা বা অজ্ঞানতার জন্যই মানুষ কুসংস্কারে বিশ্বাসী হয় এবং অন্যায় কাজ করে।' "কুসংস্কারই উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজে অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।"- মন্তব্যটি যাচাই ই করো।
- মুহিম ভাদ্র মাসের এক বিকেলে দেখল বিলের পানি, ধানগাছ ও অন্যান্য ফসল একেবারে স্তব্ধ হয়ে আছে। মুহিম যে অবস্থাটি দেখেছে তা 'লালসালু' উপন্যাসেরআলোকে কী বলা যায়?
- ‘লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত 'কিন্তু দেশটা কেমন মরারদেশ'— বাক্যটিতে 'মরার দেশ' বলতে কী বোঝানোহয়েছে?
- 'লালসালু' কী ধরনের উপন্যাস?
- "নবাগত লোকটির কোটরাগত চোখে আগুন"- ব্যাখ্যা কর।
- নিচের কোনটি সঠিক?