‘লালসালু’ উপন্যাসটি কে রচনা করেছেন?
A. আবুল মনসুর আহমদ
B. আবুল ফজল
C. শহীদুল্লাহ কায়সার
D. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
সঠিক উত্তরঃ
D.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
Explanation: ‘লালসালু’ উপন্যাসের রচয়িতা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়। এটি একটি সমাজ সচেতনতা উপন্যাস। কাঁদো নদী কাঁদো, চাঁদের অমাবস্যা তাঁর অন্য দুটি বিখ্যাত উপন্যাস।
Related Questions (Any University/Year)
- ধান দিয়া কী হইবো মানুষের জান যদি না থাকে?'- ব্যাখ্যা করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'মাসি-পিসি' গল্পে অসহায় নিঃস্ব দুই বিধবা নারীর অস্তিত্ব রক্ষার পাশাপাশি বিরূপ পরিবেশে থেকে আহ্লাদিকে রক্ষার জন্য যে প্রখর বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে তা গল্পটিকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। অত্যাচারী স্বামী, লালসা-উন্মত্ত জোতদার, দারোগা ও বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আহ্লাদিকে নিরাপদ। রাখার ক্ষেত্রে দুই বিধবা নারীর দায়িত্বশীল ও মানবিক জীবন-যুদ্ধ সত্যিই প্রশংসনীয়।উদ্দীপকের নারীদের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের নারী চরিত্রের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- “শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের চেয়ে আগাছা বেশি"- এই উক্তিটি করা হয়েছে-
- তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের মানুষেরা নিত্য অভাব-অনটন নিয়ে বসবাস করে। দিনের পর দিন আসে, কিন্তু হতভাগা এ অঞ্চলের মা??ুষদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন আসে না। বৎসরান্তে তিস্তার অপ্রতিরোধ্য ভাঙ্গন মানুষকে আরও বেশি অসহায়, নিঃস্ব করে ফেলে। শস্যহীন মানুষগুলো ক্ষুধা-তৃষ্ণা, রোগ-শোক, শিশুর আর্তচিৎকার, সব মিলিয়ে আনন্দহীন এক মানবেতর জীবন অতিবাহিত করে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য তারা কখনো কখনো মানত করে। এতেও তাদের জীবনযাত্রায় কোনো পরিবর্তন আসে না। ভাগ্যের অন্বেষণে তখন তারা বহির্মুখী হয়ে ওঠে।"উদ্দীপকের দুর্ভাগা মানুষগুলো ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য যে মানত করে ও বহির্মুখী হয়, তা 'লালসালু' উপন্যাসের পশ্চাৎপদ দারিদ্র্যপীড়িত সমাজ বাস্তবতারই প্রতিরূপ।"- তুমি কি এ মত সমর্থন কর? যুক্তিসহকারে আলোচনা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসে মাজারটি দেখতে কেমন?
- মহব্বতনগর গ্রামটি মতিগঞ্জ সড়কের কোনদিকে?
- মজিদ পীর সাহেবকে শয়তান আখ্যা দিল কেন?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালন করেন।শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবের বিরোধবাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিবশামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।উদ্দীপকের হাবিবের মধ্যে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন চরিত্রের সাদৃশ্য মেলে?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ যে নামে প্রকাশিত হয় তা হলো-
- 'যেন বিশাল সূর্যোদয় হয়েছে, আর সে আলোয় প্রদীপের আলো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।'- ব্যাখ্যা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নাম কী?
- বতোর দিন কীসের সাথে সম্পর্কিত?
- ‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা?
- পৃথিবীতে কিছু মানুষ আছে যারা নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখতে সদা তৎপর। নিজের ক্ষমতা, লোভ, প্রভাব ও স্বপ্নকে টিকিয়ে রাখতে যেকোনো কাজ তার দ্বারা সম্ভব। যারা প্রবৃত্তির এই ফাঁদে পা দেয় তারাই জানে এই দুনিয়ায় সচ্ছলভাবে টিকে থাকতে হলে তাকে নিজের সবটুকু দিয়েই চেষ্টা করতে হবে। ন্যায়-অন্যায়, পাপবোধ সেখানে ক্ষি ক্ষণিকের জন্য জন্য বিবেকবোধকে বিবেক জাগ্রত করলেও ৯৮ তা দুনিয়ার স্বার্থে অচিরেই ম্লান হয়ে যায়।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? যুক্তি দেখাও।
- ওয়াজ করিবার সময় পির সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়ে গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন।..... তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখমুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজচিত্রের প্রতি যে ইঙ্গিত প্রদান করে তা আলোচনা করো।
- 'লালসালু' কোন ধরনের উপন্যাস?
- জাহিদ শহর থেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরেআসে এবং গ্রামের মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা দেখেব্যাথিত হয়। সে গ্রামে শিক্ষার আলো জ্বালাতে একটিনৈশ বিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।অনুচ্ছেদে উল্লিখিত গ্রামবাসীর জ্ঞানের সীমাবদ্ধতারমধ্যে 'লালসালু' উপন্যাসের যে দিকটি প্রকাশ পায় -দরিদ্রতাকুসংস্কারাচ্ছন্নতাঅজ্ঞতানিচের কোনটি সঠিক?
- রমজান ও হালিমার দশ বছরের সংসার। বিয়ের পর থেকে অনেক চেষ্টার পরও তাদের কোনো সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরে এক গ্রামের কেরামত নামক কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল রমজান দ্রুত হালিমাকে সেখানে নিয়ে যায়। কবিরাজ হেকমত অনেকক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে বলেন "পেটে বেড়ি পড়ে বইলাইতো স্ত্রীলোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ কারো চৌদ্দ।উদ্দীপকের কেরামত কবিরাজ এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের লোক ঠকানোই পেশা- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'মাসি-পিসি' গল্পে অসহায় নিঃস্ব দুই বিধবা নারীর অস্তিত্ব রক্ষার পাশাপাশি বিরূপ পরিবেশে থেকে আহ্লাদিকে রক্ষার জন্য যে প্রখর বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে তা গল্পটিকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। অত্যাচারী স্বামী, লালসা-উন্মত্ত জোতদার, দারোগা ও বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আহ্লাদিকে নিরাপদ। রাখার ক্ষেত্রে দুই বিধবা নারীর দায়িত্বশীল ও মানবিক জীবন-যুদ্ধ সত্যিই প্রশংসনীয়।উদ্দীপকের 'অস্তিত্ব রক্ষা' শব্দটি 'লালসালু' উপন্যাসের 'মজিদ' চরিত্রে কীভাবে দেখানো হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে হাসপাতালের অবস্থান কোন শহরে?
- কোনটি সঠিক?
- 'লালসালু' উপন্যাসে বাঙালি সমাজের কোন অসঙ্গতি প্রকাশ পেয়েছে?
- "তাই তারা ছোটে, ছোটে"- কেন? ব্যাখ্যা করো।
- করিম মুন্সীর স্ত্রী মোমেনা বেশ সহজ-সরল। স্বামীর প্রতিতার বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতা প্রবল। সাধারণ মানুষেরসারল্য ও খোদাভীতিকে পুঁজি করে তার স্বাম?? তাবিজ বিক্রিকরে এবং পানি পড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে।উদ্দীপকের করিম মুন্সী ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়েরই ব্যাবসার উৎস হলো— প্রতারণা মানুষের সরলতাধর্মভীতিনিচের কোনটি সঠিক?
- শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের চেয়ে আগাছা বেশি।'- কেন বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- নাজমুল হোসেন একজন শিক্ষক। তিনি প্রগতিশীল ও আধুনিক মননের অধিকারী। তিনি তার ছাত্রদের আধুনিক চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে গড়ে তুলতে চান। যেকোনো বিষয়ে যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে চান। ধর্মীয় কুসংস্কার ও গোঁড়ামি থেকে মুক্ত করে তাদের বিজ্ঞানমনষ্ক করার চেষ্টা করেন। এতে কেউ কেউ তার বিরাগভাজন হলেও তিনি পিছপা হন না।উদ্দীপকের নাজমুল হোসেন এবং 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের মানসিকতার সাদৃশ্য নির্ণয় কর।
- "ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?" উক্তিটি কার?
- মজিদ কার ভয়ে শঙ্কিত হয়?
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারী শিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্য বিয়ে নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছেলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়ে গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এখানে সেলাই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।উদ্দীপকের মুরাদপুর গ্রামের সমাজবাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের সমাজবাস্তবতার তুলনা করো।
- আরিফার বাবা মারা যাওয়ার পরে মায়ের স্নেহে চরম দারিদ্র্য সে লালিত-পালিত হয়। মা নিতান্তই বাধ্য হয়ে মধ্য বয়সি একজন লোকের সাথে আরিফার বিয়ে দেয়। স্বামীর বাড়িতে আরিফা গিয়ে দেখে তার স্বামী মহশিনের আরেকজন স্ত্রী ও দুই সন্তান আছে। আরিফাকে কেন্দ্র করে সংসারে নতুন অশান্তি তৈরি হয়। বড়ো বউ কথায় কথায় আরিফার গায়ে হাত তোলে এবং সংসারের যাবতীয় কাজ তাকে দ্বারা করিয়ে নেয়। উপরন্তু বড়ো বউ আরিফার বিষয়ে স্বামীর কান ভারী করে। ফলে তার উপরে নেমে আসে অমানসিক নির্যাতন। আবার আরিফার স্বামী মহশিন চোরা কারবারির সাথে যুক্ত আছে, যে বিষয়টি আরিফা পুলিশকে জানিয়ে দেয়।"উদ্দীপকে বর্ণিত আরিফা এবং 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত জমিলার জীবনচিত্র যেন একই সুতোয় গাঁথা।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণে তার অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই তাকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও এ প্রস্তাব সমর্থন করেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।উদ্দীপকের মাহাবুবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর চরিত্রের তুলনা করো।
- 'লক্ষ্মীপুর গ্রামে নাকি এক সন্ন্যাসীর আগমন ঘটেছে। এইসন্ন্যাসী নাকি চোখের পলকে অন্য গ্রামে যেতে পারে,বাতাসের গতি থামাতে পারে।'উদ্দীপকের সন্ন্যাসী 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রকে মনে করে দেয়?
- গ্রামের স্কুলশিক্ষক বাবা তমিজুদ্দীন তাঁর ছেলে রাসেলকে শহরের বড়ো প্রতিষ্ঠানে উচ্চ শিক্ষার জন্য পাঠায়। রাসেল ডাক্তার হয়ে বাবার মুখ উজ্জ্বল করে ফিরে আসে গ্রামে। তার ইচ্ছা গ্রামের অসহায়, দুস্থ রোগীদের আধুনিক চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তুলবে এবং তাবিজ কবজ, ঝাড় ফুঁক ও পানিপড়া প্রভৃতি অন্ধবিশ্বাস থেকে গ্রামবাসীেেদর মুক্ত করবে। কিন্তু ব্যাপারটা গ্রামের মোড়ল করিম খান মেনে নিতে পারে না। রাসেল যাতে গ্রামের মানুষদের সচেতন করতে না পারে সেই চেষ্টা করতে থাকে সে, কিন্তু রাসেল কোন দিকে কর্ণপাত না করে এগিয়ে যায় নিজের লক্ষ্যের দিকে।"উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস উভয়ই অন্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন জনজীবনের আলেখ্য।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে শ্যামলছায়া গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটছে দূর-দূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিড়ম্বিত এমনই এক যুবক শফিকের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব- প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।উদ্দীপকে বর্ণিত অসহায় মানুষদের জীবনাচরণের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
- রাহেলার মা ছাড়া সংসারে আর কেউ নেই। সামান্য পড়ালেখা শিখেছে সে। আর্থিক অবস্থার কারণে তার মা বাধ্য হয়েই এক বয়স্ক লোকের সাথে রাহেলার বিয়ে দেয়। স্বামীর বাড়ি গিয়ে দেখে, সেখানে তার স্বামীর আরো একটি বউ রয়েছে। রাহেলার ভাগ্যই খারাপ। বড় বউ রাহেলাকে মোটেই সহ্য করতে পারে না। সারাদিন খাটায়, ঠিকমতো খেতে-পরতে দেয় না। রাহেলার বিরুদ্ধে স্বামীর কান ভারীর করে। রাহেলা একদিন আবিষ্কার করল তার স্বামী বসির মিয়া চোরাকারবারের সাথে যুক্ত। ঘরে অবৈধ জিনিসপত্র রাখে। আর মধ্যরাতে তার দলের অন্যদের সাথে এসব জিনিসপত্র পাচার করে। রাহেলা এসব দেখ?? ভয় পেয়ে যায়। সে প্রতিবাদ করে, বিনিময়ে লাথি ঝাঁটা খায়। একদিন পুলিশ আসে ঘরে। রাহেলা পুলিশের কাছে সমস্ত গোপন তথ্য ফাঁস করে দেয়। বসির মিয়ার মুখোশ খুলে যায়।উদ্দীপকের বসির মিয়ার বড় বউয়ের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমা চরিত্রের তুলনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে কার সাদা সুন্দর পা দেখে মজিদের মনের সাপ জেগেছিল?
- মজিদ কীভাবে তার প্রভাবকে প্রতিষ্ঠিত করে?
- কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচনা নয়?
- 'তোমার দাড়ি কই মিঞা?'- উক্তিটি কে করেছিল?