শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালন করেন।
শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবের বিরোধ
বাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিব
শামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।
উদ্দীপকের হাবিবের মধ্যে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের
কোন চরিত্রের সাদৃশ্য মেলে?
A.
মোহাম্মদি বেগ
B.
মিরন
C.
উমিচাঁদ
D.
মিরজাফর
সঠিক উত্তরঃ
A.
মোহাম্মদি বেগ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'লালসালু' উপন্যাসে দুর্লঙ্গনীয় রহস্যে আবৃত কী?
- 'ধান দিয়ে কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?' কথাটি “লালসালু” উপন্যাসে বলেছিলেন-
- পলাশপুর গ্রামের সুশিক্ষিত ছেলে ফয়সাল। শহর থেকে এম এ পাস করে নিজ গ্রামে ফিরে এসেছে। তার বড় ইচ্ছা এলাকার উন্নয়ন করা, বিশেষ করে নিরক্ষর মানুষদের সাক্ষর করে তোলা। সে প্রত্যাশায় ফয়সাল তার গ্রামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে। কিন্তু এ মহৎ কাজে সে সহযোগিতার পরিবর্তে তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। নিজের প্রভাব ক্ষুণ্ণ হবে ভেবে মাতব্বর রজত মিয়া ও তার লোকেরা ফয়সালকে অপমানিত করে গ্রামছাড়া করে। মূর্খ গ্রামবাসী আর স্বার্থবাদী মানুষের কাছে সত্যের অপমৃত্যু ঘটে।উদ্দীপকের ফয়সাল 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? নির্ণয় করো।
- চে??ারম্যান সাহেব হরিণমারী গ্রামের কৃতী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করেন। এর মাধ্যমে পরবর্তী জেনারেশন অনুপ্রাণিত বোধ করে। গ্রামের সাধারণ মানুষ এতে নির্দ্বিধায় সমর্থন জানালেও একজন মাতব্বর তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তার মতে, শিক্ষিত মানুষরা বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখাশোনা করে না। কাজেই বেশি শিক্ষা দরকার নেই। এ উত্তরে চেয়ারম্যান 'সাহেব বলেন, 'কোনো শিক্ষার সাথেই বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সেবাযত্ন নেওয়ার সমস্যা নেই বরং শিক্ষিত মানুষেরা চাকরি থেকে উপার্জন দিয়ে বাবা-মায়ের সেবাযত্ন করতে পারে; ভুল শিক্ষা বা অজ্ঞানতার জন্যই মানুষ কুসংস্কারে বিশ্বাসী হয় এবং অন্যায় কাজ করে।' উদ্দীপকের চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- ধর্মের অপব্যাখ্যা আর সামাজিক কুসংস্কারের কাছেঅসহায় আত্মসমর্পণ করে আলেয়া, অথচ তারই বড় বোনরাহেলা সবকিছুকেই যুক্তি দিয়ে বিচার করতে চায়, যদিওপরিণামে তাকে কঠিন ফলই ভোগ করতে হয়।উদ্দীপকের রাহেলা 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের অনুরূপ?
- নয়ন গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য একতাবদ্ধ করে। কিন্তু মৌলবি সাহেব এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তা ধূলিসাৎ করে দেয়। মৌলবির কর্মকাণ্ড 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের যে দিকটা ইঙ্গিত করে-ধর্মীয় গোঁড়ামিআধিপত্য রক্ষার চেষ্টাপশ্চাৎপদতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়।' 'লালসালু'উপন্যাসের এ বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে মজিদের—
- কে, কাকে দু-টুকরো করে দরিয়ায় ভাসিয়ে দিবে? ব্যাখ্যা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'বাহে মুলুকে ' বলতে বোঝায়
- আধিপত্য মানে কর্তৃত্ব বা প্রভুত্ব। এর মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করা মানুষের আজন্ম স্বভাব। সামাজিক কাজ করে হোক, খারাপ কাজ করে হোক, অর্থবিত্ত দিয়ে হোক মানুষ প্রভাব বিস্তার করতে পারে। প্রভাব বিস্তার করতে কেউ-বা জীবিকার প্রয়োজনে নিজ এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। অতঃপর পরিশ্রম ও বুদ্ধির জোরে নিঃস্ব ও সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে বিত্তশালী হয়ে ওঠে। উদ্দীপকের বর্ণনায় 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য পাওয়া যায় তা আলোচনা করো।
- কখন নিরাক পড়ে?
- ধান দিয়া কি হইবে মানুষের জান যদি না থাকে'- লালসালু উপন্যাসে উক্তিটি কার?
- মজিদ বুড়াকে মাজারে কয় পয়সার সিন্নি দিতে বলেছেন?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে পদ্মাপাড়ের জেলে ও মাঝিদের জীবন সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। তাদের একমাত্র অবলম্বন, সুখ- দুঃখের সাথী পদ্মানদী। জীবন সংগ্রামী এসব জেলেদের মধ্যে কুবের ও তার সঙ্গীদের জীবনাচরণ নিয়ে আবর্তিত হয়েছে উপন্যাসের কাহিনী। বৈচিত্র্যহীন একঘেয়ে তাদের জীবন। ধনঞ্জয়ের নৌকায় মাছ ধরে, কুবের ও গণেশ। মালিক হিসেবে ধনঞ্জয় নেয় অর্ধেক আর কুবের ও গণেশ পায় বাকি অর্ধেক। এছাড়া মাছের সংখ্যা কম দেখিয়ে ধনঞ্জয় তাদের ঠকায়। সব বুঝেও তারা কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। এই অবস্থা সর্বত্র, সব নৌকায়। শত শত নৌকায় শত শত কুবের ও গণেশ শ্রম দিয়ে মাছ ধরে। এক সময় কুবেরই কাহিনীর প্রাণকেন্দ্রে এসে দাঁড়ায় সে-ই পদ্মাপাড়ের সকল জেলে-মাঝিদের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই "পদ্মানদীর মাঝি" নামকরণের মধ্য দিয়ে ঔপন্যাসিক তার জীবন-সত্যকেই প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।"উপন্যাসের নামকরণের দিক থেকে 'পদ্মানদীর মাঝি' এবং 'লালসালু' অভিন্ন চেতনার অনুসারী"- মূল্যায়ন কর।
- পীর সাহেবের আগমনে মজিদ চিন্তিত হয়ে পড়ে কেন?
- মমতাজ প্রভুত্ব করার চেয়ে নির্ভর করিতেই ভালোবাসে বেশি, আদর পাওয়াটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্য। কুলসুমের গৃহিণীপনার ভিত্তিও ওইখানেই। মমতাজকে সে নয়নের মণি করিয়া রাখিয়াছে। কে বলিবে মমতাজ তাহার সতীন? স্নেহ-যত্নে মমতাজের দিনগুলিকে সে ভরাট করিয়া রাখে।- সতীনের সংসারেও তাই এখানে কলহ-বিবাদ, মান-অভিমান, মন-কষাকষি নাই।"উদ্দীপকের কুলসুম ও মমতাজের চেয়ে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমা ও জমিলা অধিকতর প্রাণবন্ত ও শক্তিশালী।"- বিশ্লেষণ করো।
- খোরশেদ আলী একজন পল্লি চিকিৎসক। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গ্রামের লোকজন তার কাছে আসে। তিনিও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের চিকিৎসা করেন। কিন্তু জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো রোগী এলে তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। কারণ তার কাছে মানুষের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড়ো নয়।উদ্দীপকে খোরশেদ আলীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রটির বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' সিরাজউদ্দৌলা নাটকেসংলাপটি কার?
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?'- ব্যাখ্যা করো।
- ধূর্ত তুহিন সাধারণ মানুষের অশিক্ষা ও ধর্মভীতিকে কাজেলাগিয়ে এলাকাবাসীদের নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাবিজ বিক্রি ওপানি পড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী সহজ-সরলশোভা স্বামীর প্রতি বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় অন্ধ।উদ্দীপকের তুহিন ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদউভয়েরই অর্থোপার্জনের কৌশল—প্রতারণাপ্রভাব বিস্তারব্যাকুলতানিচের কোনটি সঠিক?