মতিয়ার হঠাৎ ধার্মিক হয়ে উঠেছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সে মসজিদে জামাতের সঙ্গে পড়ে। পোশাকের পরিবর্তন হয়েছে। সে এখন পাজামা পাঞ্জাবী পরে। মুখ ভর্তি দাড়ি রেখেছে। মসজিদের ইমাম সাহেবের ফতোয়া মোতাবেক একদিন হঠাৎ বাড়ী ফিরে তার দামি টেলিভিশনটি ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে ফেলে। স্ত্রী সন্তানরা বাধা দিতে এলে সে ক্ষোভের সংগে উত্তর দেয়, "এগুলো শরিয়ত বিরোধী কাজ। দুনিয়ার জীবন কোনো জীবনই নয়। পরকালের জন্য নিজেকে তৈরি কর।"
উদ্দীপকের মতিয়ারের সঙ্গে গ্রামের মানুষের সাদৃশ্য দেখাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'তোমার দাড়ি কই মিঞা?'- উক্তিটি কে করেছিল?
- ‘লালসালু’ উপন্যাসের প্রকৃত প্রতিপাদ্য-
- 'লক্ষ্মীপুর গ্রামে নাকি এক সন্ন্যাসীর আগমন ঘটেছে। এইসন্ন্যাসী নাকি চোখের পলকে অন্য গ্রামে যেতে পারে,বাতাসের গতি থামাতে পারে।'উদ্দীপকের সন্ন্যাসী 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রকে মনে করে দেয়?
- 'তোমার দাড়ি কই মিঞা?'-উক্তিটি কার?
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেছেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির তৈরিতে অর অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই অকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও তাকে এ প্রস্তাব দেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।উদ্দীপকের মাহাবুবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর চরিত্রের তুলনা করো।
- শনির হাওরের পারে গোটা কয়েক বাড়ি নিয়ে গিয়াসের গ্রাম। ঘর হতে দু'পা ফেলতেই হাও???ের শুরু, শেষটা চোখে আন্দাজ করা যায় না। ধান আর মাছ নিয়ে তাদের জীবন। বানের পানিতে ধান তলিয়ে গেলে তারা চোখে অন্ধকার দেখে। অসুখ-বিসুখে ওপাড়ার পিরের পানি আর তেল পড়াই তাদের ভরসা। গত বছর গিয়াস তার নিঃসন্তান স্ত্রীকে নিয়ে শহরে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিল। বেপর্দাভাবে স্ত্রীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ায় পিরের বাড়িতে ডাক পড়ল গিয়াসের। তখন আতরের সুবাস আর আগরের ধোঁয়ায় পির সাহেবের মুখ দেখাই যাচ্ছিল না। যেনো অদৃশ্য কণ্ঠের ঘোষণা হলো গিয়াসকে গ্রাম ছাড়তে হবে। পিরের ঘোষণাপত্র তার সাগরেদরা তা বাস্তবায়ন করল।'উদ্দীপকের জনজীবন এবং মহব্বতনগর গ্রামের জনজীবনের চিত্র একই রকম।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- এত শ্রম, এত কষ্ট, তবু কীসের ঠিকানা নেই?
- 'আপনারা জাহেল, বে-এলেম, আনপাড়হ্'-এই উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- 'তাই তারা ছোটে, ছোটে'-কেন? ব্যাখ্যা করো।
- মোহনপুরের যখন নিপাহ ভাইরাস দেখা দিল, তখন গ্রামবাসী। আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় খুঁজছিল। এমন সময় তোতা কবিরাজ গ্রামটিকে রক্ষা করার জন্য সচেষ্ট হন। তিনি চিনি পড়া, পানি পড়া দিয়ে চিকিৎসা দেন এবং অনেক টাকাপয়সা হাতিয়ে নেন। কিছুদিন পর নিপাহ ভাইরাস বিদায় নেয়। অবশ্য ইতিমধ্যে অনেক মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়। তবুও গ্রামের মানুষ তোতা কবিরাজের অলৌকিক ক্ষমতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে অর্থ-সম্পদ উপহার দেয় এবং ভয়ও করে।মোহনপুর গ্রামের মানুষগুলো যেন 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত মহব্বত নগর গ্রামের মানুষেরই প্রতিচ্ছবি- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- সমৃদ্ধ মহব্বতনগর গ্রামে কী নেই?
- ‘ও কি ঘরে বালা আনবার চায় নাকি? চাই নাকি আমার সংসার উচ্ছন্নে যাক, মড়ক লাগুগ ঘরে’ উক্তিতি করেছিল-
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- “ও যখন হাঁটে তখন মজিদ চেয়ে চেয়ে দেখে।” এখানে 'ও' কে?
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ'-উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- মহব্বতনগরের নতুন পীরের, আগমনকে তুলনা করা হয়েছে-
- 'এক পির সাহেব আইছেন না হেই গেরামে, তানি নাকি মরা মাইনষেরে জিন্দা কইরা দেন।'- উক্তিটি কার?
- কাজীপুর গ্রাম থেকে শহর অনেকটা দূরে অবস্থিত। প্রকৃতি উদার হাতে এ অঞ্চলের মানুষকে শস্যে ও সম্পদে সুখী রেখেছে। এ অঞ্চলের মানুষের দিন কাটে ফসলের ক্ষেতে, গৃহস্থালি কাজে, হাসি-উৎসবে ও প্রচলিত বিশ্বাসে। এ গ্রামের মাতব্বর ফরমান আলীর বাড়িতে এক পড়ন্ত বিকেলে মতলব মিয়া নামে অচেনা এক দরবেশের আগমন। দুর্গম পথ পার হয়ে আসা মতলব মিয়ার চোখে-মুখে-আশঙ্কা, উদ্বেগ ও স্বপ্নের বিচিত্র আভাস। সবার সামনে সে নিজেকে পীর হিসেবে পরিচয় দিয়ে নানা রকম অলৌকিক কর্মকান্ডের গল্প বলতে শুরু করে।উদ্দীপকের গ্রামজীবন যেন 'লালসালু' উপন্যাসের গ্রামজীবনের খণ্ডিতরূপ- এ মন্তব্য কতটা যৌক্তিক? বিশ্লেষণ করো।
- শ্যামচুর গ্রাম থেকে শহর অকেটা দূরে অবস্থিত। প্রকৃতি উদার হাতে এ অঞ্চলের মানুষকে শস্যে ও সম্পদে সুখী রেখেছে। ?? অঞ্চলের মানুষের দিন কাটে ফসলের খেতে,. গৃহস্থালি কাজে, হাসি-উৎসব ও প্রচলিত বিশ্বাসে। এ গ্রামের মাতব্বর মেহের আলীর বাড়িতে এক পড়ন্ত বিকালে রহমত মিয়া নামে এক অচেনা এক-দরবেশের আগমন। দুর্গম পথ পার হয়ে আসা রহমত মিয়ার চোখে-মুখে নানা শঙ্কা, উদ্দ্বেগ ও স্বপ্নের বিচিত্র আভাস। সকলের সামনে সে নিজেকে পীর হিসেবে পরিচয় দিয়ে নানা রকম অলৌকিক কর্মকাণ্ডের গল্প বলতে শুরু করে।"উদ্দীপকের গ্রাম্যজীবন যেন 'লালসালু' উপন্যাসের গ্রাম্যজীবনের খণ্ডিতরূপ।”- এ মন্তব্য কতটা যৌক্তিক? বিশ্লেষণ করো।
- 'আজ সেখানে নির্ভেজাল নিষ্ঠুর হিংস্রতা'- এর অর্থ বুঝিয়ে দাও।
- বন্ধয়া গ্রামের মানুষগুলো গোলাভরা ধান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক থেকে বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর-বা বদরপীরের সাহায্যও নিয়ে থাকে। এ গ্রামের অনেকের ঘরেই দুঃখ থাকা সত্ত্বেও তারা সেটা বাইরে প্রকাশ করে না। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ অত্যন্ত পরিশ্রমী ও কর্মঠ। তাদের কণ্ঠভরা গান আছে, কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞানহীন অজ্ঞ।' উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- এ পৃথিবীর মৎস্য-মাংসে আমাদের কিছু অধিকার আছে। খাইতে দাও- নহিলে চুরি করিব। আমাদের কৃষ্ণ চর্ম, শুষ্ক মুখ, ক্ষীণ সকরুণ মেও মেও শুনিয়া তোমাদিগের কি দুঃখ হয় না? চোরের দন্ড আছে, নির্দয়তার কি দণ্ড নাই? দরিদ্রের আহার সংগ্রহের দণ্ড আছে, ধনীর কার্পণ্যের দণ্ড নাই কেন? তুমি কমলাকান্ত, দূরদর্শী, কেন না আফিংখোর, তুমিও কি দেখিতে পাও না যে, ধনীর দোষেই দরিদ্র চোর হয়? পাঁচশত দরিদ্রকে বঞ্চিত করিয়া একজনে পাঁচ শত লোকের আহার্য সংগ্রহ করিবে কেন? যদি করিল, তবে সে আহার খাইয়া যাহা বাচিয়া পড়ে, তাহা দরিদ্রকে দিবে না কেন? যদি না দেয়, তবে দরিদ্র অবশ্য তাহার নিকট হইতে চুরি করিবে; কেননা, অনাহারে মরিয়া যাইবার জন্য এ পৃথিবীতে কেই আসে নাই।"সমাজের ভণ্ডামি ও কুসংস্কার দূর করতে 'লালসালু' পাঠ যৌক্তিকতার দাবি রাখে।"- তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- 'চার সতীনের ঘর' চলচ্চিত্রে দেখেছিলাম নায়ক একজনধনাঢ্য ব্যক্তি। তার ঘরে তিন স্ত্রী। অথচ কোনো সন্তাননেই। তাই সন্তানের আশায় নায়ক আবারও শাবনূরকেচতুর্থ স্ত্রী হিসেবে ঘরে আনে।উদ্দীপকের নায়ক 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- "লালসালু" উপন্যাসে ‘দেশটা কেমন মরার দেশ।’ কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- মজিদের মুখে থু থু দিয়েছিল কে?
- নিঃস্ব সালেহার একটিমাত্র পুত্র ছাড়া আপন বলতে কেউ নেই। আর আছে যৎসামান্য অর্থ। পুত্রের মৃত্যুতে সে দিশেহারা হয়ে তান্ত্রিকের কাছে ছুটে যায় সহায়-সম্বল নিয়ে।উদ্দীপকের ঘটনার সাথে উপন্যাসের কোন বাক্যটির সাদৃশ্যপূর্ণ??
- 'দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা'- ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নাম কী?
- লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রটি সন্তান ধারণের উদ্দেশ্য পীর সাহেবের নিকট থেকে পানিপড়া খেতে চায়?
- 'লালসালু' উপন্যাস কত সালে প্রকাশিত হয়?
- 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদ কোন সময় আওয়ালপুরগ্রামে পৌঁছাল ?
- 'লালসালু' উপন্যাসে মতিগঞ্জের সড়ক থেকে মহব্বতনগরগ্রাম কোন দিকে?
- 'কলমা জানস্ না ব্যাটা?” উক্তিটি কার?
- প্রত্যন্ত অঞ্চলে দুই পীর পাশাপাশি এলাকায় আস্তানা জনপ্রিয়তার দিক থেকে কেও কারো চেয়ে কম নয় নয়। কিন্তু দুজনেরই উদ্দেশ্য ও কর্মপন্থা এক হলেও একসময় পীরদ্বয় দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। উদ্দীপকের পীরদ্বয়ের দ্বন্দ্ব এবং মজিদ ও আওয়ালপুরের পীরদ্বয়ের দ্বন্দ্বের মুখ্য কারণ কী?
- গ্রামের মাতব্বর হলেও কবির আলী এলাকায় হঠাৎ আর্বিভূত হওয়া পীর জামিলের দাপটের কাছে অসহায় বোধ করেন। নিজের মতের বিরুদ্ধে গেলেও তিনি অনেক কিছু মেনে নিতে বাধ্য হন। এমনকি জামিলের কথায় তিনি স্ত্রীকে তালাক দিতে বাধ্য হন।'উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের সমগ্র ভাব ধারণ করেনি।'- তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- বহিপীর: ……বিবি সাহেব-তাহেরা: (বাধা দিয়ে উচ্চস্বরে) আমাকে বিবি ডাকবেন না। বিয়েতে আমি মত দিই নাই। আপনার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়নি।বহিপীর: (একটু রেগে) আপনি মত না দিলেও আপনার বাপজান দিয়েছেন। তাহা ছাড়া সাক্ষী সাবুদ সমেত কাবিননামাও হইয়া গিয়াছে। এখন সেকথা বলিলে চলবেকেন। (সুর বদলিয়ে) দেখুন মন দিয়া আমার কথা শুনুন।তাহেরা: (আবার বাধা দিয়ে) আমি আপনার কোনো কথা শুনতে চাই না। আমার বাপজান আর সৎমা আপনাকে খুশি করার জন্য আপনার সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন। আমি যেন কোরবানির বকরি। আপনি পুলিশে খবর দিতে পারেন, আপনি আমার বাপজানকে ডেকে পাঠাতে পারেন, আমার ওপর জুলুম করতে পারেন। কিন্তু আমি আপনার সঙ্গে যাব না।উদ্দীপকের তাহেরার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রের সাদৃশ্য কতটুকু?
- বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদের পলাশনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক সুজন গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষকে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে একটি নৈশবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।উদ্দীপকে অপশক্তি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন শক্তিকে নির্দেশ করে? সেই শক্তির উৎস সম্পর্কে মতামত পেশ করো।
- 'আসলে সে ঠান্ডা, ভীতু মানুষ'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
- 'লালসালু' কী ধরনের উপন্যাস?