"হঠাৎ পাগল হয়ে উঠেছে তারা। যে যা পারল ধরল, কেউ পা, কেউ হাত।" ব্যাখ্যা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মজিদ কেন হাসপাতালে গিয়েছিল?
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?' আপনে ওরে নিয়া আসেন ভিতরে।'- উক্তিটিতে বস্তার মনোভাব ব্যাখ্যা কর।
- ‘লালসালু’ উপন্যাসের লেখক কে?
- রাহী গ্রামের এক দুরন্ত মেয়ে। তার আনন্দের কাজ বন্ধুদের সাথে ছোটাছুটি করা, সাঁতার কাটা। অভাবের তাড়নায় তার বাবা একদিন পাশের গ্রামের এক বুড়ো লোকের সাথে তার বিয়ে দিয়ে দিলেন। লোকটি গ্রামের মাতব্বর। সকলে তাকে 'মুন্সি' বলে ডাকে। মুন্সির কথা গ্রামের সবাই মেনে চলে। কিন্তু চঞ্চল ও স্বাধীনচেতা রাহী তার কথা মানে না।"উদ্দীপকের বুড়ো লোকটি 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সামগ্রিক দিক ধারণ করেনি।"- মুল্যায়ন করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজী অনুবাদ-
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও করা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের ছোটো পুত্রবধূ 'লালসালু' উপন্যাসের কার সাথে কীভাবে তুলনীয়? বুঝিয়ে লেখো।
- "পাথর এবার হঠাৎ নড়ে ।" ’লালসালু' উপন্যাসে এই ‘পাথর’ দ্বারা কাকে বুঝানো হয়েছে?
- কালু মিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী কারা তার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে?
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের টুনি বুড়ো মকবুলের তৃতীয় পক্ষ। গায়ের রং কলো। দোহারা গড়ন। আয়তচোখের এই মেয়েটির বয়স তেরো-চৌদ্দর মাঝামাঝি। কিশোরীর চঞ্চলতা এখনো তার মধ্যে বিরাজমান। তাই ঘর সংসার কাকে বলে সে বুঝে ওঠেনি। সমবয়সি কারোর সঙ্গে দেখা হলে সে গল্পে মেতে ওঠে। কখনো হাসতে হাসতে মেঝেতে গড়াগড়ি খায়। কখনো অন্ধকার রাতে পরের পুকুরে মাছ ধরার জন্য জাল ফেলে। কখনো শীতের হাড়কাঁপুনি রাতে টুনি অন্যের খেজুর গাছে শিরনি বাঁধার জন্য হাঁড়ি নিয়ে গাছে ওঠে। 'জামিলা আর টুনি যেন একই বৃত্তে দুটি ফুল।'- উক্তিটির আলোকে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্র আলোচনা করো।
- রহিমা আমেনা বিবির জন্য শখ করে কী রান্না করেছিল?
- বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বায়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।"উদ্দীপকের মামুন চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের অপূর্ণ একটি সম্ভাবনার ??াস্তব প্রতিফলন।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ একটি-
- সালমার মা ছাড়া সংসারে আর কেউ নেই। লেখাপড়াও বেশিদূর করতে পারেনি। আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় অনেকটা বাধ্য হয়েই মধ্যবয়সি একজন লোকের সঙ্গে সালমার বিয়ে দেয় তার মা। স্বামীর বাড়ি গিয়ে সালমা দেখে যে, সেই সংসারে সতিন ও তার এক পুত্রসন্তান রয়েছে। সালমার ভাগ্য বড়োই খারাপ। বড়ো বউ তাকে মোটেও সহ্য করতে পারে না। সারাদিন সালমাকে খাটায়, ঠিকমতো খেতে দেয় না। স্বামীর কান ভারি করে সালমার বিরুদ্ধে। হঠাৎ সালমা একদিন বুঝতে পারে যে, তার স্বামী একজন চোরাকারবারি। সালমা এসব দেখে ভয় পায়। সে প্রতিবাদ করলে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়। একদিন সালমা মেরাজের সমস্ত কুকীর্তির কথা পুলিশের কাছে ফাঁস করে দেয়। মেরাজের মুখোশ খুলে যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত সালমা এবং 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত জমিলার জীবনচিত্র যেন একই সুতোয় বাঁধা।"-মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'কী মিঞা তোমার দিলে কি ময়লা আছে?'- 'লালসালু' উপন্যাসে উক্তিটি কার ?
- রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়ার জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।উদ্দীপকের কোব্বাদ মেম্বারের সাথে মজিদ চরিত্রের মিল ও অমিল দেখাও।
- 'তোমার দাড়ি কই মিঞা?' উক্তিটি কার?
- 'বিষাদ সিন্ধু' কোন ধরনের রচনা?
- মহব্বত নগর আগমনের পূর্বে মজিদ কোথায় ছিল?
- রসুলপুর গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের দুরন্ত মেয়ে নাসরিন। বন্ধুদের সঙ্গে ছুটোছুটি করা, অবাধ সাঁতার কাটা তার আনন্দের কাজ। নাসরিনের বিয়ে হয় পাশের গ্রামের, মাতব্বরের সাথে। গ্রামের সকলেই তাঁকে মানলেও নাসরিন তাঁকে মানে না।"নাসরিন 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।"- ব্যাখ্যা করো।
- কানিজের বাবা-মার মধ্যে সারাদিন দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে।তাদের এই দ্বন্দ্বে অতিষ্ঠ হয়ে সে স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছেবিচার দেয়। চেয়ারম্যানের লোলুপদৃষ্টি পরিবারটিকে ধ্বংসকরে দেয়।উদ্দীপকের পরিবারটির ধ্বংসের দিক থেকে'লালসালু' উপন্যাসের তাহেরের বাপ-মার সংসারধ্বংসের দিকটি যে তাৎপর্য বহন করে—ক্ষমতার প্রভাবঅর্থনৈতিক প্রভাবধর্মীয় গোঁড়ামিনিচের কোনটি সঠিক?
- কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস?
- "নবাগত লোকটির কোটরাগত চোখে আগুন"- ব্যাখ্যা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসে অবিশ্রান্ত ঢোলক বেজে চলে কোথায়?
- 'লালসালু' কোন ধরনের উপন্যাস?
- আশেকনগর গ্রামের এনায়েতউল্লাহ উত্তরাধিকারসূত্রে একজন পির। অঢেল তার ধনসম্পদ। কিন্তু ঘরে তার কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় মনে তার শূন্যতা। তাই বার্ষিক জলসা শেষ হওয়ার পরপরই এনায়েত দ্বিতীয় বিবাহ সেরে ফেলে। নতুন বউ অল্পবয়সী, দেখতে অতি নিরীহ গোছের-একেবারে এনায়েতের মনের মতো। কিন্তু অল্প দিনের মধ্যেই সে বেরিয়ে আসে ঘোমটা থেকে, কথা বলে অনবরত এবং হাসতে থাকে খলখল শব্দে। পীর স্বামী তাকে মাজারের ভয় দেখায়, শরিয়ত-মারফত শেখায় এবং পাক মাজারের সঙ্গে ঠিকভাবে আচরণের জন্য শাসায়। কিন্তু নতুন বউ সারার মনে প্রবল বিদ্রোহ। সে তার বাবার বয়সী স্বামীকে কোনোমতেই সহ্য করতে পারে না। এনায়েত বিচলিত হয়।"উদ্দীপকটিতে 'লালসালু' উপন্যাসের একটি খন্ডাংশের ইঙ্গিত রয়েছে মাত্র।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মুহিম ভাদ্র মাসের এক বিকেলে দেখল বিলের পানি, ধানগাছ ও অন্যান্য ফসল একেবারে স্তব্ধ হয়ে আছে। এমন অবস্থায় বিলে মাছ ধরছিল -তাহের ও তার ভাইআক্কাস ও তার ভাইহাসুনির মার দুই ভাইনিচের কোনটি সঠিক?
- মজিদের সহযোগী ব্যক্তিটির নাম কী?
- বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদ রূপনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক ইমরান গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল।কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।উদ্দীপকের অপশক্তি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন শক্তিকে নির্দেশ করে? সেই শক্তির উৎস সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।
- ‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা?
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'ভাং-গাঁজা খাওয??া রসকসশূন্যহাড়গিলে চেহারা'— কার?
- 'কী মিয়া? তোমার দিলে কি ময়লা আছে?'- এখানে ময়লা কী?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- "বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই যে চোখ।"-এ উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ যে নামে প্রকাশিত হয় তা হলো-
- 'তুমি কি হরফ কইরা বলতে পারো তোমার দিলেময়লা নাই?' এ প্রশ্ন কে করেছে?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে । কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া 'ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।'উদ্দীপকে প্রতিফলিত সমাজচিত্রে 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজচিত্রের পূর্ণাঙ্গ প্রতিফলন ঘটেনি।'-আলোচনা করো।
- ‘লালসালু’ উপন্যাসে রহিমার পেটে কত প্যাচ বেড়ি রয়েছে?
- 'পাথর এবার হঠাৎ নড়ে।'- এখানে 'পাথর' কে?
- মজিদ কীভাবে তাঁর প্রভাব প্রতিষ্ঠা করে?