কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস?
A. একুল ভাঙে ওকুল গড়ে
B. নদীরক্ষে
C. কাঁদো নদী কাঁদো
D. নদী ও নারী
সঠিক উত্তরঃ
C.
কাঁদো নদী কাঁদো
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- অবস্থাপন্ন কৃষক জমির উদ্দিন তার ছেলেকে ডাক্তার বানানোর ইচ্ছায় শহরে পড়তে পাঠায়। শেষ পর্যন্ত তার ছেলে ফাহাদ ডাক্তারি পাস করে বাবার আশা পূরণ করে। ফাহাদের ইচ্ছা গ্রামের অসহায়, দুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলা এবং তাবিজ কবজ, ঝাড় ফুঁক প্রভৃতি অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার হতে গ্রামবাসীকে মুক্ত করা। গ্রামের মসজিদের ইমাম ফতেহ আলী কিন্তু ব্যাপারটা ঠিক পছন্দ করেন না। ফাহাদের বাবাও চান না ছেলে গ্রামে বসবাস করুক। তবে ডাঃ ফাহাদ যে কোনো মূল্যে তার ইচ্ছা পূরণে দৃঢ় প্রত্যয়ী।উদ্দীপকের ফাহাদ চরিত্রের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্র কীভাবে তুলনীয়?
- শিক্ষিত মানুষের কালচারই ধর্ম আর সাধারণ মানুষের ধর্মই কালচার। এ কারণে দরিদ্র অঞ্চলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যুগে যুগে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। যেখানে সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে কেন্দ্রে থাকা নেতারা গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। এমনি একজন আধ্যাত্মিক নেতা হলেন শফিউল্লাহ। যিনি ভক্তের সাথে সাক্ষাতের নাম করে সিঙ্গাপুর যান নিজের চিকিৎসার জন্য। আর ভক্তদের চিকিৎসার জন্য মহৌষধ হলো তাঁর পড়া পানি।"উদ্দীপকের 'লালসালু' উপন্যাসের আংশিক ছায়াপাত ঘটেছে"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো
- মজিদের মুখে কে থু থু দিয়েছিল? কেন?
- দিন কাটিয়া যায়। জীবন অতিবাহিত হয়। ঋতুচক্রে পাক খায়। পদ্মার ভাঙন-ধরা তীরে মাটি ধসিতে থাকে, পদ্মার বুকে জল ভেদ করিয়া জাগিয়া উঠে চর। অর্ধশতাব্দীর বিস্তীর্ণ চর, পদ্মার জলে আবার বিলীন হইয়া যায়। জেলে পাড়ার শিশুর ক্রন্দন কোনোদিন বন্ধ হয় না। ক্ষুধা-তৃষ্ণার দেবতা, হাসি-কান্নার দেবতা, অন্ধকার আত্মার দেবতা- ইহাদের পূজা কোনোদিন সাঙ্গ হয় না।"উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের সূচনা অংশের খন্ডিত রূপায়ণ মাত্র।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- মজিদকে প্রথম দেখে জমিলা কী ভেবেছিলেন?
- মজিদ জমিলাকে মাজারে বেঁধে রেখেছিল- মনে খোদার ভীতি জাগানোর জন্যশাস্তি দেওয়ার জন্যতার বিদ্রোহী চেতনাকে বিনাশ করার জন্যনিচের কোনটি সঠিক?
- কোনটি উপন্যাস?
- মজিদ আক্কাসকে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয় কেন?
- 'লালসালু' উপন্যাসে উল্লিখিত আমেনা বিবি কোন দিন রোজা রাখে?
- 'দৃষ্টি প্রদীপ' কী ধরনের রচনা?
- পৃথিবীতে কিছু মানুষ আছে যারা নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখতে সদা তৎপর। নিজের ক্ষমতা, লোভ, প্রভাব ও স্বপ্নকে টিকিয়ে রাখতে যেকোনো কাজ তার দ্বারা সম্ভব। যারা প্রবৃত্তির এই ফাঁদে পা দেয় তারাই জানে এই দুনিয়ায় সচ্ছলভাবে টিকে থাকতে হলে তাকে নিজের সবটুকু দিয়েই চেষ্টা করতে হবে। ন্যায়-অন্যায়, পাপবোধ সেখানে ক্ষি ক্ষণিকের জন্য জন্য বিবেকবোধকে বিবেক জাগ্রত করলেও ৯৮ তা দুনিয়ার স্বার্থে অচিরেই ম্লান হয়ে যায়।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'লালসালু' উপন্যাসে শাসন ও শোষণের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিবরণের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদের পলাশনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক সুজন গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষকে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে একটি নৈশবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।উদ্দীপকে অপশক্তি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন শক্তিকে নির্দেশ করে? সেই শক্তির উৎস সম্পর্কে মতামত পেশ করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের শেষ বাক্য কোনটি?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্'র জন্ম কত সালে?
- বটতলী গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুংসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের ছেলে মুনির কলেজে লেখাপড়া করে। গ্রামের অশিক্ষিত মানুষকে শিক্ষিত করতে সে গ্রামে একটি নৈশবিদ্যালয় করতে চায়। এ বিষয়ে গ্রামে সভা বসলে, গ্রামের মাতব্বর এ প্রস্তাবে খুশি হয়ে মুনিরকে সহযোগিতা করতে আশ্বাস দেন।উদ্দীপকের মাতব্বর 'লালসালু' উপন্যাসের মাতব্বর চরিত্রের বিপরীত ভূমিকা পালন করেছে- তোমার যুক্তিসহ উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- কোনটি উপন্যাস নয়?
- ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবা কে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম' পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন। ..... তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখ-মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাঁহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? আলোচনা করো।
- মজিদ কিভাবে মহব্বতনগর গ্রামে শিকড় গেড়েছিল?
- 'লালসালু' উপন্যাসে অশীতিপর বৃদ্ধ কে?
- কদম আলি একসময় 'মাল্টিপারপাস জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন' নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। চটকদার বিজ্ঞাপন আর লোভাতুর প্রচারণায় অল্প সময়ে সে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। অধিক মুনাফা লাভেল আশায় এলাকার অশিক্ষিত-অল্পশিক্ষিত খেটে খাওয়া মানুষ তার প্রতিষ্ঠানে অর্থলগ্নি করতে থাকে বছরের পর বছর যায়; কিন্তু জমাকারীরা লাভের মুখ দেখে না। নিকট অতীতে কদম আলির আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকলেও এখন সে প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক। এলাকার এক শিক্ষিত তরুণ সাগর এক যুগ পর গ্রামে এসে দেখে কদম আলি সহজ- সরল মানুষকে কীভাবে প্রতারিত করে যাচ্ছে। সে দেরি না করে এলাকার উদীয়মান তরুণদের সুসংগঠিত করে কদম আলির প্রচারণা বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনে। প্রশাসন তদন্ত সাপেক্ষে টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে' কদম আলিকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।উদ্দীপকের সাগরের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের সাদৃশ্য দেখাও।
- মহব্বতনগর গ্রামের মানুষ গভীর আগ্রহে মজিদের প্রতিটি আদেশ পালন করে কারণ-
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণে তার অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই তাকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও এ প্রস্তাব সমর্থন করেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।"উদ্দীপকের প্রতিফলিত ইতিবাচক জীবন চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- চেয়ারম্যান সাহেব হরিণমারী গ্রামের কৃতী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করেন। এর মাধ্যমে পরবর্তী জেনারেশন অনুপ্রাণিত বোধ করে। গ্রামের সাধারণ মানুষ এতে নির্দ্বিধায় সমর্থন জানালেও একজন মাতব্বর তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তার মতে, শিক্ষিত মানুষরা বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখাশোনা করে না। কাজেই বেশি শিক্ষা দরকার নেই। এ উত্তরে চেয়ারম্যান 'সাহেব বলেন, 'কোনো শিক্ষার সাথেই বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সেবাযত্ন নেওয়ার সমস্যা নেই বরং শিক্ষিত মানুষেরা চাকরি থেকে উপার্জন দিয়ে বাবা-মায়ের সেবাযত্ন করতে পারে; ভুল শিক্ষা বা অজ্ঞানতার জন্যই মানুষ কুসংস্কারে বিশ্বাসী হয় এবং অন্যায় কাজ করে।' "কুসংস্কারই উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজে অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।"- মন্তব্যটি যাচাই ই করো।
- 'নাফরমানি করিও না। খোদার ওপর তোয়াক্কল রাখো।' ব্যাখ্যা করো।
- মজিদ কীভাবে তার প্রভাবকে প্রতিষ্ঠিত করে?
- খালেক ব্যাপারি দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- তানু বিবির ভাইয়ের নাম কী?
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- গফুর মিয়ার সংসার টিকিয়ে রেখেছে তার স্ত্রী মরিয়ম। বিশাল সংসারের সকল দায়িত্ব মরিয়মের গরুবাছুরের তত্ত্বতালাশ, ধান মাড়াই থেকে সিদ্ধ করা, মেহমান মুসাফির সবকিছুই একহাতে সামলান তিনি। অবশ্য এতে তার ক্লান্তি নেই। শুধু মাঝে মাঝে নিজেকে বড় একলা মনে হয়। গফুর মরিফমের মনের অবস্থা বোঝে। কারণ সে জানে, তাদের কোনো সন্তান নেই।"মরিয়ম 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমার মতই গফুরের ঘরের খুঁটি"- ব্যাখ্যা করো।
- গারো পাহাড় মধুপুরগড় থেকে কতদিনের পথ?
- লক্ষ্মীপুর গ্রামের দাহির ও পারুলের আজ সাত বছরের সংসার। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো তাদের কোনো সন্তান নেই। এজন্য স্বামী-স্ত্রী উভয়েই চরম হতাশায় নিমজ্জিত। এমন অবস্থায় তারা শুনতে পায়; পাশের গ্রামের চেয়ারম্যানের বাড়িতে এক কামেল পির সাহেব এসেছে। তাদের মনে যেন আশার আলো, জ্বলে। স্ত্রী পারুলকে সাথে নিয়ে পরদিনই দাহির পির সাহেবের সাথে সাক্ষাৎ করে। পির সাহেব পারুলকে অনেকক্ষণ নিরীক্ষণ করে জানায়, 'পেটে বেড়ি পড়ে বইলাই তো স্ত্রীলোকদের সন্তান হয় না।'উদ্দীপকের দাহির ও পারুলের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা করো।
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এ-এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন, সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য 'ব্যাখ্যা কর।
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ'-উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- ধূর্ত তুহিন সাধারণ মানুষের অশিক্ষা ও ধর্মভীতিকে কাজেলাগিয়ে এলাকাবাসীদের নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাবিজ বিক্রি ওপানিপড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী সহজ-সরলশোভা স্বামীর প্রতি বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় অন্ধ।উদ্দীপকের তুহিন ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদউভয়েরই অর্থোপার্জনের কৌশল—প্রতারণা প্রভাব বিস্তারব্যাকুলতানিচের কোনটি সঠিক?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে পদ্মাপাড়ের জেলে ও মাঝিদের জীবন সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। তাদের একমাত্র অবলম্বন, সুখ- দুঃখের সাথী পদ্মানদী। জীবন সংগ্রামী এসব জেলেদের মধ্যে কুবের ও তার সঙ্গীদের জীবনাচরণ নিয়ে আবর্তিত হয়েছে উপন্যাসের কাহিনী। বৈচিত্র্যহীন একঘেয়ে তাদের জীবন। ধনঞ্জয়ের নৌকায় মাছ ধরে, কুবের ও গণেশ। মালিক হিসেবে ধনঞ্জয় নেয় অর্ধেক আর কুবের ও গণেশ পায় বাকি অর্ধেক। এছাড়া মাছের সংখ্যা কম দেখিয়ে ধনঞ্জয় তাদের ঠকায়। সব বুঝেও তারা কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। এই অবস্থা সর্বত্র, সব নৌকায়। শত শত নৌকায় শত শত কুবের ও গণেশ শ্রম দিয়ে মাছ ধরে। এক সময় কুবেরই কাহিনীর প্রাণকেন্দ্রে এসে দাঁড়ায় সে-ই পদ্মাপাড়ের সকল জেলে-মাঝিদের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই "পদ্মানদীর মাঝি" নামকরণের মধ্য দিয়ে ঔপন্যাসিক তার জীবন-সত্যকেই প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।উদ্দীপকের ধনঞ্জয়ের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের তুলনা কর।
- তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের মানুষেরা নিত্য অভাব-অনটন নিয়ে বসবাস করে। দিনের পর দিন আসে, কিন্তু হতভাগা এ অঞ্চলের মানুষদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন আসে না। বৎসরান্তে তিস্তার অপ্রতিরোধ্য ভাঙ্গন মানুষকে আরও বেশি অসহায়, নিঃস্ব করে ফেলে। শস্যহীন মানুষগুলো ক্ষুধা-তৃষ্ণা, রোগ-শোক, শিশুর আর্তচিৎকার, সব মিলিয়ে আনন্দহীন এক মানবেতর জীবন অতিবাহিত করে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য তারা কখনো কখনো মানত করে। এতেও তাদের জীবনযাত্রায় কোনো পরিবর্তন আসে না। ভাগ্যের অন্বেষণে তখন তারা বহির্মুখী হয়ে ওঠে।উদ্দীপকের দুরবস্থাগ্রস্ত মানুষদের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন অঞ্চলের মানুষদের, কী ধরনের মিল পাওয়া যায়?- আলোচনা কর।
- অতি সন্তর্পণে ধানের ফাঁকে ফাঁকে তারা নৌকাচালায় কেন?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- কৃষক কোন মাসে ধান কেটেছিলেন?
- মজিদের সহযোগী ব্যক্তিটির নাম কী?