ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবা কে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম' পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন। ..... তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখ-মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাঁহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।
উদ্দীপকের পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘সে যেন খাঁচায় ধরা পড়েছে।'- কে খাচায় ধরা পড়েছে?
- বাংলাদেশের টেকনাফ অঞ্চলের এক গ্রামের গরিব অসহায় পরিবারকে সমাজচ্যুত করা হয়েছে। কারণ, ওই বাড়ির ছেলের বিয়েতে গ্রামের মাতব্বর পরিবারকে দাওয়াত করা হয়নি। একারণেই খেপে যায় মাতব্বর ও তার লোকজন। সভা করে একঘরে করে দেয় সেই গরিব পরিবারটিকে। পরিবারের লোকদের বাইরে যাওয়ার রাস্তাটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।উদ্দীপকের টেকনাফ অঞ্চলের ঘটনাটির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে? কেন?
- হাসপাতালটি কোথায় অবস্থিত?
- আটোয়ারী থানার 'বার আউলিয়া' নামক স্থানে বারোটি মাজার আছে। সেখানে বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ব্যবসা বাণিজ্য। নানারকম ব্যবসার মাঝে কিছু অসাধু ব্যক্তি ধর্মকে আশ্রয় করে মানুষ ঠকানোর কাজ করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে নেয়।উদ্দীপকের 'অসাধু ব্যক্তি' লালসালুর কোন চরিত্রটিকে ইঙ্গিত করে, বর্ণনা করো।
- গৌরিপুর গ্রামের সুশিক্ষিত ছেলে আরিফ হোসেন। এলাকার উন্নয়ন, বিশেষ করে নিরক্ষর মানুষদের সাক্ষর করে তোলার লক্ষ্যে সে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু এ মহৎ কাজে সে তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। নিজের প্রভাব ও প্রতিপত্তি বজায় রাখার জন্য মাতব্বর আনসার আলী ও তার লোকেরা আরিফকে অপমানিত করে গ্রাম ছাড়া করে।উদ্দীপকের আরিফ 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- মজিদের আবিষ্কৃত পিরের নাম কী?
- ‘লালসালু' উপন্যাসে মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী ?
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা । সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি। 'স্বার্থরক্ষায় উদ্দীপকের হোসেন মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্র একই পথের পথিক- উক্তিটির যথার্থতা প্রতিপন্ন করো।
- জব্বার আলি একদিন স্বপ্নে খুঁজে পায় এক কামেল পিরের মাজার। বন-জঙ্গল ঘেরা 'বাঘের মাঠ' খ্যাত সাঞ্চাভাঙা গ্রাম। এই গ্রামেই শায়িত আছেন এক কামেল পির। স্বপ্ন ছড়িয়ে পড়ে গ্রামের ভেতর। স্থানীয় জনগণ খুঁজে পায় এক প্রাচীন পরিত্যক্ত মাজার। জঙ্গল পরিষ্কার করে রাতারাতি সেখানে টিনের ছাউনি ওঠে। চাঁদা তোলা হয় গ্রামবাসীর কাছ থেকে। পরিপাটি ও সুসজ্জিত হয় মাজার। এখানে বিভিন্ন লোক রোগ-শোকের জন্য মানত করতে আসে। এমন কি কখ্যা নারীরাও ছুটে আসে সন্তান লাভের আশায়। এখানে প্রতি বছর এখন মেলা বসে। বর্তমানে মাজারের খাদেম জব্বার আলি।উদ্দীপকের 'কামেল পিরের মাজার' ও 'লালসালু' উপন্যাসের 'মোদাচ্ছের পিরের মাজার' এক এবং অভিন্ন।"- তোমার মতামতসহ বিশ্লেষণ করো।
- রাহেলার মা ছাড়া সংসারে আর কেউ নেই। সামান্য পড়ালেখা শিখেছে সে। আর্থিক অবস্থার কারণে তার মা বাধ্য হয়েই এক বয়স্ক লোকের সাথে রাহেলার বিয়ে দেয়। স্বামীর বাড়ি গিয়ে দেখে, সেখানে তার স্বামীর আরো একটি বউ রয়েছে। রাহেলার ভাগ্যই খারাপ। বড় বউ রাহেলাকে মোটেই সহ্য করতে পারে না। সারাদিন খাটায়, ঠিকমতো খেতে-পরতে দেয় না। রাহেলার বিরুদ্ধে স্বামীর কান ভারীর করে। রাহেলা একদিন আবিষ্কার করল তার স্বামী বসির মিয়া চোরাকারবারের সাথে যুক্ত। ঘরে অবৈধ জিনিসপত্র রাখে। আর মধ্যরাতে তার দলের অন্যদের সাথে এসব জিনিসপত্র পাচার করে। রাহেলা এসব দেখ?? ভয় পেয়ে যায়। সে প্রতিবাদ করে, বিনিময়ে লাথি ঝাঁটা খায়। একদিন পুলিশ আসে ঘরে। রাহেলা পুলিশের কাছে সমস্ত গোপন তথ্য ফাঁস করে দেয়। বসির মিয়ার মুখোশ খুলে যায়।উদ্দীপকের বসির মিয়ার বড় বউয়ের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমা চরিত্রের তুলনা করো।
- তোমার দাড়ি কই মিঞা?__কাকে বলা হয়েছে?
- আসল চিঠি গায়েব করে কোম্পানির কাছে নকল চিঠি পাঠাচ্ছে কে?
- “শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের চেয়ে আগাছা বেশি"- এই উক্তিটি করা হয়েছে-
- আব্দুল্লাহ যখন শাহ্ পাড়ার গোলদার বাড়ি আসিয়া পৌছিল, তখন বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর। সংবাদ পাইয়া গৃহস্বামী গোলদার ব্যস্তসমস্ত হইয়া ছুটিয়ে আসিল এবং তাহার দীর্ঘ শুভ্র শাশুরাজি ভূলুষ্ঠিত করিয়া আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিতে উদ্যত হইল। এ ধরনের অভিনন্দনের জন্য আব্দুল্লাহ একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। পথে হঠাৎ সাপ দেখিলে মানুষ যেমন এক লক্ষে হটিয়া দাঁড়ায়, সেও তেমনি হটিয়া দিয়া বলিয়া উঠল, 'আহা, করেন কি, করেন কি, গোলদার সাহেব।' কাসেম গোলদার বড়োই সরলপ্রাণ, ধর্মপরায়ণ, পীরভক্ত লোক। আব্দুল্লাহর পিতা তাহার পীর ছিলেন; এক্ষণে তাঁহার মৃত্যুতে আব্দুল্লাহ তাঁহার স্থলাভিষিক্ত বলিয়া মনে করিয়া লইয়া সে আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিবার জন্য নত মস্তকে হাত বাড়াইয়াছিল। কিন্তু আব্দুল্লাহ পা টানিয়া লওয়ায় সে উহা স্পর্শ করিতে পাইল না; তাহার মনে হইল বেহেশতের দুয়ারের চাবি তাহার হাতের কাছ দিয়া সরিয়া গেল।উদ্দীপকের আব্দুল্লাহর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে কোঁচবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় কে?
- জলবসন্ত রোগে আক্রান্ত ছোট ছেলের চিকিৎসার জন্যসুমনবাবু মনোহারী বৈদ্যের কাছ থেকে পানিপড়া ওনিমপাতা নিয়ে আসেন। কলেজ পড়ুয়া বড় ছেলে রাজীবছোট ভাইকে হাসপাতালে নিতে চাইলে পিতার একগুঁয়েমিরকাছে সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।উদ্দীপকের রাজীবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে । কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া 'ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।উদ্দীপকের 'আরেফ মিয়া'র সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়? আলোচনা করো।
- বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।' উক্তিটির তাৎপর্য হলো-নির্দ্বিধায় বিশ্বাস করাবিশেষ ক্ষমতার অধিকারী মনে করাঅন্ধভাবে বিশ্বাস করানিচের কোনটি সঠিক?
- লালসালু উপন্যাসের শেষ বাক্যটি হলো-
- ‘শীর্ণ মানুষটির পেছনে মাছের পিঠের মতো মাজারটির বৃহৎ ছায়া দেখে’ কে দেখে?
- রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়ার জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।"উদ্দীপকের তোতা মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারী দুজনেরই পরিণতি বেদনাবহ।"- বিচার কর।
- নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
- ফতেহপুর গ্রামের আলাল কবিরাজ। দশ গ্রামে তার খ্যাতি। সাপে কাটা, পেটে ব্যথ্যা, পা ভাঙ্গা, সন্তান লাভসহ সকল সমস্যার সমাধান কবিরাজ মশাইয়ের ফুঁ দেয়া এক গ্লাস পানিতে। গ্রামের সরল বিশ্বাসী মানুষজন তার টার্গেট গ্রুপ। দশ বছরের ব্যবধানে ঝুপড়ি ঘর থেকে বিল্ডিং করেছেন। আর কি কি করা যায় ভেবে মাঝে মাঝেই তার চোখ চকচকে হয়ে ওঠে।উদ্দীপকে বর্ণিত ফতেহপুর গ্রাম যেন 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামেরই প্রতিনিধি- ব্যাখ্যা কর।
- 'তানি বুঝি দুলার বাপ'।___জমিলা কার সম্পর্কে এ উক্তি করেছে?
- মাছ ধরার ডিঙিতে কতজন মৎস্য শিকারি ছিল?
- লালসালু উপন্যাসে মজিদ চরিত্র সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক নয় -
- মজিদের ছোটো বউয়ের নাম কী?
- হঠাৎ করে সুন্দরপুর গ্রামে এক দরবেশ এসে উপস্থিত হয়। আজানুলম্বিত পোশাক আর হাতে একটি লাঠি নিয়ে গ্রামে সে প্রবেশ করে। গ্রামের নিরক্ষর, সাধারণ মানুষ তাকে দেখে যেন অনেক অপ্রাপ্তি আর বেদনা থেকে আশাবাদী চেতনা ফিরে পায়। নবাগতের ভিতর থেকে যেন মুক্তির আলো ছড়িয়ে পড়তে লাগল। মানুষের ভালোর জন্য তিনি সব করতে পারেন। সময়ের ব্যবধানে দরবেশ সকলের হৃদয়ের মণি হয়ে উঠলেন।"উদ্দীপকে দরবেশের আগমন ও 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদের আগমন ঠিক একই রকম।"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও করা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের ছোটো পুত্রবধূ 'লালসালু' উপন্যাসের কার সাথে কীভাবে তুলনীয়? বুঝিয়ে লেখো।
- চেয়ারম্যান সাহেব হরিণমারী গ্রামের কৃতী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করেন। এর মাধ্যমে পরবর্তী জেনারেশন অনুপ্রাণিত বোধ করে। গ্রামের সাধারণ মানুষ এতে নির্দ্বিধায় সমর্থন জানালেও একজন মাতব্বর তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তার মতে, শিক্ষিত মানুষরা বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখাশোনা করে না। কাজেই বেশি শিক্ষা দরকার নেই। এ উত্তরে চেয়ারম্যান 'সাহেব বলেন, 'কোনো শিক্ষার সাথেই বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সেবাযত্ন নেওয়ার সমস্যা নেই বরং শিক্ষিত মানুষেরা চাকরি থেকে উপার্জন দিয়ে বাবা-মায়ের সেবাযত্ন করতে পারে; ভুল শিক্ষা বা অজ্ঞানতার জন্যই মানুষ কুসংস্কারে বিশ্বাসী হয় এবং অন্যায় কাজ করে।' "কুসংস্কারই উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজে অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।"- মন্তব্যটি যাচাই ই করো।
- এনায়েত রসুলপুর মসজিদের ইমাম। সর্বদা এবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকে সে। মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ায় সবাই তাকে মান্য করে। সুন্দর নূরানী চেহারা হওয়ায় এলাকার সবাই তাকে পীর সাহেব হিসাবে গণ্য করে। সে হঠাৎ ফতোয়া জারি করে সকল দান খয়রাত এলাকার মানুষ যেন মসজিদ মাদ্রাসায় দেয়। একথা শুনে এলাকার আধুনিক শিক্ষিত যুবক মেহেরা প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু এলাকার কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ মেহেরার কথায় সায় দেয় না বরং বিরোধিতা করে। তাদের ধারণা বাংলা, ইংরেজি পড়া স্কুল কলেজে পড়লে মানুষ শয়তানের দোসর হয়। পরকাল শেষ হয়ে যায়। তাই সকল দান খয়রাত, পড়াশুনা মসজিদ মাদ্রাসাভিত্তিক হওয়া দরকার।উদ্দীপকে বর্ণিত মসজিদের ইমাম এনায়েতের ফতোয়ার বিরোধিতা করে আধুনিক শিক্ষিত যুবক মেহেরা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে- আলোচনা কর।
- জমিলা কে? সংক্ষেপে তার পরিচয় দাও।
- দিন কাটিয়া যায়। জীবন অতিবাহিত হয়। ঋতুচক্রে পাক খায়। পদ্মার ভাঙন-ধরা তীরে মাটি ধসিতে থাকে, পদ্মার বুকে জল ভেদ করিয়া জাগিয়া উঠে চর। অর্ধশতাব্দীর বিস্তীর্ণ চর, পদ্মার জলে আবার বিলীন হইয়া যায়। জেলে পাড়ার শিশুর ক্রন্দন কোনোদিন বন্ধ হয় না। ক্ষুধা-তৃষ্ণার দেবতা, হাসি-কান্নার দেবতা, অন্ধকার আত্মার দেবতা- ইহাদের পূজা কোনোদিন সাঙ্গ হয় না।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ভৌগোলিক অঞ্চলের কীরূপ সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়, সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া কৃষ্ণ'- উদ্ধৃতিটি ব্যাখ্যা করো।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'র মৃত্য হয়-
- মজিদের আধ্যাত্মিক শক্তির ব্যাপারে অবিশ্বাস পোষণকারী চরিত্রের নাম-
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।"উদ্দীপকের প্রতিফলিত সমাজচিত্রে 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজচিত্রের পূর্ণাঙ্গ প্রতিফলন ঘটেনি।"- আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে কে হাঁটলে মাটিতে আওয়াজ হয়?
- মজিদ সবাইকে কী বলে সম্বোধন করে থাকেন?