মাছ ধরার ডিঙিতে কতজন মৎস্য শিকারি ছিল?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- আরিফার বাবা মারা যাওয়ার পরে মায়ের স্নেহে চরম দারিদ্র্য সে লালিত-পালিত হয়। মা নিতান্তই বাধ্য হয়ে মধ্য বয়সি একজন লোকের সাথে আরিফার বিয়ে দেয়। স্বামীর বাড়িতে আরিফা গিয়ে দেখে তার স্বামী মহশিনের আরেকজন স্ত্রী ও দুই সন্তান আছে। আরিফাকে কেন্দ্র করে সংসারে নতুন অশান্তি তৈরি হয়। বড়ো বউ কথায় কথায় আরিফার গায়ে হাত তোলে এবং সংসারের যাবতীয় কাজ তাকে দ্বারা করিয়ে নেয়। উপরন্তু বড়ো বউ আরিফার বিষয়ে স্বামীর কান ভারী করে। ফলে তার উপরে নেমে আসে অমানসিক নির্যাতন। আবার আরিফার স্বামী মহশিন চোরা কারবারির সাথে যুক্ত আছে, যে বিষয়টি আরিফা পুলিশকে জানিয়ে দেয়।"উদ্দীপকে বর্ণিত আরিফা এবং 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত জমিলার জীবনচিত্র যেন একই সুতোয় গাঁথা।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'লক্ষ্মীপুর গ্রামে নাকি এক সন্ন্যাসীর আগমন ঘটেছে। এইসন্ন্যাসী নাকি চোখের পলকে অন্য গ্রামে যেতে পারে,বাতাসের গতি থামাতে পারে।'উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মিল হলো- পির সাহেব সূর্যকে ধরে রাখতে পারেনতিনি হুকুম না দিলে নামাজের সময় গড়ায় নাতিনি মুসলিমদের জান্নাত পাওয়ার ব্যবস্থা করেননিচের কোনটি সঠিক?
- লক্ষ্মীপুর গ্রামের দাহির ও পারুলের আজ সাত বছরের সংসার। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো তাদের কোনো সন্তান নেই। এজন্য স্বামী-স্ত্রী উভয়েই চরম হতাশায় নিমজ্জিত। এমন অবস্থায় তারা শুনতে পায়; পাশের গ্রামের চেয়ারম্যানের বাড়িতে এক কামেল পির সাহেব এসেছে। তাদের মনে যেন আশার আলো, জ্বলে। স্ত্রী পারুলকে সাথে নিয়ে পরদিনই দাহির পির সাহেবের সাথে সাক্ষাৎ করে। পির সাহেব পারুলকে অনেকক্ষণ নিরীক্ষণ করে জানায়, 'পেটে বেড়ি পড়ে বইলাই তো স্ত্রীলোকদের সন্তান হয় না।'উদ্দীপকের দাহির ও পারুলের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা করো।
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা । সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি। 'স্বার্থরক্ষায় উদ্দীপকের হোসেন মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্র একই পথের পথিক- উক্তিটির যথার্থতা প্রতিপন্ন করো।
- মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের মাজারভীতির কারণ-
- 'যেন বিশাল সূর্যোদয় হয়েছে, আর সে আলোয় প্রদীপের আলো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।'ーবিষয়টি বুঝিয়ে দাও।
- তাহেরার বিয়ে হলো তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি বয়সি হামিদআলীর সাথে। বিয়ের আগে পাত্রী দেখতে এলে হামিদআলীকে তাহেরা ভেবেছিল সে তার হবু শ্বশুর। উদ্দীপকের তাহেরা 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রটির সাথে তুলনীয়?
- রফিক মিয়া অনেক বছর আগেই তার জন্মভূমি ছেড়ে জীবিকার সন্ধানে এই জয়নগর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায় সম্বলহীন অবস্থা থেকে রফিক মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। আজ যেমন তার সুহায়-সম্পত্তি হয়েছে, তেমনি সমাজের সকল মানুষ তাকে সম্মানও করে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য কোথায় ? আলোচনা করো।
- “লালসালু” উপন্যাসে 'নলি' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি?
- 'দেশটা কেমন মরার দেশ'- এ কথা বলা হয়েছে কেন?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র জন্মমৃত্যু সাল কোনটি?
- 'ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।'- কোন ব্যাপারটা এবং কেন?
- মজিদকে প্রথম বার দেখে জমিলা কী ভেবেছিল?
- 'আসলে সে ঠান্ডা, ভীতু মানুষ'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
- অজ পাড়াগাঁয়ের মসজিদের ইমাম মাওলানা আবুল কালাম নিজের মুদি দোকানের সামান্য উপার্জনে কোনোভাবে সংসার খরচ নির্বাহ করেন। অজ্ঞ গ্রামবাসী অসুখ-বিসুখে প্রায়শই তার কাছে আসে টাকাপয়সার বিনিময়ে পানিপড়া ও তাবিজ-কবজ নেওয়ার জন্য। কিন্তু মাওলানা সাহেব তা না করে রোগীদের শহরের ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দেন। তিনি গ্রামবাসীকে শিক্ষা দেন- ধর্ম ব্যাবসার বিষয় নয়, মানুষকে প্রতারণা বা নিপীড়নের জন্য নয়।উদ্দীপকের ইমাম সাহেবের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের আদর্শগত পার্থক্য নির্ণয় করো।
- শনির হাওরের পারে গোটা কয়েক বাড়ি নিয়ে গিয়াসের গ্রাম। ঘর হতে দু'পা ফেলতেই হাওরের শুরু, শেষটা চোখে আন্দাজ করা যায় না। ধান আর মাছ নিয়ে তাদের জীবন। বানের পানিতে ধান তলিয়ে গেলে তারা চোখে অন্ধকার দেখে। অসুখ-বিসুখে ওপাড়ার পিরের পানি আর তেল পড়াই তাদের ভরসা। গত বছর গিয়াস তার নিঃসন্তান স্ত্রীকে নিয়ে শহরে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিল। বেপর্দাভাবে স্ত্রীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ায় পিরের বাড়িতে ডাক পড়ল গিয়াসের। তখন আতরের সুবাস আর আগরের ধোঁয়ায় পির সাহেবের মুখ দেখাই যাচ্ছিল না। যেনো অদৃশ্য কণ্ঠের ঘোষণা হলো গিয়াসকে গ্রাম ছাড়তে হবে। পিরের ঘোষণাপত্র তার সাগরেদরা তা বাস্তবায়ন করল।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে পদ্মাপাড়ের জেলে ও মাঝিদের জীবন সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। তাদের একমাত্র অবলম্বন, সুখ- দুঃখের সাথী পদ্মানদী। জীবন সংগ্রামী এসব জেলেদের মধ্যে কুবের ও তার সঙ্গীদের জীবনাচরণ নিয়ে আবর্তিত হয়েছে উপন্যাসের কাহিনী। বৈচিত্র্যহীন একঘেয়ে তাদের জীবন। ধনঞ্জয়ের নৌকায় মাছ ধরে, কুবের ও গণেশ। মালিক হিসেবে ধনঞ্জয় নেয় অর্ধেক আর কুবের ও গণেশ পায় বাকি অর্ধেক। এছাড়া মাছের সংখ্যা কম দেখিয়ে ধনঞ্জয় তাদের ঠকায়। সব বুঝেও তারা কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। এই অবস্থা সর্বত্র, সব নৌকায়। শত শত নৌকায় শত শত কুবের ও গণেশ শ্রম দিয়ে মাছ ধরে। এক সময় কুবেরই কাহিনীর প্রাণকেন্দ্রে এসে দাঁড়ায় সে-ই পদ্মাপাড়ের সকল জেলে-মাঝিদের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই "পদ্মানদীর মাঝি" নামকরণের মধ্য দিয়ে ঔপন্যাসিক তার জীবন-সত্যকেই প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।"উপন্যাসের নামকরণের দিক থেকে 'পদ্মানদীর মাঝি' এবং 'লালসালু' অভিন্ন চেতনার অনুসারী"- মূল্যায়ন কর।
- 'তানি বুঝি দুলার বাপ'।___জমিলা কার সম্পর্কে এ উক্তি করেছে?
- মহিম আলির সংসারের সকল দায়িত্ব তার স্ত্রী হনুফার। যৌথ পরিবারের গ্রামীণ সংসারের রান্নাবান্না থেকে শুরু করে ধান শুকানো, মাড়ানো, গৃহপালিত হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলের তদারকি সবই শক্ত হাতে সামলান। এমনকি আত্মীয়স্বজনের সাথে যোগাযোগ, তাদের মান রক্ষা সবই হনুফার গুরুদায়িত্ব। এতে তার আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি বা ক্লান্তি নেই। কিন্তু 'হনুফা'কে মাঝে মাঝে অসহায়ত্ব ও একাকিত্ব গ্রাস করে। মহিম আলি হনুফার একাকিত্ব অনুভব করে। কারণ তারা নিঃসন্তান।'উদ্দীপকের হনুফা 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমার মতোই ঘরের খুঁটি।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের চেয়ে আগাছা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।
- হিজলতলী গ্রামের মানুষগুলো অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক-বৃদ্ধ যুবক-বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর কিংবা বদরপীরের সাহায্যও কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকের ঘরেই হয়তো অভাব আছে কিন্তু তাদের দুঃখ-কষ্ট আছে কিনা তা বোঝা দায়। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা এদের ঠকায়।উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানষের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়- বর্ণনা করো।
- কালু মিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী কারা তার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে?
- আক্কেলপুর গ্রামের শিক্ষিত ছেলে জুবায়ের সবেমাত্র মাস্টার্স পাশ করে গ্রামে ফিরেছে। আক্কেলপুর গ্রামে কোনো স্কুল নাই। তাই সে গ্রামের শিশুদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার জন্য একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য ক্যাম্পেইন চালায়। এই প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে গ্রাম্য মাতব্বর মতলব মিয়া স্কুলের পরিবর্তে একটা মক্তব প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গ্রামবাসীকে জানায়। জুবায়ের এর তীব্র প্রতিবাদ করলে ধর্মদ্রোহী তকমা দিয়ে তাকে এলাকাছাড়া করে দেয়।উদ্দীপকের জুবায়েরের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের যে সাদৃশ্য রয়েছে তা বুঝিয়ে লেখো।
- 'বেচাইন' শব্দের অর্থ কী?
- ত্রিপুরা রাজ মন্দিরের পুরোহিত রঘুপতি মিথ্যা ধর্মবোধ ও অন্ধসংস্কারের ধারক। মন্দিরে বলিদান প্রথার বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদের বাণী ধ্বনিত হয় অপর্ণার মধ্যে। তার ছাগ-শিশু বলির বিচার দাবি 'বিসর্জন' নাটকের বিরোধের বীজ। এ বীজ প্রথম বপিত হয় রাজার হৃদয়ে। আর এ বপিত বীজের কারণে রাজার বিরুদ্ধে বিরোধ, জয়সিংহের আত্মবিসর্জন, রঘুপতির প্রতিমা বিসর্জন এবং পরিণতিতে মাতৃরূপে অপর্ণার নিকট রঘুপতির দর্প চূর্ণ হয়।উদ্দীপকের অপর্ণার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার সাদৃশ্য কতটুকু? ব্যাখ্যা করো।
- শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালন করেন।শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবের বিরোধবাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিবশামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।সাদৃশ্যের কারণ হলো, উভয়ই- কৃতঘ্নক্ষমতালোভীঅর্থলোভীনিচের কোনটি সঠিক?
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?' আপনে ওরে নিয়া আসেন ভিতরে।'- উক্তিটিতে বস্তার মনোভাব ব্যাখ্যা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসের শেষ বাক্য কোনটি?
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে ধলেশ্বরী গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটেছে দূরদূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিরন্বিত এমনই এক যুবক ইদ্রিসের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব-প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।উদ্দীপকে বর্ণিত অসহায় মানুষদের জীবানাচরণের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
- শিক্ষিত মানুষের কালচারই ধর্ম আর সাধারণ মানুষের ধর্মই কালচার। এ কারণে দরিদ্র অঞ্চলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যুগে যুগে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। যেখানে সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে কেন্দ্রে থাকা নেতারা গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। এমনি একজন আধ্যাত্মিক নেতা হলেন শফিউল্লাহ। যিনি ভক্তের সাথে সাক্ষাতের নাম করে সিঙ্গাপুর যান নিজের চিকিৎসার জন্য। আর ভক্তদের চিকিৎসার জন্য মহৌষধ হলো তাঁর পড়া পানি।উদ্দীপকের শফিউল্লাহ এর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ও কতটুকু- ব্যাখ্যা করো।
- 'যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' সিরাজউদ্দৌলা নাটকেসংলাপটি কার?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- "গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ।"- ব্যাখ্যা করো।
- জলবসন্ত রোগে আক্রান্ত ছোট ছেলের চিকিৎসার জন্যসুমনবাবু মনোহারী বৈদ্যের কাছ থেকে পানিপড়া ??নিমপাতা নিয়ে আসেন। কলেজ পড়ুয়া বড় ছেলে রাজীবছোট ভাইকে হাসপাতালে নিতে চাইলে পিতার একগুঁয়েমিরকাছে সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে য??য়।উক্ত চরিত্রে যে বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে—
- আওয়ালপুরের পীরসাহেবের প্রধান মুরিদ কে?
- অন্ন চাই, প্রাণ চাই, আলো চাই, চাই মুক্ত বায়ুচাই বল, চাই স্বাস্থ্য, আনন্দ-উজ্জ্বল পরমায়ু’সাহস বিস্তৃত বক্ষপট। এ দৈন্য-মাঝারে কবি,একবার নিয়ে এসো স্বর্গ হতে বিশ্বাসের ছবি।উক্ত চরিত্র সৃষ্টিতে লেখকের মূল উদ্দেশ্য হলো- নির্জীব ধর্মতন্ত্রের বিরুদ্ধে পদাঘাত ও সজীবপ্রাণধর্মের জাগরণশেকড় গাড়া কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও ভীতিরসঙ্গে সুস্থ ও মুক্ত জীবনাকাঙ্ক্ষার দ্বন্দ্বধর্মব্যবসায়ী মজিদের অস্তিত্ব সংকট ও সংকটেরএকটি মানবীয় দ্বন্দ্বময় রূপ সৃষ্টিনিচের কোনটি সঠিক?
- মহব্বত নগর আগমনের পূর্বে মজিদ কোথায় ছিল?
- লালসালু উপন্যাসের ফরাসি অনুবাদের নাম কী ?
- উদয়পুর গ্রামের মোড়ল সাহেবের ভৃত্য গফুর মিয়ার সন্তান সাফল্যের সঙ্গে পিএসসি পাশ করে। দূরবর্তী গ্রামে সন্তানকে পাঠিয়ে হাই স্কুলে পড়ানোর সামর্থ্য নেই বিধায় গফুর মোড়লের আর্থিক সাহায্য ও পরামর্শ চায়। কিন্তু মোড়ল তার সন্তানকে লেখাপড়ায় নিরুৎসাহিত করে এবং বলে গরিবের লেখাপড়া করে কী হবে? বরং আর্থিক সচ্ছলতার জন্য গফুরের সন্তানকে ঋণের মাধ্যমে অটোরিকশা কিনে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। ভৃত্য গফুর মোড়লের এই পরামর্শ মেনে নিতে বাধ্য হয়। ফলে সন্তানের লেখাপড়ার ইতি ঘটে।প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের সমাজবাস্তবতাই যেন 'লালসালু' উপন্যাসে প্রতিফলিত হয়েছে? মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।