অবস্থাপন্ন কৃষক জমির উদ্দিন তার ছেলেকে ডাক্তার বানানোর ইচ্ছায় শহরে পড়তে পাঠায়। শেষ পর্যন্ত তার ছেলে ফাহাদ ডাক্তারি পাস করে বাবার আশা পূরণ করে। ফাহাদের ইচ্ছা গ্রামের অসহায়, দুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলা এবং তাবিজ কবজ, ঝাড় ফুঁক প্রভৃতি অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার হতে গ্রামবাসীকে মুক্ত করা। গ্রামের মসজিদের ইমাম ফতেহ আলী কিন্তু ব্যাপারটা ঠিক পছন্দ করেন না। ফাহাদের বাবাও চান না ছেলে গ্রামে বসবাস করুক। তবে ডাঃ ফাহাদ যে কোনো মূল্যে তার ইচ্ছা পূরণে দৃঢ় প্রত্যয়ী।
"উদ্দীপকের ফতেহ আলী 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রকে আংশিক ধারণ করতে পেরেছে।"- তোমার মত প্রকাশ কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- অন্ন চাই, প্রাণ চাই, আলো চাই, চাই মুক্ত বায়ুচাই বল, চাই স্বাস্থ্য, আনন্দ-উজ্জ্বল পরমায়ু’সাহস বিস্তৃত বক্ষপট। এ দৈন্য-মাঝারে কবি,একবার নিয়ে এসো স্বর্গ হতে বিশ্বাসের ছবি। উদ্দীপকের আলোকে ‘লালসালু' উপন্যাসের প্রাণময়ও সাহসী চরিত্র কোনটি?
- 'চার সতীনের ঘর' চলচ্চিত্রে দেখেছিলাম নায়ক একজনধনাঢ্য ব্যক্তি। তার ঘরে তিন স্ত্রী। অথচ কোনো সন্তাননেই। তাই সন্তানের আশায় নায়ক আবারও শাবনূরকেচতুর্থ স্ত্রী হিসেবে ঘরে আনে। উদ্দীপকের নায়কের এরূপ সাদৃশ্যের কারণউভয়েরই—সন্তানলাভ আকাঙ্ক্ষাবহু স্ত্রী গ্রহণধর্ম ব্যবসানিচের কোনটি সঠিক?
- ঝালরওয়ালা সালু দ্বারা আবৃত কবরটি দেখতে কীসের মতো?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি,' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- কী মিয়া? তোনার দিলে কি ময়লা আছে? এখানে ময়লা বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
- বাংলাদেশের টেকনাফ অঞ্চলের এক গ্রামের গরিব অসহায় পরিবারকে সমাজচ্যুত করা হয়েছে। কারণ, ওই বাড়ির ছেলের বিয়েতে গ্রামের মাতব্বর পরিবারকে দাওয়াত করা হয়নি। একারণেই খেপে যায় মাতব্বর ও তার লোকজন। সভা করে একঘরে করে দেয় সেই গরিব পরিবারটিকে। পরিবারের লোকদের বাইরে যাওয়ার রাস্তাটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।"উদ্দীপকের মাতব্বর ও তার লোকজন এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ অভিন্ন চেতনার অনুসারী।"- মূল্যায়ন করো।
- "বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ"- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- ধলা মিয়া কার ভাই?
- কাজীপুর গ্রাম থেকে শহর অনেকটা দূরে অবস্থিত। প্রকৃতি উদার হাতে এ অঞ্চলের মানুষকে শস্যে ও সম্পদে সুখী রেখেছে। এ অঞ্চলের মানুষের দিন কাটে ফসলের ক্ষেতে, গৃহস্থালি কাজে, হাসি-উৎসবে ও প্রচলিত বিশ্বাসে। এ গ্রামের মাতব্বর ফরমান আলীর বাড়িতে এক পড়ন্ত বিকেলে মতলব মিয়া নামে অচেনা এক দরবেশের আগমন। দুর্গম পথ পার হয়ে আসা মতলব মিয়ার চোখে-মুখে-আশঙ্কা, উদ্বেগ ও স্বপ্নের বিচিত্র আভাস। সবার সামনে সে নিজেকে পীর হিসেবে পরিচয় দিয়ে নানা রকম অলৌকিক কর্মকান্ডের গল্প বলতে শুরু করে।উদ্দীপকের গ্রামজীবন যেন 'লালসালু' উপন্যাসের গ্রামজীবনের খণ্ডিতরূপ- এ মন্তব্য কতটা যৌক্তিক? বিশ্লেষণ করো।
- ‘সে যেন খাঁচার ধরা পড়েছে ।’ -কার ধরা পড়ার কথা বলা হয়েছে?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসে হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসিমুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা, সবার অজান্তে অবৈধ ব্যাবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'মন থেকে থেকে খাবি খায়' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- পলাশপুর গ্রামের সুশিক্ষিত ছেলে ফয়সাল। শহর থেকে এম এ পাস করে নিজ গ্রামে ফিরে এসেছে। তার বড় ইচ্ছা এলাকার উন্নয়ন করা, বিশেষ করে নিরক্ষর মানুষদের সাক্ষর করে তোলা। সে প্রত্যাশায় ফয়সাল তার গ্রামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে। কিন্তু এ মহৎ কাজে সে সহযোগিতার পরিবর্তে তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। নিজের প্রভাব ক্ষুণ্ণ হবে ভেবে মাতব্বর রজত মিয়া ও তার লোকেরা ফয়সালকে অপমানিত করে গ্রামছা???া করে। মূর্খ গ্রামবাসী আর স্বার্থবাদী মানুষের কাছে সত্যের অপমৃত্যু ঘটে।'মূর্খ গ্রামবাসী আর স্বার্থবাদী মানুষের কাছে সত্যের অপমৃত্যু ঘটে”- উক্তিটি 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে বিচার করো।
- "তাই তারা ছোটে, ছোটে"- কেন? ব্যাখ্যা করো।
- বটতলী গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুংসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের ছেলে মুনির কলেজে লেখাপড়া করে। গ্রামের অশিক্ষিত মানুষকে শিক্ষিত করতে সে গ্রামে একটি নৈশবিদ্যালয় করতে চায়। এ বিষয়ে গ্রামে সভা বসলে, গ্রামের মাতব্বর এ প্রস্তাবে খুশি হয়ে মুনিরকে সহযোগিতা করতে আশ্বাস দেন।উদ্দীপকের মুনির চরিত্র 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা করো।
- শিমুলিয়া গ্রামের মানুষগলো অত্যন্ত পরিশ্রমী, তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠ ভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের। মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এরা লোকমান ফকিরের সাহায্য কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকে ঘরে হয়তো অভাব আছে কিন্তু দুঃখকষ্ট আছে কি না তা বোঝা দায়, তবে যেটুকু দুঃখ আসে তার কারণ লোকমানের মতো প্রতারক' শ্রেণির মানুষ। গ্রামের মানুষ সরল ধর্মপ্রাণ কিন্তু শিক্ষা ও ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা তাদের ঠকায়।'শিক্ষা ও ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকার কারণেই ভন্ড ধার্মিকদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পায়।'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?
- মহব্বতনগরের নতুন পীরের, আগমনকে তুলনা করা হয়েছে-
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে শ্যামলছায়া গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটছে দূর-দূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিড়ম্বিত এমনই এক যুবক শফিকের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব- প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।উদ্দীপকে বর্ণিত অসহায় মানুষদের জীবনাচরণের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়া জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।উদ্দীপকের কোব্বাদ মেম্বারের সাথে মজিদ চরিত্রের মিল ও অমিল দেখাও।
- শিক্ষিত মানুষের কালচারই ধর্ম আর সাধারণ মানুষের ধর্মই কালচার। এ কারণে দরিদ্র অঞ্চলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যুগে যুগে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। যেখানে সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে কেন্দ্রে থাকা নেতারা গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। এমনি একজন আধ্যাত্মিক নেতা হলেন শফিউল্লাহ। যিনি ভক্তের সাথে সাক্ষাতের নাম করে সিঙ্গাপুর যান নিজের চিকিৎসার জন্য। আর ভক্তদের চিকিৎসার জন্য মহৌষধ হলো তাঁর পড়া পানি।"উদ্দীপকের 'লালসালু' উপন্যাসের আংশিক ছায়াপাত ঘটেছে"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো
- খালেক ব্যাপারির প্রথম পক্ষের স্ত্রীর নাম কী?
- আক্কাস গ্রামে কী প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল?
- 'লালসালু' উপন্যাসে সাত ছেলের বাপের নাম কী?
- 'তোমার দাড়ি কই মিঞা?'- উক্তিটি কার?
- 'লক্ষ্মীপুর গ্রামে নাকি এক সন্ন্যাসীর আগমন ঘটেছে। এইসন্ন্যাসী নাকি চোখের পলকে অন্য গ্রামে যেতে পারে,বাতাসের গতি থামাতে পারে।'উদ্দীপকের সন্ন্যাসী 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রকে মনে করে দেয়?
- খোরশেদ আলী একজন পল্লি চিকিৎসক। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গ্রামের লোকজন তার কাছে আসে। তিনিও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের চিকিৎসা করেন। কিন্তু জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো রোগী এলে তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। কারণ তার কাছে মানুষের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড়ো নয়।উদ্দীপকে খোরশেদ আলীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রটির বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'বিষাদ সিন্ধু' কোন ধরনের রচনা?
- আক্কাসের বাবার নাম কী?
- শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের চেয়ে আগাছা বেশি।'- কেন বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগডাশেবুঝছোনি ভাই বুঝছোনি, আসল কথা বুঝছোনি?এক গেরামের গরিব চাষি কালামিয়া নামসবার পেটে ভাত জুটাইতে ক্ষেত্রে ঝরায় ঘামও তার ছাওয়াল কান্দে ক্ষুধার জ্বালায়মহাজনরা হাসে।ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগডাশে।উদ্দীপকের 'হাঁস' ও 'বাগডাশে'র সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন কোন চরিত্রের মিল দেখা যায় এবং কীভাবে তা সাদৃশ্যপূর্ণ?
- লালসালু' উপন্যাসে চরিত্র কোনটি?
- "মজিদের শক্তি ওপর থেকে আসে, আসে ঐ সালু কাপড়ে আবৃত মাজার থেকে"- ব্যাখ্যা করো।
- কিছু কিছু মানুষ তাদের চাওয়া-পাওয়ার প্রত্যক্ষ উৎস হিসেবে মাজারকে বেছে নেয়। হরেক রকম মানত করে। তেমনি এক অসহায় বৃদ্ধ সালাম মণ্ডল। তার রোগগ্রস্ত ছেলের জন্য মাজারে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি মানত করে। এতে ছেলের শারীরিক কোনো উন্নতি ঘটে না। ছেলে তার দিনকে দিন খারাপের দিকেই যায়। তার শেষ সম্বল টাকা-পয়সা যা ছিল তাও সে মাজারে ছুড়ে দিয়ে ছেলের জন্য রোগমুক্তির প্রার্থনা করে।উদ্দীপকে বর্ণিত সালাম মন্ডলের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রের বর্ণনা দাও।
- দিনমজুর আবুল মিয়ার একমাত্র মেয়ে শাহানা। এখন সে বারো বছরের কিশোরী। চেহারাটা একটু রোগা বলে বয়সটা তার ঠিক কতো তা বোঝা যায় না। শাহানা খুব চঞ্চল ও স্বাধীনচেতা। সে উচ্ছল ও হাস্যমুখর। হঠাৎ রইচ ঘটক পাশের গ্রামের রহম আলী নামে এক মধ্যবয়সী পাত্রের প্রস্তাব নিয়ে আসে। শাহানার পিতা অভাবের কথা ভেবে শাহানার বিয়ের এ প্রস্তাবে রাজি হয়। শাহানার দু'চোখে বিস্ময় ও ক্ষোভ। শাহানার স্বপ্নগুলো, রহম আলীর আচরণে ও রূঢ়তায় বিচূর্ণ হয়ে যায়।"উদ্দীপকের শাহানা ও 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার ভাগ্য একই সূত্রে গাঁথা।"- এ মন্তব্য কতটা গ্রহণযোগ্য? মূল্যায়ন করো।
- 'অমন করে হাঁটতে নেই বিবি, মাটি-এ গোস্বা করে।'- উদ্ধৃতাংশের মর্মার্থ ব্যাখ্যা করো।
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে ধলেশ্বরী গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটেছে দূরদূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিরন্বিত এমনই এক যুবক ইদ্রিসের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব-প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।"উদ্দীপকের ইদ্রিস ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়ের মধ্যেই অস্তিত্ববাদী চেতনা প্রতিফলিত।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- নাফরমানি করিও না। খোদার উপর তোয়াক্কাল রাখ । এ কথা কে বলে ?
- মহব্বতনগরের নতুন পীরের, আগমনকে তুলনা করা হয়েছে-