গারো পাহাড় মধুপুর গড় থেকে কত দিনের পথ?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- দেশটা কেমন মরার দেশ'- এখানে কোন অঞ্চলের কথা বলা হয়েছে, কেন?
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসটি কার রচনা?
- গারো পাহাড় মধুপুরগড় থেকে কতদিনের পথ?
- 'তাই তারা ছোটে, ছোটে'-কেন? ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের মহাসমুদ্রের ডাককে অবহেলাকরে বালুতীরে কী যেন খোঁজে।'- বাক্যে প্রকাশপেয়েছে—
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।
- আক্কাসের বাবার নাম কী?
- ফয়জুল্লাহপুর একটি গ্রামীণ শহর। ধান-সুপারির মওসুমে এখানকার সকলের হাতেই টাকা-পয়সা থাকে। হাট-বাজারে থাকে লোকের ভীড়। এসময়ে ভিক্ষুকের আগমনও বেড়ে যায়। একদল ভিখারী হামাগুড়ি দেয় আর সুর করে 'আল্লা দে, আল্লা দেয়' বলে বলে ভিক্ষা চায়। তাদের বিচিত্র সুরে ফয়জুল্লাহপুরের মানুষের মন গলে, কেউ টাকা বা আধুলী ফেলে যায় থালায়। ব্যাপারটা এখানকার স্থানীয় ভিক্ষুকদের সহ্য হয় না। তারা লাঠিসোঁটা নিয়ে এদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।মজিদের সাথে ফকিরদের উদ্দেশ্যগত মিল থাকলেও আচরণগত অমিল রয়েছে-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- হাসুনির মাকে তার বাপ পিটিয়েছিল কেন?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'দেশটা কেমন মরার দেশ'- এখানে কোন অঞ্চলের কথা বলা হয়েছে, কেন?
- বাহে মুল্লুক বলতে কোন অঞ্চলকে বোঝানো হয়েছে?
- তিন স্ত্রীর সাথে সংসার করেন আব্বাস আলী দফাদার। গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে আবার বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্কা বউকে আব্বাস আলী কোনো পরপুরুষের সামনে যেতে দেয় না। কখনও কথার অন্যথা হলে বউকে নানাভাবে শাসন করে। একদিন পাশের বাড়িতে টেলিভিশন দেখার অপরাধে ছোট বউকে সে শীতের রাতে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় বড় বউ খুব কষ্ট পায়। সারারাত সে ঘুমায় না। আবার কম বয়সী মেয়েটাকে যে ঘরে ডেকে নেবে সে সাহসও পায় না।'রহিমার মাতৃহৃদয় ব্যাকুল হয়ে ওঠে কন্যা সদৃশ সন্তানটির জন্য'- উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাস অবলম্বনে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- হিজলতলী গ্রামের মানুষগুলো অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক-বৃদ্ধ যুবক-বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর কিংবা বদরপীরের সাহায্যও কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকের ঘরেই হয়তো অভাব আছে কিন্তু তাদের দুঃখ-কষ্ট আছে কিনা তা বোঝা দায়। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা এদের ঠকায়।উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানষের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়- বর্ণনা করো।
- “রুঠাজমি" কী?
- মানুষ বেঁচে থাকার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। জীবনের শেষ ক্ষুদ্র অবলম্বনকেও বিসর্জন দিয়ে বাঁচতে চায়। কোনো প্রাণীই এর ব্যতিক্রম নয়। যেমন বাঘের ক্ষুধা সহ্যের মাত্রা অতিক্রম করলে আপন ছানাদের খেয়েও জীবন বাঁচায়।'অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাই মানুষের সর্বোচ্চ সাধনা।' উক্তিটি উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'র শেষ কর্মস্থল ছিল-
- কী মিঞা? তোমার দিলে কি ময়লা আছে?- এখানে ময়লা কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে লেখা উপন্যাস কোনটি?
- জুয়েল প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার কিন্তু পুরোনো ধ্যানধারণা আঁকড়ে থাকা পিতার কঠিন অসুখেও চিকিৎসাসেবা সে দিতে পারে না। তাবিজ-কবজ আর পানিপড়ায় বিশ্বাসী পিতা আমিরুল ডা. জুয়েলকে একরকম ত্যাজ্য করেছেন বলা যায়; কারণ গ্রামের গরিব মানুষদের জন্য ডা. জুয়েল আধুনিক এক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং তা তার পিতার মতোই কুসংস্কারচ্ছন্ন ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে গিয়েই। তারা মনে করেন এতে ধর্মনাশ হচ্ছে আর তারা পাপের ভাগীদার হচ্ছে। মূলত এইসব কুসংস্কারের মূলে রয়েছে তাদের পীরসাহেব, যার পানিপড়া নিতে আজকাল খুব কম মানুষই আসে।'নিজ স্বার্থরক্ষায় ধর্মীয় গোঁড়ামি কায়েম করে পীরসাহেব এবং মজিদ দুজনেই ধর্মভীরু মানুষকে আধুনিকতার সুফল থেকে বঞ্চিত করেছে।'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস অবলম্বনে তোমার শিখনফল লেখো।
- মাজারেরে পাশে দাঁড়িয়ে রহিমা কার জন্য শক্তি প্রার্থনা করে?
- বহিপীর: ……বিবি সাহেব-তাহেরা: (বাধা দিয়ে উচ্চস্বরে) আমাকে বিবি ডাকবেন না। বিয়েতে আমি মত দিই নাই। আপনার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়নি।বহিপীর: (একটু রেগে) আপনি মত না দিলেও আপনার বাপজান দিয়েছেন। তাহা ছাড়া সাক্ষী সাবুদ সমেত কাবিননামাও হইয়া গিয়াছে। এখন সেকথা বলিলে চলবেকেন। (সুর বদলিয়ে) দেখুন মন দিয়া আমার কথা শুনুন।তাহেরা: (আবার বাধা দিয়ে) আমি আপনার কোনো কথা শুনতে চাই না। আমার বাপজান আর সৎমা আপনাকে খুশি করার জন্য আপনার সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন। আমি যেন কোরবানির বকরি। আপনি পুলিশে খবর দিতে পারেন, আপনি আমার বাপজানকে ডেকে পাঠাতে পারেন, আমার ওপর জুলুম করতে পারেন। কিন্তু আমি আপনার সঙ্গে যাব না।উদ্দীপকটিতে 'লালসালু' উপন্যাসের একটি খন্ডাংশের ইঙ্গিত রয়েছে- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- পীর সাহেব নারীদের প্রতি আসক্ত হওয়ার কারণে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পর্দার আড়ালে নানা কথা বলেন। মুরিদের সুন্দরী বউকে তালাক দিতে বাধ্য করে তার মনোবাসনা পূরণ করেন।উদ্দীপকের পীর সাহেবের সঙ্গে মজিদের সাদৃশ্যের কারণ-
- "ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।"-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের মানুষেরা নিত্য অভাব-অনটন নিয়ে বসবাস করে। দিনের পর দিন আসে, কিন্তু হতভাগা এ অঞ্চলের মানুষদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন আসে না। বৎসরান্তে তিস্তার অপ্রতিরোধ্য ভাঙ্গন মানুষকে আরও বেশি অসহায়, নিঃস্ব করে ফেলে। শস্যহীন মানুষগুলো ক্ষুধা-তৃষ্ণা, রোগ-শোক, শিশুর আর্তচিৎকার, সব মিলিয়ে আনন্দহীন এক মানবেতর জীবন অতিবাহিত করে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য তারা কখনো কখনো মানত করে। এতেও তাদের জীবনযাত্রায় কোনো পরিবর্তন আসে না। ভাগ্যের অন্বেষণে তখন তারা বহির্মুখী হয়ে ওঠে।উদ্দীপকের দুরবস্থাগ্রস্ত মানুষদের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন অঞ্চলের মানুষদের, কী ধরনের মিল পাওয়া যায়?- আলোচনা কর।
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও করা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের ছোটো পুত্রবধূ 'লালসালু' উপন্যাসের কার সাথে কীভাবে তুলনীয়? বুঝিয়ে লেখো।
- রিকশাচালক সাহেব আলির মেয়ে সালেহা। প্রাইমারির পর পড়া হয়নি তার। বয়স হয়তো ১২ কি ১৩। বড়োই চঞ্চলা। তিন বোনের মধ্যে সে-ই বড়ো। এক আত্মীয়ের মাধ্যমে একদিন বিয়ের প্রস্তাব আসে সালেহার। ছেলে থাকে বিদেশে, দালানবাড়ি, অনেক টাকার মালিক। তবে শর্ত একটা, "আপাতত মোবাইল ফোনে বিয়ে; ছেলে দেশে ফিরলে বউকে তুলে নেবে। যত দিন না ফিরবে তত দিন বউয়ের খরচপত্র বাবদ টাকা পাঠিয়ে দেবে।" এমন প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ার উপায় ছিল না দরিদ্র সাহেব আলির। নিয়ম মেনে বিয়ে। তারপর কয়েক বছর পর দেশে ফিরল ছেলে। ছেলের বয়স এখন পঞ্চাশ।"উদ্দীপকের সালেহার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের 'জমিলা' চরিত্রের বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
- 'লক্ষ্মীপুর গ্রামে নাকি এক সন্ন্যাসীর আগমন ঘটেছে। এইসন্ন্যাসী নাকি চোখের পলকে অন্য গ্রামে যেতে পারে,বাতাসের গতি থামাতে পারে।'উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মিল হলো- পির সাহেব সূর্যকে ধরে রাখতে পারেনতিনি হুকুম না দিলে নামাজের সময় গড়ায় নাতিনি মুসলিমদের জান্নাত পাওয়ার ব্যবস্থা করেননিচের কোনটি সঠিক?
- খালেক ব্যাপারীর প্রথম স্ত্রীর নাম কী?
- বটতলী গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুংসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের ছেলে মুনির কলেজে লেখাপড়া করে। গ্রামের অশিক্ষিত মানুষকে শিক্ষিত করতে সে গ্রামে একটি নৈশবিদ্যালয় করতে চায়। এ বিষয়ে গ্রামে সভা বসলে, গ্রামের মাতব্বর এ প্রস্তাবে খুশি হয়ে মুনিরকে সহযোগিতা করতে আশ্বাস দেন।উদ্দীপকের মুনির চরিত্র 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' কী ধরনের উপন্যাস?
- কানিজের বাবা-মার মধ্যে সারাদিন দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে।তাদের এই দ্বন্দ্বে অতিষ্ঠ হয়ে সে স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছেবিচার দেয়। চেয়ারম্যানের লোলুপদৃষ্টি পরিবারটিকে ধ্বংসকরে দেয়।উদ্দীপকের পরিবারটির ধ্বংসের দিক থেকে'লালসালু' উপন্যাসের তাহেরের বাপ-মার সংসারধ্বংসের দিকটি যে তাৎপর্য বহন করে—ক্ষমতার প্রভাবঅর্থনৈতিক প্রভাবধর্মীয় গোঁড়ামিনিচের কোনটি সঠিক?
- মজিদের মহব্বত নগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?
- 'যোগসূত্র হচ্ছে রহিমা'-ব্যাখ্যা করো।
- 'কাঁদো নদী কাঁদো' কোন ধরনের গ্রন্থ?
- মজিদের আধ্যাত্মিক শক্তির ব্যাপারে অবিশ্বাস পোষণকারী চরিত্রের নাম-
- মজিদ কীভাবে মহব্বতনগর গ্রামে শিকড় গেড়েছিল?
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'নিরাক পড়া' অর্থে কী বোঝানো হয়েছে?
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এ-এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন, সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের আংশিক রূপায়ণ- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই কর।
- 'ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।'- কোন ব্যাপারটা এবং কেন?