হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এ-এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন, সবার বিপদে আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা। সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।
উদ্দীপকের হোসেন মিয়া 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের আংশিক রূপায়ণ- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'লালসালু' উপন্যাসটি প্রথম কত সালে প্রকাশিত হয়?
- 'সময়ে-অসময়ে মিথ্যা কথা না বললে নয়।'- কে মিথ্যা কথা বলে এবং কেন?
- ”পদ্মা নদীর মাঝি” কি ধরনের রচনা?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসে হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসিমুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা, সবার অজান্তে অবৈধ ব্যাবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।"স্বার্থরক্ষায় উদ্দীপকের হোসেন মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র একই পথের পথিক"-তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- ‘বিষাদ সিন্ধু’ একটি–
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই, তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা-চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়সের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।উদ্দীপকের টুনির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা করো।
- দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ থেকে ডাক্তারি বিদ্যা অর্জন করে জনাব মোশারফের ছেলে বাপ্পী বিনয়পুর গ্রামে একটি হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু অশিক্ষিত গ্রামবাসী এর প্রতিবাদ জানায়। গ্রামবাসী মনে করে হাসপাতাল তৈরি হলে কাটাছেঁড়া করতে গিয়ে ডাক্তাররা মানুষ মেরে ফেলবে। তাদের কাছে ডাক্তার মানেই কসাই। তার চেয়ে গ্রামের কবিরাজ, ফকিরবৈদ্য, ঝাড়ফুঁকেই তাদের জন্য মঙ্গল। কসাই ডাক্তারখানার দরকার নেই।উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের সাদৃশ্য আছে কি? বর্ণনা করো।
- দোগাছা গ্রামের সুশিক্ষিত ও স্বশিক্ষিত রিপন ঢাকা থেকে উচ্চ শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরেছে। সে নিরক্ষর মানুষকে সাক্ষর করতে গ্রামে একটি নৈশ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়। এ কল্যাণমূলক কাজে সমাজপতি জব্বার বাধা দেয়। গ্রামের মৌলবি, সমাজপতি ও মূর্খ গ্রামবাসীর কাছ রিপণের মহৎ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।উদ্দীপকের রিপন 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- মজিদ কীভাবে তার প্রভাবকে প্রতিষ্ঠিত করে?
- উম্মত মিয়া অনেক বছর ???গেই তাঁর জন্মস্থান ছেড়ে, জীবিকার সন্ধানে যশোর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে উম্মত মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। মানুষ তার মানবিকতা ও ব্যক্তিত্বের জন্য সম্মান করে।"অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলায় মজিদ ও উম্মত মিয়া দৃঢ় হলেও উভয়ের কৌশল এবং পরিণতি ভিন্ন।"- মন্তব্যটি যুক্তি ও উদাহরণের সাহায্যে বিশ্লেষণ করো।
- “ও যখন হাঁটে তখন মজিদ চেয়ে চেয়ে দেখে।” এখানে 'ও' কে?
- মুহিম ভাদ্র মাসের এক বিকেলে দেখল বিলের পানি, ধানগাছ ও অন্যান্য ফসল একেবারে স্তব্ধ হয়ে আছে। মুহিম যে অবস্থাটি দেখেছে তা 'লালসালু' উপন্যাসেরআলোকে কী বলা যায়?
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'মন থেকে থেকে খাবি খায়' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারী সমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্ন্যা ছাড়া তাদের আর কোন অধিকার ছিল না।উদ্দীপকের বর্ণিত বিষয়গুলো ছাড়া 'লালসালু' উপন্যাসে নারী অবমাননার আর কী কী চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে?
- বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বায়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।"উদ্দীপকের মামুন চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের অপূর্ণ একটি সম্ভাবনার ??াস্তব প্রতিফলন।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'কেবল ধীরে ধীরে কাঠের মতো শক্ত হয়ে ওঠে তার মুখটা'- কার মুখ শক্ত হয়ে, ওঠে কেন?
- রতন বড়ো হয়ে কী হতে চায়?
- "শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।
- "সোহবতে সোয়ালে তুরা সোয়ালে কুনাদ”- এই ফারসি বয়েতটির বঙ্গানুবাদ -
- উদয়পুর গ্রামের মোড়ল সাহেবের ভৃত্য গফুর মিয়ার সন্তান সাফল্যের সঙ্গে পিএসসি পাশ করে। দূরবর্তী গ্রামে সন্তানকে পাঠিয়ে হাই স্কুলে পড়ানোর সামর্থ্য নেই বিধায় গফুর মোড়লের আর্থিক সাহায্য ও পরামর্শ চায়। কিন্তু মোড়ল তার সন্তানকে লেখাপড়ায় নিরুৎসাহিত করে এবং বলে গরিবের লেখাপড়া করে কী হবে? বরং আর্থিক সচ্ছলতার জন্য গফুরের সন্তানকে ঋণের মাধ্যমে অটোরিকশা কিনে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। ভৃত্য গফুর মোড়লের এই পরামর্শ মেনে নিতে বাধ্য হয়। ফলে সন্তানের লেখাপড়ার ইতি ঘটে।উদ্দীপকে 'মোড়লের অটোরিকশা কিনে দেওয়ার পরামর্শ' এবং 'লালসালু' উপন্যাসের 'মজিদের মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব'-এর সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- "ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?" উক্তিটি কার?
- কলমা জানো মিঞা- উক্তিটি মজিদ কাকে উদ্দেশ্য করে করেছে?
- সমমনা যুবকদের নিয়ে নিজ গ্রামের মানুষকে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা পরিবেশ, ধর্মান্ধতার কুফল ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন করার কাজ করে চলেছে শিক্ষিত যুবক বাজিত। বাজিতের কাজ- কর্মে খুশি নয় গ্রাম্য মাতব্বর চেরাগআলি। গ্রামের মানুষ সচেতন হলে তার প্রভাব ক্ষুণ্ণ হবে- এই তার ভয়। ওরা গান-বাজনা করে, মেয়ে লোকের সাথে আড্ডা দেয় ইত্যাদি অভিযোগ তুলে গোঁড়া সমর্থকদের সাথে নিয়ে সে বাজিতের ক্লাবে আগুন ধরিয়ে দেয়।"উদ্দীপকের বাজিত 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের সাথে কীভাবে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?'- ব্যাখ্যা করো।
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়, সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া কৃষ্ণ'- উদ্ধৃতিটি ব্যাখ্যা করো।
- এমবিবিএস পাশ করে রাগিব গ্রামে ফিরে আসে-সেখানে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতেই গ্রাম্য কবিরাজ ফাহাদ খেপে ওঠে এবং ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে থাকে। গ্রামের মাতব্বর নওয়াজকে অর্থ দিয়ে হাত করে নেয় সে; রাগিবের প্রথম প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়। কিন্তু থেমে যায়নি রাগিব। শহরে গিয়ে ওপর মহলে তদবির করে সে সরকারি অনুমোদন ও অনুদান সংগ্রহ করে এবং গ্রামে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেই ছাড়ে।'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস ও উদ্দীপকের রাগিবের মধ্যে বৈসাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো
- 'সময়-অসময়ে মিথ্যে কথা না বললে নয়।'- উক্তিটির প্রাসঙ্গিক তা তুলে ধরো।
- 'তুমি কি হরফ কইরা বলতে পারো তোমার দিলেময়লা নাই?' এ প্রশ্ন কে করেছে?
- ‘কাশবনের কন্যা’ কোন জাতীয় রচনা?
- 'তাগো কথা হুনলে পুরুষ মানুষ। আর পুরুষ থাকে না, মেয়ে মানুষের অধম হয়।' কেন? বুঝিয়ে দাও।
- 'হুড়কা' শব্দের অর্থ কী?
- আওয়ালুপুরের পিরসাহেবের প্রধান মুরিদের নাম কী?
- 'লালসালু' কোন ধরনের উপন্যাস?
- বতোর দিন কীসের সাথে সম্পর্কিত?
- ঢেড়া বুড়া কার কথায় বিভ্রান্ত হয়?
- গফুর মিয়ার সংসার টিকিয়ে রেখেছে তার স্ত্রী মরিয়ম। বিশাল সংসারের সকল দায়িত্ব মরিয়মের গরুবাছুরের তত্ত্বতালাশ, ধান মাড়াই থেকে সিদ্ধ করা, মেহমান মুসাফির সবকিছুই একহাতে সামলান তিনি। অবশ্য এতে তার ক্লান্তি নেই। শুধু মাঝে মাঝে নিজেকে বড় একলা মনে হয়। গফুর মরিফমের মনের অবস্থা বোঝে। কারণ সে জানে, তাদের কোনো সন্তান নেই।"মরিয়ম 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমার মতই গফুরের ঘরের খুঁটি"- ব্যাখ্যা করো।
- মমতাজ প্রভুত্ব করার চেয়ে নির্ভর করিতেই ভালোবাসে বেশি, আদর পাওয়াটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্য। কুলসুমের গৃহিণীপনার ভিত্তিও ওইখানেই। মমতাজকে সে নয়নের মণি করিয়া রাখিয়াছে। কে বলিবে মমতাজ তাহার সতীন? স্নেহ-যত্নে মমতাজের দিনগুলিকে সে ভরাট করিয়া রাখে।- সতীনের সংসারেও তাই এখানে কলহ-বিবাদ, মান-অভিমান, মন-কষাকষি নাই।"উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের বর্ণিত ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে।"- বুঝিয়ে লেখো।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'র নাটক কোনটি?
- মতিয়ার হঠাৎ ধার্মিক হয়ে উঠেছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সে মসজিদে জামাতের সঙ্গে পড়ে। পোশাকের পরিবর্তন হয়েছে। সে এখন পাজামা পাঞ্জাবী পরে। মুখ ভর্তি দাড়ি রেখেছে। মসজিদের ইমাম সাহেবের ফতোয়া মোতাবেক একদিন হঠাৎ বাড়ী ফিরে তার দামি টেলিভিশনটি ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে ফেলে। স্ত্রী সন্তানরা বাধা দিতে এলে সে ক্ষোভের সংগে উত্তর দেয়, "এগুলো শরিয়ত বিরোধী কাজ। দুনিয়ার জীবন কোনো জীবনই নয়। পরকালের জন্য নিজেকে তৈরি কর।"উদ্দীপকের মতিয়ারের সঙ্গে গ্রামের মানুষের সাদৃশ্য দেখাও।
- নাগর ফকিরের মৃত্যুর পর অনুসারীর সংখ্যা রাতারাতি বাড়তে লাগল। তার মৃত্যুর খবরে আশেপাশের অনেকেই হাজির না হলেও তার গায়েবি মাজার ওঠার খবরে বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ এসে ভিড় জমাতে লাগল। সবার নজরানায় নাগর ফকিরের ছেলে সাগরের সুনাম ও সম্পদ বৃদ্ধি পেতে থাকল। গায়েবি মাজার ওঠার প্রচারণা অনেকেই বিশ্বাস করল না। তবে তারা, এ বেদাতি কাজে বাধাও দিল না। এতে মাজার-বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে সাগরের প্রভাব ও পয়সা দুটোই বাড়তে লাগল। 'উদ্দীপকের গায়েবি মাজারের অনুসারীরা যেন মহব্বতনগর গ্রামেরই বাসিন্দা।'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে ব্যাখ্যা করো।