'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই, তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা-চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়সের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।
উদ্দীপকের টুনির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- উম্মত মিয়া অনেক বছর আগেই তাঁর জন্মস্থান ছেড়ে, জীবিকার সন্ধানে যশোর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে উম্মত মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। মানুষ তার মানবিকতা ও ব্যক্তিত্বের জন্য সম্মান করে।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপান্যাসের প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- লালসালু উপন্যাসে মজিদ চরিত্র সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক নয় -
- আরিফার বাবা মারা যাওয়ার পরে মায়ের স্নেহে চরম দারিদ্র্য সে লালিত-পালিত হয়। মা নিতান্তই বাধ্য হয়ে মধ্য বয়সি একজন লোকের সাথে আরিফার বিয়ে দেয়। স্বামীর বাড়িতে আরিফা গিয়ে দেখে তার স্বামী মহশিনের আরেকজন স্ত্রী ও দুই সন্তান আছে। আরিফাকে কেন্দ্র করে সংসারে নতুন অশান্তি তৈরি হয়। বড়ো বউ কথায় কথায় আরিফার গায়ে হাত তোলে এবং সংসারের যাবতীয় কাজ তাকে দ্বারা করিয়ে নেয়। উপরন্তু বড়ো বউ আরিফার বিষয়ে স্বামীর কান ভারী করে। ফলে তার উপরে নেমে আসে অমানসিক নির্যাতন। আবার আরিফার স্বামী মহশিন চোরা কারবারির সাথে যুক্ত আছে, যে বিষয়টি আরিফা পুলিশকে জানিয়ে দেয়।উদ্দীপকে বর্ণিত বড়ো বউ এর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত রহিমা চরিত্রের তুলনা করো।
- গফুর মিয়ার সংসার টিকিয়ে রেখেছে তার স্ত্রী মরিয়ম। বিশাল সংসারের সকল দায়িত্ব মরিয়মের গরুবাছুরের তত্ত্বতালাশ, ধান মাড়াই থেকে সিদ্ধ করা, মেহমান মুসাফির সবকিছুই একহাতে সামলান তিনি। অবশ্য এতে তার ক্লান্তি নেই। শুধু মাঝে মাঝে নিজেকে বড় একলা মনে হয়। গফুর মরিফমের মনের অবস্থা বোঝে। কারণ সে জানে, তাদের কোনো সন্তান নেই।'মরিয়মের সন্তান কামনা অতৃপ্ত কিন্তু রহিমার মাতৃহৃদয় কিছু পরিতৃপ্ত'- কীভাবে? বিশ্লেষণ করো।
- 'লক্ষ্মীপুর গ্রামে নাকি এক সন্ন্যাসীর আগমন ঘটেছে। এইসন্ন্যাসী নাকি চোখের পলকে অন্য গ্রামে যেতে পারে,বাতাসের গতি থামাতে পারে।'উদ্দীপকের সন্ন্যাসী 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রকে মনে করে দেয়?
- মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ একটি-
- ‘বিষাদ সিন্ধু’ একটি–
- 'অমন কথা কইওনা বিটি, ঘরে বালা আইসে।'- উক্তিটি কার?
- ছেলেমেয়েরা কখন আমসিপারা পড়ে?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- করিমন বাতের ব্যথায় জর্জরিত । ছোটো ছেলে কাদেরকেপাশের গ্রামের পিরের কাছে পাঠায় পানিপড়া আনতে ।লোক-বিশ্বাস কার্মেল পিরের পানি পড়ায় সর্বরোগেরঅবসান ঘটে.উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন দিকটি ফুটেউঠেছে?কুসংস্কার অন্ধবিশ্বাস পিরভক্তি নিচের কোনটি সঠিক?
- 'কলম জানো মিঞা' – মজিদ কাকে এ প্রশ্ন করে?
- ‘তানি বুঝি দুলার বাপ।’- 'লালসালু' উপন্যাসে জমিলার এই উক্তি কার প্রসঙ্গে।
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।
- "মনে হয় এটা খোদা তা'লার বিশেষ দেশ।"- কেন? ব্যাখ্যা করো।
- নয়ন গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য একতাবদ্ধ করে। কিন্তু মৌলবি সাহেব এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তা ধূলিসাৎ করে দেয়। মৌলবির কর্মকাণ্ড 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের যে দিকটা ইঙ্গিত করে-ধর্মীয় গোঁড়ামিআধিপত্য রক্ষার চেষ্টাপশ্চাৎপদতানিচের কোনটি সঠিক?
- "এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়, সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া বৃক্ষ"- কেন?
- খোদার এলেমে বুক ভরে না কেন?
- 'পাথর এবার হঠাৎ নড়ে।'- এখানে 'পাথর' কে?
- বাংলাদেশের একটি ছোট্ট জনপদ বসন্তপুর। সভ্য জীবনের কোনো ছোঁয়া এখানে নেই। অসুখে-বিসুখে আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া তাবিজ, ঝাড়ফুঁক, পানিপড়াই তাদের একমাত্র ভরসা। এ গ্রামের মেয়ে হনুফা নিরক্ষর হলেও তার কথাবার্তা ও চিন্তাচেতনায় বুদ্ধিমত্তার ছাপ স্পষ্ট। আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া কেরামতিতে সে আদৌ বিশ্বাস করে না। গ্রামবাসীদের সে আবুল মিয়ার ভণ্ডামি সম্পর্কে সচেতন করে এবং যেকোনো অসুস্থতায় আবুল মিয়ার কাছে না গিয়ে শত কষ্ট হলেও ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।উদ্দীপকের বসন্তপুর গ্রামের মানুষের চেতনার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের চেতনার সাদৃশ্য দেখাও।
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- মজিদকে দেখে প্রথম জমিলার কী মনে হয়েছিল?
- আক্কেলপুর গ্রামের শিক্ষিত ছেলে জুবায়ের সবেমাত্র মাস্টার্স পাশ করে গ্রামে ফিরেছে। আক্কেলপুর গ্রামে কোনো স্কুল নাই। তাই সে গ্রামের শিশুদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার জন্য একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য ক্যাম্পেইন চালায়। এই প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে গ্রাম্য মাতব্বর মতলব মিয়া স্কুলের পরিবর্তে একটা মক্তব প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গ্রামবাসীকে জানায়। জুবায়ের এর তীব্র প্রতিবাদ করলে ধর্মদ্রোহী তকমা দিয়ে তাকে এলাকাছাড়া করে দেয়।উদ্দীপকের জুবায়েরের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের যে সাদৃশ্য রয়েছে তা বুঝিয়ে লেখো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে খালেক ব্যাপারীর প্রথম পক্ষেরস্ত্রীর নাম কী?
- ঝালরওয়ালা সালু দ্বারা আবৃত কবরটি দেখতে কীসের মতো?
- মাছ ধরার ডিঙিতে কতজন মৎস্য শিকারি ছিল?
- কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?
- বাড়িতে দুই বউ থাকার পরও বজলু চৌকিদার গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্কা বউকে বজলু কারো সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে বউকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে ছোট বউকে শীতের রাতে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম বউ খুব কষ্ট পায়। সারা রাত সে ঘুমায় না, আবার কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নেবে এমন সাহসও পায় না।উদ্দীপকের বজলু চৌকিদারের মানসিকতা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? তোমার মতামত আলোচনা করো।
- 'মরা মানুষ জিন্দা হয় না কেমনে'- উক্তিটি কার?
- 'কোটরাগত নিমীলিত সে চোখে একটুও কম্পন নেই'- 'লালসালু' উপন্যাসের উক্ত বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে-
- মজিদ কার চোখে ভয় দেখেছে?
- "লালসালু" উপন্যাসে ‘দেশটা কেমন মরার দেশ।’ কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- প্রবাসী বিত্তবান তরুণ সজল গ্রামের মানুষের যাতায়াত ও পণ্যপরিবহনের সুবিধার্থে নদীতে ব্রিজ নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষেরসাথে যোগাযোগ শুরু করলে নদীর ঘাটের ইজারাদার ???জলকেনানাভাবে হেনস্থা করে।উদ্দীপকে প্রকাশিত হয়েছে 'লালসালু' উপন্যাসের-
- গ্রামের মাতব্বর হলেও কবির আলী এলাকায় হঠাৎ আর্বিভূত হওয়া পীর জামিলের দাপটের কাছে অসহায় বোধ করেন। নিজের মতের বিরুদ্ধে গেলেও তিনি অনেক কিছু মেনে নিতে বাধ্য হন। এমনকি জামিলের কথায় তিনি স্ত্রীকে তালাক দিতে বাধ্য হন।'উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের সমগ্র ভাব ধারণ করেনি।'- তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- অন্ন চাই, প্রাণ চাই, আলো চাই, চাই মুক্ত বায়ুচাই বল, চাই স্বাস্থ্য, আনন্দ-উজ্জ্বল পরমায়ু’সাহস বিস্তৃত বক্ষপট। এ দৈন্য-মাঝারে কবি,একবার নিয়ে এসো স্বর্গ হতে বিশ্বাসের ছবি। উদ্দীপকের আলোকে ‘লালসালু' উপন্যাসের প্রাণময়ও সাহসী চরিত্র কোনটি?
- রাহী গ্রামের এক দুরন্ত মেয়ে। তার আনন্দের কাজ বন্ধুদের সাথে ছোটাছুটি করা, সাঁতার কাটা। অভাবের তাড়নায় তার বাবা একদিন পাশের গ্রামের এক বুড়ো লোকের সাথে তার বিয়ে দিয়ে দিলেন। লোকটি গ্রামের মাতব্বর। সকলে তাকে 'মুন্সি' বলে ডাকে। মুন্সির কথা গ্রামের সবাই মেনে চলে। কিন্তু চঞ্চল ও স্বাধীনচেতা রাহী তার কথা মানে না।রাহী 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?- আলোচনা করো।
- 'সে-মুখ ফ্যাকাশে, রক্তশূন্য'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
- ওনারে কন, খোদায় জানি আমার মওত দেয়।'- কে কার উদ্দেশ্যে উক্তিটি করে?
- বাড়িতে দুই বউ থাকার পরও বজলু চৌকিদার গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্কা বউকে বজলু কারো সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে বউকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে ছোট বউকে শীতের রাতে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম বউ খুব কষ্ট পায়। সারা রাত সে ঘুমায় না, আবার কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নেবে এমন সাহসও পায় না।উদ্দীপকের আলোকে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্র বিশ্লেষণ করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসটি কোন গ্ৰামের পটভূমিতে লেখা ?