আব্দুল জব্বার মৃধা নিঃসন্তান বলে তার মনে অনেক কষ্ট। সামাজিক পারিবারিকভাবে অনেক হেয় হতে হয় তাকে। একদিন সে তার স্ত্রী মেরিনাকে তার এমন অবস্থার কথা খুলে বললে নিজেই উদ্যোগী হয়ে স্বামীর বিয়ে দেয় মেরিনা, গরিব ঘরের অল্প বয়সি মেয়ে সুচরিতার সাথে বিয়ে দিয়ে ঘরে নিয়ে আসে। কিন্তু সুচরিতা বাবার বয়সি জব্বার মৃধাকে স্বামী বলে মেনেই নিতে চায় না। তাই তার মুখে থুথু দেয় ও ভেংচি কাটে ট। জব্বার মৃধা এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সুচরিতাকে অনেক কষ্টদায়ক শাস্তি দেয়। সন্তানতুল্য মেয়েটিকে কষ্ট পেতে দেখে মেরিনাও ভীষণ কষ্ট পায়। মনের অজান্তেই চোখ মোছে শাড়ির আঁচলে।
"উদ্দীপকের জব্বার মৃধা 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের আংশিক ধারণ করেছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ভণ্ড-প্রতারক হলেও মজিদ- আত্মপ্রতিষ্ঠায় আত্মপ্রত্যয়ীশিকড়সন্ধানী অস্তিত্ববাদী জীবন-সিদ্ধান্তে সাহসী নিচের কোনটি সঠিক?
- কে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত?
- ধূর্ত কবিরাজ রাজীব সাধারণ মানুষের অশিক্ষা ও ধর্মান্ধতাকে কাজে লাগিয়ে সেখানে শুরু করে পানিপড়া দেওয়া এবং কবিরাজি চিকিৎসা। সে লোকজনকে ঠকিয়ে প্রচুর অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী সহজ-সরল শিলা স্বামীর প্রতি বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় অন্ধ।উদ্দীপকের শিলা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- রমজান ও হালিমার দশ বছরের সংসার। বিয়ের পর থেকে অনেক চেষ্টার পরও তাদের কোনো সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরে এক গ্রামের কেরামত নামক কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল রমজান দ্রুত হালিমাকে সেখানে নিয়ে যায়। কবিরাজ হেকমত অনেকক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে বলেন "পেটে বেড়ি পড়ে বইলাইতো স্ত্রীলোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ কারো চৌদ্দ।উদ্দীপকের রমজান ও 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর মধ্যে বিদ্যমান সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- বাংলাদেশের একটি ছোট্ট জনপদ বসন্তপুর। সভ্য জীবনের কোনো ছোঁয়া এখানে নেই। অসুখে-বিসুখে আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া তাবিজ, ঝাড়ফুঁক, পানিপড়াই তাদের একমাত্র ভরসা। এ গ্রামের মেয়ে হনুফা নিরক্ষর হলেও তার কথাবার্তা ও চিন্তাচেতনায় বুদ্ধিমত্তার ছাপ স্পষ্ট। আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া কেরামতিতে সে আদৌ বিশ্বাস করে না। গ্রামবাসীদের সে আবুল মিয়ার ভণ্ডামি সম্পর্কে সচেতন করে এবং যেকোনো অসুস্থতায় আবুল মিয়ার কাছে না গিয়ে শত কষ্ট হলেও ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।উদ্দীপকের বসন্তপুর গ্রামের মানুষের চেতনার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের চেতনার সাদৃশ্য দেখাও।
- তোমার দাড়ি কই মিঞা?__কাকে বলা হয়েছে?
- "রহিমার অলক্ষ্যে ছাপিয়ে ওঠো অশ্রুর সঙ্গে কতক্ষণ লড়াই করে জমিলা তারপর কেঁদে ফেলে"- তার এই কান্নার কারন কী?
- মানুষ বেঁচে থাকার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। জীবনের শেষ ক্ষুদ্র অবলম্বনকেও বিসর্জন দিয়ে বাঁচতে চায়। কোনো প্রাণীই এর ব্যতিক্রম নয়। যেমন বাঘের ক্ষুধা সহ্যের মাত্রা অতিক্রম করলে আপন ছানাদের খেয়েও জীবন বাঁচায়।উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের বিশেষ কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'বাহে মুলুক' কোথায় অবস্থিত?
- মজিদ ক্রোধে কেমন করে?
- ‘উত্তম পুরুষ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- খোদার এলেমে বুক ভরে না কেন?
- বিদ্রোহী বালিকা বধূ ‘জমিলা’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- কারুবাসনা উপন্যাসের লেখক কে?
- রসুলপুর গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের দুরন্ত মেয়ে নাসরিন। বন্ধুদের সঙ্গে ছুটোছুটি করা, অবাধ সাঁতার কাটা তার আনন্দের কাজ। নাসরিনের বিয়ে হয় পাশের গ্রামের, মাতব্বরের সাথে। গ্রামের সকলেই তাঁকে মানলেও নাসরিন তাঁকে মানে না।"উদ্দীপকের মাতব্বর 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সামগ্রিক দিক ধারণ করেনি।- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- জব্বার তালুকদার ভদ্রদিয়া গ্রামের একজন বিত্তবান লোক। প্রতিপত্তির মালিক হওয়ার জন্য গ্রামের সকলেই তাকে বেশ সম্মান করে। অপরদিকে জব্বার তালুকদার সম্মানের চোখে দেখে তারই গ্রামে বসবাসরত আফসার আলীকে। তার ওপর জব্বার তালুকদারের অগাধ বিশ্বাস। তাই আফসার আলী মৌখিকভাবে যে নির্দেশনাই দেন জব্বার তালুকদার তা বাস্তবায়নে কুণ্ঠাবোধ করে না। একদিন আফসার আলী জব্বার তালুকদারকে বললেন, 'জব্বার, তোমার স্ত্রী সংসারে অশুভ শক্তির ছায়ারূপে বিরাজ করছে। তাকে তুমি অবিলম্বে তালাক দাও।' এমন নির্দেশনা পেয়ে কালবিলম্ব না করে স্ত্রীকে তালাক দেয় জব্বার তালুকদার।'উদ্দীপকের জব্বার তালুকদারের স্ত্রীর জীবন এবং লালসালু উপন্যাসের আমেনা বিবির জীবনের পরিণতি একই'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- বন্ধয়া গ্রামের মানুষগুলো গোলাভরা ধান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক থেকে বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর-বা বদরপীরের সাহায্যও নিয়ে থাকে। এ গ্রামের অনেকের ঘরেই দুঃখ থাকা সত্ত্বেও তারা সেটা বাইরে প্রকাশ করে না। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ অত্যন্ত পরিশ্রমী ও কর্মঠ। তাদের কণ্ঠভরা গান আছে, কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞানহীন অজ্ঞ।' উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- ”পদ্মা নদীর মাঝি” কি ধরনের রচনা?
- আওয়ালপুর ও মহব্বতনগরের মাঝ পথে একটা মস্ত কী গাছ আছে?
- লালসালু উপন্যাসে কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?