“রহিমাও কেঁপে ওঠে, কী একটা মহাভয় তার রক্ত শীতল
করে দেয়।"— 'লালসালু' উপন্যাসের উদ্ধৃতিতে রহিমার
ভয়ের কারণ-
A.
মজিদের নিষ্ঠুর আচরণ
B.
প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস
C.
জমিলার বেপরোয়া আচরণ
D.
মাজারের ঐশী শক্তির কল্পনা
সঠিক উত্তরঃ
D.
মাজারের ঐশী শক্তির কল্পনা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'বতোর দিন ঘুরে আসে, আবার পেরিয়ে যায়।' কোন রচনার অন্তর্গত?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- 'দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা' কথাটি কখন ও কোন প্রসঙ্গে করা হয়েছে।
- জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদ হরনাথ বসু মানুষের অতীত, বর্তমান ওভবিষ্যৎ দ্রষ্টা বলেই সোনাপুর গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করে।বিপদে-আপদে রোগে-শোকে সোনাপুর গ্রামবাসী অনেকটাকা খরচ করে ভাগ্য গণনা করিয়ে হরনাথ বসুর নিকটহতে রত্ন পাথর গ্রহণ করে। গ্রামের রাজীব কিন্তুহরনাথের এই অলৌকিকতায় বিশ্বাস করে না।উদ্দীপকের সোনাপুর এবং 'লালসালু' উপন্যাসেরমহব্বতনগর গ্রামবাসীর প্রতারিত হওয়ার কারণ—অন্ধ ধর্মবিশ্বাসঅজ্ঞতা ও কুসংস্কারঅন্ধ ভাগ্যবিশ্বাসনিচের কোনটি সঠিক?
- মজিদ কীভাবে তার প্রভাবকে প্রতিষ্ঠিত করে?
- ধর্মের অপব্যাখ্যা আর সামাজিক কুসংস্কারের কাছেঅসহায় আত্মসমর্পণ করে আলেয়া, অথচ তারই বড় বোনরাহেলা সবকিছুকেই যুক্তি দিয়ে বিচার করতে চায়, যদিওপরিণামে তাকে কঠিন ফলই ভোগ করতে হয়। উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস নিচের কোনমন্তব্যকে যৌথভাবে ধারণ করে?
- ‘বিষাদ সিন্ধু’ একটি–
- 'লালসালু' উপন্যাসে হাঁপানি রোগী কে?
- সিকান্দার আবুজাফর কোন সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদকছিলেন?
- কানিজের বাবা-মার মধ্যে সারাদিন দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে।তাদের এই দ্বন্দ্বে অতিষ্ঠ হয়ে সে স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছেবিচার দেয়। চেয়ারম্যানের লোলুপদৃষ্টি পরিবারটিকে ধ্বংসকরে দেয়।উদ্দীপকের পরিবারটির ধ্বংসের দিক থেকে'লালসালু' উপন্যাসের তাহেরের বাপ-মার সংসারধ্বংসের দিকটি যে তাৎপর্য বহন করে—ক্ষমতার প্রভাবঅর্থনৈতিক প্রভাবধর্মীয় গোঁড়ামিনিচের কোনটি সঠিক?
- বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদের পলাশনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক সুজন গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষকে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে একটি নৈশবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।উদ্দীপকের সুজন 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্র ও ঘটনাকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।
- আটোয়ারী থানার 'বার আউলিয়া' নামক স্থানে বারোটি মাজার আছে। সেখানে বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ব্যবসা বাণিজ্য। নানারকম ব্যবসার মাঝে কিছু অসাধু ব্যক্তি ধর্মকে আশ্রয় করে মানুষ ঠকানোর কাজ করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে নেয়।"ধর্ম কখনো কখনো একশ্রেণির ব্যক্তির ব্যবসার উপজীব্য হয়ে উঠেছে।" উদ্দীপকের কাহিনি ও পরিণতির চেয়ে উপন্যাসের কাহিনি ও পরিণতি অধিকতর বৈচিত্র্যময়- বিষয়টি তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- ‘লালসালু’ উপন্যাসটি কে রচনা করেছেন?
- 'গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্কারণ।'- উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- ঢেড়া বুড়া কার কথায় বিভ্রান্ত হয়?
- কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর মতে কবিতা হলো— সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান মায়ের কোলে শুয়ে গল্প শোনাকর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানানিচের কোনটি সঠিক?
- খোরশেদ আলী একজন পল্লি চিকিৎসক। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গ্রামের লোকজন তার কাছে আসে। তিনিও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের চিকিৎসা করেন। কিন্তু জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো রোগী এলে তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। কারণ তার কাছে মানুষের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড়ো নয়।উদ্দীপকে খোরশেদ আলীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রটির বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- লালসালু উপন্যাসে প্রদীপের আলোর সাথে তুলনা করা হয়েছে -
- প্রবাসী বিত্তবান তরুণ সজল গ্রামের মানুষের যাতায়াত ও পণ্যপরিবহনের সুবিধার্থে নদীতে ব্রিজ নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষেরসাথে যোগাযোগ শুরু করলে নদীর ঘাটের ইজারাদার ???জলকেনানাভাবে হেনস্থা করে।উদ্দীপকে প্রকাশিত হয়েছে 'লালসালু' উপন্যাসের-
- দরিদ্র বালক সবুজের তিন কুলে কেউ নেই। পেটের দায়ে লঞ্চঘাটে গিয়ে পাঁচ টাকার বিনিময়ে একজনের ব্যাগ মাথায় নিতেই পুরোনো কুলিরা তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। সবুজ দমে না গিয়ে সেখানে শেকড় গাড়ার চেষ্টা করে। একসময় সে কুলিদের সর্দার হয়। তাতেও সে নিশ্চিন্ত হতে পারে না। বিশাল এ দুনিয়ায় সে অর্থবিত্ত অর্জনের পাশাপাশি প্রভাব, প্রতিপত্তি ও আধিপত্যের নেশায় মেতে ওঠে। পরবর্তীতে তার সব হয়। এখন আর কেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে পারে না।উদ্দীপকের সবুজ 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?- আলোচনা কর।
- আওয়ালপুরের পীরকে মজিদ কী হিসেবে আখ্যা দিয়েছে?
- লালসালু উপন্যাসে শস্যহীন জনবহুল অঞ্চলের মানুষের খােদার এলেমে বুক ভরে না- কারণ-
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়, সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া বৃক্ষ'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- "মজিদের শক্তি ওপর থেকে আসে, আসে ঐ সালু কাপড়ে আবৃত মাজার থেকে"- ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে কাকে 'একরতি মাইয়া' বলা হয়েছে?
- ‘লালসালু’ উপন্যাসে রহিমার পেটে কত প্যাচ বেড়ি রয়েছে?
- “শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের চেয়ে আগাছা বেশি"- এই উক্তিটি করা হয়েছে-
- "হঠাৎ পাগল হয়ে উঠেছে তারা। যে যা পারল ধরল, কেউ পা, কেউ হাত।" ব্যাখ্যা কর।
- ‘সে যেন খাঁচায় ধরা পড়েছে'— 'লালসালু' উপন্যাসেকার ধরা পড়ার কথা বলা হয়েছে?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- ধূর্ত তুহিন সাধারণ মানুষের অশিক্ষা ও ধর্মভীতিকে কাজেলাগিয়ে এলাকাবাসীদের নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাবিজ বিক্রি ওপানিপড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী সহজ-সরলশোভা স্বামীর প্রতি বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় অন্ধ। উদ্দীপকের শোভা 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- রতন বড়ো হয়ে কী হতে চায়?
- 'লালসালু' উপন্যাসে “যেখানে সাপ জাগে সেখানে আবারকোমলতার ফুল ফোটে।”— এখানে 'সাপ' কী অর্থ প্রকাশকরে?
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণে তার অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই তাকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও এ প্রস্তাব সমর্থন করেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।"উদ্দীপকের প্রতিফলিত ইতিবাচক জীবন চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- প্রথম যখন হোসেন মিয়া কেতুপুরে এসেছিল পরনে একটাছেঁড়া লুঙ্গি, মাথায় এক ঝাঁক রুক্ষ চুল — ঘষা দিলে গায়েখড়ি উঠত। এখন সে অনেক সম্পদ ও প্রতিপত্তির মালিক। 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের মতো হোসেন মিয়াও— ভাগ্যান্বেষীসচ্ছলসফলনিচের কোনটি সঠিক?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ফরাসি অনুবাদক কে?
- 'রোগা মানুষ সমস্ত রাত খেতে পারবে না' এখানেকোন খাবারের কথা বলা হয়েছে?
- "শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি"- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- রহিম উদ্দীন মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অনেক টাকা উপার্জন করেন। এলাকায় তাঁর দানে রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু তাঁর মনে সুখ নেই। তিনি নিঃসন্তান।অনেকেই তাঁকে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেননি।উদ্দীপকের রহিম উদ্দীনের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারী চরিত্রের কতটুকু মিল ও অমিল আছে বলে তুমি মনে করো? আলোচনা করো।
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা । সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য তুলে ধরো।