ঢেড়া বুড়া কার কথায় বিভ্রান্ত হয়?
A.
মজিদ
B.
খালেক ব্যাপারী
C.
বুড়ি
D.
হাসুনির মা
সঠিক উত্তরঃ
A.
মজিদ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'তুমি কি হরফ কইরা বলতে পারো তোমার দিলেময়লা নাই?' এ প্রশ্ন কে করেছে?
- 'গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ।'- বুঝিয়ে লেখো।
- মজিদকে প্রথম দেখে জমিলা কী ভেবেছিলেন?
- 'যেন বিশাল সূর্যোদয় হয়েছে, আর সে আলোয় প্রদীপের আলো নিশ্চিত হয়ে গেছে।'- 'ব্যাখ্যা করো।
- 'কিন্তু মানুষের ফোড়া হইলে সে ফোড়া ধারালো ছুরি দিয়া কাটিয়ে হয়।' কে, কোন প্রসঙ্গে বলেছে?
- নয়নপুর গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য জামালসকলকে একত্রিত করে। কিন্তু গ্রামের মোড়ল আবেদআলী তার শোষণ অব্যাহত রাখার স্বার্থে তাকে বাধাদেয়। এভাবে গ্রামে গণশিক্ষার উদ্যোগ বন্ধ হয়ে যায় ।উদ্দীপকের মোড়ল ও 'লালসালু' উপন্যাসেরমজিদ চরিত্রে প্রতিফলিত হয়েছে—
- গ্রাম আক্কাসের স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন কীভাবে ভেঙে যায়?
- মাছ ধরার ডিঙিতে কতজন মৎস্য শিকারি ছিল?
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়।' 'লালসালু'উপন্যাসের এ বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে মজিদের—
- মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুর পর বড়ো ছেলে হুমায়ুন অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরাহণের পরপরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সঙ্গে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনককার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুন তার অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে অসহযোগিতা পাওয়া সত্ত্বেও শক্ত হতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।'আংশিক সাদৃশ্য থাকলেও হুমায়ুন ও সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি এক নয়।'- বিশ্লেষণ করো।
- "ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।"-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
- ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগডাশেবুঝছোনি ভাই বুঝছোনি, আসল কথা বুঝছোনি?এক গেরামের গরিব চাষি কালামিয়া নামসবার পেটে ভাত জুটাইতে ক্ষেত্রে ঝরায় ঘামও তার ছাওয়াল কান্দে ক্ষুধার জ্বালায়মহাজনরা হাসে।ডিম পাড়ে হাঁসে, খায় বাগডাশে।'জমিদার, মুৎসুদ্দি শ্রেণির বিলোপ হলেও আধুনিক পির প্রথা সেই স্থান দখল করে নিয়েছে।' বক্তব্যটি উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাস অবলম্বনে বিচার করো।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ সর্বশেষ কর্মস্থল কোথায় ছিল?
- রমজান ও হালিমার দশ বছরের সংসার। বিয়ের পর থেকে অনেক চেষ্টার পরও তাদের কোনো সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরে এক গ্রামের কেরামত নামক কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল রমজান দ্রুত হালিমাকে সেখানে নিয়ে যায়। কবিরাজ হেকমত অনেকক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে বলেন "পেটে বেড়ি পড়ে বইলাইতো স্ত্রীলোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ কারো চৌদ্দ।উদ্দীপকের রমজান ও 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর মধ্যে বিদ্যমান সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- রফিক মিয়া অনেক বছর আগেই তার জন্মভূমি ছেড়ে জীবিকার সন্ধানে এই জয়নগর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায় সম্বলহীন অবস্থা থেকে রফিক মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। আজ যেমন তার সুহায়-সম্পত্তি হয়েছে, তেমনি সমাজের সকল মানুষ তাকে সম্মানও করে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য কোথায় ? আলোচনা করো।
- লালসালু উপন্যাসে মজিদ কীভাবে তার প্রভাবপ্রতিষ্ঠিত করে?
- 'গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্কারণ।'- উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?