জমিলা মজিদের মুখে থুথু দিয়েছিল কেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- রিকশাচালক সাহেব আলির মেয়ে সালেহা। প্রাইমারির পর পড়া হয়নি তার। বয়স হয়তো ১২ কি ১৩। বড়োই চঞ্চলা। তিন বোনের মধ্যে সে-ই বড়ো। এক আত্মীয়ের মাধ্যমে একদিন বিয়ের প্রস্তাব আসে সালেহার। ছেলে থাকে বিদেশে, দালানবাড়ি, অনেক টাকার মালিক। তবে শর্ত একটা, "আপাতত মোবাইল ফোনে বিয়ে; ছেলে দেশে ফিরলে বউকে তুলে নেবে। যত দিন না ফিরবে তত দিন বউয়ের খরচপত্র বাবদ টাকা পাঠিয়ে দেবে।" এমন প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ার উপায় ছিল না দরিদ্র সাহেব আলির। নিয়ম মেনে বিয়ে। তারপর কয়েক বছর পর দেশে ফিরল ছেলে। ছেলের বয়স এখন পঞ্চাশ।"উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসেরই ক্ষুদ্র সংস্করণ।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- রহিমা আমেনা বিবির জন্য শখ করে কী রান্না করেছিল?
- 'কলমা জানো মিঞা?'- মজিদ প্রশ্নটি কাকে করেছে?
- হঠাৎ করে সুন্দরপুর গ্রামে এক দরবেশ এসে উপস্থিত হয়। আজানুলম্বিত পোশাক আর হাতে একটি লাঠি নিয়ে গ্রামে সে প্রবেশ করে। গ্রামের নিরক্ষর, সাধারণ মানুষ তাকে দেখে যেন অনেক অপ্রাপ্তি আর বেদনা থেকে আশাবাদী চেতনা ফিরে পায়। নবাগতের ভিতর থেকে যেন মুক্তির আলো ছড়িয়ে পড়তে লাগল। মানুষের ভালোর জন্য তিনি সব করতে পারেন। সময়ের ব্যবধানে দরবেশ সকলের হৃদয়ের মণি হয়ে উঠলেন।উদ্দীপকে দরবেশের সাথে উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- ফতেহপুর গ্রামের আলাল কবিরাজ। দশ গ্রামে তার খ্যাতি। সাপে কাটা, পেটে ব্যথ্যা, পা ভাঙ্গা, সন্তান লাভসহ সকল সমস্যার সমাধান কবিরাজ মশাইয়ের ফুঁ দেয়া এক গ্লাস পানিতে। গ্রামের সরল বিশ্বাসী মানুষজন তার টার্গেট গ্রুপ। দশ বছরের ব্যবধানে ঝুপড়ি ঘর থেকে বিল্ডিং করেছেন। আর কি কি করা যায় ভেবে মাঝে মাঝেই তার চোখ চকচকে হয়ে ওঠে।উদ্দীপকে বর্ণিত ফতেহপুর গ্রাম যেন 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামেরই প্রতিনিধি- ব্যাখ্যা কর।
- উম্মত মিয়া অনেক বছর ???গেই তাঁর জন্মস্থান ছেড়ে, জীবিকার সন্ধানে যশোর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে উম্মত মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। মানুষ তার মানবিকতা ও ব্যক্তিত্বের জন্য সম্মান করে।"অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলায় মজিদ ও উম্মত মিয়া দৃঢ় হলেও উভয়ের কৌশল এবং পরিণতি ভিন্ন।"- মন্তব্যটি যুক্তি ও উদাহরণের সাহায্যে বিশ্লেষণ করো।
- ‘সে যেন খাঁচায় ধরা পড়েছে।'- কে খাচায় ধরা পড়েছে?
- 'পাথর এবার হঠাৎ নড়ে।'- এখানে 'পাথর' কে?
- শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- আমেনা বিবি কে?
- 'রহিমা ভাবে, আমেনা বিবির হৃদয়ের সঙ্গে তার 'হৃদয়ের কোথায় যেন সমতা।'- এই সমতার কারণ তারা উভয়ই-
- বাল্যবিবাহবিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলতে গিয়ে শিক্ষিতযুবক রিয়াজ গ্রাম্য মাতব্বরের কাছে লাঞ্ছনার শিকারহলো। কেউ তার সাহায্যে এগিয়ে এলো না।উদ্দীপকের রিয়াজ 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?'- ব্যাখ্যা করো।
- আওয়ালপুরের পীর সাহেবের প্রধান মুরিদ কে?
- আব্দুল্লাহ যখন শাহ্ পাড়ার গোলদার বাড়ি আসিয়া পৌছিল, তখন বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর। সংবাদ পাইয়া গৃহস্বামী গোলদার ব্যস্তসমস্ত হইয়া ছুটিয়ে আসিল এবং তাহার দীর্ঘ শুভ্র শাশুরাজি ভূলুষ্ঠিত করিয়া আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিতে উদ্যত হইল। এ ধরনের অভিনন্দনের জন্য আব্দুল্লাহ একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। পথে হঠাৎ সাপ দেখিলে মানুষ যেমন এক লক্ষে হটিয়া দাঁড়ায়, সেও তেমনি হটিয়া দিয়া বলিয়া উঠল, 'আহা, করেন কি, করেন কি, গোলদার সাহেব।' কাসেম গোলদার বড়োই সরলপ্রাণ, ধর্মপরায়ণ, পীরভক্ত লোক। আব্দুল্লাহর পিতা তাহার পীর ছিলেন; এক্ষণে তাঁহার মৃত্যুতে আব্দুল্লাহ তাঁহার স্থলাভিষিক্ত বলিয়া মনে করিয়া লইয়া সে আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিবার জন্য নত মস্তকে হাত বাড়াইয়াছিল। কিন্তু আব্দুল্লাহ পা টানিয়া লওয়ায় সে উহা স্পর্শ করিতে পাইল না; তাহার মনে হইল বেহেশতের দুয়ারের চাবি তাহার হাতের কাছ দিয়া সরিয়া গেল।উদ্দীপকের আব্দুল্লাহর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের 'বীতংস' গল্পে আসামের চা-বাগানে যেখানে দলে দলে লোক কালাজ্বরে মরে, মজুর খাটতেও লোক সেখানে যেতে চায় না; সেখানে কুলি জোগান সমস্যা নিরসনে সাঁওতাল পরগনার অশিক্ষিত, অসহায়, কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষকে সুন্দরলাল তার উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য শিংবোঙার দৈববাণীকে কাজে লাগায়।"উদ্দীপকের সাঁওতাল পরগনার মানুষগুলো যেন 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামবাসীর প্রতিনিধিত্ব করে।" মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
- ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের যুবক-শিক্ষকের নাম-
- মোড়লদিয়ার মাদক ব্যবসায়ী তাকত আলী গঞ্জের কুখ্যাত মাফিয়া। মাদকাসক্ত করে গঞ্জের যুব সমাজকে সে বশীভূত করে রেখেছে। ইদানীং আরব আলী নামে আরেক ব্যবসায়ী গঞ্জে মাদক ব্যাবসা শুরু করলে ব্যাবসায় মন্দার ভয়ে তাকত আলী ক্ষুব্ধ ও চিন্তিত হয়ে ওঠে। তাই নিজের রাজত্বকে নিষ্কণ্টক করতে এক রাতের আঁধারে তার সাঙ্গোপাঙ্গকে দিয়ে সশস্ত্র হামলা চালায় আরব আলীর ওপর। উৎখাত করে আরব আলীকে।'প্রতিহিংসাপরায়ণতা, মানবচরিত্রের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।'- উক্তিটি 'লালসালু' উপন্যাস ও উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- ত্রিপুরা রাজ মন্দিরের পুরোহিত রঘুপতি মিথ্যা ধর্মবোধ ও অন্ধসংস্কারের ধারক। মন্দিরে বলিদান প্রথার বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদের বাণী ধ্বনিত হয় অপর্ণার মধ্যে। তার ছাগ-শিশু বলির বিচার দাবি 'বিসর্জন' নাটকের বিরোধের বীজ। এ বীজ প্রথম বপিত হয় রাজার হৃদয়ে। আর এ বপিত বীজের কারণে রাজার বিরুদ্ধে বিরোধ, জয়সিংহের আত্মবিসর্জন, রঘুপতির প্রতিমা বিসর্জন এবং পরিণতিতে মাতৃরূপে অপর্ণার নিকট রঘুপতির দর্প চূর্ণ হয়।'প্রচলিত প্রথা ও কুসংস্কার কখনো ব্যক্তি ও সমাজের জন্য সহায়ক নয় বরং অন্তরায়' উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে ব্যাখ্যা করো।