‘লালসালু ’ উপন্যাসের পীর সাহেবের কাছ থেকে পানি পড়া এনেছিল কে ?
A. রহিমা
B. আমেনা
C. জমিলা
D. তানুবিবি
সঠিক উত্তরঃ
B.
আমেনা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়ার জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।উদ্দীপকের কোব্বাদ মেম্বারের সাথে মজিদ চরিত্রের মিল ও অমিল দেখাও।
- 'লালসালু' উপন্যাসে ঝড় এলে হৈ হৈ করারঅভ্যাস কার?
- 'ধান দিয়ে কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?' কথাটি “লালসালু” উপন্যাসে বলেছিলেন-
- বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদ রূপনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক ইমরান গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল।কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।উদ্দীপকের অপশক্তি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন শক্তিকে নির্দেশ করে? সেই শক্তির উৎস সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।
- মতিগঞ্জের সড়কটা দিয়ে দলে-দলে লোক কোনদিকে চলছে?
- আক্কেলপুর গ্রামের শিক্ষিত ছেলে জুবায়ের সবেমাত্র মাস্টার্স পাশ করে গ্রামে ফিরেছে। আক্কেলপুর গ্রামে কোনো স্কুল নাই। তাই সে গ্রামের শিশুদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার জন্য একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য ক্যাম্পেইন চালায়। এই প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে গ্রাম্য মাতব্বর মতলব মিয়া স্কুলের পরিবর্তে একটা মক্তব প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গ্রামবাসীকে জানায়। জুবায়ের এর তীব্র প্রতিবাদ করলে ধর্মদ্রোহী তকমা দিয়ে তাকে এলাকাছাড়া করে দেয়।"উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের খন্ডচিত্র মাত্র।"- বিশ্লেষণ করো।
- ‘জয়গুন’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারী সমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্ন্যা ছাড়া তাদের আর কোন অধিকার ছিল না।"উদ্দীপকের বর্ণিত বিষয়গুলো রহিমার মধ্যে বিদ্যমান"- মন্তব্যটির পক্ষে ও বিপক্ষে মতামত দাও।
- দেশে দেশে পিরদের সফর শুরু হয় কখন ?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'মাসি-পিসি' গল্পে অসহায় নিঃস্ব দুই বিধবা নারীর অস্তিত্ব রক্ষার পাশাপাশি বিরূপ পরিবেশে থেকে আহ্লাদিকে রক্ষার জন্য যে প্রখর বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে তা গল্পটিকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। অত্যাচারী স্বামী, লালসা-উন্মত্ত জোতদার, দারোগা ও বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করে আহ্লাদিকে নিরাপদ। রাখার ক্ষেত্রে দুই বিধবা নারীর দায়িত্বশীল ও মানবিক জীবন-যুদ্ধ সত্যিই প্রশংসনীয়।উদ্দীপকের নারীদের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের নারী চরিত্রের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- পলাশপুর গ্রামের সুশিক্ষিত ছেলে ফয়সাল। শহর থেকে এম এ পাস করে নিজ গ্রামে ফিরে এসেছে। তার বড় ইচ্ছা এলাকার উন্নয়ন করা, বিশেষ করে নিরক্ষর মানুষদের সাক্ষর করে তোলা। সে প্রত্যাশায় ফয়সাল তার গ্রামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে। কিন্তু এ মহৎ কাজে সে সহযোগিতার পরিবর্তে তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। নিজের প্রভাব ক্ষুণ্ণ হবে ভেবে মাতব্বর রজত মিয়া ও তার লোকেরা ফয়সালকে অপমানিত করে গ্রামছা???া করে। মূর্খ গ্রামবাসী আর স্বার্থবাদী মানুষের কাছে সত্যের অপমৃত্যু ঘটে।'মূর্খ গ্রামবাসী আর স্বার্থবাদী মানুষের কাছে সত্যের অপমৃত্যু ঘটে”- উক্তিটি 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে বিচার করো।
- 'অমন কথা কইওনা বিটি, ঘরে বালা আইসে।'- উক্তিটি কার?
- কত বছর বয়সে আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল?
- নাগর ফকিরের মৃত্যুর পর অনুসারীর সংখ্যা রাতারাতি বাড়তে লাগল। তার মৃত্যুর খবরে আশেপাশের অনেকেই হাজির না হলেও তার গায়েবি মাজার ওঠার খবরে বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ এসে ভিড় জমাতে লাগল। সবার নজরানায় নাগর ফকিরের ছেলে সাগরের সুনাম ও সম্পদ বৃদ্ধি পেতে থাকল। গায়েবি মাজার ওঠার প্রচারণা অনেকেই বিশ্বাস করল না। তবে তারা, এ বেদাতি কাজে বাধাও দিল না। এতে মাজার-বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে সাগরের প্রভাব ও পয়সা দুটোই বাড়তে লাগল। উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনাকে মনে করিয়ে দেয়? বর্ণনা করো।
- বটতলী গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুংসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের ছেলে মুনির কলেজে লেখাপড়া করে। গ্রামের অশিক্ষিত মানুষকে শিক্ষিত করতে সে গ্রামে একটি নৈশবিদ্যালয় করতে চায়। এ বিষয়ে গ্রামে সভা বসলে, গ্রামের মাতব্বর এ প্রস্তাবে খুশি হয়ে মুনিরকে সহযোগিতা করতে আশ্বাস দেন।উদ্দীপকের মাতব্বর 'লালসালু' উপন্যাসের মাতব্বর চরিত্রের বিপরীত ভূমিকা পালন করেছে- তোমার যুক্তিসহ উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- গ্রামের মানুষ মজিদকে ভয় পায় কেন?
- 'সজোরে নড়তে থাকা পাখাটার পানে তাকিয়ে সে মূর্তিবৎ বসে থাকে' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- সাত ছেলের বাপের নাম কী?
- বাংলা ভাষায় উপন্যাস লেখায় সূচনা ঘটে কোন শতকে?
- রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়া জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।উদ্দীপকের কোব্বাদ মেম্বারের সাথে মজিদ চরিত্রের মিল ও অমিল দেখাও।