'জমিলা যেন ঠাঁটাপড়া মানুষের মতো হয়ে গেছে'- বাক্যটি ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- “খোদার ওপর তোয়াক্কল রাখ।”— এটি ???ার উক্তি?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি,'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ সর্বশেষ কর্মস্থল কোথায় ছিল?
- জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
- 'ধান দিয়ে কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?' কথাটি “লালসালু” উপন্যাসে বলেছিলেন-
- ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে।'- উক্তিটি কার?
- তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের মানুষেরা নিত্য অভাব-অনটন নিয়ে বসবাস করে। দিনের পর দিন আসে, কিন্তু হতভাগা এ অঞ্চলের মা??ুষদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন আসে না। বৎসরান্তে তিস্তার অপ্রতিরোধ্য ভাঙ্গন মানুষকে আরও বেশি অসহায়, নিঃস্ব করে ফেলে। শস্যহীন মানুষগুলো ক্ষুধা-তৃষ্ণা, রোগ-শোক, শিশুর আর্তচিৎকার, সব মিলিয়ে আনন্দহীন এক মানবেতর জীবন অতিবাহিত করে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য তারা কখনো কখনো মানত করে। এতেও তাদের জীবনযাত্রায় কোনো পরিবর্তন আসে না। ভাগ্যের অন্বেষণে তখন তারা বহির্মুখী হয়ে ওঠে।"উদ্দীপকের দুর্ভাগা মানুষগুলো ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য যে মানত করে ও বহির্মুখী হয়, তা 'লালসালু' উপন্যাসের পশ্চাৎপদ দারিদ্র্যপীড়িত সমাজ বাস্তবতারই প্রতিরূপ।"- তুমি কি এ মত সমর্থন কর? যুক্তিসহকারে আলোচনা কর।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'র শেষ কর্মস্থল ছিল-
- নয়নপুর গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য জামালসকলকে একত্রিত করে। কিন্তু গ্রামের মোড়ল আবেদআলী তার শোষণ অব্যাহত রাখার স্বার্থে তাকে বাধাদেয়। এভাবে গ্রামে গণশিক্ষার উদ্যোগ বন্ধ হয়ে যায় । উদ্দীপকের জামাল ‘লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রকে ইঙ্গিত করে?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ যে নামে প্রকাশিত হয় তা হলো-
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারীসমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালের মাঝে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার - পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্না ছাড়া তাদের আর কোনো অধিকার ছিল না।'পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা সর্বদাই অবহেলার পাত্র।'-উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত দাও।
- নাফরমানি করিও না। খোদার উপর তোয়াক্কাল রাখ । এ কথা কে বলে ?
- উম্মত মিয়া অনেক বছর ???গেই তাঁর জন্মস্থান ছেড়ে, জীবিকার সন্ধানে যশোর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে উম্মত মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। মানুষ তার মানবিকতা ও ব্যক্তিত্বের জন্য সম্মান করে।"অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলায় মজিদ ও উম্মত মিয়া দৃঢ় হলেও উভয়ের কৌশল এবং পরিণতি ভিন্ন।"- মন্তব্যটি যুক্তি ও উদাহরণের সাহায্যে বিশ্লেষণ করো।
- সাত ছেলের বাপের নাম কী?
- মুহিম ভাদ্র মাসের এক বিকেলে দেখল বিলের পানি, ধানগাছ ও অন্যান্য ফসল একেবারে স্তব্ধ হয়ে আছে। মুহিম যে অবস্থাটি দেখেছে তা 'লালসালু' উপন্যাসেরআলোকে কী বলা যায়?
- 'ধান দিয়া কি হইব, মানুষের জান যদি না থাকে'- এ উক্তি দ্বারা কী বুঝানো হয়েছে?
- ‘সে যেন খাঁচায় ধরা পড়েছে'— 'লালসালু' উপন্যাসেকার ধরা পড়ার কথা বলা হয়েছে?
- গ্রামের মাতব্বর হলেও কবির আলী এলাকায় হঠাৎ আর্বিভূত হওয়া পীর জামিলের দাপটের কাছে অসহায় বোধ করেন। নিজের মতের বিরুদ্ধে গেলেও তিনি অনেক কিছু মেনে নিতে বাধ্য হন। এমনকি জামিলের কথায় তিনি স্ত্রীকে তালাক দিতে বাধ্য হন।উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- খেয়াঘাটের ইজারাদারদের প্রবল ষড়যন্ত্রের মুখে গ্রামেপ্রভাবশালীদের পরামর্শে নদীতে সাঁকো তৈরির উদ্যোগথামিয়ে দিতে বাধ্য হয় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সৌরভ!উদ্দীপকের চেয়ারম্যান সৌরভ এবং 'লালসালু'উপন্যাসের আক্কাস চরিত্রটি কীসের প্রেক্ষাপটে তুলনীয়?
- 'লালসালু' উপন্যাসের উপজীব্য কী?