মতিন ও খাইরুনের পাঁচ বছরের সংসার। বিয়ের পর হতেই অনেক চেষ্টার পরেও তাদের সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরের এক গ্রামে হেকমত কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল মতিন দ্রুত স্ত্রীকে সেখানে নিয়ে যায়। হেকমত কবিরাজ অনেকক্ষণ ধরে খাইরুনকে নিরীক্ষণ করার পর বলেন- 'পেটে বেরি পরে বইলাইতো স্ত্রী লোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ, কারো চৌদ্দ।'
উদ্দীপকের হেকমত কবিরাজ 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের আংশিক প্রতিফলনমাত্র- 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে বক্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে শ্যামলছায়া গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটছে দূর-দূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিড়ম্বিত এমনই এক যুবক শফিকের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব- প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।উদ্দীপকে বর্ণিত অসহায় মানুষদের জীবনাচরণের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা করো।
- নিঃস্ব সালেহার একটিমাত্র পুত্র ছাড়া আপন বলতে কেউ নেই। আর আছে যৎসামান্য অর্থ। পুত্রের মৃত্যুতে সে দিশেহারা হয়ে তান্ত্রিকের কাছে ছুটে যায় সহায়-সম্বল নিয়ে।উদ্দীপকের ঘটনার সাথে উপন্যাসের কোন বাক্যটির সাদৃশ্যপূর্ণ??
- মজিদ চরিত্রটি কিসের প্রতিভু
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারী শিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্যবিবাহ নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছেলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়ে গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এছাড়া সেলাই ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।"উদ্দীপকের মনির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারলেও 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস সফল হয়নি।" আলোচনা করো।
- নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
- সাত ছেলের বাপের নাম কী?
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- খোরশেদ আলী একজন পল্লি চিকিৎসক। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গ্রামের লোকজন তার কাছে আসে। তিনিও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের চিকিৎসা করেন। কিন্তু জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো রোগী এলে তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। কারণ তার কাছে মানুষের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড়ো নয়।উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের ভাব ধারণ করেছে কি না? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
- আক্কেলপুর গ্রামের শিক্ষিত ছেলে জুবায়ের সবেমাত্র মাস্টার্স পাশ করে গ্রামে ফিরেছে। আক্কেলপুর গ্রামে কোনো স্কুল নাই। তাই সে গ্রামের শিশুদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার জন্য একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য ক্যাম্পেইন চালায়। এই প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে গ্রাম্য মাতব্বর মতলব মিয়া স্কুলের পরিবর্তে একটা মক্তব প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গ্রামবাসীকে জানায়। জুবায়ের এর তীব্র প্রতিবাদ করলে ধর্মদ্রোহী তকমা দিয়ে তাকে এলাকাছাড়া করে দেয়।উদ্দীপকের জুবায়েরের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের যে সাদৃশ্য রয়েছে তা বুঝিয়ে লেখো।
- মজিদের সাংঘাতিক কাজ হলো— মিথ্যা কবরকে মাজার বানানোকোনোমতে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকাধর্মের নামে নিজের আখের গোছানোনিচের কোনটি সঠিক?
- হঠাৎ করে সুন্দরপুর গ্রামে এক দরবেশ এসে উপস্থিত হয়। আজানুলম্বিত পোশাক আর হাতে একটি লাঠি নিয়ে গ্রামে সে প্রবেশ করে। গ্রামের নিরক্ষর, সাধারণ মানুষ তাকে দেখে যেন অনেক অপ্রাপ্তি আর বেদনা থেকে আশাবাদী চেতনা ফিরে পায়। নবাগতের ভিতর থেকে যেন মুক্তির আলো ছড়িয়ে পড়তে লাগল। মানুষের ভালোর জন্য তিনি সব করতে পারেন। সময়ের ব্যবধানে দরবেশ সকলের হৃদয়ের মণি হয়ে উঠলেন।"উদ্দীপকে দরবেশের আগমন ও 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদের আগমন ঠিক একই রকম।"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- রিকশাচালক সাহেব আলির মেয়ে সালেহা। প্রাইমারির পর পড়া হয়নি তার। বয়স হয়তো ১২ কি ১৩। বড়োই চঞ্চলা। তিন বোনের মধ্যে সে-ই বড়ো। এক আত্মীয়ের মাধ্যমে একদিন বিয়ের প্রস্তাব আসে সালেহার। ছেলে থাকে বিদেশে, দালানবাড়ি, অনেক টাকার মালিক। তবে শর্ত একটা, "আপাতত মোবাইল ফোনে বিয়ে; ছেলে দেশে ফিরলে বউকে তুলে নেবে। যত দিন না ফিরবে তত দিন বউয়ের খরচপত্র বাবদ টাকা পাঠিয়ে দেবে।" এমন প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ার উপায় ছিল না দরিদ্র সাহেব আলির। নিয়ম মেনে বিয়ে। তারপর কয়েক বছর পর দেশে ফিরল ছেলে। ছেলের বয়স এখন পঞ্চাশ।"উদ্দীপকের সালেহার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের 'জমিলা' চরিত্রের বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
- নিম্নোক্ত কোন লেখক বাংলাদেশের বাইরে মৃত্যুবরণ করেন?
- “ কী মিঞা? তোমার দিলে কি ময়লা আছে?” – উক্তিটি কার?
- মানুষ বেঁচে থাকার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। জীবনের শেষ ক্ষুদ্র অবলম্বনকেও বিসর্জন দিয়ে বাঁচতে চায়। কোনো প্রাণীই এর ব্যতিক্রম নয়। যেমন বাঘের ক্ষুধা সহ্যের মাত্রা অতিক্রম করলে আপন ছানাদের খেয়েও জীবন বাঁচায়।উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের বিশেষ কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- সুমি একজন স্বাধীনতাপ্রিয় নারী। অন্যের অধীনতা তার একেবারেই পছন্দ না। তার চালচলন ও সমাজপতিদের মনে আঘাত হানে। কিন্তু বিষয়টি মোটেও তোয়াক্কো করে না সুমি।উদ্দীপকে উপস্থাপিত যে বিষয়টি উক্ত চরিত্রে উপস্থাপিত হয়েছে- স্বাধীনচেতাবিদ্রোহধর্মভীরাতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'লালসালু' উপন্যাসে খালেক ব্যাপারীর প্রথম পক্ষেরস্ত্রীর নাম কী?
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারীশিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্যবিবাহ নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়েও গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এছাড়া সেলাই ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখীশিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।"উদ্দীপকের মনির হোসেন কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে ??ৌছাতে পারলেও লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস সফল হয়নি।" আলোচনা করো।
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- রহিমা মজিদের দ্বিতীয় বিয়েতে প্রতিবাদ করে নাকেন?স্বামীভক্তিধর্মনিষ্ঠাসমাজের আনুগত্যনিচের কোনটি সঠিক?
- 'লালসালু' উপন্যাসে শিকারির একাগ্রতা কার চোখে?
- শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালন করেন।শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবের বিরোধবাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিবশামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।সাদৃশ্যের কারণ হলো, উভয়ই- কৃতঘ্নক্ষমতালোভীঅর্থলোভীনিচের কোনটি সঠিক?
- আফজাল মিয়ার স্ত্রী হালিমা পরপর তিনটি কন্যা সন্তান জন্মদেয়। পূত্র সন্তান লাভের আশায় খ্যাতিমান পির জুনাইদ আলীকুতুবশাহীর দরবারে গমন করে। পির কুতুবশাহী এক বোতল'পড়া পানি' দিয়ে বলেন যে, এই 'পড়া পানি' খেয়ে তার যদিপুত্র সন্তান না হয় তবে বুঝতে হবে সে পাপী। হালিমা যথারীতিচতুর্থ কন্যার জন্ম দেয় এবং স্বামীর রোষানলে পড়ে।উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসে প্রকাশিত ভাব— অন্ধবিশ্বাস ধর্মীয় গোঁড়ামিপির প্রথানিচের কোনটি সঠিক?
- বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদ রূপনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক ইমরান গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল।কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।উদ্দীপকের অপশক্তি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন শক্তিকে নির্দেশ করে? সেই শক্তির উৎস সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।
- আসল চিঠি গায়েব করে কোম্পানির কাছে নকল চিঠি পাঠাচ্ছে কে?
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে ধলেশ্বরী গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটেছে দূরদূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিরন্বিত এমনই এক যুবক ইদ্রিসের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব-প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।"উদ্দীপকের ইদ্রিস ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়ের মধ্যেই অস্তিত্ববাদী চেতনা প্রতিফলিত।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- "হঠাৎ পাগল হয়ে উঠেছে তারা। যে যা পারল ধরল, কেউ পা, কেউ হাত।" ব্যাখ্যা কর।
- আওয়ালপুরের পীরসাহেবের প্রধান মুরিদ কে?
- তপু ভাগ্যান্বেষণে ঘুরতে ঘুরতে এসে হাজির হয় রাজধানী ঢাকায়। মিটফোর্ডে এক ফুটপাতে হোটেলে খেতে গিয়ে দেখতে পায় পাশের নর্দমায় অনেকগুলো ঔষধ পড়ে আছে। হোটেল বয়ের কাছে জানতে পারে এগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ কোম্পানি ফেলে গেছে। তার মাথায় বিদ্যুৎ খেলে যায়। সে ঐ ঔষধগুলো কুড়িয়ে নতুন প্যাকেটে মুড়ে কম দামে বিক্রি করতে থাকে। সাধারণ মানুষ কম দামে পেয়ে সরল বিশ্বাসে তার দোকান থেকে ঔষধ কিনে প্রতারিত হতে থাকে। আর তপু অল্পদিনে ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বনে যায়।'প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও তপু ও মজিদের লক্ষ্য এক'- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- কত বছর বয়সে আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল?
- দোগাছা গ্রামের সুশিক্ষিত ও স্বশিক্ষিত রিপন ঢাকা থেকে উচ্চ শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরেছে। সে নিরক্ষর মানুষকে সাক্ষর করতে গ্রামে একটি নৈশ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়। এ কল্যাণমূলক কাজে সমাজপতি জব্বার বাধা দেয়। গ্রামের মৌলবি, সমাজপতি ও মূর্খ গ্রামবাসীর কাছ রিপণের মহৎ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।উদ্দীপকের রিপন 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে শ্যামলছায়া গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটছে দূর-দূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিড়ম্বিত এমনই এক যুবক শফিকের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব- প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।"উদ্দীপকের শফিক এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়ের মধ্যেই অস্তিত্ববাদী চেতনা প্রতিফলিত।"- তোমার মতামত দাও।
- ওয়াজ করিবার সময় পির সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়ে গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন।..... তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখমুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজচিত্রের প্রতি যে ইঙ্গিত প্রদান করে তা আলোচনা করো।
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খো???াই সে-চোখ।' কাদেরকথা বলা হয়েছে?
- কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?
- 'যোগসূত্র হচ্ছে রহিমা'-ব্যাখ্যা করো।
- করিমন বাতের ব্যথায় জর্জরিত । ছোটো ছেলে কাদেরকেপাশের গ্রামের পিরের কাছে পাঠায় পানিপড়া আনতে ।লোক-বিশ্বাস কার্মেল পিরের পানি পড়ায় সর্বরোগেরঅবসান ঘটে.উদ্দীপকের করিমন 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজী অনুবাদ-
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেছেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির তৈরিতে অর অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই অকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও তাকে এ প্রস্তাব দেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।উদ্দীপকের মাহাবুবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর চরিত্রের তুলনা করো।
- 'ধান দিয়া কী হইব, মানুষের জান যদি না থাকে'- এ উক্তি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?