ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে লেখা উপন্যাস কোনটি?
A. ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’
B. ‘ক্ষুধা ও আশা’
C. ‘কর্ণফুলি’
D. ‘ধানকন্যা’
সঠিক উত্তরঃ
C.
‘কর্ণফুলি’
Explanation: উপজাতীদের জীবন কাহিনী অবলম্বনে আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত উপন্যাস ‘কর্ণফুলী???। এটি একটি আঞ্চলিক উপন্যাস এবং এটির জন্য তিনি ইউনেস্কো পুরস্কার পেয়েছিলেন। ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ আলাউদ্দিন আল আজাদের প্রথম উপন্যাস এবং এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ‘ক্ষুধা ও আশা’ উপন্যাসের রচয়িতাও তিনি; ‘ধান কন্যা’ তার রচিত ছোট গল্প। যুদ্ধ ও দুর্ভিক্ষ পীড়িত সামাজিক অবস্থায় সংগ্রামী মানুষের চিত্র ‘ক্ষুধা ও আশা’ উপন্যাসে ফুটে উঠেছে।
Related Questions (Any University/Year)
- বাংলাদেশের টেকনাফ অঞ্চলের এক গ্রামের গরিব অসহায় পরিবারকে সমাজচ্যুত করা হয়েছে। কারণ, ওই বাড়ির ছেলের বিয়েতে গ্রামের মাতব্বর পরিবারকে দাওয়াত করা হয়নি। একারণেই খেপে যায় মাতব্বর ও তার লোকজন। সভা করে একঘরে করে দেয় সেই গরিব পরিবারটিকে। পরিবারের লোকদের বাইরে যাওয়ার রাস্তাটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।"উদ্দীপকের মাতব্বর ও তার লোকজন এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ অভিন্ন চেতনার অনুসারী।"- মূল্যায়ন করো।
- "তারপর কতক্ষণ সে বজ্রাহতের মতো বসে থাকে।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- জুয়েল প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার কিন্তু পুরোনো ধ্যানধারণা আঁকড়ে থাকা পিতার কঠিন অসুখেও চিকিৎসাসেবা সে দিতে পারে না। তাবিজ-কবজ আর পানিপড়ায় বিশ্বাসী পিতা আমিরুল ডা. জুয়েলকে একরকম ত্যাজ্য করেছেন বলা যায়; কারণ গ্রামের গরিব মানুষদের জন্য ডা. জুয়েল আধুনিক এক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং তা তার পিতার মতোই কুসংস্কারচ্ছন্ন ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে গিয়েই। তারা মনে করেন এতে ধর্মনাশ হচ্ছে আর তারা পাপের ভাগীদার হচ্ছে। মূলত এইসব কুসংস্কারের মূলে রয়েছে তাদের পীরসাহেব, যার পানিপড়া নিতে আজকাল খুব কম মানুষই আসে।উদ্দীপকের বিষয়ের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন অংশ বিপরীত আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে তা বর্ণনা করো।
- খালেক ব্যাপারির প্রথম পক্ষের স্ত্রীর নাম কী?
- 'সময়ে-অসময়ে মিথ্যা কথা না বললে নয়।'- কে মিথ্যা কথা বলে এবং কেন?
- 'লালসালু' উপন্যাসে কে হাঁপানি রোগে আক্রান্ত?
- প্রথম যখন হোসেন মিয়া কেতুপুরে এসেছিল পরনে একটাছেঁড়া লুঙ্গি, মাথায় এক ঝাঁক রুক্ষ চুল — ঘষা দিলে গায়েখড়ি উঠত। এখন সে অনেক সম্পদ ও প্রতিপত্তির মালিক। উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসেরমজিদ উভয়েই—
- ‘উত্তম পুরুষ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- বহিপীর’ কার রচনা?
- মজিদকে প্রথম দেখে জমিলা কী ভেবেছিলেন?
- মোহনপুরের যখন নিপাহ ভাইরাস দেখা দিল, তখন গ্রামবাসী। আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় খুঁজছিল। এমন সময় তোতা কবিরাজ গ্রামটিকে রক্ষা করার জন্য সচেষ্ট হন। তিনি চিনি পড়া, পানি পড়া দিয়ে চিকিৎসা দেন এবং অনেক টাকাপয়সা হাতিয়ে নেন। কিছুদিন পর নিপাহ ভাইরাস বিদায় নেয়। অবশ্য ইতিমধ্যে অনেক মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়। তবুও গ্রামের মানুষ তোতা কবিরাজের অলৌকিক ক্ষমতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে অর্থ-সম্পদ উপহার দেয় এবং ভয়ও করে।উদ্দীপকের তোতা কবিরাজের সঙ্গে লালসালু উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের লেখক কি উন্মোচন করেছেন?
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।'- ব্যাখ্যা করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসে হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসিমুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা, সবার অজান্তে অবৈধ ব্যাবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।"স্বার্থরক্ষায় উদ্দীপকের হোসেন মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র একই পথের পথিক"-তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়'- কে?
- আবহমান বাংলার গ্রামীণ জীবন অশিক্ষা, কুসংস্কার ও অজ্ঞতার অন্ধকারে ঢাকা। স্বল্প জমি, সামান্য অর্থ কিংবা দৈনিক শ্রমে জীবন নির্বাহকারী কৃষিজীবী ভূমিহীনদের অনেকেই গ্রাম ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে শহরের উদ্দেশে। ভাগ্যান্বেষী এই মানুষগুলো নিজেদের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য জড়িয়ে পড়ে নানা অপকর্মে।"উদ্দীপকের ভাগ্যান্বেষী মানুষ আর 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রটি যেন অভিন্ন জীবন চেতনার প্রবাহিত।"- যুক্তিসহ উক্তিটি প্রমাণ করো।
- আবহমান বাংলার গ্রামীণ জীবন অশিক্ষা, কুসংস্কার ও অজ্ঞতার অন্ধকারে ঢাকা। স্বল্প জমি, সামান্য অর্থ কিংবা দৈনিক শ্রমে জীবন নির্বাহকারী কৃষিজীবী ভূমিহীনদের অনেকেই গ্রাম ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে শহরের উদ্দেশে। ভাগ্যান্বেষী এই মানুষগুলো নিজেদের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য জড়িয়ে পড়ে নানা অপকর্মে।উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ‘তানি বুঝি দুলার বাপ।’- 'লালসালু' উপন্যাসে জমিলার এই উক্তি কার প্রসঙ্গে।
- ধলা মিয়া কার ভাই?
- কলমা জানো মিঞা- উক্তিটি মজিদ কাকে উদ্দেশ্য করে করেছে?
- লালসালু উপন্যাসে মজিদ চরিত্র সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক নয় -
- 'লালসালু' উপন্যাসে অশীতিপর বৃদ্ধ কে?
- "গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ"- মন্তব্যটি বুঝিয়ে লেখ।
- খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রটি সন্তান ধারণের উদ্দেশ্য পীর সাহেবের নিকট থেকে পানিপড়া খেতে চায়?
- ধলা মিয়ার সঙ্গে খালেক ব্যাপারী ধমক-ধামকে কথা বলে কেন?
- 'কী মিয়া? তোমার দিলে কি ময়লা আছে?'- এখানে ময়লা কী?
- 'লালসালু'-উপন্যাসের প্রতিবাদী চেতনা কীসের বিরুদ্ধে?ধর্মীয় গোঁড়ামিকুসংস্কারঅন্ধবিশ্বাসনিচের কোনটি সঠিক?
- মতিন ও খাইরুনের পাঁচ বছরের সংসার। বিয়ের পর হতেই অনেক চেষ্টার পরেও তাদের সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরের এক গ্রামে হেকমত কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল মতিন দ্রুত স্ত্রীকে সেখানে নিয়ে যায়। হেকমত কবিরাজ অনেকক্ষণ ধরে খাইরুনকে নিরীক্ষণ করার পর বলেন- 'পেটে বেরি পরে বইলাইতো স্ত্রী লোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ, কারো চৌদ্দ।'উদ্দীপকের হেকমত কবিরাজ 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের আংশিক প্রতিফলনমাত্র- 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে বক্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- "পাথর এবার হঠাৎ নড়ে ।" ’লালসালু' উপন্যাসে এই ‘পাথর’ দ্বারা কাকে বুঝানো হয়েছে?
- কী মিঞা? তোমার দিলে কি ময়লা আছে?- এখানে ময়লা কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- 'বেচাইন' শব্দের অর্থ কী?
- মহব্বতনগরের নতুন পীরের, আগমনকে তুলনা করা হয়েছে-
- ফতেহপুর গ্রামের আলাল কবিরাজ। দশ গ্রামে তার খ্যাতি। সাপে কাটা, পেটে ব্যথ্যা, পা ভাঙ্গা, সন্তান লাভসহ সকল সমস্যার সমাধান কবিরাজ মশাইয়ের ফুঁ দেয়া এক গ্লাস পানিতে। গ্রামের সরল বিশ্বাসী মানুষজন তার টার্গেট গ্রুপ। দশ বছরের ব্যবধানে ঝুপড়ি ঘর থেকে বিল্ডিং করেছেন। আর কি কি করা যায় ভেবে মাঝে মাঝেই তার চোখ চকচকে হয়ে ওঠে।উদ্দীপকে বর্ণিত ফতেহপুর গ্রাম যেন 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামেরই প্রতিনিধি- ব্যাখ্যা কর।
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ'-উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- “তোমার দাড়ি কই মিঞা”- উক্তিটি কাকে উদ্দেশ্যকরে বলা?
- খোরশেদ আলী একজন পল্লি চিকিৎসক। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গ্রামের লোকজন তার কাছে আসে। তিনিও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের চিকিৎসা করেন। কিন্তু জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো রোগী এলে তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। কারণ তার কাছে মানুষের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড়ো নয়।উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের ভাব ধারণ করেছে কি না? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
- "হঠাৎ পাগল হয়ে উঠেছে তারা। যে যা পারল ধরল, কেউ পা, কেউ হাত।" ব্যাখ্যা কর।
- মহাসড়কের পাশে পোড়াবাড়ি গ্রামে ফসিপাগলের মাজার। মঙ্গল লাভের আশায় টাকা- পয়সা, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল মানত করা হয় এই মাজারে। চলমান বাসের চালক, যাত্রাপথের পথিক ভক্তিভরে পর্যাপ্ত দান করে। মাজারের খাদেম এখন প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক। এলাকায় তার প্রভাব-প্রতিপত্তিও কম নয়। কে এই ফসিপাগল? কী তার পরিচয়? এসব প্রশ্নের কোনো প্রকার সদুত্তর মেলে না তার কাছে।"লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সামগ্রিক, কর্মকান্ড উদ্দীপকের চিত্রিত খাদেমের কর্মকান্ডে সীমিত পরিসরে বিবৃত হয়েছে।" মন্তব্যটি বিচার করো।