দেশে দেশে পিরদের সফর শুরু হয় কখন ?
A.
ধানের মৌসুমে
B.
দুর্ভিক্ষের সময়
C.
গায়েবি নির্দেশ পেলে
D.
মুরিদদের আহ্বান পেলে
সঠিক উত্তরঃ
A.
ধানের মৌসুমে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- "চাঁদের অমাবস্যা' রচিয়তা কে?
- 'চার সতীনের ঘর' চলচ্চিত্রে দেখেছিলাম নায়ক একজনধনাঢ্য ব্যক্তি। তার ঘরে তিন স্ত্রী। অথচ কোনো সন্তাননেই। তাই সন্তানের আশায় নায়ক আবারও শাবনূরকেচতুর্থ স্ত্রী হিসেবে ঘরে আনে।উদ্দীপকের নায়ক 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- "বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ"- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- রতনপুর গ্রামের তোতা মিয়া অনেকটা সহজ সরল প্রকৃতির। পিতার রেখে যাওয়ার জমিজমা রক্ষা এবং সমাজের প্রথাগত মাতব্বরি করার দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হয়। এ কাজে সে চতুর কোব্বাদ মেম্বারের সহযোগিতা নেয়। রতনপুর গ্রামের লোকেরা এখন মেম্বারকেই ভয় পায়। মাতব্বর বলতে তারা মেম্বারকেই বোঝে, প্রয়োজনে তারা মেম্বারের পরামর্শ গ্রহণ করে। এক সময় মেম্বারের কুপরামর্শে তোতা মিয়া তার অনেক প্রিয় বসতবাড়ি ও বাগানবাড়ি মেম্বারের নিকট বিক্রয় করে অসহায় হয়ে পড়ে।"উদ্দীপকের তোতা মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারী দুজনেরই পরিণতি বেদনাবহ।"- বিচার কর।
- 'লালসালু' কোন ধরনের উপন্যাস?
- ইচ্ছা পূরণের জন্য মানুষ অনেক কিছুই করে। যেমনটি করেছিলেন সকিনা বেগম। বিশ বছরের বিবাহিত জীবনে যখন তিনি কোনো সন্তানের মা হতে পারেননি, তখন একদিন স্বামীর কাছে তার ইচ্ছার কথা বলেন- তিনি একটি সন্তান দত্তক নিতে চান। তাঁর স্বামী আফাজ আলী স্ত্রী হিসেবে তাঁকে যথেষ্ট সম্মান করেন। সন্তান লাভের আশায় আফাজ আলী তাঁর স্ত্রীর প্রস্তাবে রাজি হন এবং একটি অনাথ শিশুকে দত্তক নেন। এভাবে তিনি স্ত্রীর ইচ্ছা পূরণ করে তাঁর মর্যাদা দান করেন।উদ্দীপকে আফাজ আলী যেভাবে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছেন, মজিদ সেভাবে পারেনি- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- "রহিমার অলক্ষ্যে ছাপিয়ে ওঠো অশ্রুর সঙ্গে কতক্ষণ লড়াই করে জমিলা তারপর কেঁদে ফেলে"- তার এই কান্নার কারন কী?
- 'লালসালু' উপন্যাসে “যেখানে সাপ জাগে সেখানে আবারকোমলতার ফুল ফোটে।”— এখানে 'সাপ' কী অর্থ প্রকাশকরে?
- 'কলমা জান মিঞা?' প্রশ্নটি মজিদ কাকে উদ্দেশ্যকরে করেছিল?
- মেহের আলী রসুলপুর গ্রামের একজন বিত্তবান লোক। প্রতিপত্তির মালিক হওয়ার জন্য গ্রামের সকলে তাকে বেশ সম্মান করে। অপরদিকে, মেহের আলী সম্মানের চোখে দেখে তারই গ্রামে বসবাসরত সোলায়মান আলীকে। তার ওপর মেহের আলীর অগাধ বিশ্বাস। তাই সোলায়মান আলী মৌখিকভাবে যে নির্দেশনাই দেন মেহের আলী তা বাস্তবায়ন করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। একদিন সোলায়মান আলী মেহের আলীকে বললেন, 'মেহের, তোমার স্ত্রী সংসারে অশুভ শক্তির ছায়ারূপে বিরাজ করছে। তাকে তুমি অবিলম্বে তালাক দাও।' এমন নির্দেশনা পেয়ে কালবিলম্ব না করে স্ত্রীকে তালাক দেয় মেহের আলী।উদ্দীপকের মেহের আলী 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতীক বহন করে? যুক্তিসহকারে আলোচনা করো।
- 'দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা' কথাটি কখন ও কোন প্রসঙ্গে করা হয়েছে।
- বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের আবির্ভাব ঘটে-
- মানুষ বেঁচে থাকার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। জীবনের শেষ ক্ষুদ্র অবলম্বনকেও বিসর্জন দিয়ে বাঁচতে চায়। কোনো প্রাণীই এর ব্যতিক্রম নয়। যেমন বাঘের ক্ষুধা সহ্যের মাত্রা অতিক্রম করলে আপন ছানাদের খেয়েও জীবন বাঁচায়।'অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাই মানুষের সর্বোচ্চ সাধনা।' উক্তিটি উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্'র জন্ম কত সালে?
- 'তাগো কথা হুনলে পুরুষ মানুষ আর পুরুষ থাকে না, মেয়ে মানুষের অধম হয়'- কে কেন বলেছে?
- জুয়েল প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার কিন্তু পুরোনো ধ্যানধারণা আঁকড়ে থাকা পিতার কঠিন অসুখেও চিকিৎসাসেবা সে দিতে পারে না। তাবিজ-কবজ আর পানিপড়ায় বিশ্বাসী পিতা আমিরুল ডা. জুয়েলকে একরকম ত্যাজ্য করেছেন বলা যায়; কারণ গ্রামের গরিব মানুষদের জন্য ডা. জুয়েল আধুনিক এক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং তা তার পিতার মতোই কুসংস্কারচ্ছন্ন ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে গিয়েই। তারা মনে করেন এতে ধর্মনাশ হচ্ছে আর তারা পাপের ভাগীদার হচ্ছে। মূলত এইসব কুসংস্কারের মূলে রয়েছে তাদের পীরসাহেব, যার পানিপড়া নিতে আজকাল খুব কম মানুষই আসে।উদ্দীপকের বিষয়ের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন অংশ বিপরীত আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে তা বর্ণনা করো।
- মুহিম ভাদ্র মাসের এক বিকেলে দেখল বিলের পানি, ধানগাছ ও অন্যান্য ফসল একেবারে স্তব্ধ হয়ে আছে। মুহিম যে অবস্থাটি দেখেছে তা 'লালসালু' উপন্যাসেরআলোকে কী বলা যায়?
- এনায়েত রসুলপুর মসজিদের ইমাম। সর্বদা এবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকে সে। মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ায় সবাই তাকে মান্য করে। সুন্দর নূরানী চেহারা হওয়ায় এলাকার সবাই তাকে পীর সাহেব হিসাবে গণ্য করে। সে হঠাৎ ফতোয়া জারি করে সকল দান খয়রাত এলাকার মানুষ যেন মসজিদ মাদ্রাসায় দেয়। একথা শুনে এলাকার আধুনিক শিক্ষিত যুবক মেহেরা প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু এলাকার কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ মেহেরার কথায় সায় দেয় না বরং বিরোধিতা করে। তাদের ধারণা বাংলা, ইংরেজি পড়া স্কুল কলেজে পড়লে মানুষ শয়তানের দোসর হয়। পরকাল শেষ হয়ে যায়। তাই সকল দান খয়রাত, পড়াশুনা মসজিদ মাদ্রাসাভিত্তিক হওয়া দরকার।রসুলপুর গ্রামের এনায়েতের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য দেখাও।
- মজিদ কখন এবং কেন বিস্ময়করভাবে নিঃসঙ্গবোধ করে?'
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'বাহে মুলুকে ' বলতে বোঝায়