ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ্' বলিত। সেই 'ফানাফিল্লাহ্'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন তাই জব্বার সময় একখণ্ড কালো মখমলের কাপড় দিয়া পীর সাহেবের চোখে মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।
"উদ্দীপকে বর্ণিত পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত মজিদেরই প্রতিচ্ছবি।”- বিশ্লেষণ কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ।'- বুঝিয়ে লেখো।
- 'মাজারটি তার শক্তির ম???ল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- বাংলাদেশের একটি ছোট্ট জনপদ বসন্তপুর। সভ্য জীবনের কোনো ছোঁয়া এখানে নেই। অসুখে-বিসুখে আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া তাবিজ, ঝাড়ফুঁক, পানিপড়াই তাদের একমাত্র ভরসা। এ গ্রামের মেয়ে হনুফা নিরক্ষর হলেও তার কথাবার্তা ও চিন্তাচেতনায় বুদ্ধিমত্তার ছাপ স্পষ্ট। আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া কেরামতিতে সে আদৌ বিশ্বাস করে না। গ্রামবাসীদের সে আবুল মিয়ার ভণ্ডামি সম্পর্কে সচেতন করে এবং যেকোনো অসুস্থতায় আবুল মিয়ার কাছে না গিয়ে শত কষ্ট হলেও ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।'উদ্দীপকের হনুফা আর 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা একে অপরের পরিপূরক।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- গ্রামের মানুষের চিকিৎসাহীনতার কথা বিবেচনা করে প্রবাসীবিত্তবান তরুণ স্বপন একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য সকলেরসাথে যোগাযোগ শুরু করলে গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তার আরকবিরাজ কটকৌশলে স্বপনকে নানাভাবে হেনস্থা করে।উদ্দীপকে প্রকাশিত হয়েছে 'লালসালু' উপন্যাসের-
- সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
- তপু ভাগ্যান্বেষণে ঘুরতে ঘুরতে এসে হাজির হয় রাজধানী ঢাকায়। মিটফোর্ডে এক ফুটপাতে হোটেলে খেতে গিয়ে দেখতে পায় পাশের নর্দমায় অনেকগুলো ঔষধ পড়ে আছে। হোটেল বয়ের কাছে জানতে পারে এগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ কোম্পানি ফেলে গেছে। তার মাথায় বিদ্যুৎ খেলে যায়। সে ঐ ঔষধগুলো কুড়িয়ে নতুন প্যাকেটে মুড়ে কম দামে বিক্রি করতে থাকে। সাধারণ মানুষ কম দামে পেয়ে সরল বিশ্বাসে তার দোকান থেকে ঔষধ কিনে প্রতারিত হতে থাকে। আর তপু অল্পদিনে ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বনে যায়।উদ্দীপকের তপুর মাঝে ফুটে উঠেছে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের চরিত্র- ব্যাখ্যা করো।
- 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসটি কে লিখেছেন?
- মোড়লদিয়ার মাদক ব্যবসায়ী তাকত আলী গঞ্জের কুখ্যাত মাফিয়া। মাদকাসক্ত করে গঞ্জের যুব সমাজকে সে বশীভূত করে রেখেছে। ইদানীং আরব আলী নামে আরেক ব্যবসায়ী গঞ্জে মাদক ব্যাবসা শুরু করলে ব্যাবসায় মন্দার ভয়ে তাকত আলী ক্ষুব্ধ ও চিন্তিত হয়ে ওঠে। তাই নিজের রাজত্বকে নিষ্কণ্টক করতে এক রাতের আঁধারে তার সাঙ্গোপাঙ্গকে দিয়ে সশস্ত্র হামলা চালায় আরব আলীর ওপর। উৎখাত করে আরব আলীকে।'প্রতিহিংসাপরায়ণতা, মানবচরিত্রের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।'- উক্তিটি 'লালসালু' উপন্যাস ও উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- খোরশেদ আলী একজন পল্লি চিকিৎসক। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গ্রামের লোকজন তার কাছে আসে। তিনিও নিষ্ঠার সাথে রোগীদের চিকিৎসা করেন। কিন্তু জটিল রোগে আক্রান্ত কোনো রোগী এলে তিনি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। কারণ তার কাছে মানুষের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড়ো নয়।উদ্দীপকে খোরশেদ আলীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রটির বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- আবহমান বাংলার গ্রামীণ জীবন অশিক্ষা, কুসংস্কার ও অজ্ঞতার অন্ধকারে ঢাকা। স্বল্প জমি, সামান্য অর্থ কিংবা দৈনিক শ্রমে জীবন নির্বাহকারী কৃষিজীবী ভূমিহীনদের অনেকেই গ্রাম ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে শহরের উদ্দেশে। ভাগ্যান্বেষী এই মানুষগুলো নিজেদের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য জড়িয়ে পড়ে নানা অপকর্মে।উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- প্রত্যন্ত অঞ্চলে দুই পীর পাশাপাশি এলাকায় আস্তানা জনপ্রিয়তার দিক থেকে কেও কারো চেয়ে কম নয় নয়। কিন্তু দুজনেরই উদ্দেশ্য ও কর্মপন্থা এক হলেও একসময় পীরদ্বয় দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। উদ্দীপকের পীরদ্বয়ের দ্বন্দ্ব এবং মজিদ ও আওয়ালপুরের পীরদ্বয়ের দ্বন্দ্বের মুখ্য কারণ কী?
- রসুলপুর গ্রামের ছেলে আরিফ মিয়া এমএ পাশ করে গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। সে গ্রামের মানুষদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গ্রামের জোতদার আফাজ আলি। সে গ্রামবাসীদের ভুল ধারণা দেয় যে, আরিফ মিয়া ধর্মীয় শিক্ষার পরিবর্তে প্রচলিত শিক্ষা দিয়ে তাদেরকে পথভ্রষ্ট করতে চাচ্ছে। ফলস্বরূপ গ্রামবাসী আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গ্রামছাড়া করে।উদ্দীপকের আরিফ মিয়ার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়? আলোচনা করো।
- চোখে তার তেমনি শিকারির সূচাগ্র একাগ্রতা'- বুঝিয়ে লেখো।
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা । সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি। 'স্বার্থরক্ষায় উদ্দীপকের হোসেন মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্র একই পথের পথিক- উক্তিটির যথার্থতা প্রতিপন্ন করো।
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেছেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির তৈরিতে অর অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই অকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও তাকে এ প্রস্তাব দেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।"উদ্দীপকের প্রতিফলিত ইতিবাচক জীবন চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি পরীক্ষা করো।
- মেহের আলী রসুলপুর গ্রামের একজন বিত্তবান লোক। প্রতিপত্তির মালিক হওয়ার জন্য গ্রামের সকলে তাকে বেশ সম্মান করে। অপরদিকে, মেহের আলী সম্মানের চোখে দেখে তারই গ্রামে বসবাসরত সোলায়মান আলীকে। তার ওপর মেহের আলীর অগাধ বিশ্বাস। তাই সোলায়মান আলী মৌখিকভাবে যে নির্দেশনাই দেন মেহের আলী তা বাস্তবায়ন করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। একদিন সোলায়মান আলী মেহের আলীকে বললেন, 'মেহের, তোমার স্ত্রী সংসারে অশুভ শক্তির ছায়ারূপে বিরাজ করছে। তাকে তুমি অবিলম্বে তালাক দাও।' এমন নির্দেশনা পেয়ে কালবিলম্ব না করে স্ত্রীকে তালাক দেয় মেহের আলী।উদ্দীপকের মেহের আলী 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতীক বহন করে? যুক্তিসহকারে আলোচনা করো।
- শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের চেয়ে আগাছা বেশি।'- কেন বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- গ্রামের মানুষ মজিদকে ভয় পায় কেন?
- 'ওনারে কন, আমার মওতের জন্য জানি দোয়া করে'— উক্তিটি কার?
- মজিদ কেন হাসপাতালে গিয়েছিল?