'লালসালু' উপন্যাসে কার সাদা সুন্দর পা দেখে মজিদের মনের সাপ জেগেছিল?
A.
আমেনা বিবির
B.
জমিলার
C.
হাসুনির মায়ের
D.
রহিমার
সঠিক উত্তরঃ
A.
আমেনা বিবির
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- তানু বিবির ভাইয়ের নাম কী?
- 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের কাদের পীর হিসেবে পরিচিত। এক পূর্ণিমা রাতে বাঁশঝাড়ে একজন মহিলাকে হত্যা করলে স্কুল শিক্ষক 'আরেফ আলি' তা দেখতে পায়। তখন কাদেরের চরিত্র সম্পর্কে 'আরেফ আলির' বুঝতে বাকি থাকে না যে সে ভন্ডপির। তখন 'আরেফ আলি' সমস্ত ঘটনা পুলিশকে বললেও পুলিশ তা বিশ্বাস করতে পারে না।"উদ্দীপকের 'আরেফ আলির', চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস চরিত্রের চেয়েও কি শক্তিশালী?" উক্তিটির যথার্থতা 'লালসালু' উপন্যাস ও উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।
- 'দলিল দস্তাবেজ জাল হয়, কিন্তু খোদাতালার কালাম জাল হয় না।'- বুঝিয়ে লেখো।
- 'দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা'- কথাটি কখন এবং কোন প্রসঙ্গে করা হয়েছে?
- 'দলিল-দস্তাবেজ জাল হয়, কিন্তু খোদাতালার কালাম জাল হয় না'- একথার তাৎপর্য কী?
- সন্তান আকাঙ্ক্ষায় 'রূপার মনে ঝড় ওঠ???'— রূপারসাথে ‘লালসালু' উপন্যাসের মিল রয়েছে—রহিমারআমেনারজমিলারনিচের কোনটি সঠিক?
- "কেবল ধীরে ধীরে কাঠের মতো শক্ত হয়ে ওঠে তার মুখটা"- কার মুখ শক্ত হয়ে ওঠে এবং কেন?
- ‘অমন করে হাঁটতে নাই’ কে বলে?
- মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- বাড়িতে দুই বউ থাকার পরও বজলু চৌকিদার গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্কা বউকে বজলু কারো সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে বউকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে ছোট বউকে শীতের রাতে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম বউ খুব কষ্ট পায়। সারা রাত সে ঘুমায় না, আবার কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নেবে এমন সাহসও পায় না।উদ্দীপকের আলোকে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্র বিশ্লেষণ করো।
- মুহিম ভাদ্র মাসের এক বিকেলে দেখল বিলের পানি, ধানগাছ ও অন্যান্য ফসল একেবারে স্তব্ধ হয়ে আছে। মুহিম যে অবস্থাটি দেখেছে তা 'লালসালু' উপন্যাসেরআলোকে কী বলা যায়?
- তিন স্ত্রীর সাথে সংসার করেন আব্বাস আলী দফাদার। গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে আবার বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্কা বউকে আব্বাস আলী কোনো পরপুরুষের সামনে যেতে দেয় না। কখনও কথার অন্যথা হলে বউকে নানাভাবে শাসন করে। একদিন পাশের বাড়িতে টেলিভিশন দেখার অপরাধে ছোট বউকে সে শীতের রাতে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় বড় বউ খুব কষ্ট পায়। সারারাত সে ঘুমায় না। আবার কম বয়সী মেয়েটাকে যে ঘরে ডেকে নেবে সে সাহসও পায় না।'রহিমার মাতৃহৃদয় ব্যাকুল হয়ে ওঠে কন্যা সদৃশ সন্তানটির জন্য'- উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাস অবলম্বনে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- মোহনপুরের যখন নিপাহ ভাইরাস দেখা দিল, তখন গ্রামবাসী। আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় খুঁজছিল। এমন সময় তোতা কবিরাজ গ্রামটিকে রক্ষা করার জন্য সচেষ্ট হন। তিনি চিনি পড়া, পানি পড়া দিয়ে চিকিৎসা দেন এবং অনেক টাকাপয়সা হাতিয়ে নেন। কিছুদিন পর নিপাহ ভাইরাস বিদায় নেয়। অবশ্য ইতিমধ্যে অনেক মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়। তবুও গ্রামের মানুষ তোতা কবিরাজের অলৌকিক ক্ষমতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে অর্থ-সম্পদ উপহার দেয় এবং ভয়ও করে।মোহনপুর গ্রামের মানুষগুলো যেন 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত মহব্বত নগর গ্রামের মানুষেরই প্রতিচ্ছবি- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- মজিদের আবিষ্কৃত পিরের নাম কী?
- আব্দুল্লাহ যখন শাহ পাড়ার গোলদার বাড়ি আসিয়া পৌছিল তখন বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর। সংবাদ পাইয়া গৃহস্বামী গোলদার ব্যস্ত সমস্ত হইয়া ছুটিয়া আসিল এবং তাহার দীর্ঘ শুভ্র শশ্মাশ্রুরাজি ভূলুণ্ঠিত করিয়া আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিতে উদ্যত হইল। এ ধরনের অভিনন্দনের জন্য আব্দুল্লাহ একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। পথে হঠাৎ সাপ দেখিলে মানুষ যেমন এক লম্ফে হটিয়া দাঁড়ায়, সেও তেমনি হটিয়া গিয়া বলিয়া উঠিল 'আহা, করেন কি, করেন কি, গোলদার সাহেব। কাসেম গোলদার বড়োই সরলপ্রাণ, ধর্মপরায়ণ, পিরভক্ত লোক। আব্দুল্লাহর পিতা তাহার পির ছিলেন, এক্ষণে তাহার মৃত্যুতে আব্দুল্লাহ তাঁহার স্থলাভিষিক্ত বলিয়া মনে করিয়া লইয়া সে আব্দুল্লাহর কদমবুসি করিবার জন্য নত মস্তকে হাত বাড়াইয়াছিল। কিন্তু আব্দুল্লাহ পা টানিয়া লওয়ায় সে উহা স্পর্শ করিতে পাইল না; তাহার মনে হইল বেহেশতের দুয়ারের চাবি তাহার হাতের কাছ দিয়া সরিয়া শেল।উদ্দীপকের আব্দুল্লাহর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের চারিত্রিক পার্থক্য দেখাও।
- ‘ধান দিয়া কী হইবো মানুষের জান যদি না থাকে’-উক্তিটি কার?
- 'সময়-অসময়ে মিথ্যে কথা না বললে নয়।'- উক্তিটির প্রাসঙ্গিক তা তুলে ধরো।
- অর্থনৈতিক দুরবস্থার জন্য বাবার বয়সি বজলু মিয়ার সাথে বিয়ে হয় আয়েশার। বিয়ের পরদাম্পত্য জীবনে খুব একটা সুখী নয় সে কারণ জোরে হাসা যাবে না, সাজগোজ করা যাবে না এমনকি পাড়া-প্রতিবেশীর বাড়িতেও যাওয়া বারণ। তাই স্বামীর বাড়িতে আয়েশার নিজেকে খাঁচায় বন্দি পাখি মনে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে আয়েশা এটাও বুঝতে পারে যে বজলু মিয়া গ্রামের মসজিদের ইমাম হলেও মিথ্যা কথা বলে গ্রামবাসীকে নানা রকম দোয়া, তাবিজ, ঔষধ দিয়ে বাড়তি পয়সা উপার্জন করে। এক সময় আয়েশা এসব সহ্য করতে না পেরে গ্রামবাসীর কাছে সব ফাঁস করে দেয়। তখন বজলু মিয়া সকলের কাছে মাফ চেয়ে বলে একটা বাড়তি আয়ের আশায় তিনি এ কাজ করেছেন।উদ্দীপকের আয়েশা চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ্' বলিত। সেই 'ফানাফিল্লাহ্'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন তাই জব্বার সময় একখণ্ড কালো মখমলের কাপড় দিয়া পীর সাহেবের চোখে মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের পীর সাহেবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে তা নির্ণয় কর।
- হিজলতলী গ্রামের মানুষগুলো অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক-বৃদ্ধ যুবক-বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর কিংবা বদরপীরের সাহায্যও কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকের ঘরেই হয়তো অভাব আছে কিন্তু তাদের দুঃখ-কষ্ট আছে কিনা তা বোঝা দায়। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা এদের ঠকায়।উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানষের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়- বর্ণনা করো।
- খোকনের দুই বউয়ের মধ্যে ছোট বেনু। সংসার কী তাসে বোঝে না। সুযোগ পেলে সমবয়সি বান্ধবীদের সাথেগল্প করে। হেসে-খেলে দিন কাটে তার। উদ্দীপকের বেনু 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের অনুরূপ?
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারীশিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্যবিবাহ নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়েও গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এছাড়া সেলাই ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখীশিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।উদ্দীপকের মুরাদপুর গ্রামের সমাজবাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের সমাজবাস্তবতার তুলনা করো।
- মজিদের মহব্বত নগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?
- আক্কাসের বাবার নাম কী?
- অর্জিত জ্ঞান মানুষের মূল্যবান সম্পদ। প্রকৃত শিক্ষা মানুষকে জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত করে তোলে। জ্ঞানচর্চা না করে কোনো জাতি উন্নতির শিখরে পৌছাতে পারে না। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালে আমরা এর সত্যতা সহজেই উপলব্ধি করতে পারি। শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করা তাই প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার- যার মাধ্যমে সে তার জাতিকে ক্রমমুক্তি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছে?
- ত্রিপুরা রাজ মন্দিরের পুরোহিত রঘুপতি মিথ্যা ধর্মবোধ ও অন্ধসংস্কারের ধারক। মন্দিরে বলিদান প্রথার বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদের বাণী ধ্বনিত হয় অপর্ণার মধ্যে। তার ছাগ-শিশু বলির বিচার দাবি 'বিসর্জন' নাটকের বিরোধের বীজ। এ বীজ প্রথম বপিত হয় রাজার হৃদয়ে। আর এ বপিত বীজের কারণে রাজার বিরুদ্ধে বিরোধ, জয়সিংহের আত্মবিসর্জন, রঘুপতির প্রতিমা বিসর্জন এবং পরিণতিতে মাতৃরূপে অপর্ণার নিকট রঘুপতির দর্প চূর্ণ হয়।উদ্দীপকের অপর্ণার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার সাদৃশ্য কতটুকু? ব্যাখ্যা করো।
- শীতের ফসল ওঠার মওসুমে গ্রামীণ কৃষিজীবী মানুষের হাতে নগদ অর্থ থাকে। এ সময় গ্রামীণ জনপদে পীরদের আনাগোনা শুরু হয়। মুরিদুরা অবশ্য তাদের বিমুখ করে না। পীরদের খাওয়াদাওয়া ও নগদ সম্মানীর পিছনে দুহাত ভরে খরচ করে মুরিদেরা। পীররাও এসময় সারা দেশে সফর করে আয় রোজগারে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করে।'উদ্দীপকের পীরদের মতো মজিদ ভ্রমণবিলাসী না হলেও সে এক জায়গায় শেকড় গেঁড়ে স্থায়ী আসন বিস্তার করেছে।'- মন্তব্যটি প্রসঙ্গে তোমার মতামত দাও।
- "সজ্ঞানে না জানলেও তারা একাট্টা, পথ তাদের এক।"-ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি সঠিক?
- খুলনা জেলার চুকনগরে রুথিত পির বাবার নাম আঃ লতিফ। চুকনগর হাইস্কুল রোডের একটি ঘরে তার আস্তানা। প্রতিদিন শত শত ভক্ত ও রোগী পানি, তেল, কলার মোচা পড়াসহ নানা তদবির নিতে আসে পির বাবার সান্নিধ্যে। তার আস্তানায় গিয়ে দেখা যায় টেবিলের উপর পানি, তেল ও দুধের বোতল, কলার মোচা, মাটি মাদুনিসহ নানা তদবিরের সামগ্রী। আর বাইরে অসংখ্যা মহিলাদের লাইন। সবার হাতে পানি ও তেলের বোতল। একেক জনকে একেকভাবে চিকিৎসা করছেন তিনি। তার আস্তানায় ৪টি সাইনবোর্ড আছে। যার একটিতে লেখা শিক্ষাগত যোগ্যতা, একটিতে রোগের চিকিৎসা ফি। সাপে কাটা ফি ৫০০ টাকা, কুকুরে কামড়ানো ফি ২৫০ টাকা, বিড়ালে কামড়ানো ফি ১৫০ টাকা, অর্শরোগী ২০০ টাকা, জিনে ধরা ফি ৩০০ টাকা, প্রয়োজনে বারণ ফি ১০০ টাকা, বাড়ি বন্ধ করা ফি ৩০০ টাকা। বহু রোগী তাদের রোগ নিরাময়ের জন্য হুজুরের দরবারে আসে। আশপাশের অনেকেই যুজুরের পানি পড়াতে সুস্থ হয়ে গেছে এই গুজব শুনে এসেছে তারা।উদ্দীপকের চুকনগরের সমাজবাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরের সমাজবাস্তবতার সাদৃশ্য দেখাও।
- খালেক ব্যাপারির প্রথম পক্ষের স্ত্রীর নাম কী?
- এমবিবিএস পাশ করে রাগিব গ্রামে ফিরে আসে-সেখানে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতেই গ্রাম্য কবিরাজ ফাহাদ খেপে ওঠে এবং ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে থাকে। গ্রামের মাতব্বর নওয়াজকে অর্থ দিয়ে হাত করে নেয় সে; রাগিবের প্রথম প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়। কিন্তু থেমে যায়নি রাগিব। শহরে গিয়ে ওপর মহলে তদবির করে সে সরকারি অনুমোদন ও অনুদান সংগ্রহ করে এবং গ্রামে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেই ছাড়ে।"উদ্দীপকের ফাহাদ-নওয়াজ আর 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ-খালেক ব্যাপারী-এরা সব একই সুতায় বাঁধা।"- উক্তিটি প্রমাণ করো।
- "ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?" উক্তিটি কার?
- 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের কাদের পীর হিসেবে পরিচিত। এক পূর্ণিমা রাতে বাঁশঝাড়ে একজন মহিলাকে হত্যা করলে স্কুল শিক্ষক 'আরেফ আলি' তা দেখতে পায়। তখন কাদেরের চরিত্র সম্পর্কে 'আরেফ আলির' বুঝতে বাকি থাকে না যে সে ভন্ডপির। তখন 'আরেফ আলি' সমস্ত ঘটনা পুলিশকে বললেও পুলিশ তা বিশ্বাস করতে পারে না।উদ্দীপকের কাদেরের চরিত্রের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
- জমিলা কে? সংক্ষেপে তার পরিচয় দাও।
- কোন ঘটনায় মজিদ 'বিস্ময়করভাবে নিঃসঙ্গ বোধ' করে?
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপসহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষক, স্বৈচরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০, সর্বোপরি ১৯৭১ সালে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর যথার্থ নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশে স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবার নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।'উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধু এবং তোমার পঠিত নাটকের সিরাজউদ্দৌলা একই সূত্রে গাঁথা।'- মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ করো।
- 'ওটা ছিল নিশানা আর সুখের।' কথাটি বুঝিয়ে লেখ।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র জন্মমৃত্যু সাল কোনটি?
- 'ও যেন ঘোর পাপী। পাপের জ্বালায় এখন ছটফট করছে।' এখানে কার কথা বলা হয়েছে?