বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদ রূপনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক ইমরান গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল।
কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।
উদ্দীপকের ইমরান 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্র ও ঘটনাকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।
কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।
উদ্দীপকের ইমরান 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্র ও ঘটনাকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সুখে থাকিয়া এবং পেট ভরিয়া খাইয়া কিছুদিনের মধ্যে ভিখুর দেহে পূর্বের স্বাস্থ্য ফিরিয়া আসিল। তাহার ছাতি ফুলিয়া উঠিল, প্রত্যেকটি অঙ্গ সঞ্চালনে হাতের ও পিঠের মাংসপেশি নাচিয়া উঠিতে লাগিল। অবরুদ্ধ শক্তির উত্তেজনায় ক্রমে ক্রমে তাহার মেজাজও উদ্ধত অসহিষ্ণু হইয়া পড়িল। অভ্যস্ত বুলি আওড়াইয়া কাতরভাবে সে এখন ভিক্ষা চায়। কিন্তু ভিক্ষা না পাইলে তাহার ক্রোধের সীমা থাকে না। লোকজন না থাকিলে তাহার প্রতি উদাসীন পথিককে অশ্লীল গাল দিয়া বসে। এক পয়সার জিনিস কিনিয়া ফাউ না পাইলে দোকানিকে মারিতে ওঠে। নদীর ঘাটে মেয়েরা স্নান করিতে নামিলে ভিক্ষা চাহিবার ছলে জলের ধারে গিয়া দাঁড়ায়।'ভিখুর মতো রমণীদেহের প্রতি মজিদেরও লোলুপ দৃষ্টি ছিল।'- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক নয়?
- রমজান ও হালিমার দশ বছরের সংসার। বিয়ের পর থেকে অনেক চেষ্টার পরও তাদের কোনো সন্তান হয় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা অনেক দূরে এক গ্রামের কেরামত নামক কবিরাজের সন্ধান পায়। সন্তান লাভের আশায় ব্যাকুল রমজান দ্রুত হালিমাকে সেখানে নিয়ে যায়। কবিরাজ হেকমত অনেকক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে বলেন "পেটে বেড়ি পড়ে বইলাইতো স্ত্রীলোকের সন্তানাদি হয় না, কারো পড়ে সাত প্যাঁচ কারো চৌদ্দ।উদ্দীপকের কেরামত কবিরাজ এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের লোক ঠকানোই পেশা- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবা কে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম' পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন। ..... তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখ-মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাঁহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের ফরাসি অনুবাদক কে?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি,'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- লালসালু' উপন্যাস 'মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'মজিদের মন ক-দিন ধরে চিন্তায় ঘোরপাকখায়'।— কারণ কী?
- কোনটি সঠিক?
- রহিমা মজিদের দ্বিতীয় বিয়েতে প্রতিবাদ করে নাকেন?স্বামীভক্তিধর্মনিষ্ঠাসমাজের আনুগত্যনিচের কোনটি সঠিক?
- কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?
- "এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়, সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া বৃক্ষ"- কেন?
- শনির হাওরের পারে গোটা কয়েক বাড়ি নিয়ে গিয়াসের গ্রাম। ঘর হতে দু'পা ফেলতেই হাওরের শুরু, শেষটা চোখে আন্দাজ করা যায় না। ধান আর মাছ নিয়ে তাদের জীবন। বানের পানিতে ধান তলিয়ে গেলে তারা চোখে অন্ধকার দেখে। অসুখ-বিসুখে ওপাড়ার পিরের পানি আর তেল পড়াই তাদের ভরসা। গত বছর গিয়াস তার নিঃসন্তান স্ত্রীকে নিয়ে শহরে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিল। বেপর্দাভাবে স্ত্রীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ায় পিরের বাড়িতে ডাক পড়ল গিয়াসের। তখন আতরের সুবাস আর আগরের ধোঁয়ায় পির সাহেবের মুখ দেখাই যাচ্ছিল না। যেনো অদৃশ্য কণ্ঠের ঘোষণা হলো গিয়াসকে গ্রাম ছাড়তে হবে। পিরের ঘোষণাপত্র তার সাগরেদরা তা বাস্তবায়ন করল।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে?
- নিরাক পড়া এক মধ্যাহ্নে গ্রামে আগত মজিদ কার বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণ করে?
- মজিদ বুড়াকে মাজারে কয় পয়সার সিন্নি দিতে বলেছেন?
- বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক কে?
- এ পৃথিবীর মৎস্য-মাংসে আমাদের কিছু অধিকার আছে। খাইতে দাও- নহিলে চুরি করিব। আমাদের কৃষ্ণ চর্ম, শুষ্ক মুখ, ক্ষীণ সকরুণ মেও মেও শুনিয়া তোমাদিগের কি দুঃখ হয় না? চোরের দন্ড আছে, নির্দয়তার কি দণ্ড নাই? দরিদ্রের আহার সংগ্রহের দণ্ড আছে, ধনীর কার্পণ্যের দণ্ড নাই কেন? তুমি কমলাকান্ত, দূরদর্শী, কেন না আফিংখোর, তুমিও কি দেখিতে পাও না যে, ধনীর দোষেই দরিদ্র চোর হয়? পাঁচশত দরিদ্রকে বঞ্চিত করিয়া একজনে পাঁচ শত লোকের আহার্য সংগ্রহ করিবে কেন? যদি করিল, তবে সে আহার খাইয়া যাহা বাচিয়া পড়ে, তাহা দরিদ্রকে দিবে না কেন? যদি না দেয়, তবে দরিদ্র অবশ্য তাহার নিকট হইতে চুরি করিবে; কেননা, অনাহারে মরিয়া যাইবার জন্য এ পৃথিবীতে কেই আসে নাই।সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত 'লালসালু' উপন্যাসের এক প্রতিবাদী চরিত্র জমিলা ও উদ্দীপকের 'বিড়াল' চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- মহাসড়কের পাশে পুরাতন একটি কবরকে মাজার বানিয়ে জমজমাট ব্যবসায় চালিয়ে যাচ্ছে মোখলেছ। কবরটিকে মাজারে রূপান্তরিত করার ঘটনাটি ছিল বেশ নাটকীয়। একদিন একটি যাত্রীবাহী বাস কবরটির পাশে সামান্য ধাক্কা লেগে থেমে যায়। ঠিক তখনি কবরের পাশে দাঁড়ানো মোখলেছ ড্রাইভারকে ধমকে বলে, "ল্যাংটা বাবার সাথে বেয়াদবি। সামনে তোর জন্য মহাবিপদ অপেক্ষা করছে। বাঁচতে চাইলে বাবার দরবারে যার যা আছে ফেলে যা।" মুহূর্তের মধ্যে বাসের জানালা দিয়ে কবরের পাশে বৃষ্টির মতো পড়তে লাগলো দশ টাকা, বিশ টাকা এবং একশ টাকার নোট।উদ্দীপকের মোখলেছ এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের আত্মপ্রতিষ্ঠা একই সূত্রে গাঁথা।"-মতামত দাও।
- জনাব নুরুল ইসলাম একজন শিল্পপতি। দীর্ঘকাল পর তিনি নিজ গ্রামে এসে দেখেন, এখানকার মানুষ এখনও দুঃখদুর্দশা আর অভাব-অনটনে জর্জরিত। তাই তিনি মনিস্থর করেন যে, গ্রামে একটি ফ্যাক্টরি স্থাপন করবেন। এতে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু গ্রামের চেয়ারম্যান তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, বেকার লোকেরা কর্মজীবী হয়ে গেলে তাদেরকে আর মিটিং-মিছিলে ব্যবহার করা যাবে না।উদ্দীপকের শিল্পপতির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ?। ব্যাখ্যা করো।
- লক্ষ্মীপুর গ্রামের দাহির ও পারুলের আজ সাত বছরের সংসার। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো তাদের কোনো সন্তান নেই। এজন্য স্বামী-স্ত্রী উভয়েই চরম হতাশায় নিমজ্জিত। এমন অবস্থায় তারা শুনতে পায়; পাশের গ্রামের চেয়ারম্যানের বাড়িতে এক কামেল পির সাহেব এসেছে। তাদের মনে যেন আশার আলো, জ্বলে। স্ত্রী পারুলকে সাথে নিয়ে পরদিনই দাহির পির সাহেবের সাথে সাক্ষাৎ করে। পির সাহেব পারুলকে অনেকক্ষণ নিরীক্ষণ করে জানায়, 'পেটে বেড়ি পড়ে বইলাই তো স্ত্রীলোকদের সন্তান হয় না।'"উদ্দীপকের পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের বর্ণিত পির সাহেবের চেয়ে বেশি ক্ষমতাশালী নয়।"-এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- আওয়ালপুর ও মহব্বতনগরের মাঝপথে কোন গাছ পড়ে?
- ইচ্ছা পূরণের জন্য মানুষ অনেক কিছুই করে। যেমনটি করেছিলেন সকিনা বেগম। বিশ বছরের বিবাহিত জীবনে যখন তিনি কোনো সন্তানের মা হতে পারেননি, তখন একদিন স্বামীর কাছে তার ইচ্ছার কথা বলেন- তিনি একটি সন্তান দত্তক নিতে চান। তাঁর স্বামী আফাজ আলী স্ত্রী হিসেবে তাঁকে যথেষ্ট সম্মান করেন। সন্তান লাভের আশায় আফাজ আলী তাঁর স্ত্রীর প্রস্তাবে রাজি হন এবং একটি অনাথ শিশুকে দত্তক নেন। এভাবে তিনি স্ত্রীর ইচ্ছা পূরণ করে তাঁর মর্যাদা দান করেন।উদ্দীপকে আফাজ আলী যেভাবে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছেন, মজিদ সেভাবে পারেনি- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারী সমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্ন্যা ছাড়া তাদের আর কোন অধিকার ছিল না।উদ্দীপকের বর্ণিত বিষয়গুলো ছাড়া 'লালসালু' উপন্যাসে নারী অবমাননার আর কী কী চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে?
- রহিমা আমেনা বিবির জন্য শখ করে কী রান্না করেছিল?
- লালসালু উপন্যাসে মজিদ কীভাবে তার প্রভাবপ্রতিষ্ঠিত করে?
- ধলা মিয়াকে আওয়ালপুরের পিরের কাছে পানিপড়াআনতে পাঠিয়েছিল কে?
- একসময় পরম অনাদর ও অব্যবস্থা থেকে ওঠা আলেয়া গ্রামবাসীর কাছে হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এলাকায় পীর হিসেবে পরিচিত ওদুদের দ্বিতীয় স্ত্রীর মর্যাদা পাওয়ায় তার এ কদর। দূরদূরান্তে থেকে লোকজন প্রতিদিন তার কাছে নানা তদবির নিয়ে আসে.। আলেয়া তাদের আবদার হাসিমুখে মেনে নেয়।স্বামীর প্রভাব-প্রতিপত্তিই মূলত আলেয়ার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার কারণ'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত দাও।
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'কলমা জানো মিঞা?'- মজিদ প্রশ্নটি কাকে করেছে?
- 'ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।'- কোন ব্যাপারটা এবং কেন?
- বন্ধয়া গ্রামের মানুষগুলো গোলাভরা ধান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক থেকে বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর-বা বদরপীরের সাহায্যও নিয়ে থাকে। এ গ্রামের অনেকের ঘরেই দুঃখ থাকা সত্ত্বেও তারা সেটা বাইরে প্রকাশ করে না। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ অত্যন্ত পরিশ্রমী ও কর্মঠ। তাদের কণ্ঠভরা গান আছে, কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞানহীন অজ্ঞ।' উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারীশিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্যবিবাহ নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়েও গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এছাড়া সেলাই ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখীশিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।উদ্দীপকের মুরাদপুর গ্রামের সমাজবাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের সমাজবাস্তবতার তুলনা করো।
- হিজলতলী গ্রামের মানুষগুলো অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক-বৃদ্ধ যুবক-বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর কিংবা বদরপীরের সাহায্যও কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকের ঘরেই হয়তো অভাব আছে কিন্তু তাদের দুঃখ-কষ্ট আছে কিনা তা বোঝা দায়। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা এদের ঠকায়।'এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ'- উদ্দীপকের এই উক্তির আলোকে মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরো।
- অর্জিত জ্ঞান মানুষের মূল্যবান সম্পদ। প্রকৃত শিক্ষা মানুষকে জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত করে তোলে। জ্ঞানচর্চা না করে কোনো জাতি উন্নতির শিখরে পৌছাতে পারে না। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালে আমরা এর সত্যতা সহজেই উপলব্ধি করতে পারি। শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করা তাই প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার- যার মাধ্যমে সে তার জাতিকে ক্রমমুক্তি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।"উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের চিন্তার পরিপন্থী"- মন্তব্যটির সত্যতা বিচার কর।
- সুপ্রভা প্রভুত্ব করার চেয়ে নির্ভর করিতেই ভালোবাসে বেশি, আদর পাওয়াটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্য। মন্দার গৃহিণীপনার ভিত্তিও ওইখানেই-সুপ্রভাকে সে নয়নের মণি করিয়া রাখিয়াছে। কে বলিবে সুপ্রভা তাহার সতিন? স্নেহ-যত্নে সুপ্রভার দিনগুলিকে সে ভরাট করিয়া রাখে। সতিনের সংসারেও তাই এখানে কলহ-বিবাদ মান-অভিমান মন-কষাকষি নাই।"উদ্দীপকের মন্দার ও সুপ্রভার চেয়ে পাঠ্য উপন্যাসের রহিমা ও জমিলা অধিকতর প্রাণবন্ত ও শক্তিশালী।"-বিশ্লেষণ করো।
- উদয়পুর গ্রামের মোড়ল সাহেবের ভৃত্য গফুর মিয়ার সন্তান সাফল্যের সঙ্গে পিএসসি পাশ করে। দূরবর্তী গ্রামে সন্তানকে পাঠিয়ে হাই স্কুলে পড়ানোর সামর্থ্য নেই বিধায় গফুর মোড়লের আর্থিক সাহায্য ও পরামর্শ চায়। কিন্তু মোড়ল তার সন্তানকে লেখাপড়ায় নিরুৎসাহিত করে এবং বলে গরিবের লেখাপড়া করে কী হবে? বরং আর্থিক সচ্ছলতার জন্য গফুরের সন্তানকে ঋণের মাধ্যমে অটোরিকশা কিনে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। ভৃত্য গফুর মোড়লের এই পরামর্শ মেনে নিতে বাধ্য হয়। ফলে সন্তানের লেখাপড়ার ইতি ঘটে।উদ্দীপকে 'মোড়লের অটোরিকশা কিনে দেওয়ার পরামর্শ' এবং 'লালসালু' উপন্যাসের 'মজিদের মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব'-এর সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- মজিদের ভাষায় স্ত্রীলোকদের সন্তানাদি হয় না কেন?
- তাহেরের বাপ নির??দ্দেশ হয়ে যায় কেন?
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়।' 'লালসালু'উপন্যাসের এ বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে মজিদের—
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারী সমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্ন্যা ছাড়া তাদের আর কোন অধিকার ছিল না।"উদ্দীপকের বর্ণিত বিষয়গুলো রহিমার মধ্যে বিদ্যমান"- মন্তব্যটির পক্ষে ও বিপক্ষে মতামত দাও।
একাউন্টে প্রবেশ করুন
ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করা বাধ্যতামূলক।