'এক পির সাহেব আইছেন না হেই গেরামে, তানি নাকি মরা মাইনষেরে জিন্দা কইরা দেন।'- উক্তিটি কার?
A.
ধলা মিয়ার
B.
খালেক ব্যাপারীর
C.
রহিমা বিবির
D.
আমেনা বিবির
সঠিক উত্তরঃ
C.
রহিমা বিবির
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'ওনারে কন, আমার মওতের জন্য জানি দোয়া করে'— উক্তিটি কার?
- মতিয়ার হঠাৎ ধার্মিক হয়ে উঠেছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সে মসজিদে জামাতের সঙ্গে পড়ে। পোশাকের পরিবর্তন হয়েছে। সে এখন পাজামা পাঞ্জাবী পরে। মুখ ভর্তি দাড়ি রেখেছে। মসজিদের ইমাম সাহেবের ফতোয়া মোতাবেক একদিন হঠাৎ বাড়ী ফিরে তার দামি টেলিভিশনটি ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে ফেলে। স্ত্রী সন্তানরা বাধা দিতে এলে সে ক্ষোভের সংগে উত্তর দেয়, "এগুলো শরিয়ত বিরোধী কাজ। দুনিয়ার জীবন কোনো জীবনই নয়। পরকালের জন্য নিজেকে তৈরি কর।"উদ্দীপকের মতিয়ারের সঙ্গে গ্রামের মানুষের সাদৃশ্য দেখাও।
- ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ্' বলিত। সেই 'ফানাফিল্লাহ্'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন তাই জব্বার সময় একখণ্ড কালো মখমলের কাপড় দিয়া পীর সাহেবের চোখে মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।"উদ্দীপকে বর্ণিত পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত মজিদেরই প্রতিচ্ছবি।”- বিশ্লেষণ কর।
- 'লালসালু' উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
- 'অমন কথা কইওনা বিটি, ঘরে বালা আইসে।'- উক্তিটি কার?
- সমৃদ্ধ মহব্বতনগর গ্রামে কী নেই?
- কে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত?
- 'আসলে সে ঠান্ডা, ভীতু মানুষ'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
- নিঃস্ব সালেহার একটিমাত্র পুত্র ছাড়া আপন বলতে কেউ নেই। আর আছে যৎসামান্য অর্থ। পুত্রের মৃত্যুতে সে দিশেহারা হয়ে তান্ত্রিকের কাছে ছুটে যায় সহায়-সম্বল নিয়ে।উদ্দীপকের ঘটনার সাথে উপন্যাসের কোন বাক্যটির সাদৃশ্যপূর্ণ??
- “তোমার দাড়ি কই মিঞা”- উক্তিটি কাকে উদ্দেশ্যকরে বলা?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারী সমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্ন্যা ছাড়া তাদের আর কোন অধিকার ছিল না।উদ্দীপকের বর্ণিত বিষয়গুলো ছাড়া 'লালসালু' উপন্যাসে নারী অবমাননার আর কী কী চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে?
- উম্মত মিয়া অনেক বছর আগেই তাঁর জন্মস্থান ছেড়ে, জীবিকার সন্ধানে যশোর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে উম্মত মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। মানুষ তার মানবিকতা ও ব্যক্তিত্বের জন্য সম্মান করে।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপান্যাসের প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- "চাঁদের অমাবস্যা' রচিয়তা কে?
- মহব্বতনগর গ্রামটি মতিগঞ্জ সড়কের কোনদিকে?
- মজিদের মহব্বত নগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?
- "শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।
- নাজমুল হোসেন একজন শিক্ষক। তিনি প্রগতিশীল ও আধুনিক মননের অধিকারী। তিনি তার ছাত্রদের আধুনিক চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে গড়ে তুলতে চান। যেকোনো বিষয়ে যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে চান। ধর্মীয় কুসংস্কার ও গোঁড়ামি থেকে মুক্ত করে তাদের বিজ্ঞানমনষ্ক করার চেষ্টা করেন। এতে কেউ কেউ তার বিরাগভাজন হলেও তিনি পিছপা হন না।"উদ্দীপকের নাজমুল হোসেন ধীরে ধীরে সফলতার পথে থাকলেও লালসালুর আজাসকে শুরুতেই মূলোৎপাটন করা হয়।"- মন্তব্যটি পরীক্ষা কর।
- উদ্দীপকের সংকেত অনুসারে সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করো।
- ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবা কে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম' পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন। ..... তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখ-মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাঁহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? আলোচনা করো।