অন্ন চাই, প্রাণ চাই, আলো চাই, চাই মুক্ত বায়ু
চাই বল, চাই স্বাস্থ্য, আনন্দ-উজ্জ্বল পরমায়ু’
সাহস বিস্তৃত বক্ষপট। এ দৈন্য-মাঝারে কবি,
একবার নিয়ে এসো স্বর্গ হতে বিশ্বাসের ছবি।
উক্ত চরিত্র সৃষ্টিতে লেখকের মূল উদ্দেশ্য হলো-
- নির্জীব ধর্মতন্ত্রের বিরুদ্ধে পদাঘাত ও সজীব
প্রাণধর্মের জাগরণ - শেকড় গাড়া কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও ভীতির
সঙ্গে সুস্থ ও মুক্ত জীবনাকাঙ্ক্ষার দ্বন্দ্ব - ধর্মব্যবসায়ী মজিদের অস্তিত্ব সংকট ও সংকটের
একটি মানবীয় দ্বন্দ্বময় রূপ সৃষ্টি
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i
B.
i ও ii
C.
iii
D.
i, ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
D.
i, ii ও iii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- কে জমিলাকে প্রথম মজিদকে দেখায়?
- ধলামিয়াকে আওয়ালপুরের পিরের কাছে পাঠিয়েছেন কে?
- সুড়ঙ্গ নাটকটি কার লেখা ?
- কোনটি উপন্যাস?
- চেয়ারম্যান সাহেব হরিণমারী গ্রামের কৃতী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করেন। এর মাধ্যমে পরবর্তী জেনারেশন অনুপ্রাণিত বোধ করে। গ্রামের সাধারণ মানুষ এতে নির্দ্বিধায় সমর্থন জানালেও একজন মাতব্বর তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তার মতে, শিক্ষিত মানুষরা বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখাশোনা করে না। কাজেই বেশি শিক্ষা দরকার নেই। এ উত্তরে চেয়ারম্যান 'সাহেব বলেন, 'কোনো শিক্ষার সাথেই বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সেবাযত্ন নেওয়ার সমস্যা নেই বরং শিক্ষিত মানুষেরা চাকরি থেকে উপার্জন দিয়ে বাবা-মায়ের সেবাযত্ন করতে পারে; ভুল শিক্ষা বা অজ্ঞানতার জন্যই মানুষ কুসংস্কারে বিশ্বাসী হয় এবং অন্যায় কাজ করে।' "কুসংস্কারই উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের সমাজে অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।"- মন্তব্যটি যাচাই ই করো।
- সমৃদ্ধ মহব্বতনগর গ্রামে কী নেই?
- ‘বহিপীর’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- রহিম উদ্দীন মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অনেক টাকা উপার্জন করেন। এলাকায় তাঁর দানে রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু তাঁর মনে সুখ নেই। তিনি নিঃসন্তান। অনেকেই তাঁকে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেননি।উদ্দীপকে প্রতিফলিত ইতিবাচক জীব-চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- তাহেরের বাপ নিরুদ্দেশ হয়ে যায় কেন?
- প্রাগপুর গ্রামে একজন খ্রিষ্টান ধর্মযাজক এসেউপস্থিত হন। বিপদে-আপদে গ্রামের সাধারণমানুষেরা তাঁর কাছে আসতে শুরু করলে গ্রামেরপুরোহিত নিজের যশ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করতেলাগলেন । উদ্দীপকের পুরোহিতের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসেরকোন চরিত্রের মিল রয়েছে?
- ‘লালসালু’ উপন্যাসে রহিমার পেটে কত প্যাচ বেড়ি রয়েছে?
- আওয়ালপুর ও মহব্বতনগরের মাঝপথে কোন গাছ পড়ে?
- সুখে থাকিয়া এবং পেট ভরিয়া খাইয়া কিছুদিনের মধ্যে ভিখুর দেহে পূর্বের স্বাস্থ্য ফিরিয়া আসিল। তাহার ছাতি ফুলিয়া উঠিল, প্রত্যেকটি অঙ্গ সঞ্চালনে হাতের ও পিঠের মাংসপেশি নাচিয়া উঠিতে লাগিল। অবরুদ্ধ শক্তির উত্তেজনায় ক্রমে ক্রমে তাহার মেজাজও উদ্ধত অসহিষ্ণু হইয়া পড়িল। অভ্যস্ত বুলি আওড়াইয়া কাতরভাবে সে এখন ভিক্ষা চায়। কিন্তু ভিক্ষা না পাইলে তাহার ক্রোধের সীমা থাকে না। লোকজন না থাকিলে তাহার প্রতি উদাসীন পথিককে অশ্লীল গাল দিয়া বসে। এক পয়সার জিনিস কিনিয়া ফাউ না পাইলে দোকানিকে মারিতে ওঠে। নদীর ঘাটে মেয়েরা স্নান করিতে নামিলে ভিক্ষা চাহিবার ছলে জলের ধারে গিয়া দাঁড়ায়।'ভিখু ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের টিকে থাকার সংগ্রাম এক কিন্তু পদ্ধতি ভিন্ন'- বিশ্লেষণ কর।
- নাজমুল হোসেন একজন শিক্ষক। তিনি প্রগতিশীল ও আধুনিক মননের অধিকারী। তিনি তার ছাত্রদের আধুনিক চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে গড়ে তুলতে চান। যেকোনো বিষয়ে যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে চান। ধর্মীয় কুসংস্কার ও গোঁড়ামি থেকে মুক্ত করে তাদের বিজ্ঞানমনষ্ক করার চেষ্টা করেন। এতে কেউ কেউ তার বিরাগভাজন হলেও তিনি পিছপা হন না।উদ্দীপকের নাজমুল হোসেন এবং 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের মানসিকতার সাদৃশ্য নির্ণয় কর।
- 'লালসালু' কোন ধরনের উপন্যাস?
- এত শ্রম, এত কষ্ট, তবু কীসের ঠিকানা নেই?
- "পাথর এবার হঠাৎ নড়ে ।" ’লালসালু' উপন্যাসে এই ‘পাথর’ দ্বারা কাকে বুঝানো হয়েছে?
- বাংলাদেশের একটি ছোট্ট জনপদ বসন্তপুর। সভ্য জীবনের কোনো ছোঁয়া এখানে নেই। অসুখে-বিসুখে আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া তাবিজ, ঝাড়ফুঁক, পানিপড়াই তাদের একমাত্র ভরসা। এ গ্রামের মেয়ে হনুফা নিরক্ষর হলেও তার কথাবার্তা ও চিন্তাচেতনায় বুদ্ধিমত্তার ছাপ স্পষ্ট। আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া কেরামতিতে সে আদৌ বিশ্বাস করে না। গ্রামবাসীদের সে আবুল মিয়ার ভণ্ডামি সম্পর্কে সচেতন করে এবং যেকোনো অসুস্থতায় আবুল মিয়ার কাছে না গিয়ে শত কষ্ট হলেও ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।উদ্দীপকের বসন্তপুর গ্রামের মানুষের চেতনার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের চেতনার সাদৃশ্য দেখাও।
- 'যোগসূত্র হচ্ছে রহিমা'-ব্যাখ্যা করো।
- 'মরা মানুষ জিন্দা হয় কেমনে' উক্তিটি কার?
- 'নিরাক পড়া' কী?
- আব্দুল্লাহ যখন শাহ পাড়ার গোলদার বাড়ি আসিয়া পৌছিল তখন বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর। সংবাদ পাইয়া গৃহস্বামী গোলদার ব্যস্ত সমস্ত হইয়া ছুটিয়া আসিল এবং তাহার দীর্ঘ শুভ্র শশ্মাশ্রুরাজি ভূলুণ্ঠিত করিয়া আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিতে উদ্যত হইল। এ ধরনের অভিনন্দনের জন্য আব্দুল্লাহ একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। পথে হঠাৎ সাপ দেখিলে মানুষ যেমন এক লম্ফে হটিয়া দাঁড়ায়, সেও তেমনি হটিয়া গিয়া বলিয়া উঠিল 'আহা, করেন কি, করেন কি, গোলদার সাহেব। কাসেম গোলদার বড়োই সরলপ্রাণ, ধর্মপরায়ণ, পিরভক্ত লোক। আব্দুল্লাহর পিতা তাহার পির ছিলেন, এক্ষণে তাহার মৃত্যুতে আব্দুল্লাহ তাঁহার স্থলাভিষিক্ত বলিয়া মনে করিয়া লইয়া সে আব্দুল্লাহর কদমবুসি করিবার জন্য নত মস্তকে হাত বাড়াইয়াছিল। কিন্তু আব্দুল্লাহ পা টানিয়া লওয়ায় সে উহা স্পর্শ করিতে পাইল না; তাহার মনে হইল বেহেশতের দুয়ারের চাবি তাহার হাতের কাছ দিয়া সরিয়া শেল।"পিরপ্রথার বিস্তারে কেবল পিররা নয়, সাধারণ জনগণও সমানভাবে দায়ী।"- উক্তিটি উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে প্রমাণ কর।
- মহব্বতনগর গ্রামের মহিলাদের সাথে মজিদেরযোগসূত্ৰ—
- 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।' ব্যাখ্যা করো।
- হীরক রা??ার দর্শন হলো; যে যত জানে সে তত কম মানে। তাই স্কুল বন্ধ করে দেয়া হলো।
- 'শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই সতর্ক হয়ে ওঠে তার চোখ।'- কার চোখ, কেন?
- 'জমিলা যেন ঠাঁটাপড়া মানুষের মতো হয়ে গেছে'- বাক্যটি ব্যাখ্যা করো।
- আগে এক গ্রাম্য মাতব্বরের শাসন ও শোষণে অতিষ্ঠ ছিল স্বরপুর গ্রামের মানুষ। এখন সেখানে এসে জুটেছে এক ভন্ড চিকিৎসক। অলৌকিক তার চিকিৎসা পদ্ধতি। সে নিজেকে 'জিনের বাদশা' পরিচয় দেয়। বন্ধ্যত্ব, পঙ্গুত্ব, ক্যান্সার প্রভৃতি রোগ নিয়ে লোকেরা তার কাছে আসে। মানুষের অসহায়ত্ব ও সরলতার সুযোগ নিয়ে সে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়। মাতব্বরের কাছে নালিশ করেও কোনো প্রতিকার মেলে না। কারণ, চোরে চোরে মাসতুত ভাই।'চোরে চোরে মাসতুত, ভাই' কথাটি 'লালসালু' উপন্যাসের যে, দিকটির ইঙ্গিত করে, তার পরিচয় দাও।
- বহিপীর: ……বিবি সাহেব-তাহেরা: (বাধা দিয়ে উচ্চস্বরে) আমাকে বিবি ডাকবেন না। বিয়েতে আমি মত দিই নাই। আপনার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়নি।বহিপীর: (একটু রেগে) আপনি মত না দিলেও আপনার বাপজান দিয়েছেন। তাহা ছাড়া সাক্ষী সাবুদ সমেত কাবিননামাও হইয়া গিয়াছে। এখন সেকথা বলিলে চলবেকেন। (সুর বদলিয়ে) দেখুন মন দিয়া আমার কথা শুনুন।তাহেরা: (আবার বাধা দিয়ে) আমি আপনার কোনো কথা শুনতে চাই না। আমার বাপজান আর সৎমা আপনাকে খুশি করার জন্য আপনার সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন। আমি যেন কোরবানির বকরি। আপনি পুলিশে খবর দিতে পারেন, আপনি আমার বাপজানকে ডেকে পাঠাতে পারেন, আমার ওপর জুলুম করতে পারেন। কিন্তু আমি আপনার সঙ্গে যাব না।উদ্দীপকটিতে 'লালসালু' উপন্যাসের একটি খন্ডাংশের ইঙ্গিত রয়েছে- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'পোলা মাইনষের মাথায় একটা বদ খেয়াল ঢুকছে'- উক্তিটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'কলমা জানো মিঞা?' মজিদ কাকে এ প্রশ্ন করেছে?
- 'সে বলে পীর সাহেব সূর্যকে ধরে রাখার ক্ষমতা রাখে।'- উক্তিটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে'- কোন প্রসঙ্গে কথাটি বলা হয়েছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে কে হাঁপানি রোগে আক্রান্ত?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যেরস্থান কোথায়?
- কারুবাসনা উপন্যাসের লেখক কে?
- 'তোরে না বুইঝা কষ্ট দিছি হে-দিন'— কাকে কষ্টদিয়েছে?
- আওয়ালপুর ও মহব্বতনগরের মাঝ পথে একটা মস্ত কী গাছ আছে?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।- ব্যাখ্যা করো।
- অতি সন্তর্পণে ধানের ফাঁকে ফাঁকে তারা নৌকাচালায় কেন?