বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক কে?
A. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
B. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
C. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগার
D. প্যারীচাঁদ মিত্র
সঠিক উত্তরঃ
D.
প্যারীচাঁদ মিত্র
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপসহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষক, স্বৈচরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০, সর্বোপরি ১৯৭১ সালে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর যথার্থ নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশে স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবার নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।'উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধু এবং তোমার পঠিত নাটকের সিরাজউদ্দৌলা একই সূত্রে গাঁথা।'- মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ করো।
- 'পায়ের আঙুলে দাড়িয়ে বকের মতো গলা বাড়িয়ে পির সাহেবকে একবার দেখার চেষ্টা করে।' যার সম্পর্কে এই কথা বলা হয়েছে
- শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- হাসুনির মাকে বুড়ো বেধড়ক প্রহার করে কেন?
- শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই কে সতর্ক হয়ে ওঠে?
- জাহিদ শহর থেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরেআসে এবং গ্রামের মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা দেখেব্যাথিত হয়। সে গ্রামে শিক্ষার আলো জ্বালাতে একটিনৈশ বিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত ???েয়।অনুচ্ছেদের জাহিদের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসেরকোন চরিত্র সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'রহিমা ভাবে, আমেনা বিবির হৃদয়ের সঙ্গে তার 'হৃদয়ের কোথায় যেন সমতা।'- এই সমতার কারণ তারা উভয়ই-
- দেশটা কেমন মরার দেশ'- এখানে কোন অঞ্চলের কথা বলা হয়েছে, কেন?
- 'লালসালু' উপন্যাসে অবিশ্রান্ত ঢোলক বেজে চলে কোথায়?
- মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- মজিদ আক্কাসকে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয় কেন?
- 'জমিলা যেন ঠাঁটাপড়া মানুষের মতো হয়ে গেছে'- বাক্যটি ব্যাখ্যা করো।
- প্রাগপুর গ্রামে একজন খ্রিষ্টান ধর্মযাজক এসেউপস্থিত হন। বিপদে-আপদে গ্রামের সাধারণমানুষেরা তাঁর কাছে আসতে শুরু করলে গ্রামেরপুরোহিত নিজের যশ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করতেলাগলেন । উদ্দীপকের পুরোহিতের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসেরকোন চরিত্রের মিল রয়েছে?
- 'লালসালু' উপন্যাসের মহাসমুদ্রের ডাককে অবহেলাকরে বালুতীরে কী যেন খোঁজে।'- বাক্যে প্রকাশপেয়েছে—
- খালেক ব্যাপারীর প্রথম স্ত্রীর নাম কী?
- ফতেহপুর গ্রামের আলাল কবিরাজ। দশ গ্রামে তার খ্যাতি। সাপে কাটা, পেটে ব্যথ্যা, পা ভাঙ্গা, সন্তান লাভসহ সকল সমস্যার সমাধান কবিরাজ মশাইয়ের ফুঁ দেয়া এক গ্লাস পানিতে। গ্রামের সরল বিশ্বাসী মানুষজন তার টার্গেট গ্রুপ। দশ বছরের ব্যবধানে ঝুপড়ি ঘর থেকে বিল্ডিং করেছেন। আর কি কি করা যায় ভেবে মাঝে মাঝেই তার চোখ চকচকে হয়ে ওঠে।উদ্দীপকের আলাল কবিরাজ ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের আংশিক রূপ ধারণ করেছে। মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- ‘লালসালু’ উপন্যাসে রহিমার পেটে কত প্যাচ বেড়ি রয়েছে?
- রহিমা অতি সংগোপনে মাজারে গিয়ে কী আর্জি জানায়?
- আব্দুল্লাহ যখন শাহ্ পাড়ার গোলদার বাড়ি আসিয়া পৌছিল, তখন বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর। সংবাদ পাইয়া গৃহস্বামী গোলদার ব্যস্তসমস্ত হইয়া ছুটিয়ে আসিল এবং তাহার দীর্ঘ শুভ্র শাশুরাজি ভূলুষ্ঠিত করিয়া আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিতে উদ্যত হইল। এ ধরনের অভিনন্দনের জন্য আব্দুল্লাহ একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। পথে হঠাৎ সাপ দেখিলে মানুষ যেমন এক লক্ষে হটিয়া দাঁড়ায়, সেও তেমনি হটিয়া দিয়া বলিয়া উঠল, 'আহা, করেন কি, করেন কি, গোলদার সাহেব।' কাসেম গোলদার বড়োই সরলপ্রাণ, ধর্মপরায়ণ, পীরভক্ত লোক। আব্দুল্লাহর পিতা তাহার পীর ছিলেন; এক্ষণে তাঁহার মৃত্যুতে আব্দুল্লাহ তাঁহার স্থলাভিষিক্ত বলিয়া মনে করিয়া লইয়া সে আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিবার জন্য নত মস্তকে হাত বাড়াইয়াছিল। কিন্তু আব্দুল্লাহ পা টানিয়া লওয়ায় সে উহা স্পর্শ করিতে পাইল না; তাহার মনে হইল বেহেশতের দুয়ারের চাবি তাহার হাতের কাছ দিয়া সরিয়া গেল।উদ্দীপকের আব্দুল্লাহর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- রসুলপুর গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের দুরন্ত মেয়ে নাসরিন। বন্ধুদের সঙ্গে ছুটোছুটি করা, অবাধ সাঁতার কাটা তার আনন্দের কাজ। নাসরিনের বিয়ে হয় পাশের গ্রামের, মাতব্বরের সাথে। গ্রামের সকলেই তাঁকে মানলেও নাসরিন তাঁকে মানে না।"নাসরিন 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।"- ব্যাখ্যা করো।
- উম্মত মিয়া অনেক বছর ???গেই তাঁর জন্মস্থান ছেড়ে, জীবিকার সন্ধানে যশোর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে উম্মত মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। মানুষ তার মানবিকতা ও ব্যক্তিত্বের জন্য সম্মান করে।"অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলায় মজিদ ও উম্মত মিয়া দৃঢ় হলেও উভয়ের কৌশল এবং পরিণতি ভিন্ন।"- মন্তব্যটি যুক্তি ও উদাহরণের সাহায্যে বিশ্লেষণ করো।
- নিচের কোন উপন্যাসের লেখক ওয়ালীউল্লাহ?
- "কেবল ধীরে ধীরে কাঠের মতো শক্ত হয়ে ওঠে তার মুখটা"- কার মুখ শক্ত হয়ে ওঠে এবং কেন?
- উদ্দীপকের সংকেত অনুসারে সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করো।
- খেয়াঘাটের ইজারাদারদের প্রবল ষড়যন্ত্রের মুখে গ্রামেপ্রভাবশালীদের পরামর্শে নদীতে সাঁকো তৈরির উদ্যোগথামিয়ে দিতে বাধ্য হয় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সৌরভ!উদ্দীপকের গ্রামের প্রভাবশালীরা 'লালসালু' উপন্যাসেরকোন চরিত্রকে মনে করিয়ে দেয়?
- লালসালু উপন্যাসে 'মাজারটি তার শক্তির মূল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- নয়নপুর গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য জামালসকলকে একত্রিত করে। কিন্তু গ্রামের মোড়ল আবেদআলী তার শোষণ অব্যাহত রাখার স্বার্থে তাকে বাধাদেয়। এভাবে গ্রামে গণশিক্ষার উদ্যোগ বন্ধ হয়ে যায় । উদ্দীপকের জামাল ‘লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রকে ইঙ্গিত করে?
- 'লালসালু' উপন্যাসে অশীতিপর বৃদ্ধ কে?
- 'মরা মানুষ জিন্দা হয় কেমনে' উক্তিটি কার?
- অন্ধকারে মজিদের চোখ কীসের মতে চকচককরে?
- মজিদ কাকে শাড়ি কিনে দিয়েছিল?
- ‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা?' সংলাপটি বলেছে—
- অন্ন চাই, প্রাণ চাই, আলো চাই, চাই মুক্ত বায়ুচাই বল, চাই স্বাস্থ্য, আনন্দ-উজ্জ্বল পরমায়ু’সাহস বিস্তৃত বক্ষপট। এ দৈন্য-মাঝারে কবি,একবার নিয়ে এসো স্বর্গ হতে বিশ্বাসের ছবি।উক্ত চরিত্র সৃষ্টিতে লেখকের মূল উদ্দেশ্য হলো- নির্জীব ধর্মতন্ত্রের বিরুদ্ধে পদাঘাত ও সজীবপ্রাণধর্মের জাগরণশেকড় গাড়া কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও ভীতিরসঙ্গে সুস্থ ও মুক্ত জীবনাকাঙ্ক্ষার দ্বন্দ্বধর্মব্যবসায়ী মজিদের অস্তিত্ব সংকট ও সংকটেরএকটি মানবীয় দ্বন্দ্বময় রূপ সৃষ্টিনিচের কোনটি সঠিক?
- প্রত্যন্ত অঞ্চলে দুই পীর পাশাপাশি এলাকায় আস্তানা জনপ্রিয়তার দিক থেকে কেও কারো চেয়ে কম নয় নয়। কিন্তু দুজনেরই উদ্দেশ্য ও কর্মপন্থা এক হলেও একসময় পীরদ্বয় দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। উদ্দীপকের পীরদ্বয়ের দ্বন্দ্ব এবং মজিদ ও আওয়ালপুরের পীরদ্বয়ের দ্বন্দ্বের মুখ্য কারণ কী?
- শিক্ষিত মানুষের কালচারই ধর্ম আর সাধারণ মানুষের ধর্মই কালচার। এ কারণে দরিদ্র অঞ্চলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যুগে যুগে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। যেখানে সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে কেন্দ্রে থাকা নেতারা গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। এমনি একজন আধ্যাত্মিক নেতা হলেন শফিউল্লাহ। যিনি ভক্তের সাথে সাক্ষাতের নাম করে সিঙ্গাপুর যান নিজের চিকিৎসার জন্য। আর ভক্তদের চিকিৎসার জন্য মহৌষধ হলো তাঁর পড়া পানি।উদ্দীপকের শফিউল্লাহ এর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ও কতটুকু- ব্যাখ্যা করো।
- আওয়ালপুরের পীরকে মজিদ কী হিসেবে আখ্যা দিয়েছে?
- মজিদের ভাষায় স্ত্রীলোকদের সন্তানাদি হয় না কেন?
- "লালসালু" উপন্যাসে ‘দেশটা কেমন মরার দেশ।’ কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- আওয়ালপুর ও মহব্বতনগরের মাঝপথে কোন গাছ পড়ে?
- একসময় পরম অনাদর ও অব্যবস্থা থেকে ওঠা আলেয়া গ্রামবাসীর কাছে হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এলাকায় পীর হিসেবে পরিচিত ওদুদের দ্বিতীয় স্ত্রীর মর্যাদা পাওয়ায় তার এ কদর। দূরদূরান্তে থেকে লোকজন প্রতিদিন তার কাছে নানা তদবির নিয়ে আসে.। আলেয়া তাদের আবদার হাসিমুখে মেনে নেয়।স্বামীর প্রভাব-প্রতিপত্তিই মূলত আলেয়ার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার কারণ'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত দাও।