জহিরউদ্দীন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। বাবরের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে হুমায়ূন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তাঁর বয়স অল্প। সিংহাসনে বসার সাথে সাথেই চারদিকে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। আপন আত্মীয়স্বজন তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এমনকি আপন ভাইয়েরাও তাঁকে সহযোগিতা করেনি। তারপরেও বাবরের বড়ো ছেলে হিসেবে তিনি শক্ত হাতে শাসনকার্য চালিয়ে যান এবং মুঘল সাম্রাজ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন।
'নবাব সিরাজউদ্দৌলা উদ্দীপকের হুমায়ূনের মতো হলে, 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পরিণতি ভিন্ন হতে পারত।'-বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মঞ্জু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।উদ্দীপকের মঞ্জু মিয়ার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের তুলনা কর।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কয়টি অঙ্ক রয়েছে?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ দৃশ্যের সময় কখন?
- সুজন মিয়া এতিম আলীকে আদর, ভালোবাসা দিয়ে বড়ো করে তোলেন। তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন। বিশ্বাস করে হাটবাজারে পাঠান বিভিন্ন জিনিস কেনাকাটা করার জন্য। প্রতিবেশীরা সুজন মিয়াকে প্রায়ই বলেন, আলীকে এত বিশ্বাস না করতে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে সুজন মিয়া মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করলে আলী গোপনে তার সব খবর। পাকিস্তানি সেনাদের কাছে পৌঁছে দেয়।, পরবর্তীকালে রাজাকার আর পাকিস্তানি সেনাদের কাছে সুজন মিয়াকে ধরিয়ে দেয়।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- পত্র মারফত শওকতজঙ্গকে কে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছিলেন?
- 'দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়ে বড়ো।'- কে, কাকে, কোন প্রসঙ্গে বলেছে?
- সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- ধনকুবের উত্তম দেবনাথ তার চাচাতো ভাইয়ের ষড়যন্ত্রে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন। সরল মনের মানুষ উত্তম দেবনাথ তাঁর ভাইকে বিশ্বাস করে ঠকেছেন। তিনি পুলিশের ভয়ে চোরের মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছে??। তাঁর স্ত্রী মাধবী ছোটো সন্তান নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঘোরেন। তার স্বামীর যখন এ দুরবস্থা, তখন তার কীসের অহংকার, কীসের কষ্ট।উদ্দীপকের মাধবী ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের লুৎফা কোন দিক দিয়ে অভিন্ন? ব্যাখ্যা করো।
- 'কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- গোলকচন্দ্র বসু ও তাঁর রাইয়ত সাধুচরণের আলাপচারিতায় ফুটে ওঠে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষিদের নীলচাষে বাধ্য করা; নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম; নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকান্ডের অংশ প্রজাপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীনমাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীলকরকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তী সময়ে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীনমাধব মৃত্যুবরণ করে।উদ্দীপকের নীলকরদের অত্যাচারের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কে বর্ণিত ইংরেজদের অত্যাচারের তুলনা করো।
- আওয়ালপুরের পীরের প্রধান মুরিদ কে?
- সুজন মিয়া এতিম আলীকে আদর, ভালোবাসা দিয়ে বড়ো করে তোলেন। তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন। বিশ্বাস করে হাটবাজারে পাঠান বিভিন্ন জিনিস কেনাকাটা করার জন্য। প্রতিবেশীরা সুজন মিয়াকে প্রায়ই বলেন, আলীকে এত বিশ্বাস না করতে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে সুজন মিয়া মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করলে আলী গোপনে তার সব খবর। পাকিস্তানি সেনাদের কাছে পৌঁছে দেয়।, পরবর্তীকালে রাজাকার আর পাকিস্তানি সেনাদের কাছে সুজন মিয়াকে ধরিয়ে দেয়।"উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পুরোভাব প্রকাশিত না হলেও, একটি দিক মাত্র প্রকাশিত হয়েছে।"- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- সিরাজউদ্দৌলার স্ত্রীর নাম কী?
- সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের রাইসুল জুহালা কেমন চরিত্র?
- 'শুভকাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।' ব্যাখ্যা কর।
- নবাবের সৈন্যরা ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করলেকে মেয়েদের নৌকায় করে পালিয়ে গিয়েছিল?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' ওয়াটসের কাছে যে কৈফিয়ত চান তা হলো- কাশিম বাজার কুঠিতে তোমরা গোপনে অস্ত্র আমদানি করেছিলে। কেন? আমার নিষেধ সত্ত্বেও কলকাতার দুর্গ সংস্কার তোমরা বন্ধ করনি। কেন?বাংলার মসনদে বসার পর আমাকে নজরানা পাঠাওনি কেন? নিচের কোনটি সঠিক?
- শহিদ ক্যাপ্টেন বাশার চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে ক্যাপ্টেন বাশার সেনানিবাস পরিত্যাগ করে হালি শহরে অবস্থান নেন এবং পাকিস্তান আর্মির বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পাকিস্তানি বাহিনী এদেশীয় দালাল মারফত তাঁর অবস্থান শনাক্ত করলে তিনি ধৃত হন। তাঁকে ক্যাম্পে বন্দি করে রাখা হয় এবং অমানুষিক নির্যাতন করে তথ্য আদায়ে ব্যর্থ হয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ রকম নির্যাতনেও দমে যায়নি মুক্তিপাগল বাংলার মানুষ। মুক্তিকামী জনতার সম্মিলিত সংগ্রামের ফলে এদেশ স্বাধীন হয়েছে।"উদ্দীপকে জনতার সম্মিলিত সংগ্রামে এদেশ স্বাধীন হলেও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে প্রতিরোধ না করে লোকজন মুর্শিদাবাদ ছেড়ে পালিয়েছে।"- উক্তিটির সত্যাসত্য যাচাই করো।
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র'- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে উক্তিটি কার?
- ইতিহাসের একজন সামন্ত নবাব হয়েও সিরাজুদ্দৌলা নাটকে সিরাজ চরিত্রটি হয়ে উঠেছে-
- 'আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই'- উক্তিটি কে, কখন এবং কাকে করেছিলেন? ব্যাখ্যা করো।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে হানাদার বাহিনীর লোকেরা এদেশের ঘুমন্ত মানুষের উপর গুলি চালায় আর সেই রাতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ফলে এদেশের হাজার হাজার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশমাতাকে রক্ষা করতে। কিন্তু কিছু লোক ছিল যারা পাকিস্তানের দালালে পরিণত হয়ে রাজাকার, আলবদর নাম ধারণ করে দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল। রমজাম এদের মধ্যে অন্যতম। রমজান ও তার সহযোগীরা ১৪ ডিসেম্বর দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের দেখিয়ে দিয়েছিল, আর পাকিস্তানিরা তাদের মূল্যবান জীবন কেড়ে নিয়েছিল। তবুও মুক্তিযোদ্ধারা সকল বাধা অতিক্রম করে ছিনিয়ে এনেছেন আমাদের স্বাধীনতা। প্রকৃত দেশপ্রেমিকেরা দেশের জন্য প্রাণ দিতে কখনো কুণ্ঠাবোধ করেন না।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আংশিক মিল রয়েছে- বিশ্লেষণ কর।
- মাত্র সতেরো জন্য সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খিলজি বাংলার মসনদ দখল করে নেন। এই সতেরো জন্য সৈন্য যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদের অসামান্য সাহস, বিশ্বাস আর শৃঙ্খলার জন্য। 'পক্ষান্তরে লক্ষ্মণসেনের বাহিনী ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় জর্জরিত। লক্ষ্মণসেনের বিশাল বাহিনী তাকে রেখে পালিয়ে গেল। তাই লক্ষ্মণসেনও আত্মগোপনে চলে গেলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।'মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।'- এই উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য।'- কথাটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- ‘আমি জানি হি ইজ অ্যা ডেড হর্স’ -এখানে ‘ডেড হর্স’ বলতে বোঝানো হয়েছে-
- সিরাজের শ্বশুরের নাম কী?
- সিকানদার আবু জাফরের সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মোট দৃশ্য কয়টি ?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম যথার্থভাবে ভেবেছিলেন এবং বুঝেছিলেন সকল দুঃশাসক ও শোষকের জুলুম নিপীড়ন থেকে উদ্ধার পাবার শ্রেষ্ঠ অবলম্বন হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্র। এ শিক্ষা তিনি ইতিহাস থেকে লাভ করেছিলেন। তাই তিনি আমাদের এই উপমহাদেশের মুক্তির জন্য যুদ্ধকেই প্রধান মাধ্যম হিসেবে গণ্য করেছিলেন। তার কবিতায় এ চেতনা লক্ষ করা যায়।উদ্দীপকের কবি নজরুলের চেতনার সাথে নবাব সিরাজের চেতনার সাদৃশ্য নিরূপণ কর।
- পাকিস্তানি মিলিটারিরা একটি স্কুল ঘরে ক্যাম্প করেছিল। তাদের সাথে কিছু রাজাকারও ছিল। মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার জাভেদের যুদ্ধের নৈপুণ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে থাকা রাজাকারদের পরামর্শে তারা আত্মসমর্পণ করে প্রাণ রক্ষা করল।'নবাব সিরাজউদ্দৌলা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা, জুগিয়েছে।'- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্য অবলম্বনে আলোচনা করো।
- রক্ত ঝরেঅগ্নির মতো বাঁশের কেল্লা বেদির পরেরক্ত ঝরাই ফাঁসির মঞ্চে দীপান্তরেঝরেছে সকল রক্ত। এখন কখানা হাড়েঝকঝক করে তীব্র তীক্ষ্ণ বর্শা-ফলানতুন দস্যু আসে যদি, দেশ দেবো না তারেইস্পাত হাড়ে গড়েছি বজ্র বহ্নি-জ্বালা।"নতুন দস্যু আসে যদি, দেশ দেবো না তারে"- উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের দেশপ্রেম আলোচনা কর।
- মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাশাসক, রাজনীতিবিদ ও কতিপয় বিপথগামী দোসররা জনসাধারণের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালায় ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এ দেশের আপামর জনতা দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে ।উদ্দীপকে শেষ বাক্যের বিষয়বস্তু সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের নিচের কোন বাক্যে প্রতিফলিত হয়েছে?
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর কে?
- 'যত দিন রবে পদ্মা, মেঘনা, গৌরী, যমুনা বহমানততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।'"উদ্দীপকের শেখ মুজিবুর রহমানের দেশপ্রেম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ"- ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের রচয়িতা কে?
- 'নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?' উদ্দীপকের 'তস্কর' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোনটিপ্রতিনিধিত্ব করে?
- ‘আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে' বলতেনবাব বোঝাতে চেয়েছেন—
- 'আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'শোনো, একদিন এই দেশটাতেদানবেরা দেয় হানাশকুনেরা মেলে ডানাপুড়ে ছারখার মাঠের শস্য'মানুষের আস্তানা।'"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে কতটুকু যোগসূত্র স্থাপন করেছে?" বিশ্লেষণ করো।
- দুর্গম গিরি কান্তার মরু, দুর্বার পারাবারলঙ্গিতে হবে রাত্রি নিশীথে, যাত্রীরা হুঁশিয়ার!দুলিতেছে তরি, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ,ছিঁড়িয়াছে, পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মৎ?কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ।এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিক প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'নবাব আলীবর্দী ইন্তেকাল করার আগের দিন থেকেই পোশাকটা তৈরি।'- জগৎশঠের এমন মন্তব্যের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- 'আমি বরং নবাবকে বিশ্বাস করতে পারি'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।