মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাশাসক, রাজনীতিবিদ ও কতিপয় বিপথগামী দোসররা জনসাধারণের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালায় ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এ দেশের আপামর জনতা দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে ।
উদ্দীপকে শেষ বাক্যের বিষয়বস্তু সিরাজউদ্দৌলা'
নাটকের নিচের কোন বাক্যে প্রতিফলিত হয়েছে?
A.
আপনাদের নতুন নবাব জাফর আলী খানকে
আমি মসনদে বসিয়ে দিলাম
B.
হাজার হাজার মানুষ একযোগে রুখে দাঁড়াতে পারলে কৌশলের প্রয়োজন হবে না
C.
বাংলার ঘরে ঘরে হাহাকারের বন্যা বইয়ে দেবে
মিরজাফর-ক্লাইভের লুণ্ঠন অত্যাচার
D.
মানুষের দৃষ্টি থেকে আমার চোরের মতো পালিয়ে
পালিয়ে পথ চলতে হবে'
সঠিক উত্তরঃ
B.
হাজার হাজার মানুষ একযোগে রুখে দাঁড়াতে পারলে কৌশলের প্রয়োজন হবে না
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- যুদ্ধক্ষেত্রে সাদা নিশান ওড়ানো হয় কেন?
- শহরে বড়োসড়ো এক ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাকাত সরদার নিজাম ও তার দল। এ লক্ষ্যে শহরের প্রান্তে এক পরিত্যক্ত বাড়িতে তারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংগঠিত হতে থাকে। গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে নগর পুলিশ পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সদলবলে নিজামকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে।ডাকাত দলের প্রস্তুতির বিষয়টিকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন ঘটনার সাথে তুলনা করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
- হলওয়েল কে? 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে তার পরিচয় দাও।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ সংলাপটি কার?
- "চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র।"- উক্তিটি কার?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের তৃতীয় অঙ্কে দৃশ্য সংখ্যা কত?
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আপাদমস্তক একজন দেশপ্রেমিক। যুগ যুগ ধরে শোষিত নিপীড়িত বাঙালিকে তিনিই মুক্তির স্বাদ দিতে পেরেছিলেন। দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবেসে 'বহুবার কারাবরণ করেছেন তিনি। নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণে। অথচ নিজ ঘরের দরজায় পরিচিত কয়েকজনকে হন্তারকের ভূমিকায় দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন জাতির পিতা।'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলার মতোই দেশপ্রেমিক ছিলেন।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকের 'এক জীবন্ত মুসলিম চরিত্র তোরাপ। এই তোরাপ সোচ্চার হয়েছে সামাজিক নানা অসংগতির বিরুদ্ধে, সমাজপতিদের অন্যায় ও অত্যাচারের বিপক্ষে। একজন গরিব কৃষক হয়েও সে সত্যবাদী, সাহসী ও পরোকারী মানুষ। নবীন মাধবের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে সে প্রস্তুত। তাই নবীন মাধবের সব ধরনের সাহসী কাজে সে তার সঙ্গী হয়। ধর্ম- বর্ণের ভেদাভেদ তার দৃষ্টিতে ছিল না বলেই তোরাপ শেষ পর্যন্ত নবীন মাধবের সাথে ছিল। এমনকি নিরীহ কৃষকদের পাশে থেকে অত্যাচারী শোষক ইংরেজ নীলকরদেরও মোকাবিলা করে গেছে সে।'উদ্দীপক ও সিরাজউদ্দৌলা নাটক উভয় ক্ষেত্রেই অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে বিশ্বস্ত ও দুঃসাহসী যোদ্ধার প্রতিবাদী সংগ্রাম উজ্জ্বল হয়ে ফুটে উঠেছে।'- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'শোনো, একদিন এই দেশটাতেদানবেরা দেয় হানাশকুনেরা মেলে ডানাপুড়ে ছারখার মাঠের শস্য'মানুষের আস্তানা।'উদ্দীপকের 'দানবেরা', 'শকুনেরা' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দেশজুড়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন, নির্যাতনের মধ্যদিয়ে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই বাংলাদেশ নিয়ে নিউইয়র্কে ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয় অবিস্মরণীয় সংগীত সন্ধ্যা। উদ্যোক্তা ও শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জর্জ হ্যারিসন ও পণ্ডিত রবিশঙ্কর। 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' নামক এই অনুষ্ঠান থেকে সংগৃহীত বিপুল অর্থ বাংলাদেশের জন্য ইউনিসেফের শিশু সাহায্য তহবিলে তাঁরা দান করেন।উদ্দীপকের জর্জ হ্যারিসন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন বিদেশি চরিত্রের সাথে তুলনীয়? কেন?
- সিরাজ-উদ্-দৌলা নাটকে ঘসেটি বেগমের পালক পুত্রের নাম কী?
- পুরানগড়ের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মাতামুহুরী নদী। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে, তারা এলাকার ধানি জমিগুলোকে ইটভাটা বানিয়ে কৃষি উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানোর কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন যজ্ঞে লিপ্ত হয়েছে। এলাকার পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যাবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়মূলক ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের নিকট এর প্রতিকার চায়। কিন্তু, ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই মানবিক বিপর্যয়ও ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।উদ্দীপকের পরিবেশবাদীদের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের আদর্শিক মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য অনুসারে রাম-রাবণের যুদ্ধে বিভীষণ স্বপক্ষ-ত্যাগী বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী, অকৃতজ্ঞ ও স্বজনবিমুখ হিসেবে চিহ্নিত। অপরদিকে বীরবাহু, কুম্ভকর্ণ ও মেঘনাদ দেশপ্রেমিক। নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁরা জীবন উৎসর্গকারী। যদিও বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে মেঘনাদ যুদ্ধ করার সুযোগ পায়নি। আজও বাঙালি সমাজে প্রবাদ হয়ে আছে-'ঘরের শত্রু বিভীষণ'।উদ্দীপকের বিভীষণের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা করো।
- "মতিঝিল ছেড়ে আমি এক পা নড়ব না"- উক্তিটিতে ঘসেটি বেগমের কোন মানসিকতা ফুটে উঠেছে?
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর কে?
- 'শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়'- ব্যাখ্যা করো।
- 'রাজিব এতিম সুমনকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনে প্রতিপালন করে এবং প্রতিষ্ঠিত করে। সেই রাজীবকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে সুমন।'উদ্দীপকের সুমনের চরিত্রটি নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহাধনবান,অসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান।……………………………………………হউক বীরেন্দ্র সে যেন রোস্তমশত শত দাস তার সেবুক চরণকরুক স্তাবকদল স্তব সংকীর্তন।কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমি হিত,স্বজাতির সেবা যে করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সত্বরঅতীব ঘৃণিত সে পাষণ্ড বর্বর।"উদ্দীপকের মূলভাব 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাবের জন্য প্রযোজ্য নয়"- ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ সংলাপ কার?
- 'বিসর্জন' নাটকে সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ার কারণে শোকার্ত ভিখারি অপর্ণা। সে রাজা গোবিন্দ মাণিক্যের কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারির দুঃখ রাজচিত্তকে আহত করে। রাজা রাজ্যে পশুবলি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন কিন্তু তাঁর এ আদেশ মেনে নিতে পারে না রাজ-পুরোহিত রঘুপতি। তিনি রাজার অনুজ নক্ষত্র রায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান।"উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিষয়বস্তুর আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।"- তোমার মতামত দাও।
- “ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি,কেমন?”- উক্তিটি কার?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে মিরজাফরের গুপ্তচরের নাম কী?
- ওয়ার্ল্ড গার্ডেন নেটওয়ার্ক নামে একটি বেসরকারি কোম্পানি রাতারাতি সারা দেশ ব্যাপী প্রসার লাভ করে। স্বল্প বিনিয়োগে মোটা অংকের মুনাফা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা দেশের সাধারণ মানুষের নিকট হতে টাকা তোলা শুরু করে। কয়েক মাসের মধ্যে কোম্পানিটির জনপ্রিয়তা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। প্রচুর পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নিয়ে কোম্পানিটি এক রাতের মধ্যে সারা দেশ হতে গায়েব হয়ে যায়। এই ভুয়া কোম্পানির নিকট দেশের সাধারণ মানুষগুলো তাদের সর্বস্ব খুইয়ে দারুণভাবে প্রতারিত হয়।উদ্দীপকে ওয়ার্ল্ড গার্ডেন নেটওয়ার্ক কোম্পানির সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- শোনা যায়, তিস্তাপাড়ে এখন আর ফসলি জমি নেই। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী জমিতে মেশিন বসিয়ে উত্তোলন করে নিচ্ছে ভূগর্ভস্থ পাথর। এই অঞ্চলে ফসলের তুলনায় পাথরের মূল্য বেশি। দিনে দিনে মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এলাকার সচেতন জনগোষ্ঠী দেশের স্বার্থে এতে বাধা দিলে তারা সাময়িকভাবে পাথর উত্তোলন-বদ্ধ রাখে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তিনটি মেশিন বসানোর অনুমতি নিয়ে বাস্তবে তিনশত মেশিন বসিয়ে আবার পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এতে যেমন ব্যাহত হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন, তেমনি নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। ব্যবসায়ীদের তাতে কিছু যায়-আসে না, অধিক মুনাফা অর্জনই যেন তাদের লক্ষ্য। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো শোনা যাবে, মাটির নিচে তলিয়ে গেছে তিস্তাপাড়ের বিশাল জনপদ।উদ্দীপকের সচেতন জনগোষ্ঠী 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? কীভাবে?
- কিলপ্যাট্রিক মাদ্রাজ থেকে কতজন সৈন্য নিয়েহাজির হন?
- ওয়াটসনের সই জাল করে দিয়েছে কে?
- তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে সির???জ।'-উক্তি?
- "সিরাজের পতন কে না চায়?' সংলাপটি কার?
- 'বিপদ আসন্ন দেখে কাপুরুষেয় মতো হাল ছেড়ে দিও না।' কার সংলাপ?
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান প্রতিবন্ধকতা কি ছিল?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' কয় অঙ্কের নাটক?
- অটোমান সাম্রাজ্যের একমাত্র অধিপতি সুলতান সুলেমান খান। সুলতানের নিকটস্থ ও পদস্থ সেনাপতিরা বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। তারা সুলতানকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। সুলতান তা জেনেও কোনো উপযুক্ত দণ্ডাদেশ দিতে অপারগ। হীন চক্রান্তের ফলে নৃশংসভাবে নিহত হয় সুলতান।উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান খান 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়? ব্যাখ্যা করো।
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'শাজাহান।' পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট শাহজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটিকে শ্রেষ্ঠ ট্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট শাহজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'শাজাহান।'উদ্দীপকের আবেদনের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ট্র্যাজেডির স্বরূপ বিশ্লেষণ করো।
- "আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে"- এ উক্তির তাৎপর্য কী?
- 'নবাব আলীবর্দী ইন্তেকাল করার আগের দিন থেকেই পোশাকটা তৈরি।'- জগৎশঠের এমন মন্তব্যের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- স্বাধীনতার যুদ্ধে গ্রামের এক বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলআহত কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা। টাকার লোভে বাড়ির মালিকতাদের পাকসেনাদের হাতে তুলে দেয়। সেই থেকে সেবজলু রাজাকার নামে সকলের ঘৃণার পাত্র হয়ে আছে।বজলু এবং নাটকের চরিত্রে যে ??িনিসটির চরমঅভাব তা হলো-
- জোহরাঃ আর একদিন কি দু'দিন। তারপরই সে ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো, আমার সঙ্গে ফিরে চলো। কার্দিঃ যে ফিরে যাবে সে আমি হবো না, সে হবে বিশ্বাসঘাতক। ... আমার সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব/দলত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা। (রক্তাক্ত প্রান্তর- মুনীর চৌধুরী)উদ্দীপকের কার্দি চরিত্রের মাধ্যমে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি তুলে ধরা হয়েছে?
- ধণাঢ্য ব্যাসায়ী ফিরোজ আহমেদ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। শুধু তা-ই নয় প্রাণ হারানোর ভয়ে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের দিয়ে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ফিরোজ আহমেদের স্ত্রী সায়মা স্বামীর এই দুরবস্থার কারণে সব সময় সঙ্গে সঙ্গে থাকেন। শোকে যন্ত্রণায় কাতর ফিরোজ বছর দুই পরেই মৃত্যুবরণ করে। স্বামীর মৃত্যুর পরে সায়মা তার স্মৃতি নিয়ে একাকী জীবন কাটান। ফিরোজ আহমেদর চাচাতো ভাই ফরিদ সায়মাকে বিয়ে করার অনেক চেষ্টা করেও বিফল হয়।উদ্দীপকের সায়মা, সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে তা আলোচনা করো।
- বিত্তশালী আশিক চৌধুরী তার একমাত্র সন্তান জামিলচৌধুরী ও সম্পদের দেখাশোনার জন্য নাসির মিয়াকেপরিবারের একজনের মতোই স্থান দেন। কিন্তু চৌধুরীসাহেবের মৃত্যুর পরে নাসির মিয়া সম্পদের লোভে ঘুমন্তজামিল চৌধুরীকে হত্যা করে।উদ্দীপকের নাসির মিয়ার সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে-