'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- বাংলার আপদে আজ লক্ষ কোটি বীর সেনাঘরে ও বাইরে হাঁকে রণধ্বনি, একটি শপথেআজ হয়ে যায় শৌর্য ও বীরগাথার মহানসৈনিক, যেন সূর্য সেন, যেন স্পার্টাকাস স্বয়ং সবাই।"উদ্দীপকটি সীমিত আকারে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের স্মারক।"- মন্তব্যটি যথাযথ বিশ্লেষণ করো।
- ঘসেটি বেগম কাকে সাপিনী বলেছেন?
- সিরাজ কাকে আলিনগরের দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- মাস্টারদা সূর্যসেন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। এ দেশের গণমানুষকে জাগিয়ে তুলতে নানাভাবে চেষ্টা করেন। তারই নির্দেশে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবে আক্রমণ সফল হওয়ার পর ব্রিটিশ শাসকের টনক নড়ে। তাঁকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ইংরেজরা দশ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে। অর্থের লোভে জনৈক ব্যক্তি তাঁর অবস্থান জানিয়ে দিলে তিনি ধরা পড়েন। অতঃপর তাঁকে নির্মমভ??বে হত্যা করা হয়।উদ্দীপকের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার আজমত আলী শান্তি কমিটি গঠন করে এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়ে এই দেশের প্রচুর ক্ষয়-ক্ষতি সাধন করে। পরবর্তীকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে তার নামে মামলা করা হয় এবং ফাঁসিও কার্যকর করা হয়। প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা জামিল উদ্দীন জানান ওই বিশ্বাসঘাতক আজমত 'আলীর সাহায্যেই হানাদার বাহিনী গ্রামের অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করে এবং তাঁদের পরিবারের ওপর চালায় সীমাহীন নির্যাতন।উদ্দীপকের আজমত আলী 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? -আলোচনা করো।
- ঢাকা জেলার নিচু এলাকার জলাভূমিগুলো ভূমিদস্যুদের কবলে পড়ে ক্রমাগত নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। দিনের পর দিন মাটি ফেরে ভরাট করা হচ্ছে ঐসব জলাশয়। ফলে ঢাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেমন লুপ্ত হচ্ছে হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। সচেতন নাগরিক সমাজ জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘটসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে তারা। কিন্তু ভূমিদস্যুদের তৎপরতা বন্ধ হয় না কিছুতেই।উদ্দীপকের সচেতন নাগরিক সমাজের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলার সাদৃশ্য দেখাও।
- ১৭৫৭ সালের কোন তারিখে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিতহয়?
- ‘কিত্তনখোলা’ নাটকটির বিষয়-
- আত্মদ্বন্দ্বে পরাভূত মানবত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্ঘাটিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নরকের নিঃসীম দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমোহিত করে তোলে, ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।উদ্দীপকের প্রতিকূল অবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রেক্ষাপটে কতটুকু সাদৃশ্য বহন করে? আলোচনা করো।
- মুকিম সাহেব রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ময়লার ভাগাড়ের পাশে আট মাস বয়সী এক শিশুর কান্না শুনতে পান। পরম যত্নে বুকে তুলে নেন এবং নাম দেন আজমল। সে প্রায় ত্রিশ বছর আগের ঘটনা। তখন থেকেই তিনি আজমলকে স্নেহ-ভালোবাসায় বড় করে তোলেন। নীচু মানসিকতার আজমল ছিল অত্যন্ত লোভী। সে সুযোগ খোঁজে আশ্রয়দাতার সমস্ত সম্পত্তি হস্তগত করার। একদিন অস্ত্রের মুখে মুকিম সাহেবকে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দিতে বাধ্য করে এবং স্বহস্তে আশ্রয়দাতাকে হত্যা করে আজমল।উদ্দীপকের আজমল চরিত্রটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- গঙ্গাজল ছুঁয়ে ঈশ্বরের নামে শপথ করেছিল কে?
- মোহনলালের তথ্য মতে, নবাব সিরাজউদ্দৌলার সৈন্য সংখ্যা কত?
- "শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়"- ব্যাখ্যা করো।
- এ পবিত্র বাংলাদেশবাঙালির-আমাদের।দিয়া প্রহারেণ ধনঞ্জয়তাড়াব আমরা, করি না ভয়যত পরদেশি দস্যু ডাকাতরামাদের গামাদের।উদ্দীপকের কোন দিকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
- কোনটি সঠিক?
- স্বাধীনতা স্পর্শমণি সবাই ভালোবাসে,সুখের আলো জ্বালে বুকে দুঃখের ছায়া নাশে।স্বাধীনতা সোনার কাঠি খোদার সুধা-দান,স্পর্শে তাহার নেচে উঠে শূন্য দেহে প্রাণ।মনুষ্যত্বের বান ডেকে যায় পশুর হৃদয় তলে,বুক ফুলিয়ে দাঁড়ায় ভীরু স্বাধীনতার বলে।দর্প করে পদানত উচ্চ করে শির,শক্তিহীনেও স্বাধীনতা আখ্যাদানে বীর।উদ্দীপকের 'মনুষ্যত্বের বান ডেকে যায়, পশুর হৃদয়তলে" চরণটিতে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দৃশ্যের বৈসাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? আলোচনা করো।
- গোলকচন্দ্র বসু ও তাঁর রাইয়ত সাধুচরণের আলাপচারিতায় ফুটে ওঠে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষিদের নীলচাষে বাধ্য করা; নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম; নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকান্ডের অংশ প্রজাপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীনমাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীলকরকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তী সময়ে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীনমাধব মৃত্যুবরণ করে।'অবস্থানগত ভিন্নতা পরিলক্ষিত হলেও নবীনমাধব এবং সিরাজউদ্দৌলার জীবন একই সূত্রে গাঁথা।'- মতামতসহ তোমার অবস্থান তুলে ধরো।
- স্ত্রী জাএদা কর্তৃক বিষ প্রয়োগে মৃত্যুর পূর্ব সময়ে হাসানের উক্তি, শয্যার নিকটে জাএদাকে ডাকিয়া হাসান চুপি চুপি বলিতে লাগিলেন, 'জাএদা, তোমার চক্ষু হইতে হাসান বিদায় হইতেছে, আশীর্বাদ করি, সুখে থাকো। তুমি যে কার্য করিলে সমস্তই আমি জানিতে পারিয়াছি। তোমাকে বড়োই বিশ্বাস করিতাম। বড়োই ভালোবাসিতাম। তাহার উপর্যুক্ত কার্যই তুমি করিয়াছ। ভালো থেকো, সুখে থাকো, আমি তোমাকে ক্ষমা করিলাম।'হাসানের পরিণতির সঙ্গে সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রের পরিণতির পার্থক্য কোথায়? বুঝিয়ে লেখো।
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই 'পালায়'-ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলাকে কোথায় বন্দি করা হয়?