সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন— এ বড়লজ্জার কথা'— উক্তিটি কার?
- ব্যাংক ম্যানেজার মনোয়ার হোসেন অত্যন্ত সরলমনা ও উদার প্রকৃতির মানুষ। ব্যাংকের প্রতিটি কর্মচারীকে তিনি অগাধ বিশ্বাস করেন। তাঁর মামার অনুরোধে মাকসুদ হাসান নামের এক ব্যক্তিকে তিনি ক্যাশিয়ার পদে নিয়োগ দেন এবং সিন্দুকের চাবি হস্তান্তর করেন। একদিন রাতের অন্ধকারে নৈশ প্রহরীর সহায়তায় মাকসুদ হাসান ব্যাংকের সকল অর্থসম্পদ আত্মসাত করে আত্মগোপন করেন।নবাব সিরাজউদ্দৌলার অদূরদর্শিতাসমূহ উদ্দীপকের ব্যাংক ম্যানেজারের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে বন্দি করে কোথায় রাখা হয়?
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পটভূমিগত সাদৃশ্য কতটুকু বিশ্লেষণ করো।
- আজ নবাবকে ডোবাচ্ছেন, কাল আমাদের পথে বসাবেন না তা বিশ্বাস করা যায়? ক্লাইভের এ উক্তিটি প্রকাশ পেয়েছে-
- সিরাজের কোন অমাত্য নিরীশ্বরবাদী জৈন ধর্মেরঅনুসারী ছিলেন?
- 'ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব'। বুঝিয়ে লেখ।
- মিরজাফর ১৭৫৭ সালের কত তারিখে বাংলারমসনদে বসেন?
- জমিদার নন্দলালের মৃত্যুর পর তার একমাত্র উত্তরাধিকারী গোবিন্দলাল জমিদারি পায়। গোবিন্দলাল বয়সে তরুণ ও সরল প্রকৃতির। তার এ সুযোগ নিয়ে তার কাকা শিশির গোবিন্দলালের অমাত্যদের নিয়ে 'ঘরের শত্রু বিভীষণে' পরিণত হয়। গোবিন্দলাল বিষয়টি বুঝতে পারে এবং তার যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়।"সিরাজউদ্দৌলা এবং গোবিন্দলালের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কর্মতৎপরতা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটক ও উদ্দীপকের শেষ পরিণতিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করেছে'।– উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে তোমার মত উপস্থাপন করো।
- 'উই হ্যাভ কাম টু আর্ন মানি অ্যান্ড নট টু গেট ইন্টুপলিটিকস। ওয়াটসের এ কথা ইংজেদের____বাকচাতুর্যছদ্মবেশপ্রতারণানিচের কোনটি সঠিক?
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাঙামাটির 'বুড়িরঘাট' যুদ্ধে শত্রুপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পের কাছাকাছি চলে আসে। সহযোদ্ধাদের অপ্রস্তুতির বিষয়টি টের পেয়ে মুন্সি আবদুর রউফ মেশিনগানের গুলি চালিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে সহযোদ্ধারা প্রস্তুতি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করার প্রাক্কালে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ। পরাস্ত হয় শত্রুপক্ষ।উদ্দীপকের বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রউফের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে যুদ্ধক্ষেত্রে মোহনলালের ভূমিকার তুলনা করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার পূর্ণ নাম কী?
- মুক্তিযোদ্ধাদের নৌজাহাজ বিএনএস পলাশ আর পদ্মা মংলা বন্দর দখল করে নিয়েছে। ভৈরব নদী বেয়ে জাহাজ দুটি খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছাকাছি আসতেই একটা বোমারু বিমান থেকে জাহাজ দুটির উপর বোমা এসে পড়ে। রুহুল আমিন বিএনএস পলাশ থেকে ঝাঁপ দিয়ে নদী সাঁতরে পাড়ে উঠলেন। কিন্তু পাড়ে থাকা রাজাকাররা নির্মমভাবে হত্যা করে বুহুল আমিনকে।উদ্দীপকের রাজাকারদের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কাদের চরিত্রের মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাশাসক, রাজনীতিবিদ ও কতিপয় বিপথগামী দোসররা জনসাধারণের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালায় ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এ দেশের আপামর জনতা দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে । উদ্দীপকের প্রথম বাক্য 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনকোন চরিত্রের কর্মকাণ্ডকে ধারণ করে?
- মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুর 'পর বড়ো ছেলে হুমায়ুন অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরোহণের পরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সাথে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনকার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুন তাঁর অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে অসহযোগিতা পাওয়া সত্ত্বেও শক্ত, হাতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।'আংশিক সাদৃশ্য থাকলেও হুমায়ুন ও সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি এক নয়'- বিশ্লেষণ করো।
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়।'-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম সংলাপটি কার?
- ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য তিতুমীর বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। একটা সময় তিতুমীর পরাজিত হন এবং তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ইংরেজরা হত্যা করে। তিতুমীরের এ লড়াই ব্যর্থ মনে হলেও ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে সুদূরপ্রসারী অবদান রেখেছে। তাই তিতুমীর আমাদের কাছে অমর, অক্ষয়, মাতৃভূমির অতন্দ্র প্রহরী।উদ্দীপকের তিতুমীর চরিত্রকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাউদ্দৌলা চরিত্রের সঙ্গে তুলনা কর।
- 'দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদা মশায়ের চেয়েও বড়ো।'- ব্যাখ্যা করো।
- বিষয়গত দিক থেকে 'সিরাজউদ্দৌলা' কোন ধরনের নাটক?
- বৃটিশ শাসকদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভারতবাসী। ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে এগিয়ে আসেন তার অনেক অনুসারী। এদেরই একজন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন কিন্তু আত্মসমর্পণ করেননি।নবাব সিরাজউদ্দৌলার কোন কোন সেনাপতির মধ্যে উদ্দীপকের চেতনা কীভাবে বিদ্যমান ছিল তা বুঝিয়ে লেখো।
- ‘দওলত আমার আছে বগবানের দাদা মশায়ের চেয়েও বড়’ - কার উক্তি?
- কোনটি সঠিক?
- সম্রাট আকবরের সভাসদ ছিলেন আবুল ফজল। সম্রাট সাম্রাজ্য পরিচালনার সব বিষয়েই তার সভাসদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন। একবার পারস্য সম্রাট আবুল ফজলকে প্রস্তাব দেন যে, 'সে'যদি ভারতবর্ষের নানা গোপনীয় তথ্য পারস্যে পাচার করে, তাহলে তাকে অনেক ধনসম্পদ দেওয়া হবে। আবুল ফজল ঘৃণাভরে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, আমি আমৃত্যু ভারত সম্রাটের হয়ে কাজ করব।"উদ্দীপকের আবুল ফজলের মতো বিশস্ত মানুষ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেও ছিল।"- নাটকের প্রাসঙ্গিক চরিত্র বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত উপস্থাপন করো।
- নবাব আলীবর্দি খাঁর প্রিয়পাত্র কে ছিলেন?
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আপাদমস্তক একজন দেশপ্রেমিক। যুগ যুগ ধরে শোষিত নিপীড়িত বাঙালিকে তিনিই মুক্তির স্বাদ দিতে পেরেছিলেন। দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবেসে 'বহুবার কারাবরণ করেছেন তিনি। নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণে। অথচ নিজ ঘরের দরজায় পরিচিত কয়েকজনকে হন্তারকের ভূমিকায় দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন জাতির পিতা।'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলার মতোই দেশপ্রেমিক ছিলেন।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "শওকত জঙ্গ নবাব হলে সকলের উদ্দেশ্য হাসিল হবে।"- কেন?
- 'সিরাজের পতন কে না চায়?' উক্তিটি কে করেছেন?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের সময়কাল কত?
- 'আমি বরং নবাবকে বিশ্বাস করতে পারি।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীআমাদের দেশে ব্যাপক নির্যাতন চালায়। অসংখ্য মানুষেরবাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। মা-বোনদের সম্মানহানি করে এবংব্যাপক গণহত্যা চালায়। হানাদার বাহিনীর অত্যাচার 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের কোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ?
- সিকানদার আবু জাফরের সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মোট দৃশ্য কয়টি ?
- নেপাল ও গোপাল দুই ভাই। জমি নিয়ে বিরোধ তাদের দীর্ঘদিন। অনেক সালিশ-বিচার করেও কেউ তাদের বিরোধ মেটাতে পারেনি। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এখন জমির ভাগ বণ্টন নিয়ে মামলা চলছে আদালতে। ছোটো ভাই নেপাল বড়ো ভাইকে শায়েস্তা করতে আব্দুল নামে এক মুসলমানের কাছে ভিটের জমির এক অংশ বিক্রি করে। আব্দুল সেখানে বাড়ি বানিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। কোরবানির ঈদে সে নেপালের বাড়ির সামনে গোরু কোরবানি দেয়। এই ঘটনায় নেপালের মন ভেঙে যায়। কিছুদিন পর কাউকে কিছু না বলে জমি-জায়গা ফেলে সপরিবার ভারতে চলে যায় সে।উদ্দীপকের 'নেপাল' চরিত্রের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'মিরজাফর' চরিত্রের তুলনা করো।
- সিরাজউদ্দৌলার স্ত্রীর নাম কী?
- যতিন শেখ বহু বছর ধরে প্রবাসী। থাকা-খাওয়াসহ মাসিক বেতনের বিনিময়ে তার গ্রামের বাড়ি ও সম্পদ দেখাশুনা করে মোহন। প্রচন্ড অর্থলোভী মোহন যতিন শেখের সহায়-সম্পদের যথেচ্ছা ব্যবহার ও তা আত্মসাৎ করলেও যতিন শেখের কাছে সে ভীষণ বিশ্বাসভাজন। এবার দেশে এলে মোহন ডাকাত দলের সাথে মিলে যতিন শেখের বাড়ি ডাকাতি করে বিপুল অর্থ আত্মসাতের পরিকল্পনা করেছে। সে মনে করে অর্থই সব, অর্থের চেয়ে বড় আর কিছু নেই।"অর্থলোভ মানুষকে অন্যায় ও অনৈতিকতার দিকে ধাবিত করে।"- মন্তব্যটি উদ্দীপক এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতায় আসার পর থেকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তার আত্মীয়স্বজন, পর্যন্ত তার বিরুদ্ধাচরণ করে। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি এই ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করতে পেরেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই পারেননি। পলাশির যুদ্ধে তিনি যেমন প্রতারিত হয়েছিলেন তেমনি ভাগ্য তার বিরুদ্ধে ছিল।উদ্দীপকের শেষ চরণটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে প্রমাণ করো।
- 'এতক্ষণে-অরিন্দম কহিলা বিষাদে-'জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিলরক্ষঃপুরে। হায়, তাত, উচিত কি তবএ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভকুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী।নিজ গৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?'উদ্দীপকের তস্কর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "ব্রিটিশ সিংহ ভয় লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।"-ব্যাখ্যা করো।
- "ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব।" ব্যাখ্যা করো।
- সিকান্দার আবু জাফরকে কত সালে নাট্যচর্চার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়?