'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন— এ বড়
লজ্জার কথা'— উক্তিটি কার?
A.
মিরজাফর
B.
জগৎশেঠ
C.
রায়দুর্লভ
D.
উমিচাঁদ
সঠিক উত্তরঃ
D.
উমিচাঁদ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবিকে রোখেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।
- রাস্তায় বসে ছোট্ট শিশু আমিনকে কাঁদতে দেখে তাকে বাড়িতে নিয়ে এলেন প্রফেসর মধুসূদন রায়। পরম মমতায়, সন্তান স্নেহে বড়ো করে তোলেন তাকে। শিক্ষা-দীক্ষা, ধন-সম্পদ কোনো কিছুরই অভাব রাখেননি তিনি। কিন্তু একদিন আমিনই ষড়যন্ত্র করে মধুসূদন বাবুর সমস্ত সম্পত্তি জোর করে দখল করে নিয়ে বাড়ি থেকে সস্ত্রীক মধুসূদন বাবুকে বের করে দিলো। সম্পদের প্রচণ্ড লোভের কাছে পরাজিত হন মধুসূদন বাবুর দীর্ঘদিনের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।উদ্দীপকের কোন দিকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- সিংহজানী পরগণার এক প্রতাপশালী জমিদারের নাম সিংহ নারায়ণ রায়। প্রজাবাৎসল্য তার চরিত্রের অন্যতম দিক। প্রজাদের সুখের জন্য তিনি দিঘি খনন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা, খাদ্যাভাব মোকাবিলায় খাদ্য মজুদসহ নানা রকম জনহিতকর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। তার জমিদারির অন্যতম সদস্য ছিলেন একমাত্র ভগ্নিপতি সমর সমাদ্দর। তিনি তাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং বিশ্বাস করতেন। এই বিশ্বাসের সুযোগে সমর সমাদ্দার আত্মস্বার্থ চরিতার্থে ব্যস্ত থাকত। তার কৃতকর্ম অনেকবার ধরা পড়লেও জমিদার ঔদার্যবশত তাকে ক্ষমা করে দিতেন। এক বছর খাজনা পরিশোধের জন্য সমরকে দায়িত্ব দিলে সে সমস্ত অর্থ নিয়ে আত্মগোপন করে। সূর্যাস্ত আইনে জমিদারির পতন ঘটে।উদ্দীপকের সমর সমাদ্দার কীভাবে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফরের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- সিরাজউদ্দৌলার মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?
- রবার্ট ক্লাইভ কাকে সেরা বিশ্বাসঘাতক বলেছেন?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়??? নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা'- ব্যাখ্যা করো।
- 'আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে নাও শয়তান।'- কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথাটি বলেছে?
- রফিক স্পষ্টভাবেই তার চাওয়াটা সকলকে জানিয়ে দিয়ে গেছে। সে সহ-সভাপতির পদ চায়। এও বলেছে যে, যদি সোহেলদের দল জিতবে নিশ্চয়তা থাকে তাহলেই কেবল রফিক তাদের দলে আসবে, পরাজয়ের আশঙ্কা থাকলে সে তার বর্তমান দল ত্যাগ করবে নাউদ্দীপকের ঘটনাপ্রবাহের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন সংলাপটি স্মরণযেগ্য?
- একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দেশজুড়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন, নির্যাতনের মধ্যদিয়ে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই বাংলাদেশ নিয়ে নিউইয়র্কে ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয় অবিস্মরণীয় সংগীত সন্ধ্যা। উদ্যোক্তা ও শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জর্জ হ্যারিসন ও পণ্ডিত রবিশঙ্কর। 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' নামক এই অনুষ্ঠান থেকে সংগৃহীত বিপুল অর্থ বাংলাদেশের জন্য ইউনিসেফের শিশু সাহায্য তহবিলে তাঁরা দান করেন।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে কতটুকু যোগসূত্র স্থাপন করেছে?
- সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের রাইসুল জুহালা কেমন চরিত্র?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' - নাটকে প্রধান গুপ্তচরের নাম কি?
- পলাশি যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে কত হাজার সৈন্য ছিল?
- 'দওলত' আমার কাছে ভগবানের দাদা মশায়ের চেয়ে বড়ো'- উক্তিটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- এতিম ফারুককে রাস্তা থেকে শিশু অবস্থায় কুড়িয়ে এনেবড় করেছে গণেশের বাবা। অথচ ফুটবল খেলতে গিয়েসামান্য কথা কাটাকাটির জের ধরে গণেশকে কুপিয়েহত্যা করে ফারুক । 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি উদ্দীপকেউপস্থিত?
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান'। পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা, সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট সাজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটির শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট সাজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'সাজাহান'।
- মহাকবি বাল্মীকির "রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির ভাষিক রূপ। রামায়ণের কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজিয়েছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। রাবণ চরিত্র তাঁর অনন্য সৃষ্টি। রাবণ দেশপ্রেমিক ও অসাধারণ এক বীর। সহোদর বিভীষণ বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী। বহিঃশক্তি রাম-লক্ষ্মণ তার দোসর। তার দেখানো পথেই লক্ষ্মণ রাবণপুত্র নিরস্ত্র মেঘনাদকে হত্যা করে বিভীষণের কারণেই লঙ্কার যুদ্ধে রাবণকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয় এবং বিজয় সূচিত হয় বহিঃশক্তির।'বিশ্বাসঘাতকতাই রাবণ ও সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ।'-'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি বিচার করো।
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কতটি দৃশ্য রয়েছে?
- 'নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?'উদ্দীপকের তাত চরিত্রের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে?
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাঙামাটির 'বুড়িরঘাট' যুদ্ধে শত্রুপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পের কাছাকাছি চলে আসে। সহযোদ্ধাদের অপ্রস্তুতির বিষয়টি টের পেয়ে মুন্সি আবদুর রউফ মেশিনগানের গুলি চালিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে সহযোদ্ধারা প্রস্তুতি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করার প্রাক্কালে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ। পরাস্ত হয় শত্রুপক্ষ।উদ্দীপকের বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রউফের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে যুদ্ধক্ষেত্রে মোহনলালের ভূমিকার তুলনা করো।
- নীলকর ইংরেজদের বাঙালি সহযোগী আমিন ইয়েস-নো-ভেরি গুড়জাতীয় ইংরেজি শিখে নিজেকে নীলকরদের সগোত্রীয় প্রমাণ করার জন্যনীলচাষিদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের উপায় বাতলে দেয়। নির্যাতনঅসহনীয় হয়ে উঠলে প্রতিশোধ ছাড়া উপায় থাকে না বাঙালি চাষিদের।উদ্দীপকের আমিন ও 'রেইনকোট' গল্পের ইসহাক মিয়ারসাদৃশ্য—ভাষা ব্যবহারে বিদেশি প্রীতিতে নির্যাতনে সহযোগিতায় নিচের কোনটি সঠিক?
- 'তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে সিরাজ।' কে, কাকে এবং কেন এ উক্তিটি করেছেন?
- তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে সির???জ।'-উক্তি?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' কোন জাতীয় নাটক?
- 'তার নবাব হওয়াটাই আমার মস্ত ক্ষতি'- উক্তিটির তাৎপর্য লেখ।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- মুকিম সাহেব রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ময়লার ভাগাড়ের পাশে আট মাস বয়সী এক শিশুর কান্না শুনতে পান। পরম যত্নে বুকে তুলে নেন এবং নাম দেন আজমল। সে প্রায় ত্রিশ বছর আগের ঘটনা। তখন থেকেই তিনি আজমলকে স্নেহ-ভালোবাসায় বড় করে তোলেন। নীচু মানসিকতার আজমল ছিল অত্যন্ত লোভী। সে সুযোগ খোঁজে আশ্রয়দাতার সমস্ত সম্পত্তি হস্তগত করার। একদিন অস্ত্রের মুখে মুকিম সাহেবকে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দিতে বাধ্য করে এবং স্বহস্তে আশ্রয়দাতাকে হত্যা করে আজমল।উদ্দীপকের আজমল চরিত্রটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক কোনটি?
- বিপদ যদি আসেই তাহলে তা আসবে কলকাতার দিক দিয়ে গ্যার স্রোতে ভেসে।'- এ ধারণা কার?
- সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছিনা তো?— উক্তিটি কার?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা মোহনলালের উপর ভরসা রেখেছিলেন কেন?
- মনা, লোভা, সুমিসহ মোট বারোজন নিজেদের আর্থিক উন্নতির জন্য একটি সমবায় সমিতি গঠন করে। সবাই প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে মনার কাছে জমা রাখে। কিছুদিন পর মনা সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।উদ্দীপকের মনা সিরাজউদ্দৌলা নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- 'আমি গভর্নর ড্রেকের ধ্বংস দেখতে চাই।'—উক্তিটি কে কাকে করেছে?
- জমিদার কান্ত রায়ের মৃত্যুর পর একমাত্র পুত্র হীরক রায়জমিদারি লাভ করেন। হীরক রায় বয়সে তরুণ ও সরলপ্রকৃতির মানুষ। সরলতার সুযোগ নিয়ে কাকা তপন রায়অমাত্যদের নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। টের পেয়েহীরক রায় কঠোর হস্তে সে ষড়যন্ত্র দমন করেন।হীরক রায়ের অমাত্যদের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের কোন চরিত্রের মিল আছে?
- "ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবীকে রেখেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত, এ বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।""উদ্দীপকের শেষ দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক"- উক্তিটির যথার্থতা প্রতিপন্ন করো।
- আত্মদ্বন্দ্বে পরাভূত মানবত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্ঘাটিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নরকের নিঃসীম দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমোহিত করে তোলে, ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ চরিত্রের করুণ পরিণতি আলোচনা করো।
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহা ধনবানঅসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান,কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমির হিতস্বজাতির সেবা যেবা করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সতুরঅতীব ঘৃণিত সেই পাষন্ড বর্বর।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে মিরজাফর প্রধান সেনাপতি হওয়ার ফলে পলাশির যুদ্ধে সিরাজের পতন হয়েছে- উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
- 'সিরাজের পতন কে চায়' সংলাপটি কার?
- কোন কবি নবাব সিরাজউদৌলার চরিত্রনির্ভর নাটক রচনা করেন ?
- পাকিস্তানি মিলিটারিরা একটি স্কুল ঘরে ক্যাম্প করেছিল। তাদের সাথে কিছু রাজাকারও ছিল। মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার জাভেদের যুদ্ধের নৈপুণ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে থাকা রাজাকারদের পরামর্শে তারা আত্মসমর্পণ করে প্রাণ রক্ষা করল।'নবাব সিরাজউদ্দৌলা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা, জুগিয়েছে।'- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্য অবলম্বনে আলোচনা করো।