বিপদ যদি আসেই তাহলে তা আসবে কলকাতার দিক দিয়ে গ্যার স্রোতে ভেসে।'- এ ধারণা কার?
A.
ওয়াটসের
B.
হলওয়েলের
C.
ড্রেকের
D.
কিলপ্যাট্রিকের
সঠিক উত্তরঃ
D.
কিলপ্যাট্রিকের
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মন্তু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।উদ্দীপকের মঞ্জু মিয়ার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের তুলনা কর।
- নবাব সিরাজ রাজধানীতে ফিরে এলেন কেন?
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়'-উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- 'চারদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র।'-উক্তিটি কার?
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র'- ব্যাখ্যা করো।
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।'নবাব সিরাজউদ্দৌলার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ একই প্রেরণা থেকে উৎসারিত।'- তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন'- কে, কেন বলেছে?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম যথার্থভাবে ভেবেছিলেন এবং বুঝেছিলেন সকল দুঃশাসক ও শোষকের জুলুম নিপীড়ন থেকে উদ্ধার পাবার শ্রেষ্ঠ অবলম্বন হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্র। এ শিক্ষা তিনি ইতিহাস থেকে লাভ করেছিলেন। তাই তিনি আমাদের এই উপমহাদেশের মুক্তির জন্য যুদ্ধকেই প্রধান মাধ্যম হিসেবে গণ্য করেছিলেন। তার কবিতায় এ চেতনা লক্ষ করা যায়।উদ্দীপকের কবি নজরুলের চেতনার সাথে নবাব সিরাজের চেতনার সাদৃশ্য নিরূপণ কর।
- 'স্বার্থপর ক্লডিয়াস রাণীর সাথে হাত মিলিয়ে রাজাহ্যামলেটকে হত্যা করে।'উদ্দীপকের রাজা 'হ্যামলেট' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেকোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- 'এ সময়ে এভাবে এখানে আসা খুবই বিপজ্জনক'। উক্তিটির কারণ ব্যাখ্যা করো।
- মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাশাসক, রাজনীতিবিদ ও কতিপয় বিপথগামী দোসররা জনসাধারণের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালায় ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এ দেশের আপামর জনতা দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে । উদ্দীপকের প্রথম বাক্য 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনকোন চরিত্রের কর্মকাণ্ডকে ধারণ করে?
- সিরাজউদ্দৌলাকে কে হত্যা করেন?
- কিলপ্যাট্রিক মাদ্রাজ থেকে কতজন সৈন্য নিয়েহাজির হন?
- 'আমি বরং নবাবকে বিশ্বাস করতে পারি।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়ে বড়'- উক্তিটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- দওলত আমার কাছে 'ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েওবড়।' কার কাছে?
- মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক কোনটি?
- রফিক স্পষ্টভাবেই তার চাওয়াটা সকলকে জানিয়ে দিয়ে গেছে। সে সহ-সভাপতির পদ চায়। এও বলেছে যে, যদি সোহেলদের দল জিতবে নিশ্চয়তা থাকে তাহলেই কেবল রফিক তাদের দলে আসবে, পরাজয়ের আশঙ্কা থাকলে সে তার বর্তমান দল ত্যাগ করবে নাউদ্দীপকের ঘটনাপ্রবাহের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন সংলাপটি স্মরণযেগ্য?
- আবেদ আলী এতিম জালালকে আদর, ভালোবাসা আর বিশ্বাস-ভরসা দিয়ে বড় করে তোলেন। তাকে বিশ্বাস করে হাটে বাজারে পাঠান বিকিকিনি করতে। প্রতিবেশীরা সাবধান করলেও আবেদ আলী তা কানে তোলেননি। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হলে আবেদ আলী বাড়ির ভিতরে থেকে জালালকে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে চলে যেতে বলেন। কিন্তু জালাল প্রতিশ্রুতি দিয়েও লোভে পড়ে আবেদ আলীকে ধরিয়ে দেয় রাজাকার আর পাক হানাদারদের হাতে।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।