'আসামির সে অধিকার থাকে নাকি?'- কে, কাকে, কখন বলেছিল? বর্ণনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়।'- উক্তিটির সপ্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করো।
- রবার্ট ক্লাইভ নারীর ছদ্মবেশে মিরনের বাড়ি এসেছিল কেন?
- ইংরেজদের সাথে উমিচাঁদের কত টাকার চুক্তি হয়েছিল?
- সিরাজউদ্দৌলা কাকে কলকাতার দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যস্থান কোনটি?
- 'তার নবাব হওয়াটাই আমার মস্ত ক্ষতি।'-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- নবাব সিরাজ রাজধানীতে ফিরে আসতে চেয়েছেন কেন?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের রচয়িতা কে?
- 'পলাশিতে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয় ।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- অটোমান সম্রাজ্যের পথপ্রদর্শক সুলতানা কোসেম। যখনই রাজপরিবার বিপদগ্রস্ত হয়েছে, তখনই সুলতানা কোসেম মুখ্য, ভূমিকা পালন করেছেন। এক সৈনিক শত্রুর সাথে হাত মেলালে প্রমাণ সাপেক্ষে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এতে ওই সৈনিকের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সুলতানা ঐ পরিবারের দায়ভার ও তার ছেলে হাবিবের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেন। কিন্তু হাবিব পিতৃহত্যার কথা জানতে পেরে মনে মনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। সুযোগ পেয়ে কোসেমকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করেন। এ যাত্রায় সুলতানা রক্ষা পেলে হাবিব নাবালক বলে তাকে ক্ষমা করেন এবং সংশোধনাগারে পাঠিয়ে দেন। দীর্ঘদিন সংশোধনাগারে রাখার পর হাবিবকে আবার সৈনিক হিসেবে নিয়োগ দেন। কিন্তু হাবিব সুযোগ পেয়ে সুলতানাকে হত্যা করেন।ক্ষমা প্রদর্শন করে কোসেম সুলতানার যে পরিণতি সিরাজউদ্দৌলা নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলারও একই পরিণতি হয়েছে"- যুক্তি দিয়ে বিচার করো।
- কী থেকে নাটকের উদ্ভব?
- নরওয়েতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন ভিদকুন কুইজলিং। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি জার্মান শাসক হিটলারের সাথে গোপন আঁতাত করেন। হিটলার নরওয়ে আক্রমণ করলে কুইজলিং রাজধানী থেকে ৫০ কি.মি. দূরে ঘাঁটি গাড়েন এবং নরওয়ে সরকার পরাজিত হয়ে পালিয়েছে- এ মর্মে অপপ্রচার চালাতে থাকেন। অতঃপর হিটলার নরওয়ে জয় করার পর কুইজলিংকে সরকার প্রধানের দায়িত্ব দেয়।উদ্দীপকের কুইজলিং-এর সাথে, 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটির তুলনামূলক ব্যাখ্যা করো।
- "সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো" উক্তিটি কার?
- বোঝা যত দূর্বহই হোক , তা একাই বইবার চেষ্টা করিব - উক্তিটি কার?
- ঐতিহাসিক পলাশি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
- মোহাম্মদি বেগ কত টাকার বিনিময়ে নবাব সিরাজকে হত্যা করতে রাজি হয়েছিল?
- 'এ. আর.' একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি পদ প্রাপ্তির লোভ করা মানুষের সংখ্যা কম না। ফেরদৌস মিঞা নামে এক ব্যক্তি কর্তৃপক্ষের সাথে গোপনে হাত মিলিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে 'এ. আর' প্রতিষ্ঠানের সভাপতির পদ লাভ করেন। কিন্তু একান্তে যখন থাকেন, তখন নিজের মনকে নিজেই প্রশ্নবিদ্ধ করে বসেন 'আমি কি এ পদের জন্য যোগ্য।'"উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিষয়বস্তু আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।"-তোমার মতামত ব্যক্ত করো'।
- আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবাত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্ঘাটিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের নিঃসীয় দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ চরিত্রের করুণ পরিণতি আলোচনা করো।
- উমিচাঁদকে এ যুগের সেরা বিশ্বাসঘাতক বলা হয় কেন?
- মহাকবি বাল্মীকির "রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির ভাষিক রূপ। রামায়ণের কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজিয়েছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। রাবণ চরিত্র তাঁর অনন্য সৃষ্টি। রাবণ দেশপ্রেমিক ও অসাধারণ এক বীর। সহোদর বিভীষণ বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী। বহিঃশক্তি রাম-লক্ষ্মণ তার দোসর। তার দেখানো পথেই লক্ষ্মণ রাবণপুত্র নিরস্ত্র মেঘনাদকে হত্যা করে বিভীষণের কারণেই লঙ্কার যুদ্ধে রাবণকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয় এবং বিজয় সূচিত হয় বহিঃশক্তির।বিভীষণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রকে নির্দেশ করে- আলোচনা করো।
- শোনা যায়, তিস্তাপাড়ে এখন আর ফসলি জমি নেই। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী জমিতে মেশিন বসিয়ে উত্তোলন করে নিচ্ছে ভূগর্ভস্থ পাথর। এই অঞ্চলে ফসলের তুলনায় পাথরের মূল্য বেশি। দিনে দিনে মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এলাকার সচেতন জনগোষ্ঠী দেশের স্বার্থে এতে বাধা দিলে তারা সাময়িকভাবে পাথর উত্তোলন-বদ্ধ রাখে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তিনটি মেশিন বসানোর অনুমতি নিয়ে বাস্তবে তিনশত মেশিন বসিয়ে আবার পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এতে যেমন ব্যাহত হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন, তেমনি নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। ব্যবসায়ীদের তাতে কিছু যায়-আসে না, অধিক মুনাফা অর্জনই যেন তাদের লক্ষ্য। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো শোনা যাবে, মাটির নিচে তলিয়ে গেছে তিস্তাপাড়ের বিশাল জনপদ।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের অসাধু ব্যবসায়ী আর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজ বেনিয়াদের চরিত্র অভিন্ন"- এই বিষয়ে তোমার অভিমত আলোচনা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে অঙ্ক সংখ্যা কত?
- আবেদ-জাবেদ দুই ভাই কার মৃত্যুতে দানবীয় উল্লাস প্রকাশ করেছিল?
- মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাশাসক, রাজনীতিবিদ ও কতিপয় বিপথগামী দোসররা জনসাধারণের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালায় ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এ দেশের আপামর জনতা দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে । উদ্দীপকের প্রথম বাক্য 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনকোন চরিত্রের কর্মকাণ্ডকে ধারণ করে?
- সিরাজ তাঁর চারপাশে 'দেয়াল' বলেছেন কোনটিকে?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব কোথায় গিয়ে বন্দিদেরবিচার করবেন?
- দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকের 'এক জীবন্ত মুসলিম চরিত্র তোরাপ। এই তোরাপ সোচ্চার হয়েছে সামাজিক নানা অসংগতির বিরুদ্ধে, সমাজপতিদের অন্যায় ও অত্যাচারের বিপক্ষে। একজন গরিব কৃষক হয়েও সে সত্যবাদী, সাহসী ও পরোকারী মানুষ। নবীন মাধবের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে সে প্রস্তুত। তাই নবীন মাধবের সব ধরনের সাহসী কাজে সে তার সঙ্গী হয়। ধর্ম- বর্ণের ভেদাভেদ তার দৃষ্টিতে ছিল না বলেই তোরাপ শেষ পর্যন্ত নবীন মাধবের সাথে ছিল। এমনকি নিরীহ কৃষকদের পাশে থেকে অত্যাচারী শোষক ইংরেজ নীলকরদেরও মোকাবিলা করে গেছে সে।'উদ্দীপক ও সিরাজউদ্দৌলা নাটক উভয় ক্ষেত্রেই অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে বিশ্বস্ত ও দুঃসাহসী যোদ্ধার প্রতিবাদী সংগ্রাম উজ্জ্বল হয়ে ফুটে উঠেছে।'- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে অঙ্ক সংখ্যা কত?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের স্থানিক পট কোথায়?
- ঘসেটি বেগম কাকে সাপিনী বলেছেন?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়।'- ব্যাখ্যা করো।
- জহিরউদ্দীন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। বাবরের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে হুমায়ূন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তাঁর বয়স অল্প। সিংহাসনে বসার সাথে সাথেই চারদিকে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। আপন আত্মীয়স্বজন তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এমনকি আপন ভাইয়েরাও তাঁকে সহযোগিতা করেনি। তারপরেও বাবরের বড়ো ছেলে হিসেবে তিনি শক্ত হাতে শাসনকার্য চালিয়ে যান এবং মুঘল সাম্রাজ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন।'নবাব সিরাজউদ্দৌলা উদ্দীপকের হুমায়ূনের মতো হলে, 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পরিণতি ভিন্ন হতে পারত।'-বিশ্লেষণ করো।
- কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার কে?
- এতিম ফারুককে রাস্তা থেকে শিশু অবস্থায় কুড়িয়ে এনেবড় করেছে গণেশের বাবা। অথচ ফুটবল খেলতে গিয়েসামান্য কথা কাটাকাটির জের ধরে গণেশকে কুপিয়েহত্যা করে ফারুক । 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি উদ্দীপকেউপস্থিত?
- ১২০৪ সালে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি মাত্র ১৭/১৮ জন সৈন্য নিয়ে নদীয়ার শাসক লক্ষ্মণ সেনের রাজ্য আক্রমণ করেন। বখতিয়ার খিলজির শৃঙ্খলিত ও বিশ্বস্ত সেনবাহিনীর কাছে অল্প সময়ের মধ্যেই লক্ষ্মণ সেনের সেনাবাহিনী যুদ্ধ না করে জীবন বাঁচাতে পলায়ন করে। সেই সাথে লক্ষ্মণ সেনও সেদিন পলায়ন করেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই বখতিয়ার খিলজি বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন। আসলে সেদিন সেখানে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়।উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি নির্দেশ করে? উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আঙ্গিকে উক্তিটি মূল্যায়ন কর।
- দেশের স্বার্থের জন্য নিজেদের স্বার্থ তুচ্ছ করে আমরা নবাবের আজ্ঞাবহ হয়েই থাকব।'- এ উক্তিটি কে করেছিল?
- সিরাজউদ্দৌলার মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?
- ঐতিহাসিক নাটক কোনটি?
- 'সিরাজের পতন কে না চায়' সংলাপটি কার?
- প্রগতিশীল যুবক আকাশ শহর থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করে এক সময় নিজ গ্রাম শিবালয়ে ফিরে আসে। তার গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। তাই গ্রামের মানুষকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে গ্রামে একটা স্কুল প্রতিষ্ঠা- করতে চায় আকাশ। এর জন্য গ্রামের লোকজনকে ডেকে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। সভায় গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি ছমির মিয়া নিজের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার ভয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে এবং তাকে কৌশলে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য করে।"উদ্দীপকের বিষয়বস্তু 'লালসালু' উপন্যাসের খণ্ডচিত্র মাত্র, সামগ্রিক চিত্র নয়।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।