সিরাজউদ্দৌলার মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?
A. মীরণ, ২৯জুন ১৭৫৭
B. মোহাম্মদী বেগ, ২জুলাই ১৭৫৭
C. মীরজাফর, ২৩জুন ১৭৫৭
D. লর্ড ক্লাইভ, ২৫ জুলাই ১৭৫৭
সঠিক উত্তরঃ
B.
মোহাম্মদী বেগ, ২জুলাই ১৭৫৭
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- নীলকর ইংরেজদের বাঙালি সহযোগী আমিন ইয়েস-নো-ভেরি গুড়জাতীয় ইংরেজি শিখে নিজেকে নীলকরদের সগোত্রীয় প্রমাণ করার জন্যনীলচাষিদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের উপায় বাতলে দেয়। নির্যাতনঅসহনীয় হয়ে উঠলে প্রতিশোধ ছাড়া উপায় থাকে না বাঙালি চাষিদের।উদ্দীপকের আমিন ও 'রেইনকোট' গল্পের ইসহাক মিয়ারসাদৃশ্য—ভাষা ব্যবহারে বিদেশি প্রীতিতে নির্যাতনে সহযোগিতায় নিচের কোনটি সঠিক?
- 'রাজিব এতিম সুমনকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনে প্রতিপালন করে এবং প্রতিষ্ঠিত করে। সেই রাজীবকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে সুমন।'উদ্দীপকের সুমনের চরিত্রটি নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- গঙ্গাজল ছুঁয়ে ঈশ্বরের নামে শপথ করেছিল কে?
- নতুন বাইকে চেপে রাশেদ একদিন বিকেলে তার মামার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে নির্জন স্থানে লাঠিতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একজন লোক হাত তুলে তাকে থামতে বলে। রাশেদ কাছে গিয়ে বাইক থামালে লোকটি তাকে অনুরোধ করে বলে- "ভাই, আমি একজন পঙ্গু মানুষ, দয়া করে আমাকে সামনের মোড়ে নামিয়ে দিবেন?" রাশেদ তাকে বাইকের পিছনে নিয়ে কিছুদূর যেতেই লোকটি কৌশলে তার হাতের লাঠি ফেলে দেয় এবং তাকে লাঠিটা আনতে অনুরোধ করে। রাশেদ বাইক থেকে নেমে লাঠি আনতে গেলে লোকটি নিমিষেই বাইক নিয়ে উধাও হয়ে যায়।সরল বিশ্বাসের কারণে মানুষ প্রতারণার শিকার হয়- উদ্দীপকের আলোকে মন্তব্যটি 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ক্ষেত্রে কতটুকু সত্য তা বিশ্লেষণ করো।
- রাইসুল জুহালা চরিত্রের মাধ্যমে নাট্যকার নাটকেযে বিষয়ের অবতারণা করেছেন—
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে হানাদার বাহিনীর লোকেরা এদেশের ঘুমন্ত মানুষের উপর গুলি চালায় আর সেই রাতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ফলে এদেশের হাজার হাজার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশমাতাকে রক্ষা করতে। কিন্তু কিছু লোক ছিল যারা পাকিস্তানের দালালে পরিণত হয়ে রাজাকার, আলবদর নাম ধারণ করে দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল। রমজাম এদের মধ্যে অন্যতম। রমজান ও তার সহযোগীরা ১৪ ডিসেম্বর দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের দেখিয়ে দিয়েছিল, আর পাকিস্তানিরা তাদের মূল্যবান জীবন কেড়ে নিয়েছিল। তবুও মুক্তিযোদ্ধারা সকল বাধা অতিক্রম করে ছিনিয়ে এনেছেন আমাদের স্বাধীনতা। প্রকৃত দেশপ্রেমিকেরা দেশের জন্য প্রাণ দিতে কখনো কুণ্ঠাবোধ করেন না।উদ্দীপকের রমজান 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রকে সমর্থন করে বলে তুমি মনে কর? ব্যাখ্যা কর।
- আবুলে বাবা অনাথ শিব্বিরকে লালন-পালন করে সমাজেপ্রতিষ্ঠিত করেন। সময়ের আবর্তনে বিত্ত-সম্পত্তি নিয়েআবুলের সঙ্গে তার চাচা জাফরের বিরোধ বাধলেজাফর শিব্বিরকে নিজের দলে ভেড়ান। অর্থের লোভেজাফরের নির্দেশে শিব্বির আবুলকে হত্যা করে। উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সমভাবেপ্রকাশিত হয়েছে—
- অমর ও সমর অন্তরঙ্গ বন্ধু। একদা তারা এক বনের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। তারা প্রতিজ্ঞা করেছে পথে কোনো বিপদে কেউ কাউকে ছেড়ে যাবে না। বনের মাঝামাঝি আসতেই তারা এক হিংস্র ভালুকের আক্রমণের শিকার হলো। অমর বন্ধুর কথা না ভেবে নিজের প্রাণ বাঁচাতে একটি বৃক্ষের উপর উঠে গেল; কিন্তু সমর গাছে উঠতে পারে না। উপায় না দেখে সে মৃত মানুষের মতো মাটিতে শুয়ে পড়ল। হিংস্র ভালুকটি দৌড়ে এসে সমরের দেহটিকে অনেকক্ষণ নিরীক্ষণ করে অবশেষে মৃতদেহ ভেবে চলে গেল। বিপদমুক্ত ভেবে অমর এবার বৃক্ষ থেকে নামল আর বন্ধু সমরের কাছে জানতে চাইল, ভালুক তার কাকে কানে কী বলে গেছে? সমর গম্ভীর স্বরে উত্তর দিল- 'ধূর্ত ও প্রতিজ্ঞা ভঙ্গকারীরা চিরকালই শত্রু হয়, বন্ধু হয় না, এই কথাই বলেছে।''ধূর্ত ও প্রতিজ্ঞা ভঙ্গকারীরা চিরকালই শত্রু হয়, বন্ধু হয় না,' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ও উদ্দীপকের এই বক্তব্যের সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়- বিচার করো।
- দওলত আমার কাছে 'ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েওবড়।' কার কাছে?
- মাস্টারদা সূর্যসেন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। এ দেশের গণমানুষকে জাগিয়ে তুলতে নানাভাবে চেষ্টা করেন। তারই নির্দেশে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবে আক্রমণ সফল হওয়ার পর ব্রিটিশ শাসকের টনক নড়ে। তাঁকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ইংরেজরা দশ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে। অর্থের লোভে জনৈক ব্যক্তি তাঁর অবস্থান জানিয়ে দিলে তিনি ধরা পড়েন। অতঃপর তাঁকে নির্মমভ??বে হত্যা করা হয়।উদ্দীপকের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- জোহরা: আর একদিন কি দু'দিন। তার পরই ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো। আমার সঙ্গে ফিরে চলো।কার্দিঃ যে ফিরে যাবে সে আমি হব না সে হবে বিশ্বাসঘাতক। আমাদের সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা।'উদ্দীপকের কার্দির মতো বিশ্বস্ত লোকের অপ্রতুলতার জন্য সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজয় বরণ করতে হয়েছে।'- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালের দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত। জেনারেল পিনোচেট।উদ্দীপকের পিনোচেট 'সিরাজদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সর্বাধিক মিল রয়েছে?
- 'আমি বরং নবাবকে বিশ্বাস করতে পারি।'- ক্লাইভেরএই উক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে—মিরজাফরের প্রতি অনাস্থানবাবের শাসনের প্রতি বশ্যতানবাবের দেশপ্রেম চেতনায় শ্রদ্ধানিচের কোনটি সঠিক?
- 'বর্গি এস খাজনা নিতেমারল মানুষ কত।পুড়ল শহর, পুড়ল শ্যামলগ্রাম যে শত শত।হানাদারের সজো জোরেলড়ে মুক্তি সেনা,তাদের কথা দেশের মানুষকখনো ভুলবে না।'"উদ্দীপকের মুক্তিসেনা এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলা একই সূত্রে গাঁথা।" মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ করো।
- মাত্র সতেরো জন্য সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খিলজি বাংলার মসনদ দখল করে নেন। এই সতেরো জন্য সৈন্য যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদের অসামান্য সাহস, বিশ্বাস আর শৃঙ্খলার জন্য। 'পক্ষান্তরে লক্ষ্মণসেনের বাহিনী ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় জর্জরিত। লক্ষ্মণসেনের বিশাল বাহিনী তাকে রেখে পালিয়ে গেল। তাই লক্ষ্মণসেনও আত্মগোপনে চলে গেলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘটনা কোন কোন দিক দিয়ে তুলনীয়? বুঝিয়ে লেখো।
- আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্যাপিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের অসীম দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।'উদ্দীপকের প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রেক্ষাপটে কতটুকু সাদৃশ্য বহন করে?' আলোচনা করো।
- 'সিরাজের পতন কে না চায়?' উক্তিটি কে করেছেন?
- সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
- ‘নেমেসিস’ কোন জাতীয় রচনা?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে মূলত বিধৃত হয়েছে—
- অটোমান সাম্রাজ্যের একমাত্র অধিপতি সুলতান সুলেমান খান। সুলতানের নিকটস্থ ও পদস্থ সেনাপতিরা বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। তারা সুলতানকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। সুলতান তা জেনেও কোনো উপযুক্ত দণ্ডাদেশ দিতে অপারগ। হীন চক্রান্তের ফলে নৃশংসভাবে নিহত হয় সুলতান।উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান খান 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়? ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজ-উদ্-দৌলা নাটকে ঘসেটি বেগমের পালক পুত্রের নাম কী?
- সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
- সুদূর লাহোর হইতে আমি বাংলাদেশে আসিয়াছি অর্থ উপার্জনের জন্য।' “সিরাজউদ্দৌলা” নাটকে উক্তিটি কে করেছেন?
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ও দেশের কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ পাকহানাদার বাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে দেশের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি করেছে। তাদের একজন সোবহান মুন্সী। মানবতাবিরোধী অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার সাক্ষী দবির বলেন, এই সোবহান মুন্সীই পাকহানাদার বাহিনীকে তাদের গ্রামে আনে এবং সে তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করে।"উদ্দীপকের সোবহান মুন্সী ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মীরজাফর চরিত্র যেন একই সূত্রে গাঁথা।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- ঘসেটি বেগম কোন প্রাসাদে থাকতেন?
- গোলকচন্দ্র বসু ও তাঁর রাইয়ত সাধুচরণের আলাপচারিতায় ফুটে ওঠে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষিদের নীলচাষে বাধ্য করা; নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম; নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকান্ডের অংশ প্রজাপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীনমাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীলকরকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তী সময়ে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীনমাধব মৃত্যুবরণ করে।উদ্দীপকের নীলকরদের অত্যাচারের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কে বর্ণিত ইংরেজদের অত্যাচারের তুলনা করো।
- দুর্গম গিরি কান্তার মরু, দুর্বার পারাবারলঙ্গিতে হবে রাত্রি নিশীথে, যাত্রীরা হুঁশিয়ার!দুলিতেছে তরি, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ,ছিঁড়িয়াছে, পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মৎ?কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ।এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিক প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলার পিতার নাম-
- মোদাচ্ছের পীরের মাজারকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- স্বার্থের কারণে তমাল সাহেবের জীবনের চরম বিপর্যয়ের সময়স্ত্রী-পুত্র-কন্যা দূরে সরে গেল, অথচ বিশ্বস্ত ভৃত্য আনোয়ারজীবন দিয়ে হলেও তমাল সাহেবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারশপথ নেয়।উদ্দীপকে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের যে ভাব প্রকাশিত, তাহলো-স্বার্থান্ধতাব্যক্তিজীবনের বিপর্যয় আত্মীয়তার বন্ধনের শৈথিল্যনিচের কোনটি সঠিক?
- ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে কে প্রাণপণে যুদ্ধ করার উৎসাহ দিচ্ছিল?
- কোনটা ঠিক?
- আকবর সাহেবের কুপুত্র তানভীরকে পারিবারিক ব্যাবসারভাগ না দিয়ে আকমল সাহেবের ছেলে ইমরানকে ব্যাবসারএকচ্ছত্র কর্ণধার করে যান দাদা আশরাফউদ্দিন। এ নিয়েইআকবর সাহেব ভ্রাতুষ্পুত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন ।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে দিকের সাথেসঙ্গতিপূর্ণ—
- শহরে বড়োসড়ো এক ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাকাত সরদার নিজাম ও তার দল। এ লক্ষ্যে শহরের প্রান্তে এক পরিত্যক্ত বাড়িতে তারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংগঠিত হতে থাকে। গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে নগর পুলিশ পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সদলবলে নিজামকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে।ডাকাত দলের প্রস্তুতির বিষয়টিকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন ঘটনার সাথে তুলনা করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
- ভিক্টরি অর ডেথ, ভিক্টরি 'অর ডেথ।' 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকে এ উক্তিটি কে করেন?
- "আপনার দুঃসাহসের সীমা নেই। আমার প্রাসাদে কার অনুমতিতে আপনি প্রবেশ করেছেন?" ব্যাখ্যা কর।
- কে গভর্নর ড্রেকের ধ্বংস দেখতে চায়?
- "বাপের খেদানো মায়ে তাড়ানো" - কথটি সিরাজুদ্দোলা নাটকের কোন চরিত্র সম্পকে প্রযোজ্য ?
- “সিরাজউদ্দৌলা” নাটকের কতটি দৃশ্যে সিরাজউদ্দৌলার উপস্থিতি রয়েছে?