সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালের দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত। জেনারেল পিনোচেট।
উদ্দীপকের পিনোচেট 'সিরাজদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সর্বাধিক মিল রয়েছে?
A.
জগৎশেঠ
B.
উমিচাঁদ
C.
ওয়াটসন
D.
মিরজাফর
সঠিক উত্তরঃ
D.
মিরজাফর
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম সংলাপ-
- সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ সরকার দীর্ঘকাল ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে শাসনের নামে চালিয়েছে শোষণের স্টিমরোলার। এ সময় ভারতে স্বাধীনতার দাবিতে দানা বেঁধে ওঠে স্বদেশি আন্দোলন। ভারতবর্ষ জুড়ে তীব্র আন্দোলনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত কেঁপে ওঠে। ফলে এ আন্দোলনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য সাম্রাজ্যবাদী সরকার ভারতের অগণিত তরুণ-যুবাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলায়। মৃত্যু অবধারিত জেনেও মুক্ত স্বদেশের স্বপ্নে বিভোর আন্দোলনকারীরা পিছপা হননি। স্বদেশিদের দুর্বার এ সংগ্রামে তেত্রিশ কোটি ভারতবাসীর ছিল অকুণ্ঠ সমর্থন।"সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য দেশপ্রেম, যা উদ্দীপকে বিদ্যমান?”- তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
- "বাংলাদেশের নাটকে "বর্ণনাত্মক রীতি" এর সার্থক প্রয়োগ কে ঘটান ?
- সিরাজউদ্দৌলার স্ত্রীর নাম কী?
- মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার আজমত আলী শান্তি কমিটি গঠন করে এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়ে এই দেশের প্রচুর ক্ষয়-ক্ষতি সাধন করে। পরবর্তীকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে তার নামে মামলা করা হয় এবং ফাঁসিও কার্যকর করা হয়। প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা জামিল উদ্দীন জানান ওই বিশ্বাসঘাতক আজমত 'আলীর সাহায্যেই হানাদার বাহিনী গ্রামের অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করে এবং তাঁদের পরিবারের ওপর চালায় সীমাহীন নির্যাতন।“প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল বিষয়কে তুলে ধরেছে।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- রাইসুল জুহালা চরিত্রের মাধ্যমে নাট্যকার নাটকেযে বিষয়ের অবতারণা করেছেন—
- 'আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে' — সিরাজেরএই উক্তির কারণ, তিনি-
- ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে কে প্রাণপণে যুদ্ধ করার উৎসাহ দিচ্ছিল?
- একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীআমাদের দেশে ব্যাপক নির্যাতন চালায়। অসংখ্য মানুষেরবাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। মা-বোনদের সম্মানহানি করে এবংব্যাপক গণহত্যা চালায়। হানাদার বাহিনীর অত্যাচার 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের কোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ?
- জামালপুর জেলায় মেলান্দহ উপজেলার একটি নদী কাটাখালী। একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা এলাকার ধানী জমিগুলোতে ইটভাটা বসিয়ে কৃষি- উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানার কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন করে যাচ্ছে। এলাকায় পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়কর ও ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের কাছে এসবের প্রতিকার চায়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে ??লতে থাকলে অচিরেই এলাকায় মানবিক বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের অসাধু ব্যবসায়ী এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজ বেনিয়াদের চরিত্র এক ও অভিন্ন।" উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- 'আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই।'- কেন?
- 'স্বার্থপর ক্লডিয়াস রাণীর সাথে হাত মিলিয়ে রাজাহ্যামলেটকে হত্যা করে।' মিরজাফরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলো— ক্ষমতালোভী, পরশ্রীকাতর কূটকৌশলী, ব্যক্তিত্বশালীসুযোগসন্ধানী, ষড়যন্ত্রকারীনিচের কোনটি সঠিক?
- ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য তিতুমীর বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। একটা সময় তিতুমীর পরাজিত হন এবং তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ইংরেজরা হত্যা করে। তিতুমীরের এ লড়াই ব্যর্থ মনে হলেও ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে সুদূরপ্রসারী অবদান রেখেছে। তাই তিতুমীর আমাদের কাছে অমর, অক্ষয়, মাতৃভূমির অতন্দ্র প্রহরী।'তিতুমীর আমাদের কাছে অমর, অক্ষয়, মাতৃভূমির অতন্দ্র প্রহরী'. মন্তব্যটির যথার্থতা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- ‘জন্ডিস’ একটি–
- ওয়াটসনের সই জাল করে দিয়েছে কে?
- মহাকবি বাল্মীকির 'রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির প্রতিভূ। রামায়ন্ত্রে কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজান মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মেঘনাদ' চরিত্রটি তাঁর এক অসাধারণ সৃষ্টি। সীমাহীন দেশপ্রেম ও অসাধারণ বীরত্ব সত্ত্বেও গৃহশত্রু বিভীষণের কারণে তাকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়। মেঘনাদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে রাম-রাবণ যুদ্ধে বিজয় সূচিত হয় আর্যশক্তির।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- 'তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে সিরাজ।' কে, কাকে এবং কেন এ উক্তিটি করেছেন?
- ধণাঢ্য ব্যাসায়ী ফিরোজ আহমেদ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। শুধু তা-ই নয় প্রাণ হারানোর ভয়ে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের দিয়ে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ফিরোজ আহমেদের স্ত্রী সায়মা স্বামীর এই দুরবস্থার কারণে সব সময় সঙ্গে সঙ্গে থাকেন। শোকে যন্ত্রণায় কাতর ফিরোজ বছর দুই পরেই মৃত্যুবরণ করে। স্বামীর মৃত্যুর পরে সায়মা তার স্মৃতি নিয়ে একাকী জীবন কাটান। ফিরোজ আহমেদর চাচাতো ভাই ফরিদ সায়মাকে বিয়ে করার অনেক চেষ্টা করেও বিফল হয়।'উদ্দীপকের ফিরোজ আহমেদ ও সিরাজউদ্দৌলার করুণ পরিণতির মূল কারণ ষড়যন্ত্র।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব।'- উক্তিটি কার।