১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘুমন্ত বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনী সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অন্যায়ভাবে ব্যাপক হত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ চালায় বাংলাদেশে। আলবদর, আলশামস বাহিনীর মাধ্যমে পাকিস্তানিরা এ দেশে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। দীর্ঘ নয় মাসে তারা ৩০ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করে। কিন্তু সাহসী বাঙালি প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানিদের কোণঠাসা করে মুক্তির বিজয় ছিনিয়ে আনে।
উদ্দীপকে সাহসী বাঙালির প্রবল প্রতিরোধের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কীভাবে বর্ণিত হয়েছে? আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কে আল্লাহর কালাম ছুঁয়ে ওয়াদা করেছিল?
- "এতক্ষণে"-অরিন্দম কহিলা বিষাদেজানিনু কেমনে আমি লক্ষণ পশিলরক্ষঃপুরে হায়, তাত উচিত কি তবএ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভনিতকুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসবাবিজয়ী।নিজগৃহপত্র, আত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আমি রাজার আলয়ে?"উদ্দীপকের তস্কর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- তুমিও আমার বিচার করতে বসলে? ব্যাখ্যা কর।
- মিরন সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ শুনিয়েছিল—বাংলার জনসাধারণকে উৎপীড়ন দরবারের পদস্থ আমির- উমরাদের মর্যাদাহানিমতিঝিলের জলসা চিরকালের মতো ভেঙে দেওয়ানিচের কোনটি সঠিক?
- 'আজ আমার ভরসা আমার সেনাবাহিনীর শক্তি নয় ....' - সিরাজউদ্দৌলা তাহলে পলাশীতে কিসের উপর ভরসা করতে চেয়েছিলেন?
- ইতিহাস পথ নিল কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদের জোয়ার লাগে,পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পটভূমিগত সাদৃশ্য কতটুকু বিশ্লেষণ করো।
- "চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র।"- উক্তিটি কার?
- জোহরাঃ আর একদিন কি দু'দিন। তারপরই সে ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো, আমার সঙ্গে ফিরে চলো। কার্দিঃ যে ফিরে যাবে সে আমি হবো না, সে হবে বিশ্বাসঘাতক। ... আমার সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব/দলত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা। (রক্তাক্ত প্রান্তর- মুনীর চৌধুরী)উদ্দীপকের কার্দি চরিত্রের মাধ্যমে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি তুলে ধরা হয়েছে?
- উমিচাঁদ কোথাকার অধিবাসী ছিলেন?
- জহিরউদ্দীন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। বাবরের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে হুমায়ূন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তাঁর বয়স অল্প। সিংহাসনে বসার সাথে সাথেই চারদিকে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। আপন আত্মীয়স্বজন তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এমনকি আপন ভাইয়েরাও তাঁকে সহযোগিতা করেনি। তারপরেও বাবরের বড়ো ছেলে হিসেবে তিনি শক্ত হাতে শাসনকার্য চালিয়ে যান এবং মুঘল সাম্রাজ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন।'নবাব সিরাজউদ্দৌলা উদ্দীপকের হুমায়ূনের মতো হলে, 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পরিণতি ভিন্ন হতে পারত।'-বিশ্লেষণ করো।
- 'রাইসুল জুহালা' আসলে কোন ব্যক্তি?
- ইতিহাসের এক বীর চরিত্র মহীশূরের টিপু সুলতান। ইংরেজদের বিরুদ্ধে টিপু যুদ্ধ করে প্রাণ দিয়েছেন। চতুর ইংরেজ টিপুর দরবারের এক উচ্চাভিলাষী সেনাপতিকে হাত করেছিল। এই সেনাপতি গোপনে টিপুর সব খবর ইংরেজদের কাছে পৌঁছে দিত। যুদ্ধের এক পর্যায়ে সে দুর্গের দরজা খুলে দিলে ইংরেজরা দুর্গে প্রবেশ করে। নিজ লোকের বিশ্বাসঘাতকতায় টিপু প্রাণ হারান।উদ্দীপকের সেনাপতির সঙ্গে তোমার পঠিত নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- অটোমান সাম্রাজ্যের একমাত্র অধিপতি সুলতান সুলেমান খান। সুলতানের নিকটস্থ ও পদস্থ সেনাপতিরা বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। তারা সুলতানকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। সুলতান তা জেনেও কোনো উপযুক্ত দণ্ডাদেশ দিতে অপারগ। হীন চক্রান্তের ফলে নৃশংসভাবে নিহত হয় সুলতান।'বিশ্বাসঘাতকরা কেবল অটোমান সাম্রাজ্যেই নয়, এই বাংলাতেই বিচরণ করেছে।'- উক্তিটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- সিরাজউদ্দৌলা কার দৌহিত্র ছিলেন?
- 'নবাবের কোনো ক্ষমতা নেই'— ক্লাইভের একথার অর্থ কী?
- 'স্বার্থপর ক্লডিয়াস রাণীর সাথে হাত মিলিয়ে রাজাহ্যামলেটকে হত্যা করে।' মিরজাফরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলো— ক্ষমতালোভী, পরশ্রীকাতর কূটকৌশলী, ব্যক্তিত্বশালীসুযোগসন্ধানী, ষড়যন্ত্রকারীনিচের কোনটি সঠিক?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'আপনাদের কাছে আজআমি আমার অপরাধের বিচারপ্রার্থী।' সংলাপেব্যক্ত হয়েছে সিরাজের-
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ সংলাপটি কার?
- কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার কে?
- সুজন মিয়া এতিম আলীকে আদর, ভালোবাসা দিয়ে বড়ো করে তোলেন। তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন। বিশ্বাস করে হাটবাজারে পাঠান বিভিন্ন জিনিস কেনাকাটা করার জন্য। প্রতিবেশীরা সুজন মিয়াকে প্রায়ই বলেন, আলীকে এত বিশ্বাস না করতে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে সুজন মিয়া মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করলে আলী গোপনে তার সব খবর। পাকিস্তানি সেনাদের কাছে পৌঁছে দেয়।, পরবর্তীকালে রাজাকার আর পাকিস্তানি সেনাদের কাছে সুজন মিয়াকে ধরিয়ে দেয়।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর কে?
- 'পলাশিতে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয় ।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার পূর্ণ নাম কী?
- জোহরা: আর একদিন কি দু'দিন। তার পরই ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো। আমার সঙ্গে ফিরে চলো।কার্দিঃ যে ফিরে যাবে সে আমি হব না সে হবে বিশ্বাসঘাতক। আমাদের সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা।'উদ্দীপকের কার্দির মতো বিশ্বস্ত লোকের অপ্রতুলতার জন্য সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজয় বরণ করতে হয়েছে।'- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- সিরাজউদ্দৌলা' নাটক অনুসরণে ট্র্যাজেডির ধর্ম কী?
- পুরানগড়ের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মাতামুহুরী নদী। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে, তারা এলাকার ধানি জমিগুলোকে ইটভাটা বানিয়ে কৃষি উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানোর কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন যজ্ঞে লিপ্ত হয়েছে। এলাকার পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যাবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়মূলক ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের নিকট এর প্রতিকার চায়। কিন্তু, ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই মানবিক বিপর্যয়ও ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।উদ্দীপকের পরিবেশবাদীদের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের আদর্শিক মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
- 'শুধুই অপমান নেই আমার'- এ উক্তির মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে সিরাজউদ্দৌলার-
- 'আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভিড়।'- বুঝিয়ে দাও।
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে'- ব্যাখ্যা করো।
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা'- উক্তিটি কার?
- মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার আজমত আলী শান্তি কমিটি গঠন করে এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়ে এই দেশের প্রচুর ক্ষয়-ক্ষতি সাধন করে। পরবর্তীকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে তার নামে মামলা করা হয় এবং ফাঁসিও কার্যকর করা হয়। প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা জামিল উদ্দীন জানান ওই বিশ্বাসঘাতক আজমত 'আলীর সাহায্যেই হানাদার বাহিনী গ্রামের অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করে এবং তাঁদের পরিবারের ওপর চালায় সীমাহীন নির্যাতন।উদ্দীপকের আজমত আলী 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? -আলোচনা করো।
- 'আমি দওলতের পূজারি।'-উক্তিটি কার?
- কেউ তো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কী চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়?ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের দ্বিতীয় পঙক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রকে ইঙ্গিত করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক কোনটি?
- "নিজগৃহপথ, তাত দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?"'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে
- 'ইনি কি নবাব না ফকির?'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য তিতুমীর বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। একটা সময় তিতুমীর পরাজিত হন এবং তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ইংরেজরা হত্যা করে। তিতুমীরের এ লড়াই ব্যর্থ মনে হলেও ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে সুদূরপ্রসারী অবদান রেখেছে। তাই তিতুমীর আমাদের কাছে অমর, অক্ষয়, মাতৃভূমির অতন্দ্র প্রহরী।উদ্দীপকের তিতুমীর চরিত্রকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাউদ্দৌলা চরিত্রের সঙ্গে তুলনা কর।
- পাকিস্তানি শাসকবর্গ দীর্ঘ চব্বিশ বছর বাঙালিদের উপর শাসন, শোষণ, অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নেতৃত্বে এ দেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে ও দেশ স্বাধীন করেছে। দেশের মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধু বহুবার জেল খেটেছেন। ১৯৭৫ সালে দেশি ও বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্র করে দেশপ্রেমিক এ মহান নেতাকে হত্যা করে।উদ্দীপকের স্বার্থান্বেষী মহলের ভূমিকা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- গোলকচন্দ্র বসু ও তাঁর রাইয়ত সাধুচরণের আলাপচারিতায় ফুটে ওঠে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষিদের নীলচাষে বাধ্য করা; নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম; নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকান্ডের অংশ প্রজাপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীনমাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীলকরকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তী সময়ে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীনমাধব মৃত্যুবরণ করে।'অবস্থানগত ভিন্নতা পরিলক্ষিত হলেও নবীনমাধব এবং সিরাজউদ্দৌলার জীবন একই সূত্রে গাঁথা।'- মতামতসহ তোমার অবস্থান তুলে ধরো।
- 'শুভ কাজে অথবা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়'- উক্তিটি