'বর্গি এস খাজনা নিতে
মারল মানুষ কত।
পুড়ল শহর, পুড়ল শ্যামল
গ্রাম যে শত শত।
হানাদারের সজো জোরে
লড়ে মুক্তি সেনা,
তাদের কথা দেশের মানুষ
কখনো ভুলবে না।'
উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটিকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- রফিক স্পষ্টভাবেই তার চাওয়াটা সকলকে জানিয়ে দিয়ে গেছে। সে সহ-সভাপতির পদ চায়। এও বলেছে যে, যদি সোহেলদের দল জিতবে নিশ্চয়তা থাকে তাহলেই কেবল রফিক তাদের দলে আসবে, পরাজয়ের আশঙ্কা থাকলে সে তার বর্তমান দল ত্যাগ করবে না। উদ্দীপকের রফিক চরিত্রটি 'সিরাজউদ্???ৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিরূপ?
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আপাদমস্তক একজন দেশপ্রেমিক। যুগ যুগ ধরে শোষিত নিপীড়িত বাঙালিকে তিনিই মুক্তির স্বাদ দিতে পেরেছিলেন। দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবেসে 'বহুবার কারাবরণ করেছেন তিনি। নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণে। অথচ নিজ ঘরের দরজায় পরিচিত কয়েকজনকে হন্তারকের ভূমিকায় দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন জাতির পিতা।'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলার মতোই দেশপ্রেমিক ছিলেন।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে মোট কতটি দৃশ্য রয়েছে?
- 'আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে নাও শয়তান।'- কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথাটি বলেছে?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটি কতটি অঙ্ক ও দৃশ্যে রচিত হয়?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ‘We have come to earn money and not to get into politics' – সংলাপটি কার?
- "বাপের খেদানো মায়ে তাড়ানো" - কথটি সিরাজুদ্দোলা নাটকের কোন চরিত্র সম্পকে প্রযোজ্য ?
- পাকিস্তানি শাসকবর্গ দীর্ঘ চব্বিশ বছর বাঙালিদের উপর শাসন, শোষণ, অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নেতৃত্বে এ দেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে ও দেশ স্বাধীন করেছে। দেশের মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধু বহুবার জেল খেটেছেন। ১৯৭৫ সালে দেশি ও বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্র করে দেশপ্রেমিক এ মহান নেতাকে হত্যা করে।উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর দেশপ্রেমের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সঙ্গে অধিকতর সঙ্গতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
- “তোমার অপরাধের জন্য নবাবের দণ্ডাজ্ঞা শোনাতেএসেছি। ” — কোন নবাবের?
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য অনুসারে রাম-রাবণের যুদ্ধে বিভীষণ স্বপক্ষ-ত্যাগী বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী, অকৃতজ্ঞ ও স্বজনবিমুখ হিসেবে চিহ্নিত। অপরদিকে বীরবাহু, কুম্ভকর্ণ ও মেঘনাদ দেশপ্রেমিক। নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁরা জীবন উৎসর্গকারী। যদিও বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে মেঘনাদ যুদ্ধ করার সুযোগ পায়নি। আজও বাঙালি সমাজে প্রবাদ হয়ে আছে-'ঘরের শত্রু বিভীষণ'।"উদ্দীপকের মেঘনাদ ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় যুদ্ধ ক্ষেত্রে নয়, ষড়যন্ত্রের কাছে।"-উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে এ উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দেশি-বিদেশি চক্রান্তে একদলবিপথগামী সেনাসদস্যের সহায়তায় জাতির জনকবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে ক্ষমতা দখলকরে খন্দকার মোশতাক।উদ্দীপকের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুররহমান-এর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের মিল রয়েছে?
- নবাব সিরাজ রাজধানীতে ফিরে এলেন কেন?
- যতিন শেখ বহু বছর ধরে প্রবাসী। থাকা-খাওয়াসহ মাসিক বেতনের বিনিময়ে তার গ্রামের বাড়ি ও সম্পদ দেখাশুনা করে মোহন। প্রচন্ড অর্থলোভী মোহন যতিন শেখের সহায়-সম্পদের যথেচ্ছা ব্যবহার ও তা আত্মসাৎ করলেও যতিন শেখের কাছে সে ভীষণ বিশ্বাসভাজন। এবার দেশে এলে মোহন ডাকাত দলের সাথে মিলে যতিন শেখের বাড়ি ডাকাতি করে বিপুল অর্থ আত্মসাতের পরিকল্পনা করেছে। সে মনে করে অর্থই সব, অর্থের চেয়ে বড় আর কিছু নেই।উদ্দীপকের মোহন চরিত্রের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌল' নাটকের কোন ঘটনা ও চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা কর।
- হোসেন মিয়া বিশাল সম্পত্তির অধিকারী। তার চার ছেলে সবাই প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বার্থের জন্য কৌশলী, মনোভাবের অধিকারী। হোসেন মিয়া সবকিছু বুঝতে পারলেও সন্তান হিসেবে তাদেরকে বারবার ক্ষমা করে দেন। তার এই অপরিসীম কোমল মনোভাবের কারণে একসময় ছেলেরা গোপনে পুরো সম্পত্তি অন্যের কাছে বিক্রি করে দেয় এবং শেষ পরিণতিতে হোসেন মিয়া রাস্তায় নেমে আসেন। "উদ্দীপকের হোসেন মিয়ার অপরিসীম মহানুভবতা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ।" মন্তব্যটি যথার্থতা বিচার করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কেন মিরজাফর চক্রকে বন্দি করেননি?
- পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠা একাই ভোগ দখল করার লক্ষে অতি আদরের ভাতিজা নাজমুলের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় চাচা বদরুল। উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন বিষয়টিকে ধারণ করেছে?
- মুকিম সাহেব রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ময়লার ভাগাড়ের পাশে আট মাস বয়সী এক শিশুর কান্না শুনতে পান। পরম যত্নে বুকে তুলে নেন এবং নাম দেন আজমল। সে প্রায় ত্রিশ বছর আগের ঘটনা। তখন থেকেই তিনি আজমলকে স্নেহ-ভালোবাসায় বড় করে তোলেন। নীচু মানসিকতার আজমল ছিল অত্যন্ত লোভী। সে সুযোগ খোঁজে আশ্রয়দাতার সমস্ত সম্পত্তি হস্তগত করার। একদিন অস্ত্রের মুখে মুকিম সাহেবকে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দিতে বাধ্য করে এবং স্বহস্তে আশ্রয়দাতাকে হত্যা করে আজমল।"উদ্দীপকের মুকিম সাহেব এবং নবাব সিরাজের করুণ পরিণতি একই সূত্রে গ্রথিত।" উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
- রাইসুল জুহালা কে?
- সিরাজের শ্বশুরের নাম কী?
- "ব্রিটিশ সিংহ ভয় লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।"-ব্যাখ্যা করো।
- "আপনাকে আমরা মায়ের মত ভালবাসি।" ঘসেটি বেগমকে উদ্দেশ্য করে একথা বলেছিল-
- রাজিব এতিম সুমনকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনে প্রতিপালন করে এবং প্রতিষ্ঠিত করে। সেই রাজীবকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে সুমন।'উদ্দীপকের রাজীব চরিত্রের মতো। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কাকে নির্মমভাবহত্যার কথা উল্লেখ রয়েছে?
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।'- উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- ক্লাইভের গাধা বলা হয় কাকে?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘুমন্ত বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনী সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অন্যায়ভাবে ব্যাপক হত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ চালায় বাংলাদেশে। আলবদর, আলশামস বাহিনীর মাধ্যমে পাকিস্তানিরা এ দেশে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। দীর্ঘ নয় মাসে তারা ৩০ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করে। কিন্তু সাহসী বাঙালি প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানিদের কোণঠাসা করে মুক্তির বিজয় ছিনিয়ে আনে।উদ্দীপকে সাহসী বাঙালির প্রবল প্রতিরোধের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কীভাবে বর্ণিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- প্রাচীন গ্রিস প্রজাতন্ত্রী নগররাষ্ট্র ছিল। 'জুলিয়াস সিজার একজন সফল সেনাপ্রধান ছিলেন। কালক্রমে জুলিয়াস সিজার একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। তাঁর এ নীতির সমর্থন দেন তাঁর স্নেহভাজন ব্রুটাস। পরবর্তীতে সিনেটররা রাষ্ট্রের কল্যাণার্থে সিজারকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেন। ব্রুটাস তখন ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে যোগ দেন। নিরস্ত্র সিজারকে সিনেটররা একের পর এক ছুরিকাঘাত করতে থাকে। যখন তাঁর প্রিয় ব্রুটাস তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন তখন সিজার হতবাক হয়ে বলে, Et tu, Brue অর্থ: ও ব্রুটাস তুমিও?'যুগে যুগে কালে কালে ব্রুটাসরা আছেন, থাকবেন'- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি যাচাই করো।
- " সিরাজউদ্দৌলা'' নাটকটি কয় অঙ্কে বিভক্ত ?
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কতটি দৃশ্য রয়েছে?
- 'নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?' উদ্দীপকের 'তস্কর' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোনটিপ্রতিনিধিত্ব করে?
- নবাবের গোলন্দাজ বাহিনী কোন খাল পেরিয়ে ছুটে আসছে?
- এ দেশের বাতাস, আমার প্রতিটি বিশুদ্ধ নিশ্বাসকেউ চাইলেই—আমার নিশ্বাসের বাতাসে বারুদের গন্ধ ছড়াতে পারে না।আমরা তা কিছুতেই দিতে পারি না...........উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন তাৎপর্যবহন করে?
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- মহাকবি বাল্মীকির "রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির ভাষিক রূপ। রামায়ণের কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজিয়েছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। রাবণ চরিত্র তাঁর অনন্য সৃষ্টি। রাবণ দেশপ্রেমিক ও অসাধারণ এক বীর। সহোদর বিভীষণ বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী। বহিঃশক্তি রাম-লক্ষ্মণ তার দোসর। তার দেখানো পথেই লক্ষ্মণ রাবণপুত্র নিরস্ত্র মেঘনাদকে হত্যা করে বিভীষণের কারণেই লঙ্কার যুদ্ধে রাবণকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয় এবং বিজয় সূচিত হয় বহিঃশক্তির।বিভীষণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রকে নির্দেশ করে- আলোচনা করো।
- 'যত বড় মুখ নয় তত বড়ো কথা'- উক্তিটি কার?
- ক্লাইভের গাধা বলা হয় কাকে?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাবের প্রধান গুপ্তচরের নাম কী?
- ‘কিত্তনখোলা’ নাটকটির বিষয়-
- লং লিভ নবাব জাফর আলী খান' উক্তিটি কার?
- সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালের দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত। জেনারেল পিনোচেট।উদ্দীপকের পিনোচেট 'সিরাজদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সর্বাধিক মিল রয়েছে?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজউদ্দৌলার উপস্থিতিআছে কয়টি দৃশ্যে?