'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাবের প্রধান গুপ্তচরের নাম কী?
A. নারান সিং
B. মদনলাল
C. মোহনলাল
D. উমিচাদ
সঠিক উত্তরঃ
A.
নারান সিং
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চতুর ও উচ্চাভিলাষী চন্দ্রগুপ্ত গ্রিক শিবিরে আলেকজান্ডারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নন্দবংশের উৎখাতের জন্য তার সাহায্য কামনা করে। আলেকজান্ডার চন্দ্রগুপ্তের ধৃষ্টতায় রুষ্ট হয়ে তার প্রাণদণ্ড দিলেও সে পালিয়ে আত্মরক্ষা করে। পরে বিচক্ষণ কূটনীতিবিদ ও অর্থনীতিবিদ চাণক্যের পরামর্শে নন্দবংশ ধ্বংসপূর্বক সিংহাসনে আরোহণ করে চন্দ্রগুপ্ত।'উদ্দীপকের চন্দ্রগুপ্তের মধ্যে মিরজাফরের উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকলেও রবার্ট ক্লাইভের ধূর্ততাই বেশি।'- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- নতুন বাইকে চেপে রাশেদ একদিন বিকেলে তার মামার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে নির্জন স্থানে লাঠিতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একজন লোক হাত তুলে তাকে থামতে বলে। রাশেদ কাছে গিয়ে বাইক থামালে লোকটি তাকে অনুরোধ করে বলে- "ভাই, আমি একজন পঙ্গু মানুষ, দয়া করে আমাকে সামনের মোড়ে নামিয়ে দিবেন?" রাশেদ তাকে বাইকের পিছনে নিয়ে কিছুদূর যেতেই লোকটি কৌশলে তার হাতের লাঠি ফেলে দেয় এবং তাকে লাঠিটা আনতে অনুরোধ করে। রাশেদ বাইক থেকে নেমে লাঠি আনতে গেলে লোকটি নিমিষেই বাইক নিয়ে উধাও হয়ে যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত পঙ্গু লোকটির বিশ্বাসঘাতকতার সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কতটুকু মিল আছে- আলোচনা করো।
- "ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব।"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'তার নবাব হওয়াটাই আমার মস্ত ক্ষতি।'- ঘসেটি বেগমের এ উক্তির কারণ কী?
- নারান সিং-এর পরিচয় কি ?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- 'আপনারা সব পারেন'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- রুনু ও ঝুনু দু'বোন। রুনুর দুই সন্তান। ঝুনুর কোনো সন্তান নেই। তাই ঝুনু রুনুর সন্তানদের মাতৃস্নেহে বড় করে। কিন্তু এ স্নেহ বেশিদিন স্থায়ী লাভ করে না। কারণ রুনু-ঝুনুর বাবা তাঁর সমস্ত সম্পত্তি রুনুর দুই সন্তানকে উইল করে দেন। এতে ঝুনু মনঃকষ্ট নিয়ে বলে, আগে জানলে রুনুর সন্তানদের ছোটবেলায় মেরে ফেলতাম।"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আংশিক চিত্র মাত্র"- বিশ্লেষণ করো।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে রাজাকার ও আলবদররা গোপনে পাকিস্তানিবাহিনীকে সহায়তা করে এবং বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।তাদের সহায়তায় পাক হানাদার বাহিনী বাংলাদেশে বু??্ধিজীবী হত্যারনীল নকশা প্রণয়ন করে।উদ্দীপক এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল বিষয়—
- জামিল সাহেব রায়হানকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনেলালনপালন করেন। লেখাপড়া শেখান। জামিল সাহেবনিজের সন্তানের মতোই তাকে ভালোবাসতেন। কিন্তুজামিল সাহেব মারা যাওয়ার পর রায়হান সম্পত্তিরলোভে জামিল সাহেবের ছেলেকে হত্যা করে ।উদ্দীপকের রায়হান নিচের কোন চরিত্রের সাথেতুলনীয়?
- 'নেমেসিস' নাটক যে বিষয়ের উপর লেখা সেটি হল-
- ‘আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে' বলতেনবাব বোঝাতে চেয়েছেন—
- "ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?”- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- সম্রাট আকবরের সভাসদ ছিলেন আবুল ফজল। সম্রাট সাম্রাজ্য পরিচালনার সব বিষয়েই তার সভাসদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন। একবার পারস্য সম্রাট আবুল ফজলকে প্রস্তাব দেন যে, 'সে'যদি ভারতবর্ষের নানা গোপনীয় তথ্য পারস্যে পাচার করে, তাহলে তাকে অনেক ধনসম্পদ দেওয়া হবে। আবুল ফজল ঘৃণাভরে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, আমি আমৃত্যু ভারত সম্রাটের হয়ে কাজ করব।উদ্দীপকের আবুল ফজলের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের অমিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম সংলাপটি কার?
- রফিক সাহেব নাম-পরিচয়হীন এক অনাথ বালককে আশ্রয় দিয়েছিলেন বিশ বছর আগে। নাম রেখেছিলেন সজল। অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আদর-যত্নে রফিক সাহেবের সন্তান হিসেবেই সে বড়ো হয়। কিন্তু, ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধের সৌরভ তার মধ্যে সৃষ্টি হয়নি। মনের দিক থেকে সে এতই কদর্য ও সংকীর্ণ যে, রফিক সাহেবের বিশাল সম্পত্তির মালিক হয়ে যেতে চায় সে। এলাকায় রফিক সাহেবের যশ-খ্যাতি ও সুনামের যারা প্রতিপক্ষ, তাদের দ্বারা সজল প্রতিনিয়ত প্ররোচিত হয়। সে তার আশ্রয়দাতার সম্পত্তি হস্তগত করার জন্য সুযোগ খোঁজে। একদিন সে অস্ত্রের মুখে সমস্ত সম্পত্তি তার নামে লিখে দিতে রফিক সাহেবকে বাধ্য করে এবং পরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।"উদ্দীপকের রফিক সাহেব ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের পরিণতি এক হলেও প্রেক্ষাপট ভিন্ন।"- আলোচনা করো।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘুমন্ত বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনী সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অন্যায়ভাবে ব্যাপক হত্যা আর ধ্বংসযজ্ঞ চালায় বাংলাদেশে। আলবদর, আলশামস বাহিনীর মাধ্যমে পাকিস্তানিরা এ দেশে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। দীর্ঘ নয় মাসে তারা ৩০ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করে। কিন্তু সাহসী বাঙালি প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানিদের কোণঠাসা করে মুক্তির বিজয় ছিনিয়ে আনে।'পলাশির যুদ্ধ আর মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্য এক থাকলেও এগুলোর ফলাফল ছিল সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী।'- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- মনীষী এরিস্টটল নাটকের কয়টি ঐক্যের কথা বলেছেন?
- 'আমি জানি হি ইজ এ ডেড হর্স'- উক্তিটি কার?
- 'সিরাজউদ্দৌলা, এখন কয়েদি, ওয়ার ক্রিমিনাল।'- ব্যাখ্যা করো।
- সম্রাট আকবরের সভাসদ ছিলেন আবুল ফজল। সম্রাট সাম্রাজ্য পরিচালনার সব বিষয়েই তার সভাসদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন। একবার পারস্য সম্রাট আবুল ফজলকে প্রস্তাব দেন যে, 'সে'যদি ভারতবর্ষের নানা গোপনীয় তথ্য পারস্যে পাচার করে, তাহলে তাকে অনেক ধনসম্পদ দেওয়া হবে। আবুল ফজল ঘৃণাভরে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, আমি আমৃত্যু ভারত সম্রাটের হয়ে কাজ করব।"উদ্দীপকের আবুল ফজলের মতো বিশস্ত মানুষ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেও ছিল।"- নাটকের প্রাসঙ্গিক চরিত্র বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত উপস্থাপন করো।
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে 'দি ব্রেভেস্ট সোলজার' আখ্যা দেওয়া হয়েছে-
- ব্রিটিশ সিংহ লেজ গুটিয়ে নিলেন এ বড় লজ্জার কথা'- ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে মিরজাফরের গুপ্তচরের নাম কী?
- "আত্মসমর্পণ করাই এখন যুক্তিসংগত"- উক্তিটি কার?
- আবেদ আলী এতিম জালালকে আদর, ভালোবাসা আর বিশ্বাস-ভরসা দিয়ে বড় করে তোলেন। তাকে বিশ্বাস করে হাটে বাজারে পাঠান বিকিকিনি করতে। প্রতিবেশীরা সাবধান করলেও আবেদ আলী তা কানে তোলেননি। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হলে আবেদ আলী বাড়ির ভিতরে থেকে জালালকে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে চলে যেতে বলেন। কিন্তু জালাল প্রতিশ্রুতি দিয়েও লোভে পড়ে আবেদ আলীকে ধরিয়ে দেয় রাজাকার আর পাক হানাদারদের হাতে।"উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পুরো ভাব প্রকাশিত না হলেও একটি দিক মাত্র প্রকাশিত হয়েছে"- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- ধনকুবের উত্তম দেবনাথ তার চাচাতো ভাইয়ের ষড়যন্ত্রে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন। সরল মনের মানুষ উত্তম দেবনাথ তাঁর ভাইকে বিশ্বাস করে ঠকেছেন। তিনি পুলিশের ভয়ে চোরের মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাঁর স্ত্রী মাধবী ছোটো সন্তান নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঘোরেন। তার স্বামীর যখন এ দুরবস্থা, তখন তার কীসের অহংকার, কীসের কষ্ট।উদ্দীপকের মাধবী ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের লুৎফা কোন দিক দিয়ে অভিন্ন? ব্যাখ্যা করো।বিশ্লেষণ করো।
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহাধনবান,অসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান।……………………………………………হউক বীরেন্দ্র সে যেন রোস্তমশত শত দাস তার সেবুক চরণকরুক স্তাবকদল স্তব সংকীর্তন।কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমি হিত,স্বজাতির সেবা যে করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সত্বরঅতীব ঘৃণিত সে পাষণ্ড বর্বর।"উদ্দীপকের মূলভাব 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাবের জন্য প্রযোজ্য নয়"- ব্যাখ্যা করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যের সময়কাল কত?
- মিরজাফর অগ্নিগিরির মতো প্রচণ্ড গর্জনে ফেটে পড়বার জন্য তৈরি হন কেন?
- সৈয়দপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজ এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তার নিকটাত্মীয় মনির একজন বিশ্বাসঘাতক রাজাকার। কেউই মনিরকে বুঝিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দলে নিতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে একদিন মনির রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিনকে ধরিয়ে দেয় পাক বাহিনীর হাতে।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- নাটকে সংলাপের ভূমিকা- চরিত্রের অনুভূতিকে প্রকাশ করে চরিত্রকে গতিশীল ও সক্রিয় রাখে কাহিনির বিকল্প ভূমিকা পালন করেনিচের কোনটি সঠিক?
- স্বার্থপর ক্লডিয়াস রানির সাথে হাত মিলিয়ে রাজা হ্যামলেটকে হত্যা করে।উদ্দীপকে ক্লডিয়াস ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর উভয়ই-ক্ষমতালোভীসুযোগসন্ধানীব্যক্তিত্ববাননিচের কোনটি সঠিক?
- জোহরাঃ আর একদিন কি দু'দিন। তারপরই সে ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো, আমার সঙ্গে ফিরে চলো। কার্দিঃ যে ফিরে যাবে সে আমি হবো না, সে হবে বিশ্বাসঘাতক। ... আমার সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব/দলত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা। (রক্তাক্ত প্রান্তর- মুনীর চৌধুরী)“ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের লর্ড ক্লাইভ উদ্দীপকে বর্ণিত কার্দির বিপরীত প্রতিচ্ছবি।”- বিশ্লেষণ করো।
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রকাশকাল কত?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ, পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করলে অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। তখন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন মোনায়েম খাঁ। বাঙালি হয়েও তিনি স্বদেশ ও স্বজাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। তার সাথে নানা অপতৎপরতায় যুক্ত হয় এ দেশের কিছু দালাল-দোসর। মোনায়েম খাঁ ও তার সহযোগী কুলাঙ্গারদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় হানাদার বাহিনী লাখ লাখ দেশপ্রেমিক বাঙালিকে হত্যা করে।তুমি কী মনে কর উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বিষয়বস্তুর প্রতিফলন ঘটেছে? যুক্তিসহ ব্যাখ্যা কর।
- ধর্মপথগামী, হে রাক্ষসরাজানুজ, বিখ্যাত জগতেতুমি; কোন ধর্মমতে, কহ দাসে, শুনি,জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি, এ সকল দিলাজলাজালি? শাস্ত্রে বলে, গুণবান যদি পরজন,গুণহীন-স্বজন, তথাপি নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ পরঃপরঃ সদা।উদ্দীপকের স্বজন, পরজন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রগুলো প্রতিনিধিত্ব করে?
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাঙামাটির 'বুড়িঘাট' যুদ্ধের শত্রুপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পের কাছাকাছি চলে আসে। সহযোদ্ধাদের অপ্রস্তুতির বিষয়টি টের পেয়ে মুন্সি আবদুর রউফ মেশিনগানের গুলি চালিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে সহযোদ্ধারা প্রস্তুতি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করার প্রাক্কালে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ। পরাস্ত হয় শত্রুপক্ষ।উদ্দীপকের বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে যুদ্ধক্ষেত্রে মোহনলালের ভূমিকার তুলনা করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতায় আসার পর থেকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তার আত্মীয়স্বজন, পর্যন্ত তার বিরুদ্ধাচরণ করে। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি এই ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করতে পেরেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই পারেননি। পলাশির যুদ্ধে তিনি যেমন প্রতারিত হয়েছিলেন তেমনি ভাগ্য তার বিরুদ্ধে ছিল।উদ্দীপকের শেষ চরণটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে প্রমাণ করো।
- "…………… সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?" বক্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।