নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চতুর ও উচ্চাভিলাষী চন্দ্রগুপ্ত গ্রিক শিবিরে আলেকজান্ডারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নন্দবংশের উৎখাতের জন্য তার সাহায্য কামনা করে। আলেকজান্ডার চন্দ্রগুপ্তের ধৃষ্টতায় রুষ্ট হয়ে তার প্রাণদণ্ড দিলেও সে পালিয়ে আত্মরক্ষা করে। পরে বিচক্ষণ কূটনীতিবিদ ও অর্থনীতিবিদ চাণক্যের পরামর্শে নন্দবংশ ধ্বংসপূর্বক সিংহাসনে আরোহণ করে চন্দ্রগুপ্ত।
'উদ্দীপকের চন্দ্রগুপ্তের মধ্যে মিরজাফরের উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকলেও রবার্ট ক্লাইভের ধূর্ততাই বেশি।'- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- রুনু ও ঝুনু দু'বোন। রুনুর দুই সন্তান। ঝুনুর কোনো সন্তান নেই। তাই ঝুনু রুনুর সন্তানদের মাতৃস্নেহে বড় করে। কিন্তু এ স্নেহ বেশিদিন স্থায়ী লাভ করে না। কারণ রুনু-ঝুনুর বাবা তাঁর সমস্ত সম্পত্তি রুনুর দুই সন্তানকে উইল করে দেন। এতে ঝুনু মনঃকষ্ট নিয়ে বলে, আগে জানলে রুনুর সন্তানদের ছোটবেলায় মেরে ফেলতাম।উদ্দীপকের ঝুনুর সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল আছে? বুঝিয়ে লেখো।
- কালাম ভাড়া করা বাড়িতে বসবাস করে। দীর্ঘদিন একবাড়িতে থাকার সুবাদে বাড়িওয়ালা আনোয়ারের সাথেসুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। আনোয়ারের চাচাত ভাই জামিলসম্পত্তির লোভে আনোয়ারকে হত্যা করতে উদ্যত হয়।জামিলের এ তৎপরতা অন্যায় জেনে বাধা দেয় কালাম।অবশেষে জামিলের হাতে নিহত হয় কালাম ।উদ্দীপকের কালামের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন চরিত্রকে তুলনা করা যায়?
- জোহরা: আর একদিন কি দু'দিন। তার পরই ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো। আমার সঙ্গে ফিরে চলো।কার্দিঃ যে ফিরে যাবে সে আমি হব না সে হবে বিশ্বাসঘাতক। আমাদের সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা।'উদ্দীপকের কার্দির মতো বিশ্বস্ত লোকের অপ্রতুলতার জন্য সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজয় বরণ করতে হয়েছে।'- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- মৃত্যুকালে সিরাজের মুষ্টিবদ্ধ হাত কীসের প্রতীক?
- ওরা গুলি ছোড়ে এদেশের প্রাণে, দেশের দাবিকে রোখেওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই বাংলার বুকে।ওরা এদেশের নয়,দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়।
- 'শুভ কাজে অথবা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়'- উক্তিটি
- "বাংলাদেশের নাটকে "বর্ণনাত্মক রীতি" এর সার্থক প্রয়োগ কে ঘটান ?
- 'তোমার ক্ষমতা ধ্বংস করে, সিরাজ' কে, কাকে লক্ষ করে, কেন এ উক্তিটি করেছিল?
- একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দেশজুড়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন, নির্যাতনের মধ্যদিয়ে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই বাংলাদেশ নিয়ে নিউইয়র্কে ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয় অবিস্মরণীয় সংগীত সন্ধ্যা। উদ্যোক্তা ও শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জর্জ হ্যারিসন ও পণ্ডিত রবিশঙ্কর। 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' নামক এই অনুষ্ঠান থেকে সংগৃহীত বিপুল অর্থ বাংলাদেশের জন্য ইউনিসেফের শিশু সাহায্য তহবিলে তাঁরা দান করেন।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাথে কতটুকু যোগসূত্র স্থাপন করেছে?
- কোনটি ঐতিহাসিক নাটক?
- রোমের একচ্ছত্র অধিপতি জুলিয়াস সিজার। তাঁর সিনেটরয়া ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেনি। তারা সিজারকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এমনকি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাসও এই হীন চক্রান্তে যোগ - দেয়। সিনেটে নৃশংসভাবে নিহত হন সিজার। মৃত্যুকালে বন্ধু ব্রুটাসের হাতেও উদ্যত ছুরি দেখে - বিস্ম??ত সিজার বলে ওঠেন, 'ব্রুটাস, তুমিও!''ব্রুটাসেরা কেবল রোমেই নয়, এ বাংলাতেও বিচরণ করেছে।'- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে উক্তিটির মূল্যায়ন করো।
- নবাব সিরাজ রাজধানীতে ফিরে এলেন কেন?
- একরাতে একদল অচেনা লোক রাহাত সাহেবের বাড়িতেআশ্রয় চায়। রাহাত সাহেব দয়াপরবশ হয়ে তাদের থাকা ওখাওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু মধ্যরাতে সেই অচেনালোকেরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে টাকা-পয়সা ও মূল্যবানজিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায় ।উদ্দীপকের আগন্তুকরা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কাদেরসাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমান ধানমন্ডির বাসায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিকষড়যন্ত্রে সপরিবার শাহাদাত বরণ করেন। কিছু বিপথগামীসেনা সদস্য এ কাজে নিয়োজিত ছিল এবং তারাই হাজারবছরের শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মেরে ফেলল। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাসকরতে পারেননি যে, তাঁকে কেউ মারতে পারে।উদ্দীপকের বিপথগামী সেনা সদস্যদের সঙ্গে‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়াযায়?
- “সিরাজউদ্দৌলা” নাটকের কতটি দৃশ্যে সিরাজউদ্দৌলার উপস্থিতি রয়েছে?
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপোষহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষণকারী, স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ সর্বোপরি ১৯৭১ সনে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর সঠিক নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম 'বাংলাদেশ' নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানিদের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সনের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।"উদ্দীপকের শেখ মুজিবুর রহমান এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজউদ্দৌলা দু'জনেই দেশপ্রেমী এবং নির্মম ষড়যন্ত্রের শিকার"- উক্তিটির তাৎপর্য বিচার করো।
- 'তুমিও আমাকে বিচার করতে বসলে?'- কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে? সংক্ষেপে বর্ণনা করো।
- সিরাজউদ্দৌলাকে কে হত্যা করেন?
- শোনা যায়, তিস্তাপাড়ে এখন আর ফসলি জমি নেই। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী জমিতে মেশিন বসিয়ে উত্তোলন করে নিচ্ছে ভূগর্ভস্থ পাথর। এই অঞ্চলে ফসলের তুলনায় পাথরের মূল্য বেশি। দিনে দিনে মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এলাকার সচেতন জনগোষ্ঠী দেশের স্বার্থে এতে বাধা দিলে তারা সাময়িকভাবে পাথর উত্তোলন-বদ্ধ রাখে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তিনটি মেশিন বসানোর অনুমতি নিয়ে বাস্তবে তিনশত মেশিন বসিয়ে আবার পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এতে যেমন ব্যাহত হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন, তেমনি নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। ব্যবসায়ীদের তাতে কিছু যায়-আসে না, অধিক মুনাফা অর্জনই যেন তাদের লক্ষ্য। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো শোনা যাবে, মাটির নিচে তলিয়ে গেছে তিস্তাপাড়ের বিশাল জনপদ।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের অসাধু ব্যবসায়ী আর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজ বেনিয়াদের চরিত্র অভিন্ন"- এই বিষয়ে তোমার অভিমত আলোচনা করো।
- "আপনার দুঃসাহসের সীমা নেই। আমার প্রাসাদে কার অনুমতিতে আপনি প্রবেশ করেছেন?" ব্যাখ্যা কর।
- বিপদ যদি আসেই তাহলে তা আসবে কলকাতার দিক দিয়ে গ্যার স্রোতে ভেসে।'- এ ধারণা কার?
- 'নবাবের কোনো ক্ষমতা নেই।"- ক্লাইভের এ কথার অর্থ কী?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাবের প্রধান গুপ্তচরের নাম কী?
- 'আজ আমার ভরসা আমার সেনাবাহিনীর শক্তি নয় ....' - সিরাজউদ্দৌলা তাহলে পলাশীতে কিসের উপর ভরসা করতে চেয়েছিলেন?
- ব্রিটিশ শাসকদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভারতবাসী। ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে এগিয়ে আসেন অনেকে। এদেরই একজন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন কিন্তু আত্মসমর্পণ করেননি।" 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল বিষয় দেশপ্রেম যা উদ্দীপকে বিদ্যমান।" মন্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- দশ গ্রামের মাতব্বর আশরাদ চৌধুরী নিঃসন্তান না হলেও কোনো পুত্রসন্তান নেই। বিত্তশালী চৌধুরী সাহেব তাই সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী করেন ভাইপো সজলকে। এতে ক্ষিপ্ত হয় তার অন্যান্য ওয়ারিশরা। চৌধুরী সাহেব সকলকে বোঝাতে পারলেও জামাতা আসমত সাহেবকে কোনোভাবে বোঝাতে পারেনি। তিনি শ্বশুরকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।"উদ্দীপকটিতে চক্রান্তের আভাস থাকলেও তা সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সমগ্র ভাবধারাকে ধারণ করতে পারেনি।" এ বিষয়ে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- "আত্মসমর্পণ করাই এখন যুক্তিসংগত"- উক্তিটি কার?
- স্বার্থপর ক্লডিয়াস রানির সাথে হাত মিলিয়ে রাজা হ্যামলেটকে হত্যা করে।উদ্দীপকের রাজা হ্যামলেট "সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- সিরাজের কোন অমাত্য নিরীশ্বরবাদী জৈন ধর্মেরঅনুসারী ছিলেন?
- বৃটিশ শাসকদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভারতবাসী। ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে এগিয়ে আসেন তার অনেক অনুসারী। এদেরই একজন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন কিন্তু আত্মসমর্পণ করেননি।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য দেশপ্রেম, যা উদ্দীপকে বিদ্যমান- তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কতটি দৃশ্য রয়েছে?
- 'ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- মিরজাফর ১৭৫৭ সালের কত তারিখে বাংলারমসনদে বসেন?
- আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্যাপিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের অসীম দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ চরিত্রের করুণ পরিণতি আলোচনা করো।
- মীর জাফরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-ক্ষমতালোভী, পরশ্রীকাতরকূটকৌশলী, ব্যক্তিত্বশালী সুযোগসন্ধানী, ষড়যন্ত্রকারীনিচের কোনটি সঠিক?
- আকবর সাহেবের কুপুত্র তানভীরকে পারিবারিক ব্যাবসারভাগ না দিয়ে আকমল সাহেবের ছেলে ইমরানকে ব্যাবসারএকচ্ছত্র কর্ণধার করে যান দাদা আশরাফউদ্দিন। এ নিয়েইআকবর সাহেব ভ্রাতুষ্পুত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন ।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে দিকের সাথেসঙ্গতিপূর্ণ—
- 'আমি চিরকালই ইংরেজদের বন্ধু।'- উক্তিটি কার?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড়ো লজ্জার কথা।'- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়??? নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা'- ব্যাখ্যা করো।
- 'তার নবাব হওয়াটাই আমার মস্ত ক্ষতি।'- ঘসেটি বেগমের এ উক্তির কারণ কী?